আল— হজ্ব : ৩০ থেকে ৩৯
আল কুরআন (আল— হজ্ব : ৩০ থেকে ৩৯) ৩০. এগুলো (হজ্বের বিধান)। এ ছাড়া যে, আল্লাহ এবং পবিত্র (স্থান ও অনুষ্ঠান) সমূহের প্রতি সম্মান দেখাবে, তার প্রভ...
বিস্তারিতনবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন
সাঈদ ইবনু আবদুর রহমান মাখযূমী রা. আব্বাদ ইবনু তামীম তৎপিতৃব্য আবদুল্লাহ্ ইবনু যায়দ রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত যে, তিনি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয...
বিস্তারিতবাংলাদেশের ইতিহাসে আরেকটি অন্তর্বর্তীকালীন সরকার গঠিত হলো
নোবেল বিজয়ী প্রফেসর ড. মুহাম্মদ ইউনুস এর নেতৃত্বে বাংলাদেশের ইতিহাসে আরেকটি অন্তর্বর্তীকালীন সরকার গঠিত হলো। নিঃসন্দেহে এই সরকার একটি বিপ্লবোত্তর সরক...
বিস্তারিত
ছবি : ইন্টারনেট
সংস্কার ৮ মার্চ ২০২৬: সরকারের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী সারা দেশে প্রায় সাড়ে ১২ লাখ কৃষক সুদসহ কৃষিঋণ মওকুফের সুবিধা পাচ্ছেন। এর মধ্যে যশোর জেলার ৭ হাজার ৬৩৮ জন কৃষক রয়েছেন। জীবিত ও মৃত এসব কৃষকের কাছে ব্যাংকের পাওনা প্রায় ৬ কোটি টাকা মওকুফ করা হচ্ছে।
বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজসম্পদ প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিত জানান, পুরো প্রক্রিয়াটি সতর্কতার সঙ্গে বাস্তবায়ন করা হচ্ছে, যাতে সরকারি ভর্তুকি অপচয় না হয়। নির্বাচনের আগে বিএনপি ১০ হাজার টাকা পর্যন্ত কৃষিঋণ সুদসহ মওকুফের প্রতিশ্রুতি দিয়েছিল। নতুন সরকার গঠনের পর মন্ত্রিসভার প্রথম বৈঠকেই সেই সিদ্ধান্ত কার্যকরের উদ্যোগ নেওয়া হয়।
বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের যশোর মুখ্য আঞ্চলিক কার্যালয়ের তথ্য অনুযায়ী, সরকারের এ সিদ্ধান্তে মূল টাকা ও বকেয়া সুদ মিলিয়ে জেলায় মোট ৬ কোটি ৫৮ লাখ ৭ হাজার ৮৭৪ টাকা মওকুফ হচ্ছে। জেলার কৃষি ব্যাংকের ২২টি শাখার মধ্যে সবচেয়ে বেশি ঋণ মওকুফ হয়েছে সদর উপজেলায়। যশোর শাখায় ১ হাজার ৯২৮ জন কৃষকের ঋণ মওকুফ করা হয়েছে।
এছাড়া গোপালপুর বাজার শাখায় ১,০৫৫ জন, মণিরামপুরে ৭৭০, চৌগাছায় ৫২০, রূপদিয়া শাখায় ৪৭৭, বাঘারপাড়ায় ৩৯৬, নাভারণ শাখায় ৩৬৯, লক্ষণপুর শাখায় ২২৬, নওয়াপাড়ায় ২০৮, মশিয়াহাটিতে ১৪২, খেদাপাড়া বাজার শাখায় ১২১, ঝিকরগাছা শাখায় ১২১, শার্শায় ১১৫, কেশবপুরে ১০১, সিংহঝুলি বাজার শাখায় ১২১, খাজুরা বাজারে ৯৯, নারায়ণপুর বাজার শাখায় ৭৩, কায়েমকোলায় ৩৮, হাসানপুরে ৩৫, জগদীশপুরে ৩১ এবং কলাগাছি শাখায় ১০ জন কৃষক এ সুবিধা পাচ্ছেন।
বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক যশোর মুখ্য আঞ্চলিক কার্যালয়ের উপ-মহাব্যবস্থাপক এনায়েত করিম বলেন, নতুন সরকার গঠনের মাত্র ১৫ দিনের মধ্যে ১০ হাজার টাকা পর্যন্ত কৃষিঋণ সুদসহ মওকুফের যে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে, তা প্রান্তিক ও ক্ষুদ্র কৃষকদের কাছে ‘কৃষিবান্ধব ও মানবিক’ উদ্যোগ হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে। এতে ঋণগ্রস্ত কৃষকরা নতুন উদ্যমে আবার চাষাবাদে বিনিয়োগ করতে পারবেন। ঋণ মওকুফের পর তারা নতুন করে কৃষিঋণ নেওয়ার সুযোগও পাবেন। তবে একই ব্যক্তি একাধিক ঋণ নিলে তিনি এ সুবিধা পাবেন না।
তিনি আরও জানান, অতীতে ১৯৯১ ও ২০০১ সালে বিএনপি সরকারের সময়ও আংশিক কৃষিঋণ মওকুফের নজির রয়েছে। সরকারের এ ঘোষণায় স্বস্তি প্রকাশ করেছেন প্রান্তিক ও ক্ষুদ্র কৃষকরা। যশোর সদর উপজেলার সিরাজসিংহা গ্রামের কৃষক শাহীন বলেন, গরিব কৃষক হিসেবে ১০ হাজার টাকা ঋণ মওকুফ হলে অনেক উপকার হবে।
শুধু জীবিত কৃষকরাই নয়, ঋণের বোঝা নিয়ে মারা যাওয়া কৃষকদের পরিবারও এতে স্বস্তি পেয়েছে। যশোর সদর উপজেলার রামনগর ইউনিয়নের বাহিরমল্লিক গ্রামের মৃত কৃষক আব্দুর রশিদের পরিবার জানায়, পাঁচ বছর আগে তিনি মারা গেছেন। তার ছোট ভাই অহিদ আলী বলেন, মৃত্যুর পর ব্যাংক কর্মকর্তারা কাগজপত্র নিয়ে গেলেও পরে আর যোগাযোগ করেননি। এখন ঋণ মওকুফ হলে তাদের জন্য তা বড় সহায়তা হবে।
ভাটপাড়া এলাকার জয় হরিদাস বৈরাগী ১৯৯২ সালে মারা যান। তার ছেলে শঙ্কর অধিকারী জানান, তার বাবার প্রায় ৮ হাজার টাকা ঋণ ছিল। সরকার ঋণ মওকুফ করেছে শুনে তারা স্বস্তি পেয়েছেন। প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিত বলেন, সারা দেশে প্রায় সাড়ে ১২ লাখ কৃষক সরাসরি এ সিদ্ধান্তের সুবিধা পাবেন। এতে সরকারের প্রায় দেড় হাজার কোটি টাকা মওকুফ করতে হবে। এর ফলে কৃষকরা ঋণের চাপ থেকে মুক্ত হয়ে নতুন করে উৎপাদনে বিনিয়োগ করতে পারবেন।
সংস্কার/ইএমই
সংস্কার নিয়ে রাজনৈতিক মতবিরোধের মধ্যেই অন্তর্বর্তী সরকারের জারি করা ১৩৩টি অধ্যাদেশের মধ্যে ২০টি আইনে রূপ না পেয়ে স্বয়ংক্রিয়ভাবে কার্যকারিতা হারিয়েছে। এসব অধ্যাদেশের মধ্যে গণভোট, দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক), জাতীয় মানবাধিকার কমিশন, গুম প্রতিরোধ, তথ্য অধিকার এবং রাজস্ব ব্যবস্থাপনা সংক্রান্ত
অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের জারি করা অধ্যাদেশগুলোকে আইনে রূপ দিতে জাতীয় সংসদে আজ মোট ২০টি বিল পাস হয়েছে। এর মধ্যে সকালে অনুষ্ঠিত অধিবেশনে ১০টি বিল পাস হয়। ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশনের ১৩তম দিনের সকালের বৈঠকে উত্থাপিত বিলগুলোর ওপর কোনো সংশোধনী প্রস্তা
স্থগিত থাকা শেরপুর-৩ আসনের জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিএনপির প্রার্থী মাহমুদুল হক রুবেল বিপুল ভোটে জয়ী হয়েছেন। ধানের শীষ প্রতীক নিয়ে তিনি পেয়েছেন ১ লাখ ৬৬ হাজার ১১৭ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াতের প্রার্থী মাসুদুর রহমান দাঁড়িপাল্লা প্রতীক নিয়ে পেয়েছেন ৪৭ হাজার ৫১ ভোট।
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের ছেড়ে দেওয়া বগুড়া-৬ (সদর) আসনের উপনির্বাচনে বিএনপির ধানের শীষ প্রতীকের প্রার্থী রেজাউল করিম বাদশা বেসরকারি ফলাফলে বিপুল ভোটে জয়ী হয়েছেন। একটি পোস্টাল ভোটসহ ১৫১টি কেন্দ্রে তিনি পেয়েছেন ১ লাখ ৩৩ হাজার ৯৩১ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াতে