আল— হজ্ব : ৩০ থেকে ৩৯
আল কুরআন (আল— হজ্ব : ৩০ থেকে ৩৯) ৩০. এগুলো (হজ্বের বিধান)। এ ছাড়া যে, আল্লাহ এবং পবিত্র (স্থান ও অনুষ্ঠান) সমূহের প্রতি সম্মান দেখাবে, তার প্রভ...
বিস্তারিতনবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন
সাঈদ ইবনু আবদুর রহমান মাখযূমী রা. আব্বাদ ইবনু তামীম তৎপিতৃব্য আবদুল্লাহ্ ইবনু যায়দ রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত যে, তিনি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয...
বিস্তারিতবাংলাদেশের ইতিহাসে আরেকটি অন্তর্বর্তীকালীন সরকার গঠিত হলো
নোবেল বিজয়ী প্রফেসর ড. মুহাম্মদ ইউনুস এর নেতৃত্বে বাংলাদেশের ইতিহাসে আরেকটি অন্তর্বর্তীকালীন সরকার গঠিত হলো। নিঃসন্দেহে এই সরকার একটি বিপ্লবোত্তর সরক...
বিস্তারিত
ছবি : সংগৃহীত
সংস্কার ২২ জানুয়ারী ২০২৬: সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের বেতন দ্বিগুণ থেকে প্রায় আড়াই গুণ পর্যন্ত বাড়ানোর সুপারিশ করে নবম জাতীয় বেতন কমিশন তাদের প্রতিবেদন জমা দিয়েছে। প্রস্তাবিত কাঠামো অনুযায়ী, সর্বনিম্ন গ্রেডে (২০তম) মূল বেতন হবে ২০ হাজার টাকা এবং সর্বোচ্চ ১ম গ্রেডে বেতন নির্ধারণ করা হয়েছে ১ লাখ ৬০ হাজার টাকা।
বুধবার ২৩ সদস্যের বেতন কমিশন রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনায় প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসের কাছে প্রতিবেদন তুলে দেন। কমিশনের নেতৃত্ব দেন জাকির আহমেদ খান। এ সময় অর্থ উপদেষ্টা সালেহউদ্দিন আহমেদ, প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ সহকারী আনিসুজ্জামান চৌধুরী, অর্থ সচিব খায়রুজ্জামান মজুমদারসহ কমিশনের সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।
সরকার কমিশনের সুপারিশ পর্যালোচনা করে বাস্তবায়নের সিদ্ধান্ত নেবে। তবে নির্বাচনের আগে নতুন বেতন কাঠামো কার্যকর হওয়ার সম্ভাবনা কম বলে জানা গেছে। এই কাঠামো পুরোপুরি বাস্তবায়ন হলে বছরে অতিরিক্ত প্রায় ৮০ হাজার কোটি টাকা ব্যয় হবে। অর্থনীতিবিদদের মতে, বড় রাজস্ব ঘাটতির মধ্যে এই অর্থ জোগান দেওয়া পরবর্তী সরকারের জন্য চ্যালেঞ্জ হবে।
সূত্র জানায়, প্রতিবেদন তৈরির সময় অনলাইন জরিপে ২ লাখ ৩৬ হাজার মানুষ মতামত দিয়েছেন। মূল্যস্ফীতি ও জীবনযাত্রার ব্যয় বিবেচনায় নিয়ে কমিশন ২০২৬ সালের ১ জানুয়ারি থেকে আংশিকভাবে বেতন কাঠামো কার্যকর করার এবং ২০২৬-২৭ অর্থবছরের শুরু অর্থাৎ ১ জুলাই থেকে পূর্ণ বাস্তবায়নের সুপারিশ করেছে।
প্রধান উপদেষ্টা প্রতিবেদন গ্রহণ করে সন্তোষ প্রকাশ করেন এবং কমিশনের কাজকে সময়োপযোগী ও সৃজনশীল বলে উল্লেখ করেন। কমিশনপ্রধান বলেন, গত এক দশকে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দাম অনেক বেড়েছে। সময়োপযোগী বেতন কাঠামো না থাকায় সরকারি কর্মচারীদের জীবনযাত্রা কঠিন হয়ে পড়েছে, সে কারণেই নতুন সুপারিশ দেওয়া হয়েছে। কমিশনের হিসাব অনুযায়ী, প্রস্তাব বাস্তবায়নে মোট ১ লাখ ৬ হাজার কোটি টাকা প্রয়োজন হবে। বর্তমানে ১৪ লাখ সরকারি কর্মচারী ও ৯ লাখ পেনশনভোগীর জন্য সরকারের ব্যয় ১ লাখ ৩১ হাজার কোটি টাকা।
নতুন বেতন কাঠামোতে বৈশাখী ভাতা ২০ শতাংশ থেকে বাড়িয়ে ৫০ শতাংশ করার সুপারিশ করা হয়েছে। যাতায়াত ভাতা ১০ম থেকে ২০তম গ্রেড পর্যন্ত দেওয়ার প্রস্তাব রয়েছে। পাশাপাশি পেনশনভোগীদের পেনশন উল্লেখযোগ্য হারে বাড়ানোর সুপারিশ করা হয়েছে। মাসিক ২০ হাজার টাকার কম পেনশন পাওয়া ব্যক্তিদের পেনশন বাড়বে প্রায় ১০০ শতাংশ, ২০-৪০ হাজার টাকার ক্ষেত্রে ৭৫ শতাংশ এবং ৪০ হাজার টাকার বেশি হলে ৫৫ শতাংশ। ৭৫ বছরের বেশি বয়সী পেনশনভোগীদের চিকিৎসা ভাতা ১০ হাজার টাকা এবং ৫৫ বছরের কম বয়সীদের জন্য ৫ হাজার টাকা করার প্রস্তাব করা হয়েছে।
বাড়িভাড়া ভাতা প্রথম থেকে ১০ম গ্রেডে তুলনামূলক কম এবং ১১তম থেকে ২০তম গ্রেডে তুলনামূলক বেশি হারে দেওয়ার সুপারিশ রয়েছে। প্রতিবন্ধী সন্তান থাকলে মাসিক ২ হাজার টাকা ভাতা দেওয়ার প্রস্তাব করা হয়েছে, সর্বোচ্চ দুই সন্তানের জন্য। এছাড়া ১১তম থেকে ২০তম গ্রেডের কর্মচারীদের টিফিন ভাতা ২০০ টাকা থেকে বাড়িয়ে ১ হাজার টাকা করার সুপারিশ করা হয়েছে।
কমিশন ২০টি গ্রেডে নতুন বেতন নির্ধারণের প্রস্তাব দিয়েছে। এর মধ্যে ১ম গ্রেডে ১ লাখ ৬০ হাজার টাকা, ২য় গ্রেডে সর্বোচ্চ ১ লাখ ৫৩ হাজার টাকা, ৩য় গ্রেডে ১ লাখ ৪৮ হাজার টাকা এবং ২০তম গ্রেডে সর্বোচ্চ ৪৮ হাজার ৪০০ টাকা মূল বেতন প্রস্তাব করা হয়েছে। প্রতিবেদন দাখিলের পর সামরিক ও বিচার বিভাগের জন্য আলাদা বেতন কমিশন চূড়ান্ত করার কথাও জানানো হয়েছে।
সংস্কার/ইএমই
সংস্কার নিয়ে রাজনৈতিক মতবিরোধের মধ্যেই অন্তর্বর্তী সরকারের জারি করা ১৩৩টি অধ্যাদেশের মধ্যে ২০টি আইনে রূপ না পেয়ে স্বয়ংক্রিয়ভাবে কার্যকারিতা হারিয়েছে। এসব অধ্যাদেশের মধ্যে গণভোট, দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক), জাতীয় মানবাধিকার কমিশন, গুম প্রতিরোধ, তথ্য অধিকার এবং রাজস্ব ব্যবস্থাপনা সংক্রান্ত
অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের জারি করা অধ্যাদেশগুলোকে আইনে রূপ দিতে জাতীয় সংসদে আজ মোট ২০টি বিল পাস হয়েছে। এর মধ্যে সকালে অনুষ্ঠিত অধিবেশনে ১০টি বিল পাস হয়। ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশনের ১৩তম দিনের সকালের বৈঠকে উত্থাপিত বিলগুলোর ওপর কোনো সংশোধনী প্রস্তা
স্থগিত থাকা শেরপুর-৩ আসনের জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিএনপির প্রার্থী মাহমুদুল হক রুবেল বিপুল ভোটে জয়ী হয়েছেন। ধানের শীষ প্রতীক নিয়ে তিনি পেয়েছেন ১ লাখ ৬৬ হাজার ১১৭ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াতের প্রার্থী মাসুদুর রহমান দাঁড়িপাল্লা প্রতীক নিয়ে পেয়েছেন ৪৭ হাজার ৫১ ভোট।
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের ছেড়ে দেওয়া বগুড়া-৬ (সদর) আসনের উপনির্বাচনে বিএনপির ধানের শীষ প্রতীকের প্রার্থী রেজাউল করিম বাদশা বেসরকারি ফলাফলে বিপুল ভোটে জয়ী হয়েছেন। একটি পোস্টাল ভোটসহ ১৫১টি কেন্দ্রে তিনি পেয়েছেন ১ লাখ ৩৩ হাজার ৯৩১ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াতে