অনুসরন করুন :
আল-কুরআন

আল— হজ্ব : ৩০ থেকে ৩৯

আল কুরআন (আল— হজ্ব : ৩০ থেকে ৩৯) ৩০. এগুলো (হজ্বের বিধান)। এ ছাড়া যে, আল্লাহ এবং পবিত্র (স্থান ও অনুষ্ঠান) সমূহের প্রতি সম্মান দেখাবে, তার প্রভ...

বিস্তারিত
আল-হাদীস

নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন

সাঈদ ইবনু আবদুর রহমান মাখযূমী রা. আব্বাদ ইবনু তামীম তৎপিতৃব্য আবদুল্লাহ্ ইবনু যায়দ রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত যে, তিনি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয...

বিস্তারিত
সম্পাদকীয়

বাংলাদেশের ইতিহাসে আরেকটি অন্তর্বর্তীকালীন সরকার গঠিত হলো

নোবেল বিজয়ী প্রফেসর ড. মুহাম্মদ ইউনুস এর নেতৃত্বে বাংলাদেশের ইতিহাসে আরেকটি অন্তর্বর্তীকালীন সরকার গঠিত হলো। নিঃসন্দেহে এই সরকার একটি বিপ্লবোত্তর সরক...

বিস্তারিত

বন্ধ হোক পাথর উত্তোলন

(মতামত লখেকরে নজিস্ব)

পার্বত্য এলাকার ভূমির গঠন, পরিবেশ জীববৈচিত্র্যের স্বকীয়তা রক্ষায় এখানকার নদী, খাল পাহাড়ের প্রয়োজনীয়তা অপরিহার্য। আর এই অপরিহার্যতা বজায় রাখতে প্রাকৃতিক পাথরের গুরুত্ব অপরিসীম। ছোট-বড় এসব পাথর এই অঞ্চলের পর্যটন শিল্পে আলাদা মাত্রা যোগ করেছে। কিন্তু বিভিন্ন কারণে অবৈধ মুনাফার লোভে একশ্রেণীর মানুষ বান্দরবানের পাহাড়ি এলাকার বিভিন্ন উৎস থেকে নির্বিচারে পাথর উত্তোলন করে যাচ্ছে। জ্বালানি খনিজ সম্পদ বিভাগের বিধিমালা অনুযায়ী, নদী ধরনের জলাশয় থেকে ভাসমান পাথর ছাড়া তলদেশ খুঁড়ে পাথর উত্তোলন বা সংগ্রহের অনুমতি না থাকলেও প্রভাবশালী পাথর ব্যবসায়ীরা যাবতীয় আইন বিধিকে বৃদ্ধাঙ্গুলি প্রদর্শন করে। সড়ক বা ধরনের উন্নয়নমূলক কাজে খরচ কমাতে অনেকেই পার্শ্ববর্তী পাহাড়, ঝিরি বা নদীর তলদেশ থেকে পাথর আহরণ করে থাকে। পাথর উত্তোলনের দীর্ঘমেয়াদী পার্শ্ব প্রতিক্রিয়াকে পাশ কাটিয়ে উন্নয়নের দোহাই দেওয়া মোটেই কাম্য নয়। তাই, প্রাকৃতিক পরিবেশের ভারসাম্য, জীববৈচিত্র সংরক্ষণ এবং ভয়াবহ দুর্যোগ থেকে পার্বত্য অঞ্চল এখানকার জনসাধারণকে রক্ষায় নির্বিচারে পাথর উত্তোলন বন্ধে যথাযথ কর্তৃপক্ষের সুদৃষ্টি কাম্য।

আবু ফারুক, বনরুপা পাড়া, বান্দরবান।

সম্পর্কিত খবর

ক্যাম্পাসের হলে নিরাপত্তা চাই

ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের (ইবি) আটটি হলের মধ্যে খালেদা জিয়া হল অন্যতম। এটি ১৯৯৫ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। হলটি পুরাতন হওয়ায় এখানে মাঝে মাঝে বৈদ্যুতিক শর্ট সার্কিটসহ বিভিন্ন ধরনের সমস্যার সম্মুখীন হলেও কর্তৃপক্ষের জোরালো কোনো পদক্ষেপ নিতে দেখা যায় না।

প্রধান সড়কে ভাঙা মূর্তি

ঢাকার দোহারে সাবেক রতন চত্বরে স্থাপিত মূর্তিটি ভেঙে রাস্তার উপর রাখা হয়। এক মাস অতিক্রম হলেও এখন পর্যন্ত সেই মূর্তিটার ভাঙা অংশ প্রধান সড়ক থেকে অপসারণ করা হয়নি। এই রাস্তা দিয়ে প্রতিদিন শত শত বাস, ট্রাক, মোটরসাইকেল, রিকশা, ইজিবাইক ও অন্যান্য যানবাহন চলাচল করে।

ব্যাংক লুটেরাদের শাস্তি চাই

ব্যাপক ঋণ জালিয়াতির মাধ্যমে লক্ষ কোটি টাকা বিদেশে পাচার করেছে এস আলম গ্রুপ। গুঞ্জন উঠেছে যে, এই সব ঋণ কেলেংকারীর পিছনে সাবেক সরকারের উচ্চ পর্যায়ের কর্তাব্যক্তিরা জড়িত। এস আলম এখন স্বপরিবারে বিদেশে পলাতক। এস আলম গ্রুপের সবগুলো ব্যাংকে তারল্য ঘাটতি। গ্রাহকদের টাকা দিতে পারছেন না কোনো ব্যাংক।

ক্যাম্পাসে পর্যাপ্ত টয়লেট চাই

রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় দেশের অন্যতম শ্রেষ্ঠ বিদ্যাপীঠ। এই ৭৫৩ একরের ক্যাম্পাসকে বলা হয় ‘প্রাচ্যের ক্যামব্রিজ’। বাংলাদেশের প্রথম স্বয়ংসম্পূর্ণ ডিজিটাল ক্যাম্পাস বলেও দাবি করে রাবি প্রশাসন। তবে বিশ্ববিদ্যালয়ের নানান সেক্টরে রয়েছে অসম্পূর্ণতা। এর মধ্যে অন্যতম হলো নিচ তলাতে নারী শিক্ষার্থীদের জন্য আলাদা টয়লেট না থাকা।