অনুসরন করুন :
আল-কুরআন

আল— হজ্ব : ৩০ থেকে ৩৯

আল কুরআন (আল— হজ্ব : ৩০ থেকে ৩৯) ৩০. এগুলো (হজ্বের বিধান)। এ ছাড়া যে, আল্লাহ এবং পবিত্র (স্থান ও অনুষ্ঠান) সমূহের প্রতি সম্মান দেখাবে, তার প্রভ...

বিস্তারিত
আল-হাদীস

নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন

সাঈদ ইবনু আবদুর রহমান মাখযূমী রা. আব্বাদ ইবনু তামীম তৎপিতৃব্য আবদুল্লাহ্ ইবনু যায়দ রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত যে, তিনি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয...

বিস্তারিত
সম্পাদকীয়

বাংলাদেশের ইতিহাসে আরেকটি অন্তর্বর্তীকালীন সরকার গঠিত হলো

নোবেল বিজয়ী প্রফেসর ড. মুহাম্মদ ইউনুস এর নেতৃত্বে বাংলাদেশের ইতিহাসে আরেকটি অন্তর্বর্তীকালীন সরকার গঠিত হলো। নিঃসন্দেহে এই সরকার একটি বিপ্লবোত্তর সরক...

বিস্তারিত

ফিরে আসবে তত্ত্বাবধায়ক সরকার সুপ্রিম কোর্টে ঐতিহাসিক শুনানি

ছবি : ইন্টারনেট

সংস্কার ২১ অক্টোবর ২০২৫: সংবিধানের ত্রয়োদশ সংশোধনী বাতিলের রায় পুনর্বিবেচনার আবেদন নিয়ে ২১ অক্টোবর ২০২৫ চূড়ান্ত শুনানি করবে আপিল বিভাগ। দেশের রাজনৈতিক ভবিষ্যৎ নির্ধারণে এটি হতে পারে এক গুরুত্বপূর্ণ মোড়। এই শুনানি হবে প্রধান বিচারপতি ড.সৈয়দ রেফাত আহমেদের নেতৃত্বাধীন সুপ্রিম কোর্টের সাত সদস্যের পূর্ণাঙ্গ আপিল বেঞ্চে। এর আগে গত ২৭ আগস্ট ২০২৫, তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা বাতিলের রায় পুনর্বিবেচনার (রিভিউ) শুনানি শেষে আপিলের অনুমতি দেন আপিল বিভাগ। পরে সুশাসনের জন্য নাগরিক - সুজন সম্পাদক ড.বদিউল আলম মজুমদার,বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর এবং জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি জেনারেল অধ্যাপক মিয়া গোলাম পরওয়ারসহ কয়েকজন বিশিষ্ট ব্যক্তি পুনর্বিবেচনার আবেদন করেন। 

১৯৯৬ সালে তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা যুক্ত হয় সংবিধানে - ত্রয়োদশ সংশোধনীর মাধ্যমে। তবে ১৯৯৮ সালে এই সংশোধনীর বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে অ্যাডভোকেট এম সলিম উল্লাহসহ তিনজন আইনজীবী হাইকোর্টে রিট করেন। এরপর ২০০৪ সালের ৪ আগস্ট হাইকোর্ট তত্ত্বাবধায়ক ব্যবস্থাকে বৈধ ঘোষণা করে রায় দেন। পরবর্তীতে ২০০৫ সালে আপিল করা হলে, ২০১১ সালের ১০ মে সুপ্রিম কোর্টের সাত বিচারপতির পূর্ণাঙ্গ বেঞ্চ সংখ্যাগরিষ্ঠ মতামতে ত্রয়োদশ সংশোধনীকে বাতিল ঘোষণা করে। এই রায়ের ফলেই তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা বিলুপ্ত হয় এবং একই বছরের ৩০ জুন সংসদে পঞ্চদশ সংশোধনী আইন পাস হয়,যা ৩ জুলাই গেজেটে প্রকাশিত হয়। রায় ঘোষণার পর ২০১১ সালের ৫ আগস্ট প্রথম পুনর্বিবেচনার আবেদন করেন ড.বদিউল আলম মজুমদার,তোফায়েল আহমেদ, এম হাফিজউদ্দিন খান, জোবাইরুল হক ভূঁইয়া ও জাহরা রহমান। এরপর ২০২৪ সালের ১৬ অক্টোবর বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর এবং ২৩ অক্টোবর জামায়াতের অধ্যাপক মিয়া গোলাম পরওয়ারও পৃথকভাবে আবেদন করেন। এছাড়া বীর মুক্তিযোদ্ধা মো. মোফাজ্জল হোসেনও গত বছর একই বিষয়ে পুনর্বিবেচনার আবেদন করেন। ২১ অক্টোবর ২০২৫ শুনানি নিয়ে রাজনৈতিক মহলে ব্যাপক আগ্রহ দেখা দিয়েছে। আইন বিশেষজ্ঞদের মতে, যদি আদালত পূর্বের রায় পুনর্বিবেচনা করে ভিন্ন মত দেয়,তাহলে বাংলাদেশের রাজনৈতিক কাঠামোতে বড় পরিবর্তন আসতে পারে। অন্যদিকে সরকারপক্ষ বলছে, বর্তমান সাংবিধানিক ব্যবস্থায় তত্ত্বাবধায়ক সরকারে ফিরে যাওয়া সম্ভব নয়, কারণ এটি জনগণের ভোটাধিকার ও নির্বাচনী প্রক্রিয়ার সঙ্গে সাংঘর্ষিক। 

সংস্কার/ইএফহ

 

সম্পর্কিত খবর

নতুনের আহ্বানে আজ শুরু বাংলা নববর্ষ ১৪৩৩

আজ পহেলা বৈশাখ। জীর্ণ-পুরাতনকে পেছনে ফেলে নতুনের প্রত্যাশা নিয়ে শুরু হলো বাংলা নববর্ষ ১৪৩৩। ঋতুচক্রের আবর্তনে আগত এই দিনটি বাঙালির হাজার বছরের ইতিহাস, ঐতিহ্য ও সংস্কৃতির এক মিলনমেলায় পরিণত হয়েছে। জাতি, ধর্ম ও বর্ণের ঊর্ধ্বে উঠে নতুন আশা ও ঐক্যের বার্তা নিয়ে এসেছে নতুন বছর।

২০ অধ্যাদেশ আইন হল না : সংসদে তর্ক-বিতর্কে শেষ হলো অধিবেশন

সংস্কার নিয়ে রাজনৈতিক মতবিরোধের মধ্যেই অন্তর্বর্তী সরকারের জারি করা ১৩৩টি অধ্যাদেশের মধ্যে ২০টি আইনে রূপ না পেয়ে স্বয়ংক্রিয়ভাবে কার্যকারিতা হারিয়েছে। এসব অধ্যাদেশের মধ্যে গণভোট, দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক), জাতীয় মানবাধিকার কমিশন, গুম প্রতিরোধ, তথ্য অধিকার এবং রাজস্ব ব্যবস্থাপনা সংক্রান্ত

জাতীয় সংসদে একদিনে ২০ বিল পাস : অধ্যাদেশগুলো আইনে রূপান্তর

অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের জারি করা অধ্যাদেশগুলোকে আইনে রূপ দিতে জাতীয় সংসদে আজ মোট ২০টি বিল পাস হয়েছে। এর মধ্যে সকালে অনুষ্ঠিত অধিবেশনে ১০টি বিল পাস হয়। ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশনের ১৩তম দিনের সকালের বৈঠকে উত্থাপিত বিলগুলোর ওপর কোনো সংশোধনী প্রস্তা

শেরপুর-৩ আসনে বড় ব্যবধানে জয় বিএনপির রুবেলের

স্থগিত থাকা শেরপুর-৩ আসনের জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিএনপির প্রার্থী মাহমুদুল হক রুবেল বিপুল ভোটে জয়ী হয়েছেন। ধানের শীষ প্রতীক নিয়ে তিনি পেয়েছেন ১ লাখ ৬৬ হাজার ১১৭ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াতের প্রার্থী মাসুদুর রহমান দাঁড়িপাল্লা প্রতীক নিয়ে পেয়েছেন ৪৭ হাজার ৫১ ভোট।