আল— হজ্ব : ৩০ থেকে ৩৯
আল কুরআন (আল— হজ্ব : ৩০ থেকে ৩৯) ৩০. এগুলো (হজ্বের বিধান)। এ ছাড়া যে, আল্লাহ এবং পবিত্র (স্থান ও অনুষ্ঠান) সমূহের প্রতি সম্মান দেখাবে, তার প্রভ...
বিস্তারিতনবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন
সাঈদ ইবনু আবদুর রহমান মাখযূমী রা. আব্বাদ ইবনু তামীম তৎপিতৃব্য আবদুল্লাহ্ ইবনু যায়দ রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত যে, তিনি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয...
বিস্তারিতবাংলাদেশের ইতিহাসে আরেকটি অন্তর্বর্তীকালীন সরকার গঠিত হলো
নোবেল বিজয়ী প্রফেসর ড. মুহাম্মদ ইউনুস এর নেতৃত্বে বাংলাদেশের ইতিহাসে আরেকটি অন্তর্বর্তীকালীন সরকার গঠিত হলো। নিঃসন্দেহে এই সরকার একটি বিপ্লবোত্তর সরক...
বিস্তারিত
ছবি : সংগৃহীত
সংস্কার ৫ মার্চ ২০২৬: যুদ্ধ পরিস্থিতি ও অর্থনৈতিক সংকটের মধ্যেও ইরানে দ্রুত সম্প্রসারিত হচ্ছে ক্রিপ্টোকারেন্সির ব্যবহার। দেশটির প্রায় ৭.৮ বিলিয়ন ডলারের ক্রিপ্টো বাজার বর্তমানে আন্তর্জাতিক মহলের কড়া নজরদারিতে রয়েছে। ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক তৎপরতা এবং ইরানের ওপর পশ্চিমা নিষেধাজ্ঞার কারণে দেশটিতে ডিজিটাল সম্পদের ব্যবহার অস্বাভাবিকভাবে বেড়েছে।
ব্লকচেইন বিশ্লেষণ প্রতিষ্ঠান চেইন অ্যানালাইসিস ও এলিপটিকের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ইরানে বিমান হামলার পরপরই ক্রিপ্টো এক্সচেঞ্জগুলো থেকে অর্থ উত্তোলনের হার হঠাৎ বেড়ে যায়। হামলার পরবর্তী এক ঘণ্টায় সাধারণ সময়ের তুলনায় লেনদেন প্রায় ৮৭৩ শতাংশ বৃদ্ধি পায় এবং প্রায় ২.৩ মিলিয়ন ডলারের লেনদেন হয়। ইরানের বৃহত্তম ক্রিপ্টো এক্সচেঞ্জ ‘নোবিটেক্স’-এ, যার ব্যবহারকারী সংখ্যা ১১ মিলিয়নের বেশি, গত ২৮ ফেব্রুয়ারি এক ঘণ্টার মধ্যে প্রায় ২.৮৯ মিলিয়ন ডলার আউটফ্লো দেখা যায়। আগের দিনের তুলনায় এটি প্রায় ৭০০ শতাংশ বেশি।
বিশ্লেষকদের মতে, এই লেনদেনের ধরন থেকে বোঝা যায় যে ইরানে ক্রিপ্টোকারেন্সি একাধিক উদ্দেশ্যে ব্যবহার হচ্ছে। সাধারণ মানুষ মুদ্রার অবমূল্যায়ন ও উচ্চ মুদ্রাস্ফীতি থেকে বাঁচতে ডিজিটাল সম্পদকে বিকল্প হিসেবে গ্রহণ করছেন। একই সঙ্গে রাষ্ট্রীয় পক্ষও নিষেধাজ্ঞা এড়িয়ে আন্তর্জাতিক লেনদেন সম্পন্ন করতে ক্রিপ্টোকারেন্সি ব্যবহার করছে বলে ধারণা করা হচ্ছে। ফলে দেশটির অর্থনীতিতে ডিজিটাল মুদ্রা ব্যক্তিগত আর্থিক সুরক্ষা ও রাষ্ট্রীয় কৌশল, দুই ক্ষেত্রেই গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে।
অর্থনৈতিক চাপ ও দীর্ঘমেয়াদি নিষেধাজ্ঞার কারণে ইরানে ক্রিপ্টো ব্যবহারের প্রবণতা আরও বেড়েছে। দুই অংকের মুদ্রাস্ফীতি, মুদ্রার মান কমে যাওয়া এবং প্রচলিত ব্যাংকিং ব্যবস্থার সীমাবদ্ধতার কারণে মানুষ ও প্রতিষ্ঠানগুলো বিকল্প আর্থিক ব্যবস্থার দিকে ঝুঁকছে।
খবর অনুযায়ী, ইরানের কেন্দ্রীয় ব্যাংক মুদ্রা স্থিতিশীল রাখতে এবং নিষেধাজ্ঞা মোকাবিলায় গত এক বছরে ৫০০ মিলিয়ন ডলারেরও বেশি মূল্যের ডলার-সমর্থিত ডিজিটাল সম্পদ কিনেছে। গত প্রান্তিকে দেশটির ক্রিপ্টো কার্যক্রমের অর্ধেকেরও বেশি অবদান ছিল ইসলামিক রেভোল্যুশনারি গার্ড কর্পস (আইআরজিসি)-এর, যা রাষ্ট্রীয় কার্যক্রমে ডিজিটাল সম্পদের কৌশলগত গুরুত্ব তুলে ধরে।
এদিকে যুক্তরাষ্ট্রের ট্রেজারি বিভাগ আইআরজিসি সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলোর অর্থ লেনদেনের অভিযোগে কয়েকটি ইরানি ক্রিপ্টো এক্সচেঞ্জকে নিষেধাজ্ঞার তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করেছে। বিশ্লেষকদের মতে, ভূ-রাজনৈতিক উত্তেজনা, অর্থনৈতিক অস্থিরতা এবং আন্তর্জাতিক নিষেধাজ্ঞার কারণে এমন একটি পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে যেখানে ক্রিপ্টোকারেন্সি ইরানে একদিকে সাধারণ মানুষের আর্থিক সুরক্ষার মাধ্যম, অন্যদিকে রাষ্ট্রের কৌশলগত হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহৃত হচ্ছে। সংঘাত দীর্ঘস্থায়ী হলে ক্রিপ্টো বাজারে অস্থিরতা আরও বাড়তে পারে বলেও সতর্ক করেছেন তারা। (কয়েন এডিশন)
সংস্কার/ইএমই
‘ব্যাংক রেজল্যুশন আইন-২০২৬’ এর মাধ্যমে দুর্বল ব্যাংকের পুরোনো শেয়ারধারীদের জবাবদিহিতা ছাড়াই আবার মালিকানায় ফেরার সুযোগ দেওয়ায় উদ্বেগ জানিয়েছে ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশ (টিআইবি)। সংস্থাটির মতে, এতে চিহ্নিত লুটেরাদের পুনর্বাসনের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
মধ্যপ্রাচ্যের চলমান যুদ্ধ পরিস্থিতিতে শ্রমবাজারে অস্থিরতা ও অনিশ্চয়তার মধ্যে বাংলাদেশের জন্য স্বস্তির খবর এসেছে মালয়েশিয়া থেকে। দেশটি বাংলাদেশি কর্মীদের জন্য তাদের শ্রমবাজার পুনরায় উন্মুক্ত করতে সম্মত হয়েছে, যা নতুন আশার সঞ্চার করেছে। বৃহস্পতিবার মালয়েশিয়ার পুত্রজায়ায় দুই দেশের উচ্চপর্যায়ের বৈঠকে এই
সরকার গঠনের পর প্রথম বিদেশ সফর হিসেবে চীনে যাচ্ছে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)-এর একটি উচ্চ পর্যায়ের প্রতিনিধিদল। এই সফরে নেতৃত্ব দেবেন দলের মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। কূটনৈতিক সূত্র জানায়, সরকার পরিচালনার দায়িত্ব গ্রহণের পর চীনা কমিউনিস্ট পার্টির
দেশের শীর্ষ ২০ ঋণখেলাপি প্রতিষ্ঠানের মধ্যে ১১টিই বিতর্কিত শিল্পগোষ্ঠী এস আলম গ্রুপের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট। এসব প্রতিষ্ঠানের মোট খেলাপি ঋণের পরিমাণ প্রায় ২২ হাজার ৮৮১ কোটি টাকা, যা শীর্ষ ২০ খেলাপির ৬৫ শতাংশ। আর ২০টি প্রতিষ্ঠানের মোট ঋণের পরিমাণ ৩৫ হাজার কোটি টাকারও বেশি।