আল— হজ্ব : ৩০ থেকে ৩৯
আল কুরআন (আল— হজ্ব : ৩০ থেকে ৩৯) ৩০. এগুলো (হজ্বের বিধান)। এ ছাড়া যে, আল্লাহ এবং পবিত্র (স্থান ও অনুষ্ঠান) সমূহের প্রতি সম্মান দেখাবে, তার প্রভ...
বিস্তারিতনবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন
সাঈদ ইবনু আবদুর রহমান মাখযূমী রা. আব্বাদ ইবনু তামীম তৎপিতৃব্য আবদুল্লাহ্ ইবনু যায়দ রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত যে, তিনি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয...
বিস্তারিতবাংলাদেশের ইতিহাসে আরেকটি অন্তর্বর্তীকালীন সরকার গঠিত হলো
নোবেল বিজয়ী প্রফেসর ড. মুহাম্মদ ইউনুস এর নেতৃত্বে বাংলাদেশের ইতিহাসে আরেকটি অন্তর্বর্তীকালীন সরকার গঠিত হলো। নিঃসন্দেহে এই সরকার একটি বিপ্লবোত্তর সরক...
বিস্তারিত
ছবি : সংগৃহীত
সংস্কার ২৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৬: আগামী ১২ মার্চ শুরু হচ্ছে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশন। অধিবেশনের প্রথম দিনেই সংসদে ভাষণ দেবেন রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন। সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে, এবারের ভাষণে গত সাড়ে ১৫ বছরে শেখ হাসিনার শাসনামলের দুর্নীতি, অনিয়ম, অপশাসন এবং মানবতাবিরোধী অপরাধের বিষয়গুলো গুরুত্ব পাবে।
মন্ত্রিপরিষদ সূত্র জানায়, ছাত্র-জনতার জুলাই আন্দোলন এবং শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে উত্থাপিত মানবতাবিরোধী অপরাধের বর্ণনাও রাষ্ট্রপতির ভাষণে তুলে ধরা হবে। পাশাপাশি বর্তমান ক্ষমতাসীন বিএনপির নির্বাচনী ইশতেহারের বিভিন্ন অঙ্গীকারও ভাষণে অন্তর্ভুক্ত থাকবে।
সাংবিধানিক বাধ্যবাধকতা ও ভাষণ প্রস্তুতির প্রক্রিয়া : সংবিধান অনুযায়ী, নতুন সংসদের প্রথম অধিবেশন এবং প্রতি বছরের প্রথম অধিবেশনে রাষ্ট্রপতি ভাষণ দেন। এ ভাষণের ওপর সংসদে ধন্যবাদ প্রস্তাব আনা হয়। সংসদ সদস্যরা সেই প্রস্তাবের ওপর আলোচনা করেন এবং অধিবেশনের শেষ দিনে তা গৃহীত হয়।
রাষ্ট্রপতি সংসদে ভাষণ দিলেও তা তিনি বা তার দপ্তর সরাসরি প্রস্তুত করেন না। বিভিন্ন মন্ত্রণালয় ও দপ্তর থেকে তথ্য সংগ্রহ করে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ ভাষণের খসড়া তৈরি করে। পরে মন্ত্রিসভার বৈঠকে তা অনুমোদন দেওয়া হয়। অর্থাৎ সরকারের দৃষ্টিভঙ্গিই রাষ্ট্রপতি সংসদে পাঠ করেন।
মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের রিপোর্ট শাখার এক কর্মকর্তা জানান, সাধারণ নির্বাচনের মাধ্যমে নতুন সরকার গঠনের পর প্রথম অধিবেশনে রাষ্ট্রপতির ভাষণ দেওয়া বাধ্যতামূলক। রাষ্ট্রপতি ইতোমধ্যে অধিবেশন আহ্বান করেছেন। ভাষণের খসড়া চূড়ান্ত হয়েছে এবং বর্তমানে যাচাই-বাছাই চলছে। অনুমোদনের জন্য এটি মন্ত্রিসভায় উপস্থাপন করা হবে।
খসড়া প্রস্তুতি শুরু হয়েছিল আগেই : যদিও এটি নতুন সংসদের ভাষণ, তবে এর প্রস্তুতি শুরু হয়েছিল প্রায় তিন মাস আগে। সদ্য বিদায়ী অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বাধীন অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের আমলে ভাষণের খসড়া তৈরির কাজ শুরু হয়।
মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের এক ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা জানান, ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচনের মাধ্যমে ১৭ ফেব্রুয়ারি নতুন সরকার দায়িত্ব নেয়। জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশনের ভাষণ প্রস্তুত করা একটি বড় কর্মযজ্ঞ। তিনি আরও বলেন, দ্বাদশ জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশনে রাষ্ট্রপতির জন্য ১৪৩ পৃষ্ঠার ভাষণ প্রস্তুত করা হয়েছিল। এবারের ভাষণ প্রায় দেড়শ পৃষ্ঠার হতে পারে। এর বড় একটি অংশজুড়ে বিএনপির নির্বাচনী ইশতেহারের বিষয়গুলো সংযোজন করা হয়েছে। জানা গেছে, ভাষণ দেড়শ পৃষ্ঠার হলেও রাষ্ট্রপতি পুরোটা পাঠ করবেন না। তিনি মূল বা গুরুত্বপূর্ণ অংশ সংসদে উপস্থাপন করবেন। বাকি অংশ স্পিকারের অনুমতি সাপেক্ষে পঠিত হিসেবে গণ্য হবে।
ভাষণে থাকবে গত নির্বাচন ও শাসনামলের বিবরণ : মন্ত্রিপরিষদ সূত্রে জানা গেছে, দশম, একাদশ ও দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের প্রেক্ষাপট এবং শেখ হাসিনার ক্ষমতায় থাকার বিষয়গুলো ভাষণে স্থান পাবে। বিরোধী দলের ওপর নির্যাতন, গুম, খুন এবং আয়নাঘরের মাধ্যমে নিপীড়নের ঘটনাও উল্লেখ থাকবে।
এছাড়া গত ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত সংসদ নির্বাচন, জুলাই গণঅভ্যুত্থান, ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট শেখ হাসিনার সরকারের পতন ও দেশত্যাগ এবং পরবর্তী সময়ে অন্তর্বর্তী সরকারের দায়িত্ব গ্রহণের বিষয়গুলোও ভাষণে অন্তর্ভুক্ত থাকবে। জুলাই বিপ্লবে পতিত আওয়ামী লীগ সরকারের মানবতাবিরোধী অপরাধের পরিসংখ্যানও তুলে ধরা হবে।
মন্ত্রীদের প্রতিক্রিয়া : রাষ্ট্রপতির ভাষণ প্রসঙ্গে জানতে চাইলে বিএনপির মহাসচিব ও স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায়মন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেন, ১২ মার্চ অধিবেশন অনুষ্ঠিত হবে, এ তথ্যই তিনি জানেন। এ বিষয়ে তিনি আর কোনো মন্তব্য করতে চাননি। আইন, বিচার ও সংসদবিষয়ক মন্ত্রী অ্যাডভোকেট মো. আসাদুজ্জামানও এ বিষয়ে মন্তব্য করতে রাজি হননি।
দ্বাদশ সংসদে রাষ্ট্রপতির পূর্ববর্তী ভাষণ : ২০২৩ সালের ২৪ এপ্রিল দেশের ২২তম রাষ্ট্রপতি হিসেবে দায়িত্ব নেন মো. সাহাবুদ্দিন। এর আগে তিনি জেলা ও দায়রা জজ এবং দুর্নীতি দমন কমিশনের কমিশনার হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। দ্বাদশ সংসদ নির্বাচনের মাধ্যমে আওয়ামী লীগ টানা চতুর্থবার ক্ষমতায় এলে তিনি ওই সরকারের প্রধানমন্ত্রীসহ মন্ত্রিসভার সদস্যদের শপথ পড়ান।
দ্বাদশ জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশনে রাষ্ট্রপতি ভাষণ দেন ৩০ জানুয়ারি। যদিও ভাষণটি ১৫ জানুয়ারি মন্ত্রিসভায় অনুমোদিত হয়েছিল। সে ভাষণে তিনি বলেন, দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষভাবে অনুষ্ঠিত হয়েছে এবং এটি জাতীয় ও আন্তর্জাতিক পর্যায়ে প্রশংসিত হয়েছে। তিনি উল্লেখ করেন, নির্বাচন কমিশনের সফল ব্যবস্থাপনায় দেশে গণতান্ত্রিক শক্তি আরও সুদৃঢ় হয়েছে।
রাষ্ট্রপতি ওই ভাষণে বিএনপিসহ প্রধান রাজনৈতিক দলগুলোর বর্জনের মধ্য দিয়ে অনুষ্ঠিত নির্বাচনকে প্রশংসা করেন। তিনি বলেন, একটি মহল নির্বাচনকে কেন্দ্র করে সহিংসতা ও সংঘাত সৃষ্টি করে গণতন্ত্রের পথে বাধা দেওয়ার চেষ্টা করেছিল। তবে জনগণের অংশগ্রহণে নির্বাচন সফল হয়েছে বলে তিনি মন্তব্য করেন।
ভাষণে তিনি গত দেড় দশকে দেশের আর্থ-সামাজিক খাতে উন্নয়নের কথা তুলে ধরেন এবং সংবিধান সমুন্নত রেখে নির্বাচন আয়োজনের জন্য সংশ্লিষ্টদের ধন্যবাদ জানান। ভোটারদের, বিশেষ করে নারী ও নবীন ভোটারদের অভিনন্দনও জানান তিনি। রাষ্ট্রপতি আরও বলেন, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের স্বপ্নের সোনার বাংলা গড়ার লক্ষ্যে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে গত দেড় দশকে দেশে বিভিন্ন খাতে উল্লেখযোগ্য উন্নয়ন হয়েছে।
সংস্কার/ইএমই
সংস্কার নিয়ে রাজনৈতিক মতবিরোধের মধ্যেই অন্তর্বর্তী সরকারের জারি করা ১৩৩টি অধ্যাদেশের মধ্যে ২০টি আইনে রূপ না পেয়ে স্বয়ংক্রিয়ভাবে কার্যকারিতা হারিয়েছে। এসব অধ্যাদেশের মধ্যে গণভোট, দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক), জাতীয় মানবাধিকার কমিশন, গুম প্রতিরোধ, তথ্য অধিকার এবং রাজস্ব ব্যবস্থাপনা সংক্রান্ত
অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের জারি করা অধ্যাদেশগুলোকে আইনে রূপ দিতে জাতীয় সংসদে আজ মোট ২০টি বিল পাস হয়েছে। এর মধ্যে সকালে অনুষ্ঠিত অধিবেশনে ১০টি বিল পাস হয়। ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশনের ১৩তম দিনের সকালের বৈঠকে উত্থাপিত বিলগুলোর ওপর কোনো সংশোধনী প্রস্তা
স্থগিত থাকা শেরপুর-৩ আসনের জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিএনপির প্রার্থী মাহমুদুল হক রুবেল বিপুল ভোটে জয়ী হয়েছেন। ধানের শীষ প্রতীক নিয়ে তিনি পেয়েছেন ১ লাখ ৬৬ হাজার ১১৭ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াতের প্রার্থী মাসুদুর রহমান দাঁড়িপাল্লা প্রতীক নিয়ে পেয়েছেন ৪৭ হাজার ৫১ ভোট।
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের ছেড়ে দেওয়া বগুড়া-৬ (সদর) আসনের উপনির্বাচনে বিএনপির ধানের শীষ প্রতীকের প্রার্থী রেজাউল করিম বাদশা বেসরকারি ফলাফলে বিপুল ভোটে জয়ী হয়েছেন। একটি পোস্টাল ভোটসহ ১৫১টি কেন্দ্রে তিনি পেয়েছেন ১ লাখ ৩৩ হাজার ৯৩১ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াতে