আল— হজ্ব : ৩০ থেকে ৩৯
আল কুরআন (আল— হজ্ব : ৩০ থেকে ৩৯) ৩০. এগুলো (হজ্বের বিধান)। এ ছাড়া যে, আল্লাহ এবং পবিত্র (স্থান ও অনুষ্ঠান) সমূহের প্রতি সম্মান দেখাবে, তার প্রভ...
বিস্তারিতনবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন
সাঈদ ইবনু আবদুর রহমান মাখযূমী রা. আব্বাদ ইবনু তামীম তৎপিতৃব্য আবদুল্লাহ্ ইবনু যায়দ রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত যে, তিনি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয...
বিস্তারিতবাংলাদেশের ইতিহাসে আরেকটি অন্তর্বর্তীকালীন সরকার গঠিত হলো
নোবেল বিজয়ী প্রফেসর ড. মুহাম্মদ ইউনুস এর নেতৃত্বে বাংলাদেশের ইতিহাসে আরেকটি অন্তর্বর্তীকালীন সরকার গঠিত হলো। নিঃসন্দেহে এই সরকার একটি বিপ্লবোত্তর সরক...
বিস্তারিত
ছবি : সংগৃহীত
সংস্কার ৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৬: দীর্ঘদিনের টানাপোড়েন ও কূটনৈতিক অচলাবস্থার পর গত শুক্রবার পরোক্ষ আলোচনায় বসেছে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরান। ওমানের রাজধানী মাস্কাটে অনুষ্ঠিত এই বৈঠককে কেন্দ্র করে মধ্যপ্রাচ্যের রাজনীতিতে নতুন করে উত্তেজনা তৈরি হয়েছে। আলোচনার আগে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প মধ্যপ্রাচ্যে একটি বিশাল নৌবহর পাঠান। বিশ্লেষকদের মতে, এটি ইরানের ওপর সামরিক চাপ তৈরির কৌশল। এই চাপের মধ্যেই ইরানকে আলোচনার টেবিলে আনতে সক্ষম হন ট্রাম্প।
তবে আলোচনার শুরুতেই ইরানের সামনে পাঁচটি কঠিন শর্ত তুলে ধরে যুক্তরাষ্ট্র। কূটনৈতিক মহলে এসব শর্তকে বাস্তবতা-বিবর্জিত এবং শুরুতেই অকার্যকর বলে আখ্যা দেওয়া হয়েছে। পর্যবেক্ষকদের মতে, এসব শর্ত সমঝোতার চেয়ে সংঘাতের সম্ভাবনাই বাড়াচ্ছে। ইসরায়েলি সংবাদমাধ্যম মারিভ-এর প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, যুক্তরাষ্ট্রের প্রথম দাবি হলো, ইরানের কাছে থাকা প্রায় ৪০০ কেজি সমৃদ্ধ ইউরেনিয়াম দেশের বাইরে সরিয়ে নিতে হবে। দ্বিতীয় শর্তে ইরানের সম্পূর্ণ পারমাণবিক অবকাঠামো ধ্বংস করার দাবি জানানো হয়েছে।
তৃতীয় ও চতুর্থ শর্তে ইরানের সামরিক সক্ষমতাকে লক্ষ্য করা হয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে ইরানের ব্যালিস্টিক মিসাইল সক্ষমতা পুরোপুরি ধ্বংস করা এবং ভবিষ্যতে সব ধরনের মিসাইল কর্মসূচি ও উৎপাদন স্থায়ীভাবে বন্ধ করা। পঞ্চম শর্ত অনুযায়ী, সিরিয়া, ইয়েমেন, ইরাক ও লেবাননে ইরানসমর্থিত সশস্ত্র গোষ্ঠীগুলোর প্রতি সব ধরনের সহায়তা বন্ধ করতে হবে।
আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিশ্লেষকদের মতে, সবচেয়ে সংবেদনশীল ও ইরানের জন্য কঠিন শর্ত হলো ব্যালিস্টিক মিসাইল সক্ষমতা ধ্বংসের দাবি। চ্যাথাম হাউজের পরিচালক ও প্রধান নির্বাহী ব্রোনওয়েন ম্যাডোক্স বলেন, ইরানের ব্যালিস্টিক মিসাইলই দেশটির প্রধান কার্যকর প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা। এটি ধ্বংস হলে ইরান কার্যত প্রতিরক্ষাহীন হয়ে পড়বে এবং ইসরায়েলের আকাশ শক্তি ও যুক্তরাষ্ট্রের স্টিলথ বোম্বারের সামনে উন্মুক্ত হয়ে যাবে।
ম্যাডোক্সের মতে, এমন পরিস্থিতিতে ইরানের কোনো সরকার টিকে থাকা কঠিন হবে। বিশ্লেষকরা বলছেন, যুক্তরাষ্ট্রের শর্তগুলো এমনভাবে সাজানো হয়েছে, যাতে ইরান সেগুলো প্রত্যাখ্যান করতে বাধ্য হয়। বর্তমান ভূরাজনৈতিক বাস্তবতায় এই প্রত্যাখ্যানের অর্থ হতে পারে ইরানের বিরুদ্ধে নতুন করে সামরিক হামলা। কূটনীতিকদের আশঙ্কা, শর্ত মানতে অস্বীকৃতি জানালেই যুক্তরাষ্ট্র দ্বিতীয় দফা হামলা চালাতে পারে, যা মধ্যপ্রাচ্যে আরও বড় সংঘাতের ঝুঁকি তৈরি করছে। (সূত্র: মিডেল ইস্ট মনিটর)
সংস্কার/ইএমই
কুয়েতে অবস্থিত যুক্তরাষ্ট্রের ‘আলি আল সালেম বিমানঘাঁটি’ লক্ষ্য করে বড় ধরনের সমন্বিত ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা চালানোর দাবি করেছে ইরানের এলিট বাহিনী ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পস (আইআরজিসি)। তেহরান বলেছে, কুয়েতে থাকা মার্কিন সামরিক অবস্থান ধ্বংস করতেই এই হামলা চালানো হয়েছে। আইআরজিসির এক বিবৃতিতে
মালয়েশিয়ায় অবৈধ অভিবাসন ঠেকাতে দেশজুড়ে অভিযান জোরদার করেছে কর্তৃপক্ষ। সর্বশেষ ১৮টি স্থানে একযোগে চালানো অভিযানে অভিবাসন আইন লঙ্ঘনের অভিযোগে ২৯০ বাংলাদেশিসহ ৫০৩ বিদেশিকে আটক করা হয়েছে। অবৈধভাবে বিদেশি কর্মী নিয়োগকারী প্রতিষ্ঠান ও প্রবাসীদের মালিকানাধীন অননুমোদিত ব্যবসা
মধ্যপ্রাচ্যে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের চলমান সংঘাত নতুন মাত্রা পেয়েছে। যুক্তরাষ্ট্রের ধারাবাহিক হামলার জবাবে সোমবার (১৩ জুলাই, ২০২৬) ওমান, বাহরাইন, জর্ডান ও কুয়েতে অবস্থিত মার্কিন সামরিক ঘাঁটি ও স্থাপনায় রাতভর ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা চালানোর দাবি করেছে ইরানের ইসলামি বিপ্লবী গার্ড কর্প
ফিলিস্তিনের অবরুদ্ধ গাজা উপত্যকায় ইসরায়েলি বাহিনীর সামরিক অভিযান অব্যাহত রয়েছে। গাজার স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, গত দুই বছরেরও বেশি সময় ধরে চলা এ হামলায় নিহতের সংখ্যা বেড়ে ৭৩ হাজার ২৩১ জনে পৌঁছেছে। স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, গত ২৪ ঘণ্টায় ইসরায়েলি বাহিনীর বিমান