অনুসরন করুন :
আল-কুরআন

আল— হজ্ব : ৩০ থেকে ৩৯

আল কুরআন (আল— হজ্ব : ৩০ থেকে ৩৯) ৩০. এগুলো (হজ্বের বিধান)। এ ছাড়া যে, আল্লাহ এবং পবিত্র (স্থান ও অনুষ্ঠান) সমূহের প্রতি সম্মান দেখাবে, তার প্রভ...

বিস্তারিত
আল-হাদীস

নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন

সাঈদ ইবনু আবদুর রহমান মাখযূমী রা. আব্বাদ ইবনু তামীম তৎপিতৃব্য আবদুল্লাহ্ ইবনু যায়দ রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত যে, তিনি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয...

বিস্তারিত
সম্পাদকীয়

বাংলাদেশের ইতিহাসে আরেকটি অন্তর্বর্তীকালীন সরকার গঠিত হলো

নোবেল বিজয়ী প্রফেসর ড. মুহাম্মদ ইউনুস এর নেতৃত্বে বাংলাদেশের ইতিহাসে আরেকটি অন্তর্বর্তীকালীন সরকার গঠিত হলো। নিঃসন্দেহে এই সরকার একটি বিপ্লবোত্তর সরক...

বিস্তারিত

অস্ট্রেলিয়ার সিডনির বন্ডি সৈকতে হামলাকারী ভারতীয় নাগরিক

ছবি : সংগৃহীত

সংস্কার ১৬ ডিসেম্বর ২০২৫: অস্ট্রেলিয়ার সিডনির বন্ডি সৈকতে সংঘটিত ভয়াবহ হামলার সঙ্গে জড়িতদের একজন ভারতীয় নাগরিক বলে জানা গেছে। হামলাকারীদের একজন সাজিদ আকরাম (৫০), যিনি ভারতের হায়দরাবাদের বাসিন্দা ছিলেন। মঙ্গলবার ১৬ ডিসেম্বর ২০২৫ ভারতীয় পুলিশের বরাতে বার্তা সংস্থা রয়টার্স ও সংবাদমাধ্যম এনডিটিভি এ তথ্য জানায়। প্রতিবেদনে বলা হয়, সাজিদ আকরাম হায়দরাবাদে বাণিজ্যে স্নাতক ডিগ্রি অর্জনের পর ইউরোপীয় বংশোদ্ভূত এক নারীকে বিয়ে করেন এবং ১৯৯৮ সালের নভেম্বরে অস্ট্রেলিয়ায় পাড়ি জমান।

গত রবিবার সিডনির বন্ডি সৈকতে সংঘটিত ওই হামলায় অন্তত ১৬ জন নিহত হন। নিহতদের মধ্যে ১৫ জন ছিলেন সাধারণ মানুষ এবং একজন হামলাকারী। এ ছাড়া প্রায় ৪০ জন আহত হয়েছেন বলে জানিয়েছে অস্ট্রেলিয়ান পুলিশ। হামলাটি ইহুদি সম্প্রদায়কে লক্ষ্য করে চালানো একটি সন্ত্রাসী হামলা কি না, তা এখনো তদন্তাধীন রয়েছে।

হামলার সময় পুলিশের পাল্টা গুলিতে ঘটনাস্থলেই নিহত হন সাজিদ আকরাম। তার সঙ্গে থাকা ছেলে নাভিদ আকরাম (২৪) আহত হলেও প্রাণে বেঁচে যান। তিনি বর্তমানে পুলিশ পাহারায় হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। তেলেঙ্গানা পুলিশের মহাপরিচালক জানিয়েছেন, সাজিদ আকরাম ১৯৯৮ সালের নভেম্বরে স্টুডেন্ট ভিসায় অস্ট্রেলিয়ায় যান। তার আগে তিনি হায়দরাবাদ থেকে বাণিজ্যে স্নাতক ডিগ্রি সম্পন্ন করেন। পরবর্তী সময়ে তিনি অস্ট্রেলিয়ায় স্থায়ীভাবে বসবাস শুরু করেন।

পুলিশ জানায়, প্রায় ২৭ বছর অস্ট্রেলিয়ায় অবস্থান করলেও এই সময়ে ভারতে থাকা পরিবারের সঙ্গে সাজিদ আকরামের যোগাযোগ ছিল খুবই সীমিত। পারিবারিক বিরোধের কারণে কয়েক বছর আগে পরিবারের সঙ্গে তার সম্পর্ক বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়। এমনকি ২০১৭ সালে তার বাবার জানাজাতেও তিনি অংশ নেননি।

সাজিদ আকরাম সর্বশেষ ২০২২ সালে ভারতে সফর করেছিলেন। সে সময় তার কাছে ভারতীয় পাসপোর্ট ছিল। তার দুই সন্তান, এক ছেলে ও এক মেয়ে, অস্ট্রেলিয়ায় জন্মগ্রহণ করেছেন এবং তারা অস্ট্রেলিয়ার নাগরিক। অস্ট্রেলিয়ায় যাওয়ার পর সাজিদ আকরাম ভেনেরা গ্রোসো নামে ইউরোপীয় বংশোদ্ভূত এক নারীকে বিয়ে করেন। পরিবারটি দীর্ঘদিন ধরে অস্ট্রেলিয়ায় বসবাস করছিল।

অস্ট্রেলিয়ান পুলিশ আরও জানিয়েছে, সাজিদ আকরাম ও তার ছেলে নাভিদ গত মাসে ফিলিপিন্স সফর করেছিলেন। ওই সময় সাজিদের কাছে ভারতীয় পাসপোর্ট এবং নাভিদের কাছে অস্ট্রেলিয়ান পাসপোর্ট ছিল। এই সফরের উদ্দেশ্য, কোনো সন্ত্রাসী গোষ্ঠীর সঙ্গে সম্পৃক্ততা বা প্রশিক্ষণ গ্রহণের বিষয়টি তদন্ত করে দেখা হচ্ছে। অন্যদিকে তেলেঙ্গানা পুলিশ জানায়, ১৯৯৮ সালের পর থেকে সাজিদ আকরাম মোট ছয়বার ভারত সফর করেছেন, যার বেশিরভাগ সফর ছিল পারিবারিক প্রয়োজনে।

সংস্কার/ইএমই

সম্পর্কিত খবর

৮০ বছর পর অজ্ঞাত মার্কিন সেনার পরিচয় উদ্ধারে নতুন আশার আলো

আলাস্কার সিটকা শহরে গত জুনে এক আবেগঘন ঘটনার সাক্ষী হন স্থানীয় বাসিন্দারা। সিটকা ন্যাশনাল সিমেট্রি থেকে মার্কিন উপকূলরক্ষী বাহিনীর দুই সদস্য মার্কিন পতাকায় মোড়ানো একটি কফিন অ্যাম্বুলেন্সে তোলেন। এ সময় ১২ জন সেনাসদস্য, সাবেক যোদ্ধা এবং পুলিশ ও ফায়ার সার্ভিসের

আরএসএসকে সন্ত্রাসী সংগঠন বললেন প্রশান্ত ভূষণ

ভারতের জ্যেষ্ঠ আইনজীবী ও মানবাধিকারকর্মী প্রশান্ত ভূষণ দেশটির হিন্দুত্ববাদী সংগঠন রাষ্ট্রীয় স্বয়ংসেবক সংঘকে (আরএসএস) কঠোরভাবে সমালোচনা করে এটিকে শুধু রাষ্ট্রবিরোধী নয়, বরং একটি সন্ত্রাসী সংগঠন হিসেবে আখ্যা দিয়েছেন। তাঁর অভিযোগ, আরএসএস দীর্ঘদিন ধরে সাম্প্রদায়িক বিদ্বেষ ছড়ানো,

স্পেনের ছিউতায় অভিবাসী ঢল : প্রাণ গেল ৬৭ জনের

স্পেনের নিয়ন্ত্রণাধীন উত্তর আফ্রিকার শহর ছিউতায় চলতি সপ্তাহে নজিরবিহীন অভিবাসী সংকট দেখা দিয়েছে। আনুমানিক ৫০ থেকে ৬০ হাজার অভিবাসী মরক্কো সীমান্ত পেরিয়ে ছিউতায় প্রবেশের চেষ্টা করেন। তবে স্প্যানিশ কর্তৃপক্ষের তথ্য অনুযায়ী, শুক্রবার সন্ধ্যার মধ্যে তাদের অধিকাংশই নিজ উদ্যোগে

পুশ-ইন নিয়ে বাড়ছে উত্তেজনা : মুখোমুখি বাংলাদেশ-ভারত

প্রায় ২,৫০০ মাইল বা ৪ হাজার কিলোমিটার দীর্ঘ বাংলাদেশ-ভারত সীমান্ত ক্রমেই বিরোধপূর্ণ এলাকায় পরিণত হচ্ছে। ভারত ‘বাংলাদেশি’ নথিপত্রধারী কিংবা বাংলাদেশি সন্দেহে নথিহীন ব্যক্তিদের আটক করে সীমান্ত দিয়ে বাংলাদেশে পুশ-ইন করছে বলে অভিযোগ উঠেছে। অনেক ক্ষেত্রে এসব ঘটনা গভীর রাতেও