আল— হজ্ব : ৩০ থেকে ৩৯
আল কুরআন (আল— হজ্ব : ৩০ থেকে ৩৯) ৩০. এগুলো (হজ্বের বিধান)। এ ছাড়া যে, আল্লাহ এবং পবিত্র (স্থান ও অনুষ্ঠান) সমূহের প্রতি সম্মান দেখাবে, তার প্রভ...
বিস্তারিতনবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন
সাঈদ ইবনু আবদুর রহমান মাখযূমী রা. আব্বাদ ইবনু তামীম তৎপিতৃব্য আবদুল্লাহ্ ইবনু যায়দ রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত যে, তিনি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয...
বিস্তারিতবাংলাদেশের ইতিহাসে আরেকটি অন্তর্বর্তীকালীন সরকার গঠিত হলো
নোবেল বিজয়ী প্রফেসর ড. মুহাম্মদ ইউনুস এর নেতৃত্বে বাংলাদেশের ইতিহাসে আরেকটি অন্তর্বর্তীকালীন সরকার গঠিত হলো। নিঃসন্দেহে এই সরকার একটি বিপ্লবোত্তর সরক...
বিস্তারিতপবিত্র
কুরআন মাজিদের বিভিন্ন সূরা ও অয়াতের
ফজিলত সহীহ হাদীসের আলোকে
বর্ণিত হয়েছে। সূরা ফাতিহা, সূরা
মূলক, সূরা বাক্বারা শেষ
দুই আয়াত, অয়াতুল কুরসী, সূরা আল-ক্বাহাফ,
সূরা ইখলাস, ফালাক, নাস “উপরোক্ত সূরা
এবং আয়াতের সংক্ষিপ্ত ফজিলত নিম্নে উপস্থাপন করা হলোঃ
ফজিলতঃ
০১ সূরা ফাতিহা
রাসূলুল্লাহ
সা. বলেন, “সূরা ফাতিহা’ কে
আল্লাহ তা’আলা তার
ও বান্দার মাঝে ভাগ করে
নিয়েছেন, বান্দা যখন নামাযে সূরা
ফাতিহা পাঠ করে প্রতিটি
আয়াতের জবাব আল্লাহ তা’আলা নিজে দেন:
সুরা ফাতিহা রোগ সারায়।
ফজিলতঃ
০২ সূরা মূলক
রাসূলুল্লাহ
সা. বলেন, ‘সূরা মুলক’ তার
পাঠকারীর জন্য সুপারিশ করবে
এবং শেষঅবধি পাঠক কে ক্ষমা
করে দেওয়া হবে :
ফজিলতঃ
০৩ সূরা বাক্বারার শেষ
দুই আয়াত
রাসূলুল্লাহ
সা. বলেন, “যে ব্যক্তি রাতে
‘সূরা বাক্বারা’র শেষ ২টি
আয়াত পাঠ করবে, তার
জন্য ঐ রাতে অপ্রীতিকর
জিনিসের মোকাবেলায় ঐ দু’টি
আয়াতই যথেষ্ট হবে অথবা তাহাজ্জুদের
সালাত থেকে যথেষ্ট হবে:
ফজিলতঃ
০৪ আয়াতুল কুরসী রাসূলুল্লাহ সা. বলেন, “কুরআনের
সবচেয়ে বড় মর্যাদাপূর্ণ আয়াত
‘আয়াতুল কুরসী’। “যে ব্যক্তি
ঘুমানোর সময় আয়াতুল কুরসী
পাঠ করবে তার জন্য
আল্লাহর পক্ষ থেকে একজন
রক্ষক নিযুক্ত করা হবে এবং
সকাল পর্যন্ত তার কাছে শয়তান
আসতে পারবে না।
“যে
ব্যক্তি প্রতি ফরয নামায শেষে
আয়াতুল কুরসী পড়ে, তার জান্নাতে
প্রবেশ করতে মৃত্যু ছাড়া
কোন কিছু বাধা হবে
না!
ফজিলতঃ
০৫ সূরা আল-ক্বাহাফ
রাসূলুল্লাহ সা, বলেন, “যে
ব্যক্তি ‘সূরা আল্-কাহাফ’-এর প্রথম ১০
আয়াত মুখস্ত করে সে দাজ্জালের
ফিৎনা হতে নিরাপদ থাকবে,
শেষ ১০ আয়াতের ব্যাপারেও
উল্লিখিত ফজিলতের বর্ণনা রয়েছে।
“যে
ব্যক্তি জুমু’আর দিনে
‘সূরা আল-কাহাফ’ পাঠ
করবে, তার জন্য মহান
আল্লাহ্ দুই জুমু’আর
মাঝে নূর আলোকিত করবেন।
ফজিলতঃ
০৬ সূরা ইখলাস
রাসূলুল্লাহ
সা. বলেন, “সূরা ইখলাস’ কুরআনের
এক তৃতীয়াংশের সমতুল্য ‘কুল হুওয়াল্লাহু আহাদ’
এর প্রতি ভালবাসা পাঠক কেহ জান্নাতে
প্রবেশ করাবে।”
ফজিলতঃ-০৭ সূরা ইখলাস
রাসূলুল্লাহ
সা. বলেন, “যে ব্যক্তি সকাল-সন্ধ্যায় ‘সুরা ইখলাস’ সুরা
ফালাক্ব এবং ‘সুরা নাস’
তিনবার করে পড়লো ঐ
ব্যক্তি যে কোন (ক্ষতিকর)
জিনিস থেকে নিরাপত্তার জন্য
এটা যথেষ্ট হবে।
(তথ্য
পঞ্জীঃ-
১)
মুসলিম ৯০৪, মিশকাত ৮২৩,
বুখারী ৫৭৩৬।
২)
আবু দাউদ ১৪০০, ইবনু
মাজাহ ৩৭৮৬।
৩)
রিয়াযুস স্বলেহীন ১০২৪, বুখারী ৪০০৮।
৪)
বুখারী ২৩১১, সহীহ আল্ জামে
৬৪৬৪।
৫)
মুসলিম, আবু দাউদ, তিরমিজি,
নাসাঈ ও মুসনাদে আহমদ,
ইমাম নাসাঈ ও বায়হাকী।
৬)
মুসলিম ৮১২, তিরমিযী ২৯০১।
৭) তিরমিযী ৩৫৭৫, আবূ দাউদ ৫০৮২, নাসয়ী ৫৪২৮, ৫৪২৯।)
নিয়ত পরিশুদ্ধ রাখা কেন অনিবার্য ভাবে প্রয়োজন? ‘সাইয়িদুনা উমর রাযিয়াল্লাহু আনহু বলেন, রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম ইরশাদ করেন, ‘সমস্ত কাজ নিয়তের ওপর নির্ভরশীল। ব্যক্তি তাই পাবে, যা সে নিয়ত করবে। অতএব, যে ব্যক্তি আল্লাহ ও তাঁর রাসূলের (সন্তুষ্টির) জন্য হিজরত করেছে, তার হিজরত (বাস্তবিকই) আল্লাহ ও তাঁর রাসূলের জন্য হয়েছে। আর যে ব্যক্তির হিজরতের (উদ্দেশ্য) ছিল, দুনিয়া উপার্জন বা কোনো নারীকে বিয়ে করা তার হিজরত সে উদ্দেশ্যেই গণ্য হবে।’ (সে আখিরাতে কোনো সাওয়াব পাবে না।) (সূরা মুমিনুন: ১১৫)
লা মাযহাবির পক্ষ থেকে আর একটা প্রশ্ন করা হয়, ইমামগণ সাধারণ মানুষ; তারা তো নবী না। আর সবাই একমত যে নবী ছাড়া প্রতিটি মানুষ যত বড়ই ইমাম হোক সবাই সঠিক করতে পারে আবার ভুল করতে পারে। তাই আমি এমন একজন মানুষকে কিভাবে মানবো যে সঠিক করতে পারে আবার ভুল করতে পারে। ইমামকে মানা ওয়াজিব করে দেওয়া মানে একটা ভুল কাজ
যাবতীয় কল্যাণ, সর্বপ্রকার জ্ঞান-গরিমা, প্রজ্ঞা ও রহস্যের আধার হল আল কুরআন। একে অনুসরণ করেই দুনিয়া ও আখিরাতে পাওয়া যায় সুখের সন্ধান, মেলে সঠিক পথের দিশা। আল কুরআন মহান আল্লাহর বাণীর অপূর্ব সমাহার বিস্ময়কর এক গ্রন্থের নাম। আল কুরআন আল্লাহর পক্ষ থেকে অবতীর্ণ সংরক্ষিত এক সংবিধান। আল্লাহ তা‘আলা জিবরাঈল আলাইহিস সালামের মাধ্যমে সুদীর্ঘ ২৩ বছরে মানব জাতির হিদায়াত হিসেবে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম এর উপর যে কিতাব অবতীর্ণ করেছেন তার নাম আল কুরআন। এই কুরআন যেমন সমগ্র মানব জাতির মানসিক সংশয়, সন্দেহ, অস্পষ্টতা, কুপ্রবৃত্তি, লোভ-লালসা নামক নানা রকম রোগ-ব্যাধি নিরাময়ের অব্যর্থ মহৌষধ ঠিক তেমনি দৈহিক রোগ-ব্যাধি, বেদনা, কষ্ট-ক্লেশ এবং জীবন চলার পথের সকল অন্ধকার বিদূরিত করার এক অনবদ্য নির্দেশিকা। আল্লাহ তা‘আলা ইরশাদ করেন, ‘আমি কুরআনে এমন বিষয় নাযিল করি যা রোগের প্রতিষেধক এবং মুমিনদের জন্য রহমত।’ (বনী ইসরাঈল : ৮২) এই কুরআন হল, সত্য-মিথ্যা এবং বৈধ-অবৈধের সীমা-রেখা
যাবতীয় প্রশংসা কেবলই আল্লাহ তা‘আলার যিনি সমগ্র জগতের মালিক ও রব। আর সালাত ও সালাম বর্ষিত হোক আমাদের নবী মুহাম্মাদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসালামের ওপর, যিনি সমস্ত নবীগণের সরদার ও সর্বোচ্চ সম্মানের অধিকারী। আরও বর্ষিত হোক তার পরিবার-পরিজন ও সমগ্র সাথী-সঙ্গীদের ওপর। মনে রাখতে হবে, অহংকার ও বড়াই মানবাত্মার জন্য খুবই ক্ষতিকর ও মারাত্মক ব্যাধি, যা একজন মানুষের নৈতিক চরিত্রকে শুধু কলুষিতই করে না বরং তা একজন মানুষকে হেদায়াত ও সত্যের পথ থেকে দূরে সরিয়ে ভ্রষ্টতা ও গোমরাহির পথের দিকে নিয়ে যায়। যখন কোনো মানুষের অন্তরে অহংকার ও বড়াইর অনুপ্রবেশ ঘটে, তখন তা তার জ্ঞান, বুদ্ধি ও ইরাদার ওপর প্রাধান্য বিস্তার করে এবং তাকে নানাবিধ প্রলোভন ও প্ররোচনার মাধ্যমে খুব শক্ত হস্তে টেনে নিয়ে যায় ও বাধ্য করে সত্যকে অস্বীকার ও বাস্তবতাকে প্রত্যাখ্যান করতে। আর একজন অহংকারী সবসময় চেষ্টা করে হকের