আল— হজ্ব : ৩০ থেকে ৩৯
আল কুরআন (আল— হজ্ব : ৩০ থেকে ৩৯) ৩০. এগুলো (হজ্বের বিধান)। এ ছাড়া যে, আল্লাহ এবং পবিত্র (স্থান ও অনুষ্ঠান) সমূহের প্রতি সম্মান দেখাবে, তার প্রভ...
বিস্তারিতনবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন
সাঈদ ইবনু আবদুর রহমান মাখযূমী রা. আব্বাদ ইবনু তামীম তৎপিতৃব্য আবদুল্লাহ্ ইবনু যায়দ রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত যে, তিনি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয...
বিস্তারিতবাংলাদেশের ইতিহাসে আরেকটি অন্তর্বর্তীকালীন সরকার গঠিত হলো
নোবেল বিজয়ী প্রফেসর ড. মুহাম্মদ ইউনুস এর নেতৃত্বে বাংলাদেশের ইতিহাসে আরেকটি অন্তর্বর্তীকালীন সরকার গঠিত হলো। নিঃসন্দেহে এই সরকার একটি বিপ্লবোত্তর সরক...
বিস্তারিত
ছবি : সংগৃহীত
সংস্কার ২৪ এপ্রিল ২০২৬ শুক্রবার: মহাকবি, দার্শনিক ও রাষ্ট্রচিন্তক আল্লামা ইকবালের ৮৮তম মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (চাকসু) এক সেমিনারের আয়োজন করেছে। ‘সার্বভৌম উম্মাহ : আধিপত্যবাদ মোকাবিলায় আল্লামা ইকবালের চিন্তা ও দর্শন’ শীর্ষক এই সেমিনার বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় লাইব্রেরি অডিটোরিয়ামে অনুষ্ঠিত হয়।
সেমিনারে বক্তারা বলেন, ইকবালের ‘সার্বভৌম উম্মাহ’ ধারণা কোনো ইউটোপিয়া নয়, বরং একটি নৈতিক-রাজনৈতিক প্রকল্প। এটি ব্যক্তির আত্মচেতনা বা ‘খুদি’, সামাজিক ন্যায় এবং সভ্যতাগত ঐক্যের মাধ্যমে আধিপত্যবাদকে চ্যালেঞ্জ করে। এর মূল আহ্বান, নিজেকে জানা, নিজেকে গড়ে তোলা এবং ন্যায়ভিত্তিক বিশ্বব্যবস্থা প্রতিষ্ঠা করা।
অনুষ্ঠানে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন ফারসি ভাষা ও সাহিত্য বিভাগের প্রভাষক মীম মিজান। আলোচনায় অংশ নেন রাজনীতি বিজ্ঞান বিভাগের চেয়ারম্যান প্রফেসর ড. মাহফুজ পারভেজ এবং দর্শন বিভাগের অধ্যাপক মোহাম্মদ মোজাম্মেল হক। সভাপতিত্ব করেন চাকসুর ভিপি ইব্রাহীম রনি এবং সঞ্চালনা করেন সাহিত্য, সংস্কৃতি ও প্রকাশনা সম্পাদক হারেস মাতাব্বর।
বক্তারা আরও বলেন, ইকবালের মতে আধিপত্যবাদ মানুষের চিন্তা ও মননকে নিয়ন্ত্রণের মাধ্যমে শুরু হয়। তাই এর প্রতিরোধও শুরু হতে হবে ব্যক্তির আত্মচেতনা বা ‘খুদি’ থেকে। পাশাপাশি তিনি পশ্চিমা আধিপত্যবাদকে শুধু রাজনৈতিক নয়, সাংস্কৃতিক ও জ্ঞানগত শোষণ হিসেবেও দেখেছেন। এ প্রেক্ষিতে ‘সার্বভৌম উম্মাহ’র ধারণা আধিপত্যবাদের বিরুদ্ধে একটি বিকল্প ও শক্তিশালী কাঠামো হিসেবে কাজ করতে পারে।
সংস্কার/ইএমই
আজ ০১ অক্টোবর, বুধবার উপমহাদেশের অন্যতম শ্রেষ্ঠ ইসলামী চিন্তাবিদ, সাহিত্যিক, রাজনীতিবিদ, সাবেক সংসদ সদস্য, ইসলামী আন্দোলনের সিপাহসালার, নবুওতি ধারার আন্দোলনের দিক-নির্দেশক ও ইসলামী ঐক্য আন্দোলনের প্রতিষ্ঠাতা মওলানা মুহাম্মাদ আবদুর রহীম রহ -এর ৩৮তম ওফাতবার্ষিকী। ১৯৮৭ সালের এই দিনে তিনি ইন্তেকাল করেন।
ভোলা জেলার চরফ্যাসনের কৃতী সন্তান, ওসমানগঞ্জ ইউনিয়ন এর ঐতিহ্যবাহী দায়রা মৌলভী বাড়ীর গর্বিত জামাতা, ইসলামী আন্দোলন এর অন্যতম পথিকৃত, বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবির এর সাবেক কেন্দ্রীয় সভাপতি, প্রখ্যাত শিক্ষাবিদ, রাজনীতিবিদ, ডক্টর আ.জ.ম ওবায়দুল্লাহ
এম. এইচ. খান। মঞ্জুর হোসেন খান। আমি তখন আন্তর্জাতিক একটি ত্রাণসংস্থায় কাজ করছি। ১৯৯৫ সালের জানুয়ারী থেকে ওই অফিসে মূলত আমার কাজ। তার আগে আরো প্রায় দু’মাস ওই অফিসের কাজ করেছি পরীক্ষামূলক। যা ছিল ১৯৯৪ সালের নভেম্বর ও ডিসেম্বর। শুরুতে আমাদের অফিস ছিল বারিধারায়। এরপর অফিস স্থানান্তরিত হল উত্তরার সোনার গাঁ জনপথের ২০ নাম্বার বাড়ীতে। ৯৫ এর শেষ দিকে এম. এইচ. খান সাহেব আমাদের অফিসের কনস্ট্রাকশন প্রজেক্ট ডিপার্টমেন্টে এলেন এডভাইজার হিসেবে। তিনি এডভাইজার হলেও আমরা তাকে ওই ডিপার্টমেন্টের প্রধানের মতই জানতাম। পরবর্তীতে এই বিভাগের দু’জন ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ার এলেন। একজন আ: রাজ্জাক, অন্যজন আ: রহীম। আমরা বিভিন্ন প্রকল্প গ্রহণের জন্যে মহাপরিচালক ড. আহমদ মাহের এর নেতৃত্বে বৈঠকে বসতাম।
আমার এই ছোট্ট জীবনে আমি যে ক’জন মানুষ দেখেছি তাদের মধ্যে যাঁকে আমি সবচেয়ে শ্রদ্ধা করতাম এবং এখনও করেযাব তিনি হচ্ছেন আমার নানা। তিনি ছিলেন আমার কাছে এক অবিস্মরণীয় চরিত্র। যাঁর নাম মঞ্জুর হোসেন খান। তিনি ছিলেন একাধারে ধার্মিক, পরিশ্রমী, হৃদয়বান, বুদ্ধিমান, দয়ালু, ক্ষমাশীল বড় মাপের মনের মানুষ। তার নেশাই ছিল অন্যকে সাহায্য করা। মসজিদ, এতিমখানা, বৃদ্ধাশ্রম, সেবামূলক প্রতিষ্ঠান যেখানে যেভাবে দরকার তার সাহায্যের হাত সেখানে সময়মত পৌঁছে যেত। অত্যন্ত কর্মঠ ব্যক্তি ছিলেন তিনি। পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ আদায় করতেন প্রতিদিন মসজিদে গিয়ে। তিনি বাচ্চাদের সাহচর্য পছন্দ করতেন। তিনি বাচ্চাদের সাথে খেলতেন। মজার মজার গল্প করতেন। হাসি-ঠাট্টা করতেন তাদের সাথে। শুধু তারাই এটা অনুধাবন করতে পারবে যারা আমার নানার কাছাকাছি এসেছে। তিনি সবসময় চেষ্টা করেছেন কেউ যেন তাঁর ব্যবহারে কষ্ট না পায়। নানা আমাকে আমার পড়াশোনার ব্যাপারে অনেক সাহায্য করতেন। আমার পরীক্ষার আগে নানার কাছে যেতাম বিশেষ করে ইংরেজী, অঙ্ক ও ভূগোল পরীক্ষার আগে। এত সুন্দর সহজ ও সাবলীল ভাবে নানা আমাকে বুঝিয়ে দিতেন যার কোন তুলনা নেই। তিনি নিজে একজন ভাল ছাত্র ছিলেন সেই সাথে ভাল শিক্ষকও বটে।রণীয় চরিত্র। যাঁর নাম মঞ্জুর হোসেন