আল— হজ্ব : ৩০ থেকে ৩৯
আল কুরআন (আল— হজ্ব : ৩০ থেকে ৩৯) ৩০. এগুলো (হজ্বের বিধান)। এ ছাড়া যে, আল্লাহ এবং পবিত্র (স্থান ও অনুষ্ঠান) সমূহের প্রতি সম্মান দেখাবে, তার প্রভ...
বিস্তারিতনবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন
সাঈদ ইবনু আবদুর রহমান মাখযূমী রা. আব্বাদ ইবনু তামীম তৎপিতৃব্য আবদুল্লাহ্ ইবনু যায়দ রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত যে, তিনি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয...
বিস্তারিতবাংলাদেশের ইতিহাসে আরেকটি অন্তর্বর্তীকালীন সরকার গঠিত হলো
নোবেল বিজয়ী প্রফেসর ড. মুহাম্মদ ইউনুস এর নেতৃত্বে বাংলাদেশের ইতিহাসে আরেকটি অন্তর্বর্তীকালীন সরকার গঠিত হলো। নিঃসন্দেহে এই সরকার একটি বিপ্লবোত্তর সরক...
বিস্তারিত
ছবি : সংগৃহীত
সংস্কার ১২ এপ্রিল ২০২৬ রবিবার: ডাক বিভাগে অনিয়ম ও অর্থ লোপাটের অভিযোগ যেন থামছেই না। একের পর এক প্রকল্পে দুর্নীতির অভিযোগ উঠলেও এখনো পর্যন্ত দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি না হওয়ায় সংশ্লিষ্টদের মধ্যে তৈরি হয়েছে দায়মুক্তির সংস্কৃতি। ফলে ঐতিহ্যবাহী এই প্রতিষ্ঠানে নতুন নতুন পদ্ধতিতে অর্থ লুটপাটের ঘটনা ঘটছে বলে অভিযোগ উঠেছে।
ডাক অধিদফতরের তথ্য অনুযায়ী, ডাক সেবা আধুনিকায়নের নামে আওয়ামী লীগ সরকারের সময় ১৪ জেলায় মেইল প্রসেসিং ও লজিস্টিক সার্ভিস সেন্টার (এমপিসি) স্থাপন করা হয়। এ প্রকল্পে মোট ব্যয় দেখানো হয় ৩৬৫ কোটি টাকা। এর মধ্যে অবকাঠামো খাতে প্রায় ২৭ কোটি এবং যন্ত্রপাতি ক্রয়ে দেখানো হয় ২৮৯ কোটি টাকা।
তেজগাঁওসহ গোপালগঞ্জ, ময়মনসিংহ, খুলনা, চট্টগ্রাম, নোয়াখালী, রাজশাহী, পাবনা, রংপুর, বরিশাল, দিনাজপুর, হবিগঞ্জ, কুষ্টিয়া ও যশোরে এসব সেন্টার স্থাপন করা হয়। তবে অভিযোগ রয়েছে—ব্যবহার উপযোগিতা যাচাই ছাড়াই ৩৩ ধরনের যন্ত্রপাতি কেনা হয়েছে, যার বেশিরভাগই এখন অকার্যকর বা অব্যবহৃত অবস্থায় পড়ে আছে।
সরকারি ক্রয় নীতিমালা এড়িয়ে ডিরেক্ট পার্চেজ মেথড (ডিপিএম) ব্যবহার করে এসব সরঞ্জাম কেনা হয়। অভিযোগ রয়েছে, কোনো উৎপাদন বা সরবরাহ সক্ষমতা না থাকা সত্ত্বেও একটি বাহিনীর সঙ্গে চুক্তি করে এসব যন্ত্রপাতি কেনা হয়েছে, যাতে অডিট বা জবাবদিহিতা এড়ানো যায়।
প্রকল্পের আওতায় কেনা চিলার মেশিন, স্ট্যাম্প ক্যান্সেলার, স্মার্ট পোস্টেজ সল্যুশন, নোট কাউন্টিং ও বাইন্ডিং মেশিন, কিউ ম্যানেজমেন্ট সিস্টেমসহ বিভিন্ন সরঞ্জাম দীর্ঘদিন অব্যবহৃত অবস্থায় পড়ে আছে। এমনকি প্রকল্প শেষ হওয়ার কয়েক বছর পরও কিছু যন্ত্রপাতি সরবরাহ করা হয়, যা এখন আর ব্যবহারের উপযোগী নয়।
পচনশীল পণ্য পরিবহনের জন্য স্থাপিত চিলার চেম্বারসহ ফর্কলিফট, ট্রলি, জেনারেটর, সোলার সিস্টেম ও স্মার্ট অ্যাক্সেস কন্ট্রোলের মতো যন্ত্রপাতিও ব্যবহৃত হচ্ছে না।
প্রকল্পটির মেয়াদ শেষ হয় ২০২২ সালে। তবে দুই বছর পর ২০২৪ সালের জুনে সহকারী প্রকল্প পরিচালক (এপিডি) শাহ আলম ভুইয়া প্রকল্প সমাপ্তির প্রতিবেদন (পিসিআর) জমা দেন। প্রতিবেদনে ‘স্মার্ট পোস্টেজ সল্যুশন’ সম্পন্ন হয়েছে বলে উল্লেখ করা হলেও বাস্তবে তা চালু হয়নি।
পরবর্তীতে ২০২৫ সালের এপ্রিল পর্যন্ত দেশের কোনো ডাক স্টেশনে এই সেবা চালু হয়নি। পাঁচটি সার্কেলে ৪২০টি ই-ফ্রাঙ্কিং ডিভাইস চালুর সিদ্ধান্ত হলেও অধিকাংশ ডিভাইসই অকার্যকর পাওয়া যায়। বিভিন্ন সার্কেলে ২০ থেকে ১০১টি পর্যন্ত ডিভাইস অচল থাকার তথ্য পাওয়া গেছে। তবুও এসব ডিভাইস ব্যবহারের জন্য প্রশিক্ষণে অতিরিক্ত ১ থেকে দেড় কোটি টাকা ব্যয় করা হয়।
অভিযোগ রয়েছে, ‘স্মার্ট পোস্টেজ সল্যুশন’ বাস্তবায়ন না করেই একক সিদ্ধান্তে পিসিআর জমা দেন এপিডি শাহ আলম ভুইয়া। একই সঙ্গে এ প্রকল্পের আওতায় অন্তত ১৩ কোটি টাকা আত্মসাৎ ও অপচয়ের অভিযোগ উঠেছে।
ডাক অধিদফতরের সূত্র জানায়, প্রকল্পটির শুরু থেকেই শাহ আলম ভুইয়া গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন এবং সাবেক মহাপরিচালক সুধাংশু শেখর ভদ্রের ঘনিষ্ঠ হিসেবে তিনি প্রকল্পে প্রভাব বিস্তার করেন। এ সুযোগে তিনি এককভাবে বিভিন্ন সিদ্ধান্ত নেন।
যদিও সাবেক ডিজি এস এস ভদ্র অর্থ আত্মসাতের অভিযোগে কারাগারে গেছেন, সংশ্লিষ্ট অনেকেই এখনো ধরাছোঁয়ার বাইরে রয়েছেন। তদন্ত কমিটির সুপারিশ থাকা সত্ত্বেও তাদের বিরুদ্ধে ফৌজদারি ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি।
এ বিষয়ে ডাক বিভাগের মহাপরিচালক কাজী আসাদুল ইসলাম বলেন, “বিষয়টি খতিয়ে দেখা হবে।” আর ডাক ও টেলিযোগাযোগ বিভাগের সচিব আব্দুন নাসের খান জানান, সুনির্দিষ্ট তথ্য পেলে জড়িতদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
সংস্কার/ইএমই
দিনমজুরের সন্তান মো. বাবুল মিয়া, যিনি একসময় কাঁচাবাজারে কুলি ও পরে ভাতের হোটেলে রান্নার কাজ করতেন, বর্তমানে বিপুল সম্পদের মালিক, এমন অভিযোগ উঠেছে তার বিরুদ্ধে। তিনি সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামালের বাসায় বাবুর্চি হিসেবে কাজ করতেন। জানা যায়, প্রায় এক যুগ আগে ঢাকার ফার্মগেটের
ঢাকার সড়কে ব্যাটারিচালিত রিকশার অবাধ চলাচল এখন নগরবাসীর জন্য বড় উদ্বেগ ও বিতর্কের বিষয় হয়ে উঠেছে। ট্রাফিক জট, সড়ক নিরাপত্তা ঝুঁকি, বিদ্যুৎ চুরি এবং অনিয়ন্ত্রিত নগর ব্যবস্থাপনার কারণে এই যানবাহন উচ্ছেদের দাবি জোরালো হচ্ছে। রাজধানীর অলিগলি, আবাসিক এলাকা ও সংযোগ সড়কে
যুক্তরাজ্যের লন্ডনে বাংলাদেশ হাইকমিশনের প্রেস মিনিস্টার আকবর হোসেন পদত্যাগ করেছেন। শুক্রবার ১০ এপ্রিল ২০২৬ রাতে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে দেওয়া এক বার্তায় তিনি নিজেই এ তথ্য নিশ্চিত করেন। ফেসবুক পোস্টে তিনি জানান, ব্যক্তিগত ও পারিবারিক কারণে তার পক্ষে দায়িত্ব
দেশের অপরাধজগতে নতুন আতঙ্ক হিসেবে আবির্ভূত হয়েছে ক্ষুদ্র আগ্নেয়াস্ত্র ‘পেন গান’ বা ‘কলম অস্ত্র’। আকারে ছোট ও সহজে বহনযোগ্য হওয়ায় এটি পকেট বা ব্যাগে লুকিয়ে রাখা যায়, ফলে চরমপন্থি সন্ত্রাসী ও মাদক কারবারিদের কাছে এর চাহিদা বেড়েছে। বিশেষ করে টার্গেট কিলিংয়ে এই অস্ত্র বেশি ব্যবহৃত