আল— হজ্ব : ৩০ থেকে ৩৯
আল কুরআন (আল— হজ্ব : ৩০ থেকে ৩৯) ৩০. এগুলো (হজ্বের বিধান)। এ ছাড়া যে, আল্লাহ এবং পবিত্র (স্থান ও অনুষ্ঠান) সমূহের প্রতি সম্মান দেখাবে, তার প্রভ...
বিস্তারিতনবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন
সাঈদ ইবনু আবদুর রহমান মাখযূমী রা. আব্বাদ ইবনু তামীম তৎপিতৃব্য আবদুল্লাহ্ ইবনু যায়দ রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত যে, তিনি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয...
বিস্তারিতবাংলাদেশের ইতিহাসে আরেকটি অন্তর্বর্তীকালীন সরকার গঠিত হলো
নোবেল বিজয়ী প্রফেসর ড. মুহাম্মদ ইউনুস এর নেতৃত্বে বাংলাদেশের ইতিহাসে আরেকটি অন্তর্বর্তীকালীন সরকার গঠিত হলো। নিঃসন্দেহে এই সরকার একটি বিপ্লবোত্তর সরক...
বিস্তারিত
ছবি : সংগৃহীত
সংস্কার ২৫ জানুয়ারী ২০২৬: কানাডার প্রধানমন্ত্রী মার্ক কার্নি বলেছেন, মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের নেতৃত্বে যুক্তরাষ্ট্র বিশ্বব্যাপী অস্থিতিশীলতার মূল কেন্দ্রে পরিণত হয়েছে এবং আমেরিকার আধিপত্যের যুগ শেষ হয়ে গেছে। মঙ্গলবার সুইজারল্যান্ডের দাভোসে বিশ্ব অর্থনৈতিক ফোরামে দেওয়া এক বিশেষ বিবৃতিতে তিনি এ মন্তব্য করেন।
কার্নি বলেন, বিশ্বের প্রায় সব দেশের ওপর শাস্তিমূলক শুল্ক আরোপ, ভেনেজুয়েলার মতো একটি সার্বভৌম দেশের প্রেসিডেন্টকে অপহরণ ও উৎখাতের চেষ্টা, দেশি-বিদেশি অনুমোদন ছাড়াই সামরিক শক্তি ব্যবহার এবং ঘনিষ্ঠ মিত্রদের শাসনাধীন অঞ্চল দখলের হুমকি, এসবই যুক্তরাষ্ট্রের দ্বৈত চরিত্র ও স্বেচ্ছাচারিতার উদাহরণ। এসব নীতির ফলে মার্কিন নেতৃত্বের অবশিষ্ট বিশ্বাসযোগ্যতাও নষ্ট হয়ে গেছে।
তার ভাষায়, ‘মার্কিন নেতৃত্বাধীন বিশ্বব্যবস্থা এখন রূপান্তরের মধ্য দিয়ে যাচ্ছে না, বরং ধ্বংসের প্রান্তে দাঁড়িয়ে আছে।’ তিনি বলেন, যুক্তরাষ্ট্র নিয়ম উপেক্ষা করছে, আন্তর্জাতিক প্রতিষ্ঠানগুলোকে অগ্রাহ্য করছে এবং ‘আমেরিকা ফার্স্ট’ নীতির আওতায় শক্তিকে অস্ত্র হিসেবে ব্যবহার করছে।
বিশ্বে কার্যকর একটি নিয়মভিত্তিক আন্তর্জাতিক ব্যবস্থা আছে, এই ধারণাকে ভ্রান্ত উল্লেখ করে কার্নি বলেন, যুক্তরাষ্ট্র নিয়মিতভাবে আন্তর্জাতিক বাণিজ্য আইন ও আন্তর্জাতিক আইন থেকে নিজেকে ছাড় দিচ্ছে এবং বেছে বেছে সম্মতি দিচ্ছে, যা দ্বিচারিতা সৃষ্টি করছে। একসময় পারস্পরিক লাভজনক বলে প্রচার করা অর্থনৈতিক সমন্বয় এখন রাজনৈতিক ও কূটনৈতিক চাপের হাতিয়ার হয়ে উঠেছে। বিশ্ব বাণিজ্য সংস্থা ও জাতিসংঘের মতো বহুপাক্ষিক প্রতিষ্ঠানগুলোও দুর্বল করা হয়েছে, কারণ সেগুলো যুক্তরাষ্ট্রের কর্মকাণ্ডের স্বাধীনতাকে সীমিত করে।
তিনি আরও বলেন, ওয়াশিংটনের সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক অনেক দেশকে দুর্বল অবস্থান থেকে আলোচনায় বসতে বাধ্য করছে। এ প্রসঙ্গে তিনি সতর্ক করে বলেন, এটি সার্বভৌমত্ব নয়; এটি সার্বভৌমত্বের অভিনয়, যেখানে অধীনতা মেনে নেওয়া হয়। গ্রিনল্যান্ড ও আর্কটিক অঞ্চলে মার্কিন প্রভাব ও চাপের উদাহরণ টেনে কার্নি বলেন, ঘনিষ্ঠ অংশীদারদের ওপরও যুক্তরাষ্ট্র চাপ প্রয়োগ করছে। তিনি স্পষ্ট করে জানান, গ্রিনল্যান্ডের ওপর মার্কিন শুল্ক আরোপের বিরোধিতা করে কানাডা।
কানাডার প্রধানমন্ত্রী মধ্যম আকারের শক্তিধর দেশগুলোর প্রতি আহ্বান জানান, যেন তারা মার্কিন চাপের বিরুদ্ধে বাস্তব প্রতিরোধ গড়ে তোলে, ভান বা অভিনয় বন্ধ করে এবং যুক্তরাষ্ট্রের প্রভাবের ওপর নির্ভরশীল নয়—এমন নতুন সহযোগিতামূলক জোট গড়ে তোলে। তিনি বলেন, আপনি যদি টেবিলে না বসেন, তাহলে আপনি খাদ্যতালিকায় থাকবেন।
অতীতের মার্কিন নেতৃত্বের প্রতি আকাঙ্ক্ষা প্রত্যাখ্যান করে কার্নি বলেন, আমেরিকার আধিপত্যের যুগ শেষ হয়ে গেছে এবং এর জন্য শোক করার কিছু নেই। তার মতে, সামনে করণীয় হলো, মার্কিন মোড়লগিরিকে বাস্তবভাবে মোকাবিলা করা, সান্ত্বনামূলক বিভ্রম ত্যাগ করা এবং সম্মিলিত শক্তির ভিত্তিতে নতুন জোট গড়ে তোলা, যা কখনোই আমেরিকার প্রতি আনুগত্যের ওপর নির্ভর করবে না।
সংস্কার/ইএমই
আলাস্কার সিটকা শহরে গত জুনে এক আবেগঘন ঘটনার সাক্ষী হন স্থানীয় বাসিন্দারা। সিটকা ন্যাশনাল সিমেট্রি থেকে মার্কিন উপকূলরক্ষী বাহিনীর দুই সদস্য মার্কিন পতাকায় মোড়ানো একটি কফিন অ্যাম্বুলেন্সে তোলেন। এ সময় ১২ জন সেনাসদস্য, সাবেক যোদ্ধা এবং পুলিশ ও ফায়ার সার্ভিসের
ভারতের জ্যেষ্ঠ আইনজীবী ও মানবাধিকারকর্মী প্রশান্ত ভূষণ দেশটির হিন্দুত্ববাদী সংগঠন রাষ্ট্রীয় স্বয়ংসেবক সংঘকে (আরএসএস) কঠোরভাবে সমালোচনা করে এটিকে শুধু রাষ্ট্রবিরোধী নয়, বরং একটি সন্ত্রাসী সংগঠন হিসেবে আখ্যা দিয়েছেন। তাঁর অভিযোগ, আরএসএস দীর্ঘদিন ধরে সাম্প্রদায়িক বিদ্বেষ ছড়ানো,
স্পেনের নিয়ন্ত্রণাধীন উত্তর আফ্রিকার শহর ছিউতায় চলতি সপ্তাহে নজিরবিহীন অভিবাসী সংকট দেখা দিয়েছে। আনুমানিক ৫০ থেকে ৬০ হাজার অভিবাসী মরক্কো সীমান্ত পেরিয়ে ছিউতায় প্রবেশের চেষ্টা করেন। তবে স্প্যানিশ কর্তৃপক্ষের তথ্য অনুযায়ী, শুক্রবার সন্ধ্যার মধ্যে তাদের অধিকাংশই নিজ উদ্যোগে
প্রায় ২,৫০০ মাইল বা ৪ হাজার কিলোমিটার দীর্ঘ বাংলাদেশ-ভারত সীমান্ত ক্রমেই বিরোধপূর্ণ এলাকায় পরিণত হচ্ছে। ভারত ‘বাংলাদেশি’ নথিপত্রধারী কিংবা বাংলাদেশি সন্দেহে নথিহীন ব্যক্তিদের আটক করে সীমান্ত দিয়ে বাংলাদেশে পুশ-ইন করছে বলে অভিযোগ উঠেছে। অনেক ক্ষেত্রে এসব ঘটনা গভীর রাতেও