আল— হজ্ব : ৩০ থেকে ৩৯
আল কুরআন (আল— হজ্ব : ৩০ থেকে ৩৯) ৩০. এগুলো (হজ্বের বিধান)। এ ছাড়া যে, আল্লাহ এবং পবিত্র (স্থান ও অনুষ্ঠান) সমূহের প্রতি সম্মান দেখাবে, তার প্রভ...
বিস্তারিতনবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন
সাঈদ ইবনু আবদুর রহমান মাখযূমী রা. আব্বাদ ইবনু তামীম তৎপিতৃব্য আবদুল্লাহ্ ইবনু যায়দ রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত যে, তিনি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয...
বিস্তারিতবাংলাদেশের ইতিহাসে আরেকটি অন্তর্বর্তীকালীন সরকার গঠিত হলো
নোবেল বিজয়ী প্রফেসর ড. মুহাম্মদ ইউনুস এর নেতৃত্বে বাংলাদেশের ইতিহাসে আরেকটি অন্তর্বর্তীকালীন সরকার গঠিত হলো। নিঃসন্দেহে এই সরকার একটি বিপ্লবোত্তর সরক...
বিস্তারিত
ছবি : সংগৃহীত
সংস্কার ২১ ফেব্রুয়ারী ২০২৬: ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের সংরক্ষিত নারী আসনের নির্বাচন চলতি রমজান মাসের মধ্যেই আয়োজনের পরিকল্পনা করছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। শিগগিরই এ বিষয়ে তফসিল ঘোষণা হতে পারে। এরই মধ্যে বিভিন্ন রাজনৈতিক দলে সম্ভাব্য নারী প্রার্থীদের দৌড়ঝাঁপ শুরু হয়েছে। নির্বাচন কমিশনার আব্দুর রহমানেল মাছউদ জানিয়েছেন, রোজার মধ্যেই সংরক্ষিত নারী আসনের নির্বাচন সম্পন্ন করার প্রস্তুতি রয়েছে।
সংবিধান অনুযায়ী জাতীয় সংসদে ৫০টি নারী আসন সংরক্ষিত। আইন অনুযায়ী, শপথ নেওয়া সংসদ সদস্যদের তথ্য তিন কার্যদিবসের মধ্যে সংসদ সচিবালয় থেকে ইসিতে পাঠানো হয়। সাধারণ নির্বাচনের গেজেট প্রকাশের ২১ কার্যদিবসের মধ্যে দল বা জোট প্রার্থী তালিকা জমা দেয়। এরপর ৩০ কার্যদিবসের মধ্যে ইসি দলভিত্তিক তালিকা প্রস্তুত করে নির্বাচন আয়োজন করে।
এবার ৩০০ আসনের মধ্যে ২৯৬টির গেজেট প্রকাশ হয়েছে। ফলাফল অনুযায়ী, বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) পেয়েছে ২০৯টি আসন, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী পেয়েছে ৬৮টি আসন, জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) পেয়েছে ৬টি আসন, বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস পেয়েছে ২টি আসন, খেলাফত মজলিস, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ, গণঅধিকার পরিষদ, বাংলাদেশ জাতীয় পার্টি (বিজেপি) ও গণসংহতি আন্দোলন পেয়েছে ১টি করে আসন, স্বতন্ত্র প্রার্থীরা পেয়েছেন ৭টি আসন। গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশ (আরপিও) অনুযায়ী সাধারণ আসনে প্রাপ্ত আসনের অনুপাতে সংরক্ষিত নারী আসন বণ্টন করা হয়। প্রতি ছয়জন সংসদ সদস্যের বিপরীতে একটি সংরক্ষিত নারী আসন নির্ধারিত হয়।
সে হিসাবে, বিএনপি পাচ্ছে ৩৫টি সংরক্ষিত নারী আসন, জামায়াত নেতৃত্বাধীন ১১ দলীয় জোট পাচ্ছে ১৩টি আসন, এর মধ্যে জামায়াতের ১২টি। স্বতন্ত্ররা এককভাবে আসন না পেলেও জোট করলে ১টি আসন পেতে পারেন।
বিপুল সংখ্যাগরিষ্ঠতা নিয়ে সরকার গঠন করছে বিএনপি। ফলে সংরক্ষিত নারী আসনে কারা এমপি হবেন, তা নিয়ে দলে ব্যাপক আলোচনা চলছে। দলের চেয়ারপারসনের ভারপ্রাপ্ত দায়িত্বে থাকা তারেক রহমান ও স্থায়ী কমিটির সিদ্ধান্তের ওপরই চূড়ান্ত মনোনয়ন নির্ভর করছে। এবার সরাসরি ভোটে ২ হাজার ২৮ জন প্রার্থীর মধ্যে ৮১ জন নারী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন। জয়ী হয়েছেন মাত্র ৭ জন। যারা মনোনয়ন পাননি বা হেরে গেছেন, তাদের অনেকেই এখন সংরক্ষিত নারী আসনের প্রত্যাশী।
দলীয় সূত্র বলছে, ৩৫টি আসনের বিপরীতে সম্ভাব্য প্রার্থী শতাধিক। তৃণমূলের ত্যাগী নেত্রী থেকে শুরু করে প্রবীণ ও তরুণ নেতৃত্ব, সবাই সক্রিয় রয়েছেন। অনেকেই ঢাকায় অবস্থান নিয়ে শীর্ষ নেতাদের সঙ্গে যোগাযোগ করছেন। আলোচনায় থাকা নেত্রীদের মধ্যে রয়েছেন, সেলিমা রহমান (স্থায়ী কমিটির সদস্য ও সাবেক এমপি-মন্ত্রী), বিলকিস আকতার জাহান শিরিন, শিরিন সুলতানা, আফরোজা আব্বাস, সুলতানা আহমেদ, হেলেন জেরিন খান, নাজমুন নাহার বেবী। সাবেক এমপিদের মধ্যে রয়েছেন, শাম্মী আক্তার, নিলোফার চৌধুরী মনি, আসিফা আশরাফী পাপিয়া, রাশেদা বেগম হীরা, রেহেনা আক্তার রানু, ইয়াসমিন আরা হক, জাহান পান্না, বিলকিস ইসলাম। নতুন ও তরুণদের মধ্যে আলোচনায় আছেন, মাহমুদা হাবিবা, নিপুণ রায় চৌধুরী, রোকেয়া চৌধুরী বেবী, শাহানা আক্তার শানু, আরিফা সুলতানা রুমা, নাদিয়া পাঠান পাপন, আরিফা জেসমিন নাহিন, সেলিনা সুলতানা নিশিতা, শওকত আরা উর্মি, নাসিমা আক্তার কেয়া, মনিরা আক্তার রিক্তা, আফরোজা খানম নাসরিন, বীথিকা বিনতে হুসেইন, রুকসানা খানম মিতু, আইসা সিদ্দিকা মানি, হেনা আলা উদ্দিন, ফরিদা ইয়াসমিন, সালমা আক্তার সোমা, শাহিনুর নার্গিস, শাহিনুর বেগম সাগর। এ ছাড়া আরও যাদের নাম শোনা যাচ্ছে, রওশন আরা রত্না, রহিমা আক্তার হাসি, হাসনা জসিম উদ্দিন মওদুদ, অপর্ণা রায়, রাবেয়া আলম, জেবা আমিন খান, তানজিন চৌধুরী লিলি, সানজিদা ইসলাম (তুলি), ডা. সানসিলা জেবরিন প্রিয়াঙ্কা, সামিরা তানজিনা চৌধুরী, সৈয়দা আদিবা হোসেন, হাসিনা আহমদ, শাকিলা ফারজানা, ফাতেমা বাদশা, মনোয়ারা বেগম মনি, জেলী চৌধুরী, মেহেরুন নেছা নার্গিস, জান্নাতুল নাঈম রিকু, জেসমিনা খানম, নাজমা সাঈদ, সুলতানা পারভীন। সাংবাদিক ও সাংস্কৃতিক অঙ্গন থেকেও কয়েকজনের নাম আলোচনায় রয়েছে, কনক চাঁপা, বেবী নাজনীন, রিজিয়া পারভিন, সাবরিনা আহমেদ শুভ্রা ও কাজী জেসিন।
নির্বাচনের ফল অনুযায়ী জামায়াত পাচ্ছে ১২টি সংরক্ষিত নারী আসন। ফলে দলটির সম্ভাব্য নারী প্রার্থীদের নিয়ে ব্যাপক আলোচনা চলছে। আলোচনায় থাকা নামগুলোর মধ্যে রয়েছেন, অধ্যাপিকা নুরুন্নিসা সিদ্দিকা, প্রকৌশলী মারদিয়া মমতাজ, ডা. আমিনা বেগম রহমান, শাহান আরা বেগম, ব্যারিস্টার সাবিকুন্নাহার মুন্নী, সাঈদা রুম্মান, মার্জিয়া বেগম, খন্দকার আয়েশা খাতুন, ডা. হাবিবা চৌধুরী সুইট, কাজী মারিয়া ইসলাম বেবি, রাবেয়া খানম, ডা. শিরিন আক্তার রুনা, তানহা আজমি, নার্গিস খান, কানিজ ফাতেমা, সেলিনা আক্তার, আয়েশা সিদ্দিকা পারভীন। দলীয় সূত্র জানিয়েছে, চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত দলীয় ফোরামেই নেওয়া হবে।
৬টি আসনে জয় পাওয়ায় এনসিপি একটি সংরক্ষিত নারী আসন পেতে যাচ্ছে। দলটির ভেতরে সম্ভাব্য প্রার্থী নিয়ে আলোচনা চলছে। আলোচনায় থাকা চারজন হলেন, মনিরা শারমিন, দিলাশানা পারুল, নাবিলা তাসনিদ ও ডা. মাহমুদা মিতু।
দলীয় একাধিক সূত্র জানিয়েছে, ডা. মাহমুদা মিতুর নামই বেশি গুরুত্ব পাচ্ছে। তিনি ঝালকাঠি-১ আসন থেকে নির্বাচনে অংশ নেওয়ার কথা থাকলেও পরে জোট প্রার্থীকে সমর্থন দিয়ে সরে দাঁড়ান। সে সময় তাকে সংরক্ষিত আসনে মনোনয়ন দেওয়ার আশ্বাস দেওয়া হয়েছিল বলে জানা গেছে। নির্বাচনী প্রচারণায় সারাদেশে বিভিন্ন জনসভায় অংশ নিয়ে তিনি আলোচনায় আসেন। সংরক্ষিত নারী আসনের নির্বাচন সামনে রেখে এখন রাজনৈতিক অঙ্গনে চলছে হিসাব-নিকাশ, লবিং ও অপেক্ষা, কারা পাচ্ছেন জাতীয় সংসদের সেই কাঙ্ক্ষিত আসন।
সংস্কার/ইএমই
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমেদ জানিয়েছেন, বিগত আওয়ামী লীগ সরকারের ১৭ বছরে বিরোধী দলের নেতা-কর্মীদের বিরুদ্ধে দায়ের করা ১০০৬টি রাজনৈতিক হয়রানিমূলক মামলা প্রত্যাহারের অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। রোববার স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের জনসংযোগ
বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর কয়েকটি শীর্ষ পদে রদবদল করা হয়েছে। রোববার দুপুরে সেনাসদর থেকে এ-সংক্রান্ত আদেশ জারি করা হয়। বিষয়টি নিশ্চিত করেছে প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়। নতুন চিফ অব জেনারেল স্টাফ হিসেবে নিয়োগ পেয়েছেন লেফটেন্যান্ট জেনারেল মাইনুর রহমান।
বগুড়া-৬ আসনের উপনির্বাচন এবং শেরপুর-৩ আসনে পুনঃতফসিল ঘোষণা করে আগামী ১৪ এপ্রিলের আগেই ভোটগ্রহণ সম্পন্ন করার পরিকল্পনা নিয়েছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। এ লক্ষ্যে খুব শিগগিরই নতুন তফসিল ঘোষণা করা হবে। রোববার এ তথ্য জানিয়েছে ইসি।
ইনকিলাব জিন্দাবাদ স্লোগান নিয়ে বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদমন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকুর মন্তব্যকে ঘিরে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তীব্র আলোচনা-সমালোচনা শুরু হয়েছে। তার বক্তব্যের পরপরই ২৪-এর গণঅভ্যুত্থানের দুই আলোচিত নেতা হাসনাত আব্দুল্লাহ ও