আল— হজ্ব : ৩০ থেকে ৩৯
আল কুরআন (আল— হজ্ব : ৩০ থেকে ৩৯) ৩০. এগুলো (হজ্বের বিধান)। এ ছাড়া যে, আল্লাহ এবং পবিত্র (স্থান ও অনুষ্ঠান) সমূহের প্রতি সম্মান দেখাবে, তার প্রভ...
বিস্তারিতনবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন
সাঈদ ইবনু আবদুর রহমান মাখযূমী রা. আব্বাদ ইবনু তামীম তৎপিতৃব্য আবদুল্লাহ্ ইবনু যায়দ রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত যে, তিনি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয...
বিস্তারিতবাংলাদেশের ইতিহাসে আরেকটি অন্তর্বর্তীকালীন সরকার গঠিত হলো
নোবেল বিজয়ী প্রফেসর ড. মুহাম্মদ ইউনুস এর নেতৃত্বে বাংলাদেশের ইতিহাসে আরেকটি অন্তর্বর্তীকালীন সরকার গঠিত হলো। নিঃসন্দেহে এই সরকার একটি বিপ্লবোত্তর সরক...
বিস্তারিত
ছবি : সংগৃহীত
সংস্কার ১১ মে ২০২৬ সোমবার: দীর্ঘ প্রায় নয় বছর পর কোনো মার্কিন প্রেসিডেন্ট রাষ্ট্রীয় সফরে চীন যাচ্ছেন। চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিংয়ের আমন্ত্রণে আগামী বুধবার ১৩ মে ২০২৬ তিন দিনের সফরে বেইজিং পৌঁছাবেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। চীনের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সোমবার আনুষ্ঠানিকভাবে সফরের সময়সূচি ঘোষণা করেছে।
ঘোষণা অনুযায়ী, ট্রাম্প ১৩ থেকে ১৫ মে ২০২৬ পর্যন্ত চীনে অবস্থান করবেন। যুক্তরাষ্ট্র ও চীনের মধ্যে বাণিজ্য, প্রযুক্তি, তাইওয়ান এবং আঞ্চলিক নিরাপত্তা ইস্যুতে দীর্ঘদিনের উত্তেজনার মধ্যেই এ সফর অনুষ্ঠিত হচ্ছে। কূটনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, সাম্প্রতিক সময়ের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ বৈঠক হতে যাচ্ছে এটি।
বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, এই সফর দুই পরাশক্তির সম্পর্কের টানাপোড়েন কমাতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে। মধ্যপ্রাচ্যের চলমান সংকট এবং ইরান ইস্যুও বৈঠকের অন্যতম প্রধান আলোচ্য বিষয় হবে।
হোয়াইট হাউস সূত্রের বরাতে আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম জানিয়েছে, ট্রাম্প চীনকে মধ্যপ্রাচ্য সংকট নিরসনের প্রচেষ্টায় আরও সক্রিয়ভাবে যুক্ত করতে চান। বিশেষ করে ইরানের ওপর বেইজিংয়ের অর্থনৈতিক ও জ্বালানি প্রভাব ব্যবহার করে তেহরানকে সম্ভাব্য শান্তি চুক্তিতে রাজি করানোর বিষয়ে আলোচনা হতে পারে।
বর্তমানে হরমুজ প্রণালিকে কেন্দ্র করে উত্তেজনা বাড়ায় বিশ্ববাজারে জ্বালানি তেলের দাম বেড়েছে এবং আন্তর্জাতিক সরবরাহ ব্যবস্থাও চাপে পড়েছে। এ পরিস্থিতিতে বিশ্বের বৃহত্তম দুই অর্থনীতির শীর্ষ নেতাদের বৈঠককে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হিসেবে দেখা হচ্ছে।
সফরে ট্রাম্প ও শি জিনপিংয়ের মধ্যে দ্বিপাক্ষিক বৈঠকে বাণিজ্য যুদ্ধ, প্রযুক্তি নিয়ন্ত্রণ, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার সামরিক ব্যবহার এবং আঞ্চলিক নিরাপত্তা নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হতে পারে। এছাড়া রাশিয়া ও ইরানের কাছে চীনের দ্বৈত ব্যবহারযোগ্য প্রযুক্তি ও সামরিক সরঞ্জাম রপ্তানির বিষয়টিও আলোচনায় উঠতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
দুই দেশের দীর্ঘদিনের ট্যারিফ বিরোধ নিয়েও আলোচনা হবে। গত বছরের অক্টোবরে হওয়া বাণিজ্য বিরতির মেয়াদ বাড়ানো এবং নতুন অর্থনৈতিক সমঝোতার পথ খোঁজার চেষ্টা করবেন দুই নেতা। চলমান বাণিজ্য উত্তেজনার কারণে বৈশ্বিক বাজারে প্রভাব পড়ায় যুক্তরাষ্ট্রের ব্যবসায়ী মহলও সফরটির দিকে নজর রাখছে।
সফরকালে ট্রাম্প বেইজিংয়ের ঐতিহাসিক ‘টেম্পল অব হেভেন’ পরিদর্শন করবেন। এছাড়া তার সম্মানে বিশেষ চা-চক্র ও রাষ্ট্রীয় ভোজসভার আয়োজন করা হবে। বিশ্লেষকদের মতে, এসব আয়োজন দুই দেশের সম্পর্ক স্বাভাবিক করার প্রতীকী বার্তা বহন করছে।
মূলত গত মার্চে এই সফর হওয়ার কথা ছিল। তবে ইরানকে ঘিরে মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধ পরিস্থিতি তীব্র হওয়ায় সফরটি পিছিয়ে যায়। পরে পরিস্থিতি কিছুটা নিয়ন্ত্রণে এলে নতুন করে সফরের তারিখ নির্ধারণ করা হয়।
বিশ্লেষকদের মতে, ট্রাম্প-শি বৈঠক শুধু যুক্তরাষ্ট্র ও চীনের সম্পর্কের জন্য নয়, বৈশ্বিক অর্থনীতি, জ্বালানি বাজার এবং চলমান ভূ-রাজনৈতিক সংকটের ভবিষ্যতের জন্যও গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠতে পারে।
সংস্কার/ইএমই
আলাস্কার সিটকা শহরে গত জুনে এক আবেগঘন ঘটনার সাক্ষী হন স্থানীয় বাসিন্দারা। সিটকা ন্যাশনাল সিমেট্রি থেকে মার্কিন উপকূলরক্ষী বাহিনীর দুই সদস্য মার্কিন পতাকায় মোড়ানো একটি কফিন অ্যাম্বুলেন্সে তোলেন। এ সময় ১২ জন সেনাসদস্য, সাবেক যোদ্ধা এবং পুলিশ ও ফায়ার সার্ভিসের
ভারতের জ্যেষ্ঠ আইনজীবী ও মানবাধিকারকর্মী প্রশান্ত ভূষণ দেশটির হিন্দুত্ববাদী সংগঠন রাষ্ট্রীয় স্বয়ংসেবক সংঘকে (আরএসএস) কঠোরভাবে সমালোচনা করে এটিকে শুধু রাষ্ট্রবিরোধী নয়, বরং একটি সন্ত্রাসী সংগঠন হিসেবে আখ্যা দিয়েছেন। তাঁর অভিযোগ, আরএসএস দীর্ঘদিন ধরে সাম্প্রদায়িক বিদ্বেষ ছড়ানো,
স্পেনের নিয়ন্ত্রণাধীন উত্তর আফ্রিকার শহর ছিউতায় চলতি সপ্তাহে নজিরবিহীন অভিবাসী সংকট দেখা দিয়েছে। আনুমানিক ৫০ থেকে ৬০ হাজার অভিবাসী মরক্কো সীমান্ত পেরিয়ে ছিউতায় প্রবেশের চেষ্টা করেন। তবে স্প্যানিশ কর্তৃপক্ষের তথ্য অনুযায়ী, শুক্রবার সন্ধ্যার মধ্যে তাদের অধিকাংশই নিজ উদ্যোগে
প্রায় ২,৫০০ মাইল বা ৪ হাজার কিলোমিটার দীর্ঘ বাংলাদেশ-ভারত সীমান্ত ক্রমেই বিরোধপূর্ণ এলাকায় পরিণত হচ্ছে। ভারত ‘বাংলাদেশি’ নথিপত্রধারী কিংবা বাংলাদেশি সন্দেহে নথিহীন ব্যক্তিদের আটক করে সীমান্ত দিয়ে বাংলাদেশে পুশ-ইন করছে বলে অভিযোগ উঠেছে। অনেক ক্ষেত্রে এসব ঘটনা গভীর রাতেও