আল— হজ্ব : ৩০ থেকে ৩৯
আল কুরআন (আল— হজ্ব : ৩০ থেকে ৩৯) ৩০. এগুলো (হজ্বের বিধান)। এ ছাড়া যে, আল্লাহ এবং পবিত্র (স্থান ও অনুষ্ঠান) সমূহের প্রতি সম্মান দেখাবে, তার প্রভ...
বিস্তারিতনবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন
সাঈদ ইবনু আবদুর রহমান মাখযূমী রা. আব্বাদ ইবনু তামীম তৎপিতৃব্য আবদুল্লাহ্ ইবনু যায়দ রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত যে, তিনি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয...
বিস্তারিতবাংলাদেশের ইতিহাসে আরেকটি অন্তর্বর্তীকালীন সরকার গঠিত হলো
নোবেল বিজয়ী প্রফেসর ড. মুহাম্মদ ইউনুস এর নেতৃত্বে বাংলাদেশের ইতিহাসে আরেকটি অন্তর্বর্তীকালীন সরকার গঠিত হলো। নিঃসন্দেহে এই সরকার একটি বিপ্লবোত্তর সরক...
বিস্তারিত
ছবি : সংগৃহীত
সংস্কার ১১ ফেব্রুয়ারী ২০২৬: আসন্ন জাতীয় নির্বাচন ঘিরে ইতিহাসের অন্যতম বৃহৎ ও প্রযুক্তিনির্ভর নিরাপত্তা পরিকল্পনা নিয়েছে সরকার ও নির্বাচন কমিশন (ইসি)। গোয়েন্দা তথ্য, মাঠ প্রশাসনের প্রতিবেদন ও আগের নির্বাচনের অভিজ্ঞতার ভিত্তিতে সারা দেশের ৪৩ হাজার ৭০০ ভোটকেন্দ্রের মধ্যে তিন হাজার ১৫৫টি কেন্দ্রকে উচ্চমাত্রার ঝুঁকিপূর্ণ হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে। এছাড়া প্রায় ১০০ আসনে বিএনপি-জামায়াত জোটের মধ্যে সংঘর্ষের আশঙ্কার কথা গোয়েন্দা প্রতিবেদনে উল্লেখ রয়েছে।
ভোটের দিনসহ আগের চারদিন ও পরের দুদিন মিলিয়ে টানা সাতদিন সারা দেশে কঠোর নিরাপত্তা ব্যবস্থা থাকবে। লক্ষ্য, ভোটারদের নির্বিঘ্ন ভোটদান ও নির্বাচনি প্রক্রিয়ার প্রতি আস্থা নিশ্চিত করা। ঝুঁকিপূর্ণ হিসেবে চিহ্নিত কেন্দ্রগুলোতে অতীতে সহিংসতা, ব্যালট ছিনতাই, জটলা, ভাঙচুর বা প্রভাব বিস্তারের ঘটনা ঘটেছে। জনবহুল এলাকা, শিল্পাঞ্চল, শহরতলি, সীমান্ত ও দুর্গম এলাকাও বিশেষ নজরদারিতে।
কয়েকটি জেলার উচ্চঝুঁকির কেন্দ্রের সংখ্যা, ঠাকুরগাঁও ৮৪, পটুয়াখালী ৮০, কুষ্টিয়া ৭২, ঢাকা ৭০, রংপুর বিভাগের পঞ্চগড় ১৪, লালমনিরহাট ৪০, রংপুর ৩৩, গাইবান্ধা ৩২, রাজশাহী বিভাগে বগুড়া ৩১, চাঁপাইনবাবগঞ্জ ২৫, রাজশাহী ২৮, নাটোর ১৩, সিরাজগঞ্জ ১৮, পাবনা ২৯, খুলনা বিভাগে কুষ্টিয়া ৭২, চুয়াডাঙ্গা ২২, ঝিনাইদহ ২১, যশোর ১৩, খুলনা ৫৮, সাতক্ষীরা ৫, বাগেরহাট ৫৯. বরিশাল বিভাগে বরগুনা ১৪, ঝালকাঠি ১৮, পটুয়াখালী ৮০, ঢাকা বিভাগে কিশোরগঞ্জ ৩০, মানিকগঞ্জ ৩৪, মুন্সীগঞ্জ ১৭, এসব কেন্দ্রে অতিরিক্ত টহল, চেকপোস্ট, গোয়েন্দা নজরদারি ও স্ট্রাইকিং ফোর্স মোতায়েন থাকবে।
এদিকে নির্বাচনি নিরাপত্তায় পুলিশ, সেনাবাহিনী, বিজিবি, র্যাব, আনসার, নৌবাহিনী, বিমানবাহিনী, কোস্ট গার্ডসহ আট বাহিনীর প্রায় ৯ লাখ সদস্য দায়িত্ব পালন করছেন। পুলিশ: ১ লাখ ৮৭ হাজার সদস্য; এর মধ্যে ১ লাখ ৫৮ হাজার সরাসরি কেন্দ্রে ও স্ট্রাইকিং ফোর্সে, ২৯ হাজার সাপোর্টে। সেনাবাহিনী: ১ লাখ সদস্য (২০ জানুয়ারি থেকে মাঠে)। বিজিবি: ৩৭ হাজার ৪৫৩ সদস্য। আনসার: ৫ লাখ ৬৭ হাজার ৮৬৮ সদস্য; এর মধ্যে ৫ লাখ ৫৫ হাজার ৯৫৮ জন কেন্দ্রে। র্যাব: ৭ হাজার ৭০০ সদস্য। নৌবাহিনী: ৫ হাজার। বিমানবাহিনী: ৩ হাজার ৭৩০। কোস্ট গার্ড: ৩ হাজার ৫৮৫। ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স: ১৩ হাজার ৩৯০ সদস্য।
দেশজুড়ে ৭০০টির বেশি টহল টিম থাকবে। উপজেলাভেদে ২-৪ প্লাটুন বিজিবি, র্যাবের একাধিক টহল টিম ও কেন্দ্রীয় রিজার্ভ রাখা হয়েছে। কোস্ট গার্ড ১০০ প্লাটুন নিয়ে উপকূলীয় ৬৯ ইউনিয়নের ৩৩২ কেন্দ্রে দায়িত্ব পালন করছে। ঢাকা মহানগরে ২৫ হাজার পুলিশ সদস্য দায়িত্বে। ২ হাজার ১৩১ কেন্দ্রের মধ্যে ৩৭টি উচ্চঝুঁকিপূর্ণ। গুরুত্বপূর্ণ ১,৬১৪ কেন্দ্রে ৪ জন, ৫১৭ সাধারণ কেন্দ্রে ৩ জন এবং ৩৭ উচ্চঝুঁকিতে ৭ জন করে পুলিশ থাকবে। ১৮০ স্ট্রাইকিং টিম ও ৫১০ মোবাইল টিম টহলে থাকবে।
প্রযুক্তিনির্ভর নজরদারির মধ্যে রয়েছে, ২৫ হাজার ৫০০ বডি-ওর্ন ক্যামেরা (১৫ হাজার অনলাইন, ১০ হাজার অফলাইন), এআই ও ফেস রিকগনিশনসহ কেন্দ্রীয় কমান্ড সেন্টার থেকে লাইভ মনিটরিং, নাইট ভিশন ও জিপিএস সুবিধা, ১ হাজার ড্রোন, ৫০টি ডগ স্কোয়াড, সাইবার মনিটরিং টিম গুজব দমনে কাজ করছে।
ব্যালট পেপার ও সরঞ্জাম জেলা থেকে উপজেলায় পাঠানো হয়েছে। বুধবার বিকালে কেন্দ্রে পৌঁছানো হবে। রুট ও সময়সূচি গোপন রাখা, অতিরিক্ত সিসিটিভি ও আলো স্থাপনসহ বিশেষ নিরাপত্তা বলয় নিশ্চিত করা হয়েছে। বিকল্প রুটও প্রস্তুত রাখা হয়েছে। পুলিশ সদর দপ্তরের এআইজি (মিডিয়া) জানিয়েছেন, বড় কোনো শঙ্কা না থাকলেও কোনো ঝুঁকি নেওয়া হচ্ছে না। ঝুঁকিপূর্ণ কেন্দ্রগুলোতে বিশেষ নজরদারি রেখে সুষ্ঠু নির্বাচন নিশ্চিত করতে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী প্রস্তুত রয়েছে।
সংস্কার/ইএমই
সংস্কার নিয়ে রাজনৈতিক মতবিরোধের মধ্যেই অন্তর্বর্তী সরকারের জারি করা ১৩৩টি অধ্যাদেশের মধ্যে ২০টি আইনে রূপ না পেয়ে স্বয়ংক্রিয়ভাবে কার্যকারিতা হারিয়েছে। এসব অধ্যাদেশের মধ্যে গণভোট, দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক), জাতীয় মানবাধিকার কমিশন, গুম প্রতিরোধ, তথ্য অধিকার এবং রাজস্ব ব্যবস্থাপনা সংক্রান্ত
অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের জারি করা অধ্যাদেশগুলোকে আইনে রূপ দিতে জাতীয় সংসদে আজ মোট ২০টি বিল পাস হয়েছে। এর মধ্যে সকালে অনুষ্ঠিত অধিবেশনে ১০টি বিল পাস হয়। ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশনের ১৩তম দিনের সকালের বৈঠকে উত্থাপিত বিলগুলোর ওপর কোনো সংশোধনী প্রস্তা
স্থগিত থাকা শেরপুর-৩ আসনের জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিএনপির প্রার্থী মাহমুদুল হক রুবেল বিপুল ভোটে জয়ী হয়েছেন। ধানের শীষ প্রতীক নিয়ে তিনি পেয়েছেন ১ লাখ ৬৬ হাজার ১১৭ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াতের প্রার্থী মাসুদুর রহমান দাঁড়িপাল্লা প্রতীক নিয়ে পেয়েছেন ৪৭ হাজার ৫১ ভোট।
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের ছেড়ে দেওয়া বগুড়া-৬ (সদর) আসনের উপনির্বাচনে বিএনপির ধানের শীষ প্রতীকের প্রার্থী রেজাউল করিম বাদশা বেসরকারি ফলাফলে বিপুল ভোটে জয়ী হয়েছেন। একটি পোস্টাল ভোটসহ ১৫১টি কেন্দ্রে তিনি পেয়েছেন ১ লাখ ৩৩ হাজার ৯৩১ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াতে