আল— হজ্ব : ৩০ থেকে ৩৯
আল কুরআন (আল— হজ্ব : ৩০ থেকে ৩৯) ৩০. এগুলো (হজ্বের বিধান)। এ ছাড়া যে, আল্লাহ এবং পবিত্র (স্থান ও অনুষ্ঠান) সমূহের প্রতি সম্মান দেখাবে, তার প্রভ...
বিস্তারিতনবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন
সাঈদ ইবনু আবদুর রহমান মাখযূমী রা. আব্বাদ ইবনু তামীম তৎপিতৃব্য আবদুল্লাহ্ ইবনু যায়দ রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত যে, তিনি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয...
বিস্তারিতবাংলাদেশের ইতিহাসে আরেকটি অন্তর্বর্তীকালীন সরকার গঠিত হলো
নোবেল বিজয়ী প্রফেসর ড. মুহাম্মদ ইউনুস এর নেতৃত্বে বাংলাদেশের ইতিহাসে আরেকটি অন্তর্বর্তীকালীন সরকার গঠিত হলো। নিঃসন্দেহে এই সরকার একটি বিপ্লবোত্তর সরক...
বিস্তারিত
ছবি : সংগৃহীত
সংস্কার ১৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৬: গণভোটে ‘হ্যাঁ’ ভোটের জয় বাংলাদেশের জনগণ সংস্কার ও পরিবর্তনের পক্ষে রায় দিয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ সহকারী প্রফেসর ড. আলী রীয়াজ। শনিবার রাজধানীর বেইলি রোডে অবস্থিত ফরেন সার্ভিস একাডেমিতে জুলাই জাতীয় সনদের ভিত্তিতে আয়োজিত গণভোট-২০২৬ নিয়ে জনসচেতনতামূলক প্রচার কার্যক্রম সমন্বয়ের প্রেক্ষাপটে ফলাফল বিষয়ক প্রেস ব্রিফিংয়ে তিনি এ কথা বলেন।
ড. আলী রীয়াজ জানান, ভোটারদের ৬০ শতাংশের বেশি গণভোটে অংশ নিয়েছেন, যা জাতীয় সংসদ নির্বাচনের তুলনায় এক শতাংশ বেশি। তিনি বলেন, নাগরিকরা স্পষ্টভাবে জুলাই জাতীয় সনদের সংবিধান সংস্কার প্রস্তাবের পক্ষে মত দিয়েছেন। এতে বোঝা যায়, দেশের বৃহদাংশ জনগণ পুরোনো ব্যবস্থা বা স্থিতাবস্থা বজায় রাখতে চান না; তারা রাষ্ট্রব্যবস্থায় পরিবর্তন ও সংস্কার চান।
তিনি আরও বলেন, প্রধান উপদেষ্টা গণভোটের আগে জাতির উদ্দেশে ভাষণে উল্লেখ করেছিলেন, জাতীয় রূপান্তর একক সিদ্ধান্তে নয়, বরং জনগণের সম্মতিতেই টেকসই হয়। জনগণই রাষ্ট্রের প্রকৃত শক্তি, আর পরিবর্তনের বৈধতা আসে তাদের সম্মতি থেকে। সে কারণেই দেশের ভবিষ্যৎ নির্ধারণে জনগণকে সরাসরি সিদ্ধান্ত দেওয়ার সুযোগ করে দিতে গণভোট আয়োজন করা হয়েছে। জনগণ এতে সাড়া দিয়েছেন এবং সংস্কারের পক্ষে রায় দিয়েছেন। গণভোটের ফলাফল শুধু সংখ্যার হিসেবে দেখার বিষয় নয় বলেও মন্তব্য করেন তিনি। তার মতে, এই রায় ২০২৪ সালের জুলাই-আগস্টের গণঅভ্যুত্থানে প্রাণদানকারী ও আহতদের অর্পিত দায়িত্বের স্বীকৃতি।
ড. আলী রীয়াজ বলেন, জাতীয় ঐকমত্য কমিশনের আলোচনায় রাজনৈতিক দলগুলো ভিন্নমতের প্রতি শ্রদ্ধা ও সহনশীলতা দেখিয়েছে। আপস-সমঝোতার যে ঐতিহ্য তৈরি হয়েছে, তা বজায় রেখে জনরায়-সমর্থিত দলিল বাস্তবায়নের দায়িত্ব এখন রাজনৈতিক দলগুলোর ওপর। তিনি ক্ষমতাসীন দল, জাতীয় সংসদ ও সংবিধান সংস্কার পরিষদে প্রতিনিধিত্বকারী দল এবং সংসদের বাইরের দলগুলোর প্রতি আহ্বান জানান, আলোচনার মাধ্যমে ঐক্যবদ্ধ হয়ে এই গণরায় বাস্তবায়ন নিশ্চিত করতে হবে।
তিনি আরও বলেন, গণভোটে ‘হ্যাঁ’ জয়ী হওয়ায় নির্বাচিত সংসদ সদস্যদের দুটি শপথ নিতে হবে, একটি সংসদ সদস্য হিসেবে এবং অন্যটি সংবিধান সংস্কার পরিষদের সদস্য হিসেবে। নোট অব ডিসেন্টসহ বিভিন্ন বিষয় রয়েছে উল্লেখ করে তিনি আশা প্রকাশ করেন, সংখ্যাগরিষ্ঠ ও অন্যান্য দল তাদের অঙ্গীকার অনুযায়ী জুলাই জাতীয় সনদ বাস্তবায়ন আদেশের আলোকে পদক্ষেপ নেবে। সংসদে সংখ্যাগরিষ্ঠতা পাওয়া দলগুলোর এ বিষয়ে বিশেষ দায়িত্ব রয়েছে বলেও জানান তিনি।
দীর্ঘদিন পর একটি সত্যিকারের নির্বাচনে ব্যাপক অংশগ্রহণের মাধ্যমে ষড়যন্ত্র ও সহিংসতার আতঙ্ক নস্যাৎ করায় অংশগ্রহণকারী জনগণকে আন্তরিক অভিনন্দন জানান ড. আলী রীয়াজ। সংবাদ সম্মেলনে প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব শফিকুল আলম ও বিশেষ সহকারী মনির হায়দার উপস্থিত ছিলেন।
সংস্কার/ইএমই
সংস্কার নিয়ে রাজনৈতিক মতবিরোধের মধ্যেই অন্তর্বর্তী সরকারের জারি করা ১৩৩টি অধ্যাদেশের মধ্যে ২০টি আইনে রূপ না পেয়ে স্বয়ংক্রিয়ভাবে কার্যকারিতা হারিয়েছে। এসব অধ্যাদেশের মধ্যে গণভোট, দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক), জাতীয় মানবাধিকার কমিশন, গুম প্রতিরোধ, তথ্য অধিকার এবং রাজস্ব ব্যবস্থাপনা সংক্রান্ত
অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের জারি করা অধ্যাদেশগুলোকে আইনে রূপ দিতে জাতীয় সংসদে আজ মোট ২০টি বিল পাস হয়েছে। এর মধ্যে সকালে অনুষ্ঠিত অধিবেশনে ১০টি বিল পাস হয়। ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশনের ১৩তম দিনের সকালের বৈঠকে উত্থাপিত বিলগুলোর ওপর কোনো সংশোধনী প্রস্তা
স্থগিত থাকা শেরপুর-৩ আসনের জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিএনপির প্রার্থী মাহমুদুল হক রুবেল বিপুল ভোটে জয়ী হয়েছেন। ধানের শীষ প্রতীক নিয়ে তিনি পেয়েছেন ১ লাখ ৬৬ হাজার ১১৭ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াতের প্রার্থী মাসুদুর রহমান দাঁড়িপাল্লা প্রতীক নিয়ে পেয়েছেন ৪৭ হাজার ৫১ ভোট।
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের ছেড়ে দেওয়া বগুড়া-৬ (সদর) আসনের উপনির্বাচনে বিএনপির ধানের শীষ প্রতীকের প্রার্থী রেজাউল করিম বাদশা বেসরকারি ফলাফলে বিপুল ভোটে জয়ী হয়েছেন। একটি পোস্টাল ভোটসহ ১৫১টি কেন্দ্রে তিনি পেয়েছেন ১ লাখ ৩৩ হাজার ৯৩১ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াতে