আল— হজ্ব : ৩০ থেকে ৩৯
আল কুরআন (আল— হজ্ব : ৩০ থেকে ৩৯) ৩০. এগুলো (হজ্বের বিধান)। এ ছাড়া যে, আল্লাহ এবং পবিত্র (স্থান ও অনুষ্ঠান) সমূহের প্রতি সম্মান দেখাবে, তার প্রভ...
বিস্তারিতনবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন
সাঈদ ইবনু আবদুর রহমান মাখযূমী রা. আব্বাদ ইবনু তামীম তৎপিতৃব্য আবদুল্লাহ্ ইবনু যায়দ রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত যে, তিনি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয...
বিস্তারিতবাংলাদেশের ইতিহাসে আরেকটি অন্তর্বর্তীকালীন সরকার গঠিত হলো
নোবেল বিজয়ী প্রফেসর ড. মুহাম্মদ ইউনুস এর নেতৃত্বে বাংলাদেশের ইতিহাসে আরেকটি অন্তর্বর্তীকালীন সরকার গঠিত হলো। নিঃসন্দেহে এই সরকার একটি বিপ্লবোত্তর সরক...
বিস্তারিত
ছবি : সংগৃহীত
সংস্কার ৪ মার্চ ২০২৬: ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনিকে হত্যার পরিকল্পনায় ইসরাইলি গোয়েন্দা সংস্থাগুলো কয়েক দশক ধরে কাজ করছিল বলে বিভিন্ন সূত্রে জানা গেছে। এ অভিযানে ছয় মাস ধরে প্রযুক্তিগত ও জনবল সহায়তা দেয় যুক্তরাষ্ট্রের গোয়েন্দা সংস্থা সিআইএসহ অন্যান্য সংস্থা। ইসরাইল ও যুক্তরাষ্ট্রের কয়েকজন বিশেষজ্ঞ ও সাবেক গোয়েন্দা কর্মকর্তার মতে, ইরানের শাসনব্যবস্থাকে দুর্বল করার লক্ষ্যেই শনিবার চূড়ান্ত অভিযান চালানো হয়।
ইসরাইলি সামরিক কর্মকর্তাদের দাবি, তেহরানের বিভিন্ন স্থানে জড়ো হওয়া ইরানের সাতজন শীর্ষ নিরাপত্তা কর্মকর্তা এবং খামেনির পরিবার ও ঘনিষ্ঠদের প্রায় এক ডজন সদস্য ওই হামলায় নিহত হন। মাত্র ৬০ সেকেন্ডের মধ্যে প্রায় একই সময়ে চালানো একাধিক হামলায় খামেনিসহ তাদের হত্যা করা হয়। এ ছাড়া ওই হামলায় ইরানের আরও প্রায় ৪০ জন জ্যেষ্ঠ নেতা নিহত হন বলে জানানো হয়েছে।
বিশ্লেষকদের মতে, ইরানের শাসকগোষ্ঠীর পতনের লক্ষ্যেই যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইল যে বিমান হামলা শুরু করেছে, তার সূচনা হয়েছে ৮৬ বছর বয়সী খামেনিকে হত্যার মধ্য দিয়ে। এ ঘটনায় মধ্যপ্রাচ্যে নতুন করে উত্তেজনা ও সহিংসতার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে।
তবে কিছু বিশেষজ্ঞ ও সাবেক গোয়েন্দা কর্মকর্তারা এই পদক্ষেপকে সম্ভাব্য কৌশলগত ভুল বলে মনে করছেন। তাদের মতে, এর ফলে ভবিষ্যতে আরও শক্তিশালী প্রতিপক্ষের উত্থান ঘটতে পারে। ইসরাইলি বিশ্লেষক ও লেখক ইয়োসি মেলম্যান বলেন, গুপ্তহত্যা কোনো স্থায়ী সমাধান নয়। হামাস ও হিজবুল্লাহর বহু নেতাকে হত্যা করা হলেও সংগঠনগুলো টিকে আছে এবং নেতাদের শূন্যস্থান দ্রুত পূরণ হয়ে যায়।
বিদেশে গুপ্তহত্যা চালানোর ক্ষেত্রে ইসরাইলের দীর্ঘ ইতিহাস থাকলেও এর আগে কোনো রাষ্ট্রপ্রধানকে হত্যা করা হয়নি। ইসরাইলের সামরিক গোয়েন্দা সংস্থার সাবেক প্রধান আমোস ইয়াদলিন এই হামলাকে কৌশলগতভাবে বড় চমক হিসেবে উল্লেখ করেছেন। তার মতে, অনেকেই ভেবেছিল রাতের আঁধারে হামলা হবে, কিন্তু তথ্যের ভিত্তিতে শনিবার সকালে অভিযান চালানো হয়।
জানা গেছে, তেহরানের কেন্দ্রস্থলে একটি বৈঠকে শীর্ষ কর্মকর্তাদের উপস্থিতির বিষয়ে সিআইএর দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতেই সময় নির্ধারণ করা হয়েছিল। মার্কিন গণমাধ্যমের তথ্য অনুযায়ী, খামেনি কখন ওই স্থানে থাকবেন এবং বৈঠকের সময়সূচি সম্পর্কেও সিআইএ ইসরাইলকে তথ্য দিয়েছিল।
ইসরাইলি গুপ্তচররা বহু বছর ধরে খামেনির দৈনন্দিন কর্মকাণ্ড, পরিবার, সহযোগী ও নিরাপত্তা ব্যবস্থার ওপর বিস্তারিত নজরদারি চালিয়ে তথ্য সংগ্রহ করছিল। সাবেক এক সিআইএ কর্মকর্তা বলেন, এটি অনেকগুলো তথ্যের সমন্বয়ে তৈরি একটি জিগস পাজলের মতো, যেখানে প্রতিটি ছোট তথ্য একত্রিত করে পুরো চিত্র তৈরি করা হয়।
সাবেক সিআইএ কর্মকর্তা ও বিশ্লেষক রুয়েল গেরেখ্ত বলেন, যুক্তরাষ্ট্র প্রযুক্তিগত সহায়তা দিলেও ইসরাইল ইরানের ভেতরে শক্তিশালী গুপ্তচর নেটওয়ার্ক তৈরি করেছিল, যারা সরাসরি তথ্য সরবরাহ ও গোপন অভিযান পরিচালনায় সক্ষম। তিনি আরও দাবি করেন, খামেনির মৃত্যুর ছবি যুক্তরাষ্ট্রের সাবেক প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ও ইসরাইলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুকে দেখানো হয়েছে বলে যে খবর প্রকাশ হয়েছে, তা বিশ্বাসযোগ্য।
ইসরাইলি গোয়েন্দা সংস্থা মোসাদ দীর্ঘদিন ধরে ইরানে তথ্যদাতা ও গুপ্তচরের নেটওয়ার্ক গড়ে তুলেছে। এর আগে তারা দূরনিয়ন্ত্রিত অস্ত্র দিয়ে ইরানের এক শীর্ষ পরমাণুবিজ্ঞানীকে হত্যা, পারমাণবিক কর্মসূচির কম্পিউটারে ম্যালওয়্যার ঢোকানো এবং পারমাণবিক নথির আর্কাইভ চুরির মতো অভিযান চালিয়েছে। ২০২৪ সালে তেহরানের একটি সরকারি গেস্টহাউসে হামাসের রাজনৈতিক শাখার প্রধান ইসমাইল হানিয়াকেও বোমা হামলায় হত্যা করা হয়।
গত বছরের জুনে ১২ দিনের যুদ্ধের সময় ইসরাইলি গুপ্তচররা ইরানের পারমাণবিক বিজ্ঞানী, গোয়েন্দা কর্মকর্তা ও সামরিক কমান্ডারদের অবস্থান শনাক্ত করতে সক্ষম হয় এবং সেই তথ্যের ভিত্তিতে হামলায় ডজনখানেক কর্মকর্তা নিহত হন।
বিশ্লেষকদের মতে, প্রায় ২০ বছর আগে মোসাদ তাদের কৌশল পরিবর্তন করে ইরানের ভেতর থেকেই স্থানীয় চর নিয়োগ শুরু করে এবং তাদের উন্নত প্রযুক্তি ও প্রশিক্ষণ দেয়। ২০২১ সাল থেকে মোসাদের প্রধান ডেভিড বার্নিয়া গুপ্তচরদের নিয়ে বিশেষ একটি ইউনিটও গঠন করেন, যা মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন গোপন মিশনে কাজ করছে।
গত বছর ইসরাইল খামেনিকে হত্যার পরিকল্পনা করলেও তখন ডোনাল্ড ট্রাম্প আঞ্চলিক উত্তেজনা বাড়ার আশঙ্কায় তাতে সম্মতি দেননি বলে জানা যায়। তবে পরে ইরানের পারমাণবিক স্থাপনায় মার্কিন হামলার পর পরিস্থিতি বদলে যায় এবং ইরান ইস্যুতে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলের মধ্যে ঘনিষ্ঠ সহযোগিতা গড়ে ওঠে।
সম্প্রতি ইরানের ভেতরে থাকা মোসাদের নেটওয়ার্ক থেকে পাওয়া তথ্যের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের আড়ি পাতা গোয়েন্দা তথ্য মিলিয়ে লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়। সাবেক সিআইএ কর্মকর্তা গেরেখ্ত বলেন, খামেনির অবস্থান শনাক্ত করতে বিভিন্ন পদ্ধতি ব্যবহার করা হয়ে থাকতে পারে, যেমন ফোন যোগাযোগ পর্যবেক্ষণ।
শেষ পর্যন্ত সব তথ্য যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলি সামরিক বাহিনীর কাছে পৌঁছায় এবং নির্ভুল লক্ষ্যবস্তু নির্ধারণ করে মাত্র এক মিনিটের প্রাণঘাতী অভিযানের নির্দেশ দেওয়া হয়। মোসাদের সাবেক কর্মকর্তা ও গবেষক ওদেদ আইলাম বলেন, পুরো অভিযান মাত্র ৬০ সেকেন্ডে শেষ হলেও এর পেছনে ছিল বহু বছরের প্রস্তুতি ও তথ্য সংগ্রহ।
তবে সাবেক সিআইএ কর্মকর্তা গেরেখ্তের মতে, খামেনিকে হত্যা দীর্ঘমেয়াদি কৌশলগত দৃষ্টিকোণ থেকে ভুল সিদ্ধান্ত হতে পারে। তিনি বলেন, কোনো নেতাকে সরিয়ে দিলে সমস্যার সমাধান হয় না; বরং অনেক সময় নতুন সমস্যার জন্ম দেয়।
সংস্কার/ইএমই
ইরানে সংবেদনশীল তথ্য পাচার ও লোকেশন শেয়ার করার অভিযোগে ৫০ জনকে গ্রেপ্তার করেছে দেশটির আইনশৃঙ্খলা বাহিনী। শনিবার ১১ এপ্রিল ২০২৬ রাতে রাষ্ট্রীয় সংবাদ সংস্থা এসএনএন এক প্রতিবেদনে এ তথ্য নিশ্চিত করে। প্রতিবেদনে বলা হয়, গ্রেপ্তার ব্যক্তিরা শত্রু রাষ্ট্রের সঙ্গে যোগাযোগ রেখে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য
ইরানে আগামীকাল শনিবার থেকে দেশের সব ব্যাংকের শাখা পূর্ণাঙ্গভাবে চালুর ঘোষণা দেওয়া হয়েছে। দেশটির ব্যাংক সমন্বয় পরিষদ এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, এদিন থেকে সারা দেশে ব্যাংকিং কার্যক্রম স্বাভাবিক নিয়মে পরিচালিত হবে। রাষ্ট্রীয় সংবাদ সংস্থা ইরনা জানায়, এই সিদ্ধান্তের আওতায় শুধু জেলা
বাংলাদেশ ও মালয়েশিয়া শ্রম অভিবাসন খাতে কৌশলগত সহযোগিতা আরও জোরদার করার অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করেছে। উভয় দেশ স্বচ্ছ, অন্তর্ভুক্তিমূলক ও সততা-নির্ভর অভিবাসন ব্যবস্থা গড়ে তোলার ওপর গুরুত্ব দিয়েছে। মালয়েশিয়ার পুত্রজায়ায় দেশটির প্রধানমন্ত্রী দাতুক সেরি আনোয়ার ইব্রাহিমের
সংযুক্ত আরব আমিরাতে বর্তমানে লাখ লাখ প্রবাসী বাংলাদেশি দুই চরমের মধ্যে বন্দি, মাথার ওপর ড্রোন ও মিসাইল হামলার আতঙ্ক আর আয় কমে জীবিকা হারানোর শঙ্কা। আবুধাবি থেকে দুবাই পর্যন্ত প্রতিটি শহরে প্রবাসীদের মধ্যে হাহাকার ও অনিশ্চয়তা ছড়িয়ে পড়েছে। যুদ্ধের প্রভাবে স্কুল ও পর্যটন খাত স্থবির হয়ে ট্যাক্সি