অনুসরন করুন :
আল-কুরআন

আল— হজ্ব : ৩০ থেকে ৩৯

আল কুরআন (আল— হজ্ব : ৩০ থেকে ৩৯) ৩০. এগুলো (হজ্বের বিধান)। এ ছাড়া যে, আল্লাহ এবং পবিত্র (স্থান ও অনুষ্ঠান) সমূহের প্রতি সম্মান দেখাবে, তার প্রভ...

বিস্তারিত
আল-হাদীস

নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন

সাঈদ ইবনু আবদুর রহমান মাখযূমী রা. আব্বাদ ইবনু তামীম তৎপিতৃব্য আবদুল্লাহ্ ইবনু যায়দ রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত যে, তিনি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয...

বিস্তারিত
সম্পাদকীয়

বাংলাদেশের ইতিহাসে আরেকটি অন্তর্বর্তীকালীন সরকার গঠিত হলো

নোবেল বিজয়ী প্রফেসর ড. মুহাম্মদ ইউনুস এর নেতৃত্বে বাংলাদেশের ইতিহাসে আরেকটি অন্তর্বর্তীকালীন সরকার গঠিত হলো। নিঃসন্দেহে এই সরকার একটি বিপ্লবোত্তর সরক...

বিস্তারিত

নিরাপত্তা পরিষদে জার্মানির ব্যর্থতা : ইসরায়েলপন্থী অবস্থানের প্রভাব?

ছবি : সংগৃহীত

সংস্কার ৬ জুন ২০২৬ শনিবার: জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদের (ইউএনএসসি) অস্থায়ী সদস্যপদ নির্বাচনে ব্যর্থ হয়েছে জার্মানি। বুধবার অনুষ্ঠিত ভোটে পশ্চিম ইউরোপ ও অন্যান্য অঞ্চল থেকে নির্ধারিত দুটি আসনের একটিও পায়নি দেশটি। পরিবর্তে অস্ট্রিয়া ও পর্তুগাল নির্বাচিত হয়েছে।

জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদে জার্মানি ১০৪টি ভোট পায়, যা নির্বাচিত হওয়ার জন্য প্রয়োজনীয় দুই-তৃতীয়াংশ সংখ্যাগরিষ্ঠতার চেয়ে ২৩ ভোট কম। প্রতি আট বছর পরপর এ আসনে নির্বাচিত হওয়ার ধারাবাহিকতা থাকলেও এবার প্রথমবারের মতো ব্যর্থ হলো জার্মানি।

ফল ঘোষণার পর দেশটির পররাষ্ট্রমন্ত্রী জোহান ভাদেফুল ইঙ্গিত দেন, ইসরায়েলকে সমর্থনসহ কিছু পররাষ্ট্রনীতিগত অবস্থান এ ফলাফলে প্রভাব ফেলতে পারে। তিনি বলেন, আন্তর্জাতিক বিভিন্ন ইস্যুতে জার্মানি তার অবস্থান স্পষ্ট করেছে, তবে সব দেশ সেই অবস্থানের সঙ্গে একমত নয়। ইউক্রেনের প্রতি সমর্থন এবং মধ্যপ্রাচ্যে ইসরায়েলের পাশে থাকার নীতিও কিছু দেশের বিরূপ প্রতিক্রিয়া তৈরি করে থাকতে পারে।

ভোটের পর জার্মানিতে রাজনৈতিক প্রতিক্রিয়া ছড়িয়ে পড়ে। চ্যান্সেলর ফ্রিডরিখ মের্ৎসের নেতৃত্বাধীন সরকার দেশের বৈশ্বিক অবস্থান নিয়ে প্রশ্নের মুখে পড়ে। বিরোধী ও ডানপন্থী নেতারা একে জার্মান কূটনীতির বড় ধাক্কা হিসেবে উল্লেখ করেন।

বিশ্লেষকদের একাংশ মনে করছেন, ইউক্রেন ইস্যুর চেয়ে গাজা যুদ্ধ এবং ইসরায়েলের প্রতি জার্মানির দৃঢ় সমর্থনই বেশি প্রভাব ফেলেছে। জাতিসংঘের বিভিন্ন প্রস্তাবে ভোটদানে বিরত থাকা এবং পরে কিছু ক্ষেত্রে ইসরায়েলের পক্ষে অবস্থান নেওয়া নিয়েও দীর্ঘদিন ধরে বিতর্ক রয়েছে। গাজা যুদ্ধকে ঘিরে জার্মানির নীতি মানবাধিকার সংগঠনগুলোর সমালোচনার মুখে পড়ে।

ইসরায়েল-ফিলিস্তিন প্রশ্নে নাৎসি যুগের ঐতিহাসিক দায়বদ্ধতা জার্মানির পররাষ্ট্রনীতিতে দীর্ঘদিন ধরে প্রভাব ফেলছে। তবে সাম্প্রতিক সময়ে এই অবস্থান আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলে আরও বিতর্ক সৃষ্টি করেছে বলে বিশ্লেষকদের মত।

জাতিসংঘের মানবাধিকারবিষয়ক সাবেক কর্মকর্তা ক্রেইগ মোখাইবার বলেন, ফিলিস্তিন ইস্যুতে জার্মানির অবস্থান আন্তর্জাতিক প্রতিক্রিয়া তৈরি করেছে, যা ভোটের ফলাফলে প্রতিফলিত হয়েছে।

তবে জার্মান সরকার জানিয়েছে, তাদের পররাষ্ট্রনীতি আন্তর্জাতিক আইন ও কূটনৈতিক নীতির ভিত্তিতেই পরিচালিত হচ্ছে। ভবিষ্যতে কূটনৈতিক প্রচেষ্টার মাধ্যমে আবারও নিরাপত্তা পরিষদের অস্থায়ী সদস্যপদ পাওয়ার আশা করছে দেশটি। (আল-জাজিরা)

সংস্কার/ইএমই

সম্পর্কিত খবর

৮০ বছর পর অজ্ঞাত মার্কিন সেনার পরিচয় উদ্ধারে নতুন আশার আলো

আলাস্কার সিটকা শহরে গত জুনে এক আবেগঘন ঘটনার সাক্ষী হন স্থানীয় বাসিন্দারা। সিটকা ন্যাশনাল সিমেট্রি থেকে মার্কিন উপকূলরক্ষী বাহিনীর দুই সদস্য মার্কিন পতাকায় মোড়ানো একটি কফিন অ্যাম্বুলেন্সে তোলেন। এ সময় ১২ জন সেনাসদস্য, সাবেক যোদ্ধা এবং পুলিশ ও ফায়ার সার্ভিসের

আরএসএসকে সন্ত্রাসী সংগঠন বললেন প্রশান্ত ভূষণ

ভারতের জ্যেষ্ঠ আইনজীবী ও মানবাধিকারকর্মী প্রশান্ত ভূষণ দেশটির হিন্দুত্ববাদী সংগঠন রাষ্ট্রীয় স্বয়ংসেবক সংঘকে (আরএসএস) কঠোরভাবে সমালোচনা করে এটিকে শুধু রাষ্ট্রবিরোধী নয়, বরং একটি সন্ত্রাসী সংগঠন হিসেবে আখ্যা দিয়েছেন। তাঁর অভিযোগ, আরএসএস দীর্ঘদিন ধরে সাম্প্রদায়িক বিদ্বেষ ছড়ানো,

স্পেনের ছিউতায় অভিবাসী ঢল : প্রাণ গেল ৬৭ জনের

স্পেনের নিয়ন্ত্রণাধীন উত্তর আফ্রিকার শহর ছিউতায় চলতি সপ্তাহে নজিরবিহীন অভিবাসী সংকট দেখা দিয়েছে। আনুমানিক ৫০ থেকে ৬০ হাজার অভিবাসী মরক্কো সীমান্ত পেরিয়ে ছিউতায় প্রবেশের চেষ্টা করেন। তবে স্প্যানিশ কর্তৃপক্ষের তথ্য অনুযায়ী, শুক্রবার সন্ধ্যার মধ্যে তাদের অধিকাংশই নিজ উদ্যোগে

পুশ-ইন নিয়ে বাড়ছে উত্তেজনা : মুখোমুখি বাংলাদেশ-ভারত

প্রায় ২,৫০০ মাইল বা ৪ হাজার কিলোমিটার দীর্ঘ বাংলাদেশ-ভারত সীমান্ত ক্রমেই বিরোধপূর্ণ এলাকায় পরিণত হচ্ছে। ভারত ‘বাংলাদেশি’ নথিপত্রধারী কিংবা বাংলাদেশি সন্দেহে নথিহীন ব্যক্তিদের আটক করে সীমান্ত দিয়ে বাংলাদেশে পুশ-ইন করছে বলে অভিযোগ উঠেছে। অনেক ক্ষেত্রে এসব ঘটনা গভীর রাতেও