আল— হজ্ব : ৩০ থেকে ৩৯
আল কুরআন (আল— হজ্ব : ৩০ থেকে ৩৯) ৩০. এগুলো (হজ্বের বিধান)। এ ছাড়া যে, আল্লাহ এবং পবিত্র (স্থান ও অনুষ্ঠান) সমূহের প্রতি সম্মান দেখাবে, তার প্রভ...
বিস্তারিতনবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন
সাঈদ ইবনু আবদুর রহমান মাখযূমী রা. আব্বাদ ইবনু তামীম তৎপিতৃব্য আবদুল্লাহ্ ইবনু যায়দ রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত যে, তিনি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয...
বিস্তারিতবাংলাদেশের ইতিহাসে আরেকটি অন্তর্বর্তীকালীন সরকার গঠিত হলো
নোবেল বিজয়ী প্রফেসর ড. মুহাম্মদ ইউনুস এর নেতৃত্বে বাংলাদেশের ইতিহাসে আরেকটি অন্তর্বর্তীকালীন সরকার গঠিত হলো। নিঃসন্দেহে এই সরকার একটি বিপ্লবোত্তর সরক...
বিস্তারিত
ছবি : ইন্টারনেট
সংস্কার ৩০ ডিসেম্বর ২০২৫: বাংলাদেশের রাজনীতির একটি যুগান্তকারী অধ্যায়ের অবসান ঘটেছে। বাংলাদেশের প্রথম নারী প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপির চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়া আর নেই। ৮০ বছর বয়সে তিনি মঙ্গলবার ৩০ ডিসেম্বর ২০২৫ সকাল ৬টায় ফজরের নামাজের পর ঢাকার এভারকেয়ার হাসপাতালে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)। গত ২৩ নভেম্বর ফুসফুসের সংক্রমণে আক্রান্ত হয়ে তাকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। এরপর থেকেই তার শারীরিক অবস্থা গুরুতর ছিল। মৃত্যুর খবরে দেশ-বিদেশে গভীর শোকের প্রতিক্রিয়া দেখা দিয়েছে।
বিএনপির পক্ষ থেকে এক বিবৃতিতে বলা হয়, আমাদের প্রিয় জাতীয় নেত্রী আর আমাদের মধ্যে নেই। আমরা তার আত্মার মাগফিরাত কামনা করছি এবং সবার কাছে দোয়ার আবেদন জানাচ্ছি। এই সংবাদ মুহূর্তেই আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে। বিবিসি, সিএনএন, আল-জাজিরা, দ্য গার্ডিয়ান ও রয়টার্সসহ প্রভাবশালী আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমগুলো খালেদা জিয়ার মৃত্যুতে বিশেষ প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে। এসব প্রতিবেদনে তার রাজনৈতিক জীবন, উত্থান-পতন এবং বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক যাত্রায় তার ভূমিকার কথা তুলে ধরা হয়েছে।
আল-জাজিরা খালেদা জিয়াকে বাংলাদেশের রাজনীতির কেন্দ্রীয় চরিত্র হিসেবে উল্লেখ করে শেখ হাসিনার সঙ্গে তার দীর্ঘ রাজনৈতিক দ্বন্দ্বকে ব্যাটলিং বেগামস আখ্যা দিয়েছে। বিবিসি তার জীবনকে লাজুক গৃহিণী থেকে প্রধানমন্ত্রী হয়ে ওঠার গল্প হিসেবে তুলে ধরে নারী ক্ষমতায়নের প্রতীক বলে উল্লেখ করেছে।
সিএনএন বিদেশি বিশ্লেষকদের উদ্ধৃতি দিয়ে জানায়, খালেদা জিয়া ও শেখ হাসিনার দীর্ঘদিনের রাজনৈতিক প্রতিদ্বন্দ্বিতা বাংলাদেশের রাজনীতিকে প্রজন্মজুড়ে দ্বিমুখী ধারায় বিভক্ত করে রেখেছিল। দ্য গার্ডিয়ান ও রয়টার্স বলেছে, তার মৃত্যু শুধু একজন রাজনীতিবিদের বিদায় নয় বরং স্বাধীনতা-পরবর্তী বাংলাদেশের এক দীর্ঘ রাজনৈতিক অধ্যায়ের সমাপ্তি।
খালেদা জিয়ার মৃত্যুতে আন্তর্জাতিক নেতারাও শোক জানিয়েছেন। ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে লিখেছেন, গভীর দুঃখ প্রকাশ করছি। খালেদা জিয়ার নেতৃত্ব বাংলাদেশের উন্নয়ন এবং ভারত-বাংলাদেশ সম্পর্ক জোরদারে ভূমিকা রেখেছে। পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শেহবাজ শরীফ তাকে পাকিস্তানের একজন প্রতিশ্রুত বন্ধু হিসেবে উল্লেখ করেন। বাংলাদেশের অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের নেতা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনুস বলেন, খালেদা জিয়া ছিলেন গণতান্ত্রিক আন্দোলনের প্রতীক। তার জীবন আমাদের জন্য অনুপ্রেরণা।
খালেদা জিয়ার জন্ম ১৯৪৫ সালের ১৫ আগস্ট দিনাজপুরে। শৈশব কাটে একটি সাধারণ ব্যবসায়ী পরিবারে। মাত্র ১৫ বছর বয়সে তিনি সেনা কর্মকর্তা জিয়াউর রহমানের সঙ্গে বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হন। বিবিসির বর্ণনায়, সে সময় তিনি ছিলেন এক লাজুক গৃহিণী। তবে ১৯৭৫ সালের রাজনৈতিক পরিবর্তনের পর জিয়াউর রহমান ক্ষমতায় আসেন এবং ১৯৭৮ সালে বিএনপি প্রতিষ্ঠা করেন। ১৯৮১ সালের ৩০ মে জিয়াউর রহমান নিহত হলে খালেদা জিয়ার জীবন আমূল বদলে যায়। মাত্র ৩৫ বছর বয়সে বিধবা হয়ে দুই সন্তানের মা হিসেবে তিনি বিএনপির ভাইস-চেয়ারম্যান এবং পরে চেয়ারপারসনের দায়িত্ব নেন। আল-জাজিরা এই সময়টিকে এক নারীর অপ্রত্যাশিত রাজনৈতিক জাগরণ হিসেবে উল্লেখ করেছে।
সিএনএন জানায়, সামরিক শাসক হুসেইন মুহাম্মদ এরশাদের বিরুদ্ধে ১৯৮২ থেকে ১৯৯০ সাল পর্যন্ত গণআন্দোলনে খালেদা জিয়া গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখেন। এই সময় তাকে একাধিকবার গ্রেপ্তার ও গৃহবন্দি করা হয়। ১৯৯১ সালের নির্বাচনে বিজয়ের মাধ্যমে তিনি প্রধানমন্ত্রী হন। তার প্রথম মেয়াদে রাষ্ট্রপতি শাসনব্যবস্থার পরিবর্তে সংসদীয় ব্যবস্থা চালু হয়। প্রাথমিক শিক্ষা বিনামূল্যে ও বাধ্যতামূলক করা হয়, যা বিশেষ করে নারী শিক্ষার প্রসারে ভূমিকা রাখে। আন্তর্জাতিক গণমাধ্যম এই সময়কে গণতন্ত্রের পুনর্জাগরণ হিসেবে উল্লেখ করেছে।
২০০১ সালে দ্বিতীয় মেয়াদে সরকার পরিচালনার সময় অর্থনৈতিক অগ্রগতির পাশাপাশি নিরাপত্তা চ্যালেঞ্জের মুখে পড়ে তার সরকার। উগ্রবাদী তৎপরতা ও রাজনৈতিক উত্তেজনা বাড়তে থাকে। এই পরিস্থিতির ধারাবাহিকতায় ২০০৭ সালে সামরিক-সমর্থিত জরুরি অবস্থা জারি হয় এবং খালেদা জিয়াকে ১৬ মাস কারাবন্দি রাখা হয়। বিদেশি মিডিয়া এই সময়কে বিতর্কিত হলেও গুরুত্বপূর্ণ বলে উল্লেখ করেছে।
২০১৮ সালে দুর্নীতি মামলায় তাকে পাঁচ বছরের কারাদণ্ড দেওয়া হয়, যা আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমে রাজনৈতিক প্রতিহিংসা হিসেবে চিহ্নিত হয়। কারাবাসের সময় তার শারীরিক অবস্থার অবনতি ঘটে। তিনি লিভার সিরোসিস, কিডনি সমস্যা, ডায়াবেটিসসহ নানা জটিল রোগে ভুগছিলেন। ২০২৪ সালে গণআন্দোলনের পর মুক্তি পাওয়া এবং সম্পদ ফিরে পাওয়া আন্তর্জাতিক মহলে প্রশংসিত হয়।
জীবনের শেষ দিনগুলোতে খালেদা জিয়া লিভার সিরোসিস, আর্থ্রাইটিস, ডায়াবেটিস ও হৃদরোগে আক্রান্ত ছিলেন। নভেম্বরের শেষ দিকে ফুসফুসের সংক্রমণে হাসপাতালে ভর্তি হওয়ার পর আর সুস্থ হয়ে ওঠেন নি। আন্তর্জাতিক গণমাধ্যম তার এই সময়কে সংগ্রামী যোদ্ধার শেষ অধ্যায় হিসেবে তুলে ধরেছে।
খালেদা জিয়ার মৃত্যুতে দেশে-বিদেশে শোকের ঢেউ উঠেছে। বিএনপি সাত দিনের শোক ঘোষণা করেছে। আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমে খালেদা জিয়ার রাজনৈতিক উত্তরাধিকারকে প্রভাবশালী ও স্মরণীয় হিসেবে মূল্যায়ন করা হয়েছে। খালেদা জিয়ার জীবন, সংগ্রাম ও নেতৃত্ব বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক ইতিহাসে একটি গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায় হয়ে থাকবে এবং ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য অনুপ্রেরণা হিসেবে স্মরণীয় হয়ে থাকবে।
সংস্কার/ইএমই
জাতীয় বেতন স্কেল-২০২৬ কার্যকর হওয়ার সাথে সাথে সরকারি চাকরিজীবীদের জন্য ২০২৪ সালে চালু হওয়া বিশেষ প্রণোদনাটি বাতিল করা হচ্ছে। পূর্বে এই প্রণোদনা মূল বেতনের ৫ শতাংশ ও পরবর্তীতে ১০ শতাংশ করা হলেও নতুন পে-স্কেল চালু হলে তা আর থাকছে না। বার্ষিক বেতন বৃদ্ধির হার পুনর্নির্ধারণ
লিবিয়ার বেনগাজীর গানফুদা ডিটেনশন সেন্টারে আটক ১৬৮ বাংলাদেশি নাগরিক স্বেচ্ছায় দেশে ফিরেছেন। লিবিয়া ও বাংলাদেশ সরকার এবং আন্তর্জাতিক অভিবাসন সংস্থার সহযোগিতায় মঙ্গলবার ১৫ সেপ্টেম্বর তাদের দেশে প্রত্যাবাসন করা হয়। পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়, লিবিয়ায় বাংলাদেশ দূতাবাস এবং প্রবাসী কল্যাণ
বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সময় সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদেরসহ সাত আসামিকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল। একই সঙ্গে পাঁচ আসামির সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত করে এর ৫০ শতাংশ জুলাই শহীদদের পরিবারকে দেওয়ার নি
টানা ছয় দিনের ভারী থেকে অতি ভারী বৃষ্টি এবং উজান থেকে নেমে আসা পাহাড়ি ঢলে চট্টগ্রামের দক্ষিণাঞ্চলে ভয়াবহ বন্যা দেখা দিয়েছে। জেলার অন্তত ১৫টি উপজেলার বিস্তীর্ণ এলাকা পানিতে তলিয়ে গেছে। জেলা প্রশাসনের প্রাথমিক হিসাবে প্রায় সাড়ে ৪ লাখ মানুষ পানিবন্দি হয়ে মানবেতর জীবন কাটাচ্ছেন। সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত সাতকানিয়া