আল— হজ্ব : ৩০ থেকে ৩৯
আল কুরআন (আল— হজ্ব : ৩০ থেকে ৩৯) ৩০. এগুলো (হজ্বের বিধান)। এ ছাড়া যে, আল্লাহ এবং পবিত্র (স্থান ও অনুষ্ঠান) সমূহের প্রতি সম্মান দেখাবে, তার প্রভ...
বিস্তারিতনবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন
সাঈদ ইবনু আবদুর রহমান মাখযূমী রা. আব্বাদ ইবনু তামীম তৎপিতৃব্য আবদুল্লাহ্ ইবনু যায়দ রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত যে, তিনি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয...
বিস্তারিতবাংলাদেশের ইতিহাসে আরেকটি অন্তর্বর্তীকালীন সরকার গঠিত হলো
নোবেল বিজয়ী প্রফেসর ড. মুহাম্মদ ইউনুস এর নেতৃত্বে বাংলাদেশের ইতিহাসে আরেকটি অন্তর্বর্তীকালীন সরকার গঠিত হলো। নিঃসন্দেহে এই সরকার একটি বিপ্লবোত্তর সরক...
বিস্তারিত
ছবি : সংগৃহীত
সংস্কার ১৭ মে ২০২৬ রবিবার: পশ্চিমবঙ্গের উত্তর ২৪ পরগনার হাঙ্গড় থানার নারকেলবেড়িয়ার ঘোষপাড়ায় নতুন গো-আইনের কারণে চরম সংকটে পড়েছেন ডেইরি খামারিরা। কুরবানির ঈদের আগে গরু কেনাবেচায় কঠোর বিধিনিষেধ আরোপ করায় এলাকার শত শত খামারি পরিবার আর্থিক বিপর্যয়ের মুখে পড়েছে।
স্থানীয় খামারিদের অভিযোগ, দীর্ঘদিন ধরে দুধ উৎপাদন কমে যাওয়া গরু কুরবানির বাজারে মুসলিম ক্রেতাদের কাছে বিক্রি করে তারা ঋণ পরিশোধ ও নতুন গাভী কেনার ব্যবস্থা করতেন। কিন্তু নতুন নিয়ম অনুযায়ী ১৪ বছরের বেশি বয়সী গরু ছাড়া বিক্রি বা কুরবানি করা যাবে না। পাশাপাশি পঞ্চায়েত সভাপতির সার্টিফিকেট বাধ্যতামূলক করায় কার্যত বন্ধ হয়ে গেছে গরুর বাজার।
ঘোষপাড়ার খাটালগুলোতে এখন বিপুলসংখ্যক অবিক্রিত গরু আটকে আছে। অনেক খামারে ৫০ থেকে ২০০টি পর্যন্ত গরু রয়েছে। এসব পশু পালনে ব্যাংক ঋণ, স্বর্ণঋণ ও উচ্চ সুদে ধার নেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন খামারিরা। বিক্রি বন্ধ হয়ে যাওয়ায় কিস্তি ও দেনা শোধ করতে না পেরে তারা চরম দুশ্চিন্তায় দিন কাটাচ্ছেন।
খামারি সুমিত অধিকারী অভিযোগ করেন, বর্তমান পরিস্থিতিতে তারা মানসিকভাবে ভেঙে পড়েছেন। তার ভাষায়, কুরবানির বাজার বন্ধ হয়ে গেলে ঋণ শোধ করা সম্ভব হবে না এবং পাওনাদারদের চাপ সামলানোও কঠিন হয়ে পড়বে।
নারী খামারিরাও একই ধরনের সংকটের কথা জানিয়েছেন। মামনি ঘোষ বলেন, বছরের এই সময় গরু বিক্রির টাকাতেই পুরোনো দেনা পরিশোধ করে নতুনভাবে ব্যবসা শুরু করা হতো। কিন্তু এবার গরু বিক্রি না হওয়ায় পরিবারগুলোর ভবিষ্যৎ অনিশ্চয়তার মধ্যে পড়েছে।
আরেক নারী খামারি জানান, ঋণের চাপে তারা মানসিকভাবে ভেঙে পড়ছেন। প্রতিদিন প্রতিটি গরুর পেছনে ৪০০ থেকে ৫০০ টাকা পর্যন্ত খাদ্য ব্যয় হচ্ছে, অথচ নতুন করে বাকি দিতেও রাজি নন ভুষি ও ওষুধ ব্যবসায়ীরা।
ক্ষুব্ধ খামারিদের একাংশ রাজ্য সরকারের বিরুদ্ধে আন্দোলনের হুঁশিয়ারি দিয়েছেন। খামারি কানাই ঘোষ বলেন, গরু বিক্রি করতে না পারলে তাদের সামনে আত্মহত্যা ছাড়া আর কোনো পথ থাকবে না। তিনি দাবি করেন, সমস্যার সমাধান না হলে হাজার হাজার গরু নিয়ে তারা নবান্নে গিয়ে অবস্থান নেবেন।
আরেক খামারি বলেন, সরকার যদি গরু বিক্রির পথ না খোলে, তাহলে ক্ষতিগ্রস্ত কৃষক ও খামারিদের জন্য বিকল্প ব্যবস্থা করতে হবে।
খামারিদের দাবি, বহু বছর ধরে হিন্দু ও মুসলিম সম্প্রদায়ের মানুষ পারস্পরিক সহযোগিতার মাধ্যমে এই ব্যবসা পরিচালনা করে আসছেন। হঠাৎ কঠোর বিধিনিষেধ আরোপ করায় পুরো ডেইরি শিল্প বিপর্যয়ের মুখে পড়েছে।
তাদের আশঙ্কা, দ্রুত সমাধান না এলে পশ্চিমবঙ্গজুড়ে হাজার হাজার খামারি পরিবার মারাত্মক অর্থনৈতিক সংকটে পড়ে যাবে।
সংস্কার/ইএমই
আলাস্কার সিটকা শহরে গত জুনে এক আবেগঘন ঘটনার সাক্ষী হন স্থানীয় বাসিন্দারা। সিটকা ন্যাশনাল সিমেট্রি থেকে মার্কিন উপকূলরক্ষী বাহিনীর দুই সদস্য মার্কিন পতাকায় মোড়ানো একটি কফিন অ্যাম্বুলেন্সে তোলেন। এ সময় ১২ জন সেনাসদস্য, সাবেক যোদ্ধা এবং পুলিশ ও ফায়ার সার্ভিসের
ভারতের জ্যেষ্ঠ আইনজীবী ও মানবাধিকারকর্মী প্রশান্ত ভূষণ দেশটির হিন্দুত্ববাদী সংগঠন রাষ্ট্রীয় স্বয়ংসেবক সংঘকে (আরএসএস) কঠোরভাবে সমালোচনা করে এটিকে শুধু রাষ্ট্রবিরোধী নয়, বরং একটি সন্ত্রাসী সংগঠন হিসেবে আখ্যা দিয়েছেন। তাঁর অভিযোগ, আরএসএস দীর্ঘদিন ধরে সাম্প্রদায়িক বিদ্বেষ ছড়ানো,
স্পেনের নিয়ন্ত্রণাধীন উত্তর আফ্রিকার শহর ছিউতায় চলতি সপ্তাহে নজিরবিহীন অভিবাসী সংকট দেখা দিয়েছে। আনুমানিক ৫০ থেকে ৬০ হাজার অভিবাসী মরক্কো সীমান্ত পেরিয়ে ছিউতায় প্রবেশের চেষ্টা করেন। তবে স্প্যানিশ কর্তৃপক্ষের তথ্য অনুযায়ী, শুক্রবার সন্ধ্যার মধ্যে তাদের অধিকাংশই নিজ উদ্যোগে
প্রায় ২,৫০০ মাইল বা ৪ হাজার কিলোমিটার দীর্ঘ বাংলাদেশ-ভারত সীমান্ত ক্রমেই বিরোধপূর্ণ এলাকায় পরিণত হচ্ছে। ভারত ‘বাংলাদেশি’ নথিপত্রধারী কিংবা বাংলাদেশি সন্দেহে নথিহীন ব্যক্তিদের আটক করে সীমান্ত দিয়ে বাংলাদেশে পুশ-ইন করছে বলে অভিযোগ উঠেছে। অনেক ক্ষেত্রে এসব ঘটনা গভীর রাতেও