অনুসরন করুন :
আল-কুরআন

আল— হজ্ব : ৩০ থেকে ৩৯

আল কুরআন (আল— হজ্ব : ৩০ থেকে ৩৯) ৩০. এগুলো (হজ্বের বিধান)। এ ছাড়া যে, আল্লাহ এবং পবিত্র (স্থান ও অনুষ্ঠান) সমূহের প্রতি সম্মান দেখাবে, তার প্রভ...

বিস্তারিত
আল-হাদীস

নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন

সাঈদ ইবনু আবদুর রহমান মাখযূমী রা. আব্বাদ ইবনু তামীম তৎপিতৃব্য আবদুল্লাহ্ ইবনু যায়দ রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত যে, তিনি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয...

বিস্তারিত
সম্পাদকীয়

বাংলাদেশের ইতিহাসে আরেকটি অন্তর্বর্তীকালীন সরকার গঠিত হলো

নোবেল বিজয়ী প্রফেসর ড. মুহাম্মদ ইউনুস এর নেতৃত্বে বাংলাদেশের ইতিহাসে আরেকটি অন্তর্বর্তীকালীন সরকার গঠিত হলো। নিঃসন্দেহে এই সরকার একটি বিপ্লবোত্তর সরক...

বিস্তারিত

নিরাপদ হোক রেল ভ্রমণ

(মতামত লেখকের নিজিস্ব)

গত বছরে ট্রেনে পাথর নিক্ষেপের ঘটনা ঘটে হাজারের বেশি। এর মধ্যে গত এক বছরে পাথর নিক্ষেপের ঘটনা ঘটেছে ৭৪টি। এই গুরুতর অপরাধে ট্রেন যাত্রীরা তো হতাহত হচ্ছেনই, এমনকি ট্রেনের চালক, সহকারী চালকসহ স্টাফরাও আহত হচ্ছেন। পাথর নিক্ষেপে জানালা ভাঙচুরসহ ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে ট্রেনের কোটি কোটি টাকার সম্পদ। অথচ, ১৮৯০ সালের রেলওয়ে আইনের ১২৭ ধারায় এমন অপরাধের শাস্তির বিধান আছে। চলন্ত ট্রেনে পাথর নিক্ষেপের জন্য ১০ হাজার টাকা জরিমানার পাশাপাশি ১০ বছর থেকে যাবজ্জীবন কারাদন্ডের কথা বলা আছে। আর কোন রেলযাত্রী মারা গেলে ৩০২ ধারায় অপরাধীর ফাঁসিরও বিধান আছে। জানা গেছে, সারাদেশের ২০ জেলার ৭০টি স্পটকে পাথর নিক্ষেপের জন্য অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ হিসেবে চিহ্নিত করেছে রেলওয়ে কর্তৃপক্ষ। সর্বশেষ গত ২৩ সেপ্টেম্বর ঢাকা থেকে জামালপুরের দেওয়ানগঞ্জগামী কমিউটার ট্রেনের ভিতরে ডাকাতির ঘটনা ঘটেছে। ডাকাত দলের হামলায় দুই জন নিহত এবং একজন আহত হয়েছে। ঢাকা থেকে ট্রেনটি ছেড়ে টঙ্গী আসার পরে এই ঘটনা ঘটে। ঘটনাস্থল থেকে আহত জনকে উদ্ধার করে জামালপুর সদর হাসপাতালে নেয়া হলে চিকিৎসকরা জনকে মৃত ঘোষণা করেন। এত বড় একটা ঘটনা ঘটলো অথচ, ট্রেনের মধ্যে অন্য লোকজন এবং ট্রেন পুলিশের কেউ ঠেকাতে পারেনি। ট্রেনে পাথর নিক্ষেপের ঘটনার সাথে সাথে এখন দেখা যাচ্ছে ট্রেনের মধ্যে সন্ত্রাসী হামলাও হচ্ছে। এভাবে চলতে থাকলে মানুষ তো ট্রেনের প্রতি আস্থা হারিয়ে ফেলবে। রেলযাত্রীদের এধরনের আতঙ্ক থেকে  রক্ষা করতে হবে। তাই এই অপরাধ বন্ধের জন্য যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে।

মাজহারুল ইসলাম শামীমশিক্ষার্থী, জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়।

সম্পর্কিত খবর

ক্যাম্পাসের হলে নিরাপত্তা চাই

ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের (ইবি) আটটি হলের মধ্যে খালেদা জিয়া হল অন্যতম। এটি ১৯৯৫ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। হলটি পুরাতন হওয়ায় এখানে মাঝে মাঝে বৈদ্যুতিক শর্ট সার্কিটসহ বিভিন্ন ধরনের সমস্যার সম্মুখীন হলেও কর্তৃপক্ষের জোরালো কোনো পদক্ষেপ নিতে দেখা যায় না।

প্রধান সড়কে ভাঙা মূর্তি

ঢাকার দোহারে সাবেক রতন চত্বরে স্থাপিত মূর্তিটি ভেঙে রাস্তার উপর রাখা হয়। এক মাস অতিক্রম হলেও এখন পর্যন্ত সেই মূর্তিটার ভাঙা অংশ প্রধান সড়ক থেকে অপসারণ করা হয়নি। এই রাস্তা দিয়ে প্রতিদিন শত শত বাস, ট্রাক, মোটরসাইকেল, রিকশা, ইজিবাইক ও অন্যান্য যানবাহন চলাচল করে।

ব্যাংক লুটেরাদের শাস্তি চাই

ব্যাপক ঋণ জালিয়াতির মাধ্যমে লক্ষ কোটি টাকা বিদেশে পাচার করেছে এস আলম গ্রুপ। গুঞ্জন উঠেছে যে, এই সব ঋণ কেলেংকারীর পিছনে সাবেক সরকারের উচ্চ পর্যায়ের কর্তাব্যক্তিরা জড়িত। এস আলম এখন স্বপরিবারে বিদেশে পলাতক। এস আলম গ্রুপের সবগুলো ব্যাংকে তারল্য ঘাটতি। গ্রাহকদের টাকা দিতে পারছেন না কোনো ব্যাংক।

ক্যাম্পাসে পর্যাপ্ত টয়লেট চাই

রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় দেশের অন্যতম শ্রেষ্ঠ বিদ্যাপীঠ। এই ৭৫৩ একরের ক্যাম্পাসকে বলা হয় ‘প্রাচ্যের ক্যামব্রিজ’। বাংলাদেশের প্রথম স্বয়ংসম্পূর্ণ ডিজিটাল ক্যাম্পাস বলেও দাবি করে রাবি প্রশাসন। তবে বিশ্ববিদ্যালয়ের নানান সেক্টরে রয়েছে অসম্পূর্ণতা। এর মধ্যে অন্যতম হলো নিচ তলাতে নারী শিক্ষার্থীদের জন্য আলাদা টয়লেট না থাকা।