অনুসরন করুন :
আল-কুরআন

আল— হজ্ব : ৩০ থেকে ৩৯

আল কুরআন (আল— হজ্ব : ৩০ থেকে ৩৯) ৩০. এগুলো (হজ্বের বিধান)। এ ছাড়া যে, আল্লাহ এবং পবিত্র (স্থান ও অনুষ্ঠান) সমূহের প্রতি সম্মান দেখাবে, তার প্রভ...

বিস্তারিত
আল-হাদীস

নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন

সাঈদ ইবনু আবদুর রহমান মাখযূমী রা. আব্বাদ ইবনু তামীম তৎপিতৃব্য আবদুল্লাহ্ ইবনু যায়দ রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত যে, তিনি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয...

বিস্তারিত
সম্পাদকীয়

বাংলাদেশের ইতিহাসে আরেকটি অন্তর্বর্তীকালীন সরকার গঠিত হলো

নোবেল বিজয়ী প্রফেসর ড. মুহাম্মদ ইউনুস এর নেতৃত্বে বাংলাদেশের ইতিহাসে আরেকটি অন্তর্বর্তীকালীন সরকার গঠিত হলো। নিঃসন্দেহে এই সরকার একটি বিপ্লবোত্তর সরক...

বিস্তারিত

পলাশবাড়ীর ধর্মীয় প্রকল্প তদন্তের আহ্বান : পর্যবেক্ষণের দাবি হেফাজতের

ছবি : সংগৃহীত

সংস্কার ৯ জুন ২০২৬ মঙ্গলবার: রংপুরের পলাশবাড়ীতে বৃহৎ আকারের হিন্দু ধর্মীয় স্থাপনা নির্মাণ এবং সেখানে বিদেশি কূটনৈতিক প্রতিনিধিদের ধারাবাহিক সফর ও অংশগ্রহণের বিষয়টি নিয়ে জনমনে সৃষ্টি হওয়া প্রশ্নের স্বচ্ছ তদন্তের দাবি জানিয়েছে হেফাজতে ইসলাম বাংলাদেশ। সংগঠনটির আমীর আল্লামা শাহ মুহিববুল্লাহ বাবুনগরী ও মহাসচিব আল্লামা শায়েখ সাজিদুর রহমান এক বিবৃতিতে বলেন, এসব বিষয়ে নিরপেক্ষ ও পেশাদার পর্যালোচনা করা রাষ্ট্রের দায়িত্ব।

বিবৃতিতে বলা হয়, বাংলাদেশ একটি স্বাধীন ও সার্বভৌম রাষ্ট্র। সংবিধান অনুযায়ী দেশের সব নাগরিক নিজ নিজ ধর্ম পালনের অধিকার রাখেন এবং সকল ধর্মাবলম্বীর ধর্মীয় স্বাধীনতা ও নাগরিক অধিকারের প্রতি সম্মান জানানো উচিত। তবে পলাশবাড়ীর মতো কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ এলাকায় বড় ধর্মীয় স্থাপনা নির্মাণ, এর অর্থায়নের উৎস, সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের ভূমিকা এবং বিদেশি কূটনীতিকদের ঘনঘন সম্পৃক্ততার বিষয়গুলো যথাযথভাবে পর্যালোচনা করা প্রয়োজন।

হেফাজতের নেতারা আরও বলেন, কোনো বিদেশি রাষ্ট্র বা তাদের প্রতিনিধিদের সম্পৃক্ততা যদি দেশের অভ্যন্তরীণ বিষয়ে প্রভাব, সামাজিক ভারসাম্যহানি বা ভবিষ্যতে কৌশলগত জটিলতার আশঙ্কা সৃষ্টি করে, তবে তা গুরুত্বের সঙ্গে মূল্যায়ন করা উচিত। একই সঙ্গে তারা সরকার, প্রশাসন, গোয়েন্দা সংস্থা ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে স্বচ্ছতা, নিরপেক্ষতা ও পেশাদারিত্বের সঙ্গে বিষয়টি তদন্ত করে জনগণের উদ্বেগ দূর করার আহ্বান জানান। তবে এমন কোনো পদক্ষেপ না নেওয়ারও আহ্বান জানানো হয়, যাতে সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি নষ্ট হয় বা কোনো ধর্মীয় সম্প্রদায়ের ন্যায্য অধিকার ক্ষুণ্ন হয়।

এদিকে গাইবান্ধার পলাশবাড়ী উপজেলার হোসেনপুর ইউনিয়নের মধ্যরামচন্দ্রপুর (কোমরপুর) গ্রামের শ্রী শ্রী রাধা গোবিন্দ ও কালী মন্দিরকে কেন্দ্র করে বড় আকারের ধর্মীয় প্রকল্প নিয়ে স্থানীয় ও জাতীয় পর্যায়ে আলোচনা শুরু হয়েছে। মন্দির প্রাঙ্গণে ইতোমধ্যে ২৮ ফুট উঁচু শিবমূর্তি ও ৫৩ ফুট উঁচু কৃষ্ণমূর্তি নির্মাণ করা হয়েছে। এছাড়া দেশের সবচেয়ে বড় রামমূর্তি নির্মাণের কাজও চলছে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে।

মন্দির কর্তৃপক্ষের দাবি, নির্মিত কয়েকটি স্থাপনা দেশের সর্ববৃহৎ ধর্মীয় মূর্তির তালিকায় স্থান পেতে পারে। তবে প্রকল্পটির আকার, ব্যয় এবং অর্থায়নের উৎস নিয়ে বিভিন্ন মহলে প্রশ্ন উঠেছে। স্থানীয়দের একাংশের দাবি, মন্দির, মূর্তি ও সংশ্লিষ্ট অবকাঠামো নির্মাণে বিপুল অর্থ ব্যয় হয়েছে এবং ভবিষ্যতে আরও বড় প্রকল্প বাস্তবায়নের পরিকল্পনা রয়েছে। বিভিন্ন মহলে দুই হাজার কোটি টাকার বেশি ব্যয়ের আলোচনা থাকলেও এ বিষয়ে স্বাধীনভাবে যাচাই করা কোনো সরকারি তথ্য এখনো প্রকাশ করা হয়নি।

এ ছাড়া মন্দিরের প্রতিষ্ঠাতার পরিচয় ও অতীত কর্মকাণ্ড নিয়েও আলোচনা রয়েছে। বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমের তথ্য অনুযায়ী, প্রতিষ্ঠাতা হিসেবে পরিচিত এক ব্যক্তির বিরুদ্ধে অতীতে প্রতারণার অভিযোগে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর অভিযান ও গ্রেপ্তারের ঘটনা ঘটেছিল। তবে সেই ঘটনার সঙ্গে বর্তমান প্রকল্পের কোনো সম্পর্ক রয়েছে কি না, তা স্পষ্ট নয়।

বিশ্লেষকদের মতে, সংবিধান অনুযায়ী যে কোনো ধর্মীয় সম্প্রদায় উপাসনালয় নির্মাণ ও সম্প্রসারণের অধিকার রাখে। তবে কোনো প্রকল্পে অস্বাভাবিক পরিমাণ অর্থ ব্যয়ের দাবি উঠলে এবং অর্থের উৎস নিয়ে প্রশ্ন দেখা দিলে জনস্বার্থে বিষয়টি তদন্ত করা রাষ্ট্রের দায়িত্ব। এ কারণে স্থানীয় বাসিন্দা ও বিভিন্ন সামাজিক মহল প্রশাসন, দুর্নীতি দমন কমিশন, জাতীয় রাজস্ব বোর্ড এবং আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর কাছে প্রকল্পটির অর্থায়ন, সম্পদের উৎস ও আর্থিক স্বচ্ছতা তদন্তের দাবি জানিয়েছেন।

জনমনে এখন প্রধান প্রশ্ন, পলাশবাড়ীর এই বৃহৎ ধর্মীয় প্রকল্পের অর্থায়নের প্রকৃত উৎস, উদ্দেশ্য ও ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা সম্পর্কে স্বচ্ছ তথ্য সরকার জনগণের সামনে প্রকাশ করবে কি না। উল্লেখ্য, মন্দিরটির সম্প্রসারণমূলক নির্মাণকাজ ২০২৪ সালের ৫ আগস্টের পর শুরু হয়।

সংস্কার/ইএমই

সম্পর্কিত খবর

তুরস্কের পররাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে এনসিপির বৈঠক : দ্বিপাক্ষিক সহযোগিতার আলোচনা

জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক ও বিরোধীদলীয় চিফ হুইপ মো. নাহিদ ইসলামের নেতৃত্বে একটি প্রতিনিধিদল তুরস্কের পররাষ্ট্রমন্ত্রী হাকান ফিদানের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেছে। শুক্রবার রাতে রাজধানীর একটি হোটেলে এ বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। শনিবার বিকেলে এক বিবৃতিতে বিষয়টি জানানো হয়। বৈঠকে পররাষ্ট্রমন্ত্রী হাকান ফিদান শেখ হাসিনা

তুরস্কের পররাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে বিরোধীদলীয় নেতার বৈঠক আজ রাতেই

ঢাকা সফররত তুরস্কের পররাষ্ট্রমন্ত্রী হাকান ফিদানের সঙ্গে বৈঠকে বসছেন বিরোধীদলীয় নেতা ও বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান এমপির নেতৃত্বে ছয় সদস্যের একটি প্রতিনিধি দল। শুক্রবার রাত সাড়ে ৮টায় রাজধানীর হোটেল ইন্টারকন্টিনেন্টালে এ সৌজন্য সাক্ষাৎ ও গুরুত্বপূর্ণ বৈঠক অনুষ্ঠিত হবে। জামায়াত আমিরের সঙ্গে

সাংবাদিকদের কাজে সরকার কোনো হস্তক্ষেপ করবে না : তথ্য প্রতিমন্ত্রী

তথ্য প্রতিমন্ত্রী ইয়াসের খান চৌধুরী বলেছেন, সাংবাদিকদের স্বাধীনতায় সরকার কোনো হস্তক্ষেপ করবে না। বিএনপি রাষ্ট্রক্ষমতায় এলে সবসময় সাংবাদিকদের পাশে থাকে বলেও তিনি উল্লেখ করেন। শুক্রবার দুপুরে চট্টগ্রাম প্রেস ক্লাবে চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন সাংবাদিক ইউনিয়নের কার্যালয় উদ্বোধন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

হাফেজ্জী হুজুর ছিলেন মুসলমানদের আধ্যাত্মিক ও রাজনৈতিক পথপ্রদর্শক

বাংলাদেশ খেলাফত আন্দোলনের আমীর মাওলানা হাবিবুল্লাহ মিয়াজী বলেছেন, সর্বজন শ্রদ্ধেয় বুজুর্গ হযরত মাওলানা মুহাম্মদুল্লাহ হাফেজ্জী হুজুর রাহ. ছিলেন মুসলমানদের আধ্যাত্মিক ও রাজনৈতিক রাহবার। তিনি বলেন, হাজার হাজার আলেম-ওলামার উস্তাদ হাফেজ্জী হুজুর রাহ. জীবদ্দশায় অসংখ্য মসজিদ,