আল— হজ্ব : ৩০ থেকে ৩৯
আল কুরআন (আল— হজ্ব : ৩০ থেকে ৩৯) ৩০. এগুলো (হজ্বের বিধান)। এ ছাড়া যে, আল্লাহ এবং পবিত্র (স্থান ও অনুষ্ঠান) সমূহের প্রতি সম্মান দেখাবে, তার প্রভ...
বিস্তারিতনবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন
সাঈদ ইবনু আবদুর রহমান মাখযূমী রা. আব্বাদ ইবনু তামীম তৎপিতৃব্য আবদুল্লাহ্ ইবনু যায়দ রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত যে, তিনি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয...
বিস্তারিতবাংলাদেশের ইতিহাসে আরেকটি অন্তর্বর্তীকালীন সরকার গঠিত হলো
নোবেল বিজয়ী প্রফেসর ড. মুহাম্মদ ইউনুস এর নেতৃত্বে বাংলাদেশের ইতিহাসে আরেকটি অন্তর্বর্তীকালীন সরকার গঠিত হলো। নিঃসন্দেহে এই সরকার একটি বিপ্লবোত্তর সরক...
বিস্তারিত
ছবি : সংগৃহীত
সংস্কার ৫ মার্চ ২০২৬: মধ্যপ্রাচ্যের বর্তমান সংঘাত ও অস্থিরতার কারণে বিশ্ববাজারে তেলের দাম বেড়েছে। এতে দীর্ঘদিন ইউক্রেন যুদ্ধে চাপে থাকা রাশিয়ার অর্থনীতি ও সামরিক ব্যবস্থায় নতুন শক্তি যোগ হয়েছে। ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম দ্য গার্ডিয়ান, এর এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, হরমুজ প্রণালীতে জাহাজ চলাচল বন্ধ হওয়া এবং ইরানের তেল স্থাপনায় হামলার পর বিশ্ববাজারে ব্রেন্ট ক্রুড তেলের দাম দ্রুত বেড়েছে। মঙ্গলবার তেলের দাম ব্যারেলপ্রতি ৮০ ডলার ছাড়িয়ে যায়, যা গত দুই বছরের মধ্যে সর্বোচ্চ।
বিশ্লেষকদের মতে, এ পরিস্থিতি রাশিয়ার জন্য কয়েকভাবে লাভজনক হয়ে উঠছে। মধ্যপ্রাচ্য থেকে তেল সরবরাহ কমে যাওয়ায় ভারত ও চীনের মতো বড় তেল আমদানিকারক দেশগুলো এখন রাশিয়ার দিকে ঝুঁকছে। আগে পশ্চিমা নিষেধাজ্ঞার কারণে রাশিয়াকে কম দামে তেল বিক্রি করতে হতো। কিন্তু এখন চাহিদা বাড়ায় রাশিয়া বেশি দামে তেল বিক্রি করার সুযোগ পাচ্ছে।
২০২৫ সালে রাশিয়ার তেল ও গ্যাস থেকে আয় গত পাঁচ বছরের মধ্যে সবচেয়ে কমে গিয়েছিল। এতে ধারণা করা হচ্ছিল, ২০২৬ সালে যুদ্ধের খরচ চালাতে রাশিয়ার সমস্যা হতে পারে। কিন্তু তেলের দাম বাড়ায় আবারও ক্রেমলিনের আয় বাড়তে শুরু করেছে। মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধ বাড়লে যুক্তরাষ্ট্র ও তার মিত্রদের মনোযোগ এবং সামরিক সরঞ্জাম ওই অঞ্চলে সরিয়ে নেওয়া হতে পারে। এতে ইউক্রেন প্রয়োজনীয় অস্ত্র সহায়তা কম পেতে পারে বলে আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন দেশটির প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি।
কার্নেগি রাশিয়া ইউরেশিয়া সেন্টারের সিনিয়র ফেলো সের্গেই ভাকুলেঙ্কো বলেন, বিশ্বে মোট তেল সরবরাহের প্রায় এক-পঞ্চমাংশ এবং সমুদ্রপথে বাণিজ্যের এক-চতুর্থাংশ যখন বাধাগ্রস্ত হয়, তখন রাশিয়ার মতো তেল উৎপাদনকারী দেশগুলোর জন্য তা বড় সুযোগ হয়ে দাঁড়ায়।
তবে এই সুবিধা কতদিন থাকবে তা নির্ভর করছে মধ্যপ্রাচ্যের সংকট কতটা দীর্ঘস্থায়ী হয় তার ওপর। বিশেষজ্ঞদের মতে, সংঘাত দীর্ঘ হলে ইউরোপের কিছু দেশ, যারা রাশিয়ার জ্বালানির ওপর নির্ভরতা কমাতে চাইছিল, তারা আবারও রুশ গ্যাসের বিষয়ে নমনীয় হতে পারে।
এদিকে ক্রেমলিনের ভেতরের সূত্রগুলো বলছে, রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন এখন ‘অপেক্ষা করো এবং দেখো’ নীতি অনুসরণ করছেন। সরাসরি সংঘাতে জড়াননি, তবে তেলের দাম বাড়ায় রাশিয়ার উচ্চপর্যায়ের কর্মকর্তাদের মধ্যে সন্তোষ দেখা যাচ্ছে।
রাশিয়ার সভরেন ওয়েলথ ফান্ডের প্রধান কিরিল দিমিত্রিভ ইঙ্গিত দিয়েছেন, পরিস্থিতি এমন থাকলে শিগগিরই তেলের দাম ব্যারেলপ্রতি ১০০ ডলার ছাড়িয়ে যেতে পারে। বিশ্লেষকদের মতে, ইউক্রেন যখন রাশিয়ার সামরিক শক্তি দুর্বল হওয়ার অপেক্ষায় ছিল, ঠিক সেই সময় মধ্যপ্রাচ্যের এই অস্থিরতা রাশিয়ার যুদ্ধ অর্থনীতিকে আবারও শক্তিশালী করে তুলছে।
সংস্কার/ইএমই
ক্যারিবীয় দ্বীপরাষ্ট্র হাইতি-র একটি ইউনেস্কো স্বীকৃত ঐতিহাসিক স্থাপনায় ভয়াবহ পদদলনের ঘটনায় অন্তত ৩০ জন নিহত হয়েছেন। আহত ও নিখোঁজের সংখ্যা থাকায় মৃত্যুর সংখ্যা আরও বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। শনিবার (১১ এপ্রিল) উত্তর হাইতির মিলট এলাকায় অবস্থিত লাফেরিয়ার সিটাডেল-এ
পাকিস্তানের রাজধানী ইসলামাবাদে টানা ২১ ঘণ্টার আলোচনার পরও যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে কোনো চুক্তি হয়নি। আলোচনায় ওয়াশিংটনের ‘অতিরিক্ত ও উচ্চাকাঙ্ক্ষী’ শর্তগুলো তেহরান প্রত্যাখ্যান করায় সমঝোতা ভেস্তে যায়। ইরানের আধা-সরকারি বার্তা সংস্থা ফার্স এক প্রতিবেদনে জানিয়েছে, দেশটির প্রতিনিধিদলের
ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের তীব্র উত্তেজনার মধ্যে নতুন এক কূটনৈতিক বাস্তবতা সামনে এসেছে। প্রকাশ্যে কঠোর ভাষা ও যুদ্ধের হুমকি দিলেও, পর্দার আড়ালে যুক্তরাষ্ট্র ইরানের কাছে যুদ্ধবিরতির জন্য গোপনে উদ্যোগ নিয়েছে বলে আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমের প্রতিবেদনে উঠে এসেছে। ফিন্যান্সিয়াল টাইমসসহ বিভিন্ন
কুয়েতে গত ১ মার্চ একটি মার্কিন সামরিক ঘাঁটিতে ইরানের ড্রোন হামলা নিয়ে পেন্টাগনের আনুষ্ঠানিক বক্তব্যকে ‘মিথ্যা’ বলে দাবি করেছেন সেখানে দায়িত্বরত মার্কিন সেনারা। তাদের অভিযোগ, ঘাঁটিটি ড্রোন হামলা প্রতিরোধে মোটেও প্রস্তুত ছিল না এবং এই ক্ষয়ক্ষতি এড়ানো সম্ভব ছিল। মার্কিন প্রতিরক্ষা সচিব পিট হেগসেথ দাবি