আল— হজ্ব : ৩০ থেকে ৩৯
আল কুরআন (আল— হজ্ব : ৩০ থেকে ৩৯) ৩০. এগুলো (হজ্বের বিধান)। এ ছাড়া যে, আল্লাহ এবং পবিত্র (স্থান ও অনুষ্ঠান) সমূহের প্রতি সম্মান দেখাবে, তার প্রভ...
বিস্তারিতনবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন
সাঈদ ইবনু আবদুর রহমান মাখযূমী রা. আব্বাদ ইবনু তামীম তৎপিতৃব্য আবদুল্লাহ্ ইবনু যায়দ রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত যে, তিনি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয...
বিস্তারিতবাংলাদেশের ইতিহাসে আরেকটি অন্তর্বর্তীকালীন সরকার গঠিত হলো
নোবেল বিজয়ী প্রফেসর ড. মুহাম্মদ ইউনুস এর নেতৃত্বে বাংলাদেশের ইতিহাসে আরেকটি অন্তর্বর্তীকালীন সরকার গঠিত হলো। নিঃসন্দেহে এই সরকার একটি বিপ্লবোত্তর সরক...
বিস্তারিত
ছবি : সংগৃহীত
সংস্কার ৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৬: বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমান বলেছেন, ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের পর জামায়াতে ইসলামীর সঙ্গে ঐক্য সরকার গঠনের কোনো সম্ভাবনা নেই। বার্তা সংস্থা রয়টার্সকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি জানান, বিএনপি এককভাবেই সরকার গঠনে সক্ষম হবে। শুক্রবার ৬ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ নিজ দলীয় কার্যালয়ে রয়টার্সকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে তারেক রহমান এ অবস্থান জানান। এ সময় তিনি চীনের সঙ্গে সম্পর্ক, জেনজি প্রজন্মের ভোট এবং রোহিঙ্গা ইস্যু নিয়েও কথা বলেন।
আসন্ন নির্বাচনে বিএনপির প্রধান প্রতিদ্বন্দ্বী হিসেবে জামায়াতে ইসলামীর নাম আসছে। আগে নিষিদ্ধ থাকা দলটি এখন আবার রাজনৈতিক শক্তি হিসেবে সক্রিয়। ২০০১-২০০৬ মেয়াদে বিএনপি-জামায়াত জোট সরকার পরিচালনা করেছিল। সম্প্রতি জামায়াত দেশকে স্থিতিশীল করতে ঐক্য সরকার গঠনের আগ্রহের কথা জানালেও তারেক রহমান তা নাকচ করেন।
জোট সরকার প্রসঙ্গে তিনি রয়টার্সকে বলেন, আমি কীভাবে আমার রাজনৈতিক প্রতিপক্ষদের সঙ্গে সরকার গঠন করব? তাহলে বিরোধীদলই বা কে হবে? তিনি আরও বলেন, জামায়াত যদি বিরোধীদলে থাকে, তবে তারা একটি ভালো বিরোধীদল হবে, এটাই তিনি আশা করেন।
বিএনপি সংসদের ৩০০ আসনের মধ্যে দুই-তৃতীয়াংশের বেশি আসনে জয়ের ব্যাপারে আত্মবিশ্বাসী। দলটি ২৯২টি আসনে প্রার্থী দিয়েছে, বাকি আসনগুলোতে প্রার্থী দিয়েছে তাদের মিত্ররা। নির্দিষ্ট সংখ্যা না জানালেও তারেক রহমান বলেন, সরকার গঠনের জন্য প্রয়োজনীয় আসন তারা পাবে।
সাম্প্রতিক জনমত জরিপগুলোতে সাধারণভাবে বিএনপির জয়ের পূর্বাভাস দেওয়া হয়েছে, তবে জামায়াত-নেতৃত্বাধীন জোটের শক্ত চ্যালেঞ্জের কথাও উল্লেখ করা হয়েছে। ওই জোটে জেনজি প্রজন্মের একটি দল রয়েছে, যারা যুব নেতৃত্বাধীন শেখ হাসিনাবিরোধী আন্দোলন থেকে উঠে এসেছে।
২০২৪ সালের আগস্টে শেখ হাসিনার ক্ষমতাচ্যুতির পর বাংলাদেশ অন্তর্বর্তী সরকারের অধীনে চলছে। হাসিনা বর্তমানে ভারতে অবস্থান করছেন। তাকে আশ্রয় দেওয়ায় বাংলাদেশ-ভারত সম্পর্ক ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। গত বছর ঢাকার একটি আদালত শেখ হাসিনাকে মৃত্যুদণ্ড দেন বলেও প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়। এ পরিস্থিতিতে বাংলাদেশে চীনের বিনিয়োগ ও রাজনৈতিক প্রভাব বাড়ার সুযোগ তৈরি হয়েছে।
নির্বাচিত হলে বাংলাদেশ ভারতের বদলে চীনের দিকে ঝুঁকবে কি না, এ প্রশ্নে তারেক রহমান বলেন, বাংলাদেশের প্রায় ১৭ কোটি ৫০ লাখ মানুষের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি নিশ্চিত করতে সক্ষম অংশীদার প্রয়োজন। তিনি বলেন, সরকারে এলে তরুণদের জন্য চাকরি সৃষ্টি, বিনিয়োগ আনা ও কর্মসংস্থান বাড়ানো হবে। বাংলাদেশের স্বার্থ ও সার্বভৌমত্ব রক্ষা করে যে দেশ বা পক্ষ জনগণের জন্য উপযোগী প্রস্তাব দেবে, তাদের সঙ্গেই বন্ধুত্ব হবে, কোনো নির্দিষ্ট দেশের সঙ্গে নয়।
শেখ হাসিনার সন্তানরা বিদেশ থেকে ফিরে রাজনীতিতে অংশ নিতে পারবেন কি না, এ প্রশ্নে তিনি বলেন, জনগণের কাছে গ্রহণযোগ্য হলে রাজনীতি করার অধিকার সবারই আছে।
সংস্কার/ইএমই
ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের আমির মুফতি সৈয়দ মুহাম্মদ রেজাউল করিম বলেছেন, দেশের দক্ষিণে বঙ্গোপসাগর অঞ্চল থেকে ইসলামের বিজয়ের সূচনা হয়েছে এবং আল্লাহর দেওয়া দ্বীনের পথে থাকলে তা একসময় সারা বাংলায় ছড়িয়ে পড়বে। সোমবার ১৩ এপ্রিল ২০২৬ বিকালে বরগুনার তালতলী
দেশে চলমান জ্বালানি সংকটের মধ্যে অর্ধশতাধিক গাড়িবহর নিয়ে শোডাউন করায় নাটোরের গুরুদাসপুর উপজেলা ছাত্রদলের ভারপ্রাপ্ত আহ্বায়ক মাসুদ রানা প্রামাণিককে দল থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে। সোমবার ১৩ এপ্রিল ২০২৬ সকালে সাংগঠনিক শৃঙ্খলা ভঙ্গের অভিযোগে তাকে পদ থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়।
আওয়ামী লীগের সঙ্গে অলিখিত চুক্তির কারণেই দাগি আসামিরা জামিন পাচ্ছে, এমন অভিযোগ করেছেন ১১ দলীয় ঐক্যের নেতা সারজিস। রোববার ১২ এপ্রিল ২০২৬ দুপুরে ইনস্টিটিউশন অব ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ার্স বাংলাদেশ (আইডিইবি) মিলনায়তনে জুলাই শহীদ পরিবার ও জুলাই যোদ্ধাদের সঙ্গে আয়োজিত
সাংবাদিক দম্পতি সাগর সরওয়ার ও মেহেরুন রুনি হত্যাকাণ্ডের দেড় দশক পার হলেও এখনও বিচার সম্পন্ন হয়নি। এ বিষয়ে অবিলম্বে কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়া না হলে সাংবাদিক সমাজ কঠোর কর্মসূচি দিতে বাধ্য হবে বলে হুঁশিয়ারি দিয়েছেন নেতারা। সোমবার (৬ এপ্রিল) ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটির (ডিআরইউ) সামনে