আল— হজ্ব : ৩০ থেকে ৩৯
আল কুরআন (আল— হজ্ব : ৩০ থেকে ৩৯) ৩০. এগুলো (হজ্বের বিধান)। এ ছাড়া যে, আল্লাহ এবং পবিত্র (স্থান ও অনুষ্ঠান) সমূহের প্রতি সম্মান দেখাবে, তার প্রভ...
বিস্তারিতনবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন
সাঈদ ইবনু আবদুর রহমান মাখযূমী রা. আব্বাদ ইবনু তামীম তৎপিতৃব্য আবদুল্লাহ্ ইবনু যায়দ রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত যে, তিনি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয...
বিস্তারিতবাংলাদেশের ইতিহাসে আরেকটি অন্তর্বর্তীকালীন সরকার গঠিত হলো
নোবেল বিজয়ী প্রফেসর ড. মুহাম্মদ ইউনুস এর নেতৃত্বে বাংলাদেশের ইতিহাসে আরেকটি অন্তর্বর্তীকালীন সরকার গঠিত হলো। নিঃসন্দেহে এই সরকার একটি বিপ্লবোত্তর সরক...
বিস্তারিত
ছবি : সংগৃহীত
সংস্কার ১২ জুন ২০২৬ শুক্রবার: ফিলিপাইনের দক্ষিণাঞ্চলে আঘাত হানা ৭ দশমিক ৮ মাত্রার শক্তিশালী ভূমিকম্পে নিহতের সংখ্যা বেড়ে ৫৫ জনে দাঁড়িয়েছে। ধ্বংসস্তূপের নিচ থেকে আরও কয়েকটি মরদেহ উদ্ধারের পর হতাহতের সংখ্যা বেড়েছে। এখনও অনেক মানুষ নিখোঁজ থাকায় মৃতের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।
দেশটির দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কর্তৃপক্ষের তথ্য অনুযায়ী, চলতি সপ্তাহের শুরুতে মিন্দানাও দ্বীপের উপকূলীয় এলাকায় এই ভূমিকম্প আঘাত হানে। এতে বহুতল ভবন, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, হাসপাতালসহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ অবকাঠামো ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। দক্ষিণাঞ্চলের বিস্তীর্ণ এলাকায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে এবং হাজার হাজার মানুষ নিরাপদ স্থানে আশ্রয় নিতে বাধ্য হন।
সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে জেনারেল সান্তোস সিটি ও সারাঙ্গানি প্রদেশের বিভিন্ন এলাকা। পরিস্থিতি মোকাবিলায় সেখানে জরুরি অবস্থা জারি করা হয়েছে। ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের কাছে দ্রুত ত্রাণ ও সহায়তা পৌঁছে দিতে সরকারি সংস্থাগুলো কাজ করছে।
ভূমিকম্পে বহু পরিবার বসতবাড়ি হারিয়েছে। বাস্তুচ্যুতদের অস্থায়ী আশ্রয়কেন্দ্রে রাখা হয়েছে এবং সেখানে খাদ্য, বিশুদ্ধ পানি ও প্রয়োজনীয় চিকিৎসাসেবা দেওয়া হচ্ছে। প্রেসিডেন্ট ফার্দিনান্দ মার্কোস জুনিয়র ক্ষতিগ্রস্তদের সর্বাত্মক সহায়তা নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলোকে নির্দেশ দিয়েছেন।
ফিলিপাইনের আগ্নেয়গিরি ও ভূকম্পন ইনস্টিটিউট জানিয়েছে, মূল ভূমিকম্পের পর থেকে একের পর এক পরাঘাত অনুভূত হচ্ছে। এ কারণে ফাটল ধরা ও ঝুঁকিপূর্ণ ভবন থেকে দূরে থাকতে বাসিন্দাদের সতর্ক করা হয়েছে। উদ্ধারকর্মীরা জানিয়েছেন, অব্যাহত পরাঘাত এবং ক্ষতিগ্রস্ত সড়ক যোগাযোগের কারণে উদ্ধারকাজ ব্যাহত হচ্ছে।
উদ্ধারকারীরা ধ্বংসস্তূপে আটকে পড়াদের উদ্ধারে কাজ চালিয়ে যাচ্ছেন। তবে দুর্গম কয়েকটি এলাকায় এখনও পৌঁছানো সম্ভব হয়নি। ফলে নিখোঁজদের সন্ধান পেতে আরও সময় লাগতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
বিশেষজ্ঞদের মতে, প্রশান্ত মহাসাগরীয় ‘প্যাসিফিক রিং অব ফায়ার’-এ অবস্থানের কারণে ফিলিপাইন বিশ্বের অন্যতম ভূমিকম্পপ্রবণ দেশ। এখানে প্রায়ই শক্তিশালী ভূমিকম্প ও আগ্নেয়গিরির অগ্ন্যুৎপাত ঘটে।
স্থানীয় কর্মকর্তাদের ভাষ্য, সাম্প্রতিক বছরগুলোতে মিন্দানাও অঞ্চলে একাধিক ভূমিকম্প হলেও এবারের দুর্যোগ সবচেয়ে ভয়াবহগুলোর একটি। ইতোমধ্যে ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ নিরূপণ ও পুনর্বাসন কার্যক্রম শুরু হয়েছে। নিহতের সংখ্যা বাড়তে থাকায় দেশজুড়ে শোকের আবহ তৈরি হয়েছে। উদ্ধার ও পুনর্বাসনে আন্তর্জাতিক সহায়তা নেওয়ার বিষয়েও আলোচনা চলছে। পরিস্থিতি স্বাভাবিক হতে আরও কয়েক সপ্তাহ সময় লাগতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
সংস্কার/ইএমই
আলাস্কার সিটকা শহরে গত জুনে এক আবেগঘন ঘটনার সাক্ষী হন স্থানীয় বাসিন্দারা। সিটকা ন্যাশনাল সিমেট্রি থেকে মার্কিন উপকূলরক্ষী বাহিনীর দুই সদস্য মার্কিন পতাকায় মোড়ানো একটি কফিন অ্যাম্বুলেন্সে তোলেন। এ সময় ১২ জন সেনাসদস্য, সাবেক যোদ্ধা এবং পুলিশ ও ফায়ার সার্ভিসের
ভারতের জ্যেষ্ঠ আইনজীবী ও মানবাধিকারকর্মী প্রশান্ত ভূষণ দেশটির হিন্দুত্ববাদী সংগঠন রাষ্ট্রীয় স্বয়ংসেবক সংঘকে (আরএসএস) কঠোরভাবে সমালোচনা করে এটিকে শুধু রাষ্ট্রবিরোধী নয়, বরং একটি সন্ত্রাসী সংগঠন হিসেবে আখ্যা দিয়েছেন। তাঁর অভিযোগ, আরএসএস দীর্ঘদিন ধরে সাম্প্রদায়িক বিদ্বেষ ছড়ানো,
স্পেনের নিয়ন্ত্রণাধীন উত্তর আফ্রিকার শহর ছিউতায় চলতি সপ্তাহে নজিরবিহীন অভিবাসী সংকট দেখা দিয়েছে। আনুমানিক ৫০ থেকে ৬০ হাজার অভিবাসী মরক্কো সীমান্ত পেরিয়ে ছিউতায় প্রবেশের চেষ্টা করেন। তবে স্প্যানিশ কর্তৃপক্ষের তথ্য অনুযায়ী, শুক্রবার সন্ধ্যার মধ্যে তাদের অধিকাংশই নিজ উদ্যোগে
প্রায় ২,৫০০ মাইল বা ৪ হাজার কিলোমিটার দীর্ঘ বাংলাদেশ-ভারত সীমান্ত ক্রমেই বিরোধপূর্ণ এলাকায় পরিণত হচ্ছে। ভারত ‘বাংলাদেশি’ নথিপত্রধারী কিংবা বাংলাদেশি সন্দেহে নথিহীন ব্যক্তিদের আটক করে সীমান্ত দিয়ে বাংলাদেশে পুশ-ইন করছে বলে অভিযোগ উঠেছে। অনেক ক্ষেত্রে এসব ঘটনা গভীর রাতেও