আল— হজ্ব : ৩০ থেকে ৩৯
আল কুরআন (আল— হজ্ব : ৩০ থেকে ৩৯) ৩০. এগুলো (হজ্বের বিধান)। এ ছাড়া যে, আল্লাহ এবং পবিত্র (স্থান ও অনুষ্ঠান) সমূহের প্রতি সম্মান দেখাবে, তার প্রভ...
বিস্তারিতনবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন
সাঈদ ইবনু আবদুর রহমান মাখযূমী রা. আব্বাদ ইবনু তামীম তৎপিতৃব্য আবদুল্লাহ্ ইবনু যায়দ রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত যে, তিনি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয...
বিস্তারিতবাংলাদেশের ইতিহাসে আরেকটি অন্তর্বর্তীকালীন সরকার গঠিত হলো
নোবেল বিজয়ী প্রফেসর ড. মুহাম্মদ ইউনুস এর নেতৃত্বে বাংলাদেশের ইতিহাসে আরেকটি অন্তর্বর্তীকালীন সরকার গঠিত হলো। নিঃসন্দেহে এই সরকার একটি বিপ্লবোত্তর সরক...
বিস্তারিত
ছবি : সংগৃহীত
সংস্কার ২৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৬: সংসদ নির্বাচনের অন্যতম প্রতিশ্রুতি ‘ফ্যামিলি কার্ড’ বাস্তবায়নে জোর তৎপরতা শুরু করেছে সরকার। ইতোমধ্যে কর্মসূচির পরীক্ষামূলক (পাইলট) বাস্তবায়ন প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। দল-মত নির্বিশেষে যোগ্য পরিবারগুলো এ কার্ড পাবে বলে জানিয়েছে সংশ্লিষ্টরা।
ফ্যামিলি কার্ড ইস্যু নিয়ে আজ প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান-এর সঙ্গে বৈঠক হওয়ার কথা রয়েছে। সেখানে এ বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে। নতুন প্রধানমন্ত্রী বিভিন্ন নির্বাচনী জনসভা ও আলোচনায় এই কার্ডের বিষয়টি তুলে ধরেছেন। তার নেতৃত্বে সরকার গঠনের দ্বিতীয় দিনেই বাস্তবায়ন কার্যক্রম তদারকির জন্য উচ্চপর্যায়ের একটি কমিটি গঠন করা হয়।
নির্বাচনের আগে বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমান মানবিক, অন্তর্ভুক্তিমূলক ও জবাবদিহিমূলক রাষ্ট্র গঠনের অঙ্গীকার নিয়ে ৯ দফা অগ্রাধিকারভিত্তিক ইশতেহার দেন। এর অন্যতম ছিল ফ্যামিলি কার্ড চালু। সে সময় জানানো হয়, প্রান্তিক ও নিম্নআয়ের পরিবারকে সুরক্ষা দিতে প্রতি মাসে ২০০০ থেকে ২৫০০ টাকা বা সমমূল্যের নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্য সরবরাহ করা হবে। ভবিষ্যতে সহায়তার পরিমাণ বাড়ানো হবে। প্রতি পরিবারে একটি করে কার্ড ইস্যু করা হবে।
যেভাবে নির্বাচন করা হবে সুবিধাভোগী : ফ্যামিলি কার্ড প্রদানের ক্ষেত্রে নির্বাচিত ওয়ার্ডে সরেজমিন যাচাই-বাছাই করে চূড়ান্ত তালিকা করা হবে। পরিবারগুলোকে চারটি শ্রেণিতে ভাগ করার পরিকল্পনা রয়েছে— হতদরিদ্র, দরিদ্র, মধ্যবিত্ত ও উচ্চবিত্ত। এর মধ্যে হতদরিদ্র ও দরিদ্র পরিবারকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দেওয়া হবে। সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের মতে, মধ্যবিত্ত ও উচ্চবিত্ত পরিবার সাধারণত এ সুবিধা নিতে আগ্রহী হবে না।
গত রোববার অর্থমন্ত্রী আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী-এর সভাপতিত্বে ফ্যামিলি কার্ড সংক্রান্ত কমিটির সভা অনুষ্ঠিত হয়। শুরুতে দুটি উপজেলায় পাইলট প্রকল্প চালুর পরিকল্পনা থাকলেও তা বাড়িয়ে দেশের ১৩টি উপজেলার ১৩টি ওয়ার্ডে পরীক্ষামূলকভাবে চালুর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। আগামী ১০ মার্চ এ কর্মসূচির আনুষ্ঠানিক উদ্বোধনের কথা রয়েছে।
কার্ড পাবেন পরিবারের নারী প্রধান : সমাজকল্যাণ ও মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রী ডা. এজেডএম জাহিদ হোসেন জানান, দল-মত নির্বিশেষে যোগ্য পরিবারগুলো ফ্যামিলি কার্ড পাবে। পরিবারের প্রধান নারী সদস্য বা ‘মা’ এই কার্ড গ্রহণ করবেন। তিনি বলেন, দেশে ১৮ কোটি মানুষ হলে আনুমানিক সাড়ে ৪ কোটি পরিবার রয়েছে। এর মধ্যে হতদরিদ্র ও দরিদ্র পরিবারকে অগ্রাধিকার দিয়ে এই সুবিধা দেওয়া হবে। এ দুই শ্রেণিকে ইউনিভার্সাল কাভারেজ দেওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে।
১৫ সদস্যের মন্ত্রিসভা কমিটি : ফ্যামিলি কার্ড বাস্তবায়নের অংশ হিসেবে গত বৃহস্পতিবার অর্থমন্ত্রী আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরীকে প্রধান করে ১৫ সদস্যের একটি মন্ত্রিসভা কমিটি গঠন করা হয়েছে। মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ এ সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপন জারি করেছে। রোজার ঈদের আগেই ফ্যামিলি কার্ড বিতরণের লক্ষ্য নির্ধারণ করেছে সরকার। ২৪ ফেব্রুয়ারির মধ্যে প্রাথমিক প্রতিবেদন দিতে বলা হয়েছে কমিটিকে।
প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, ফ্যামিলি কার্ড বাস্তবায়নের উপযুক্ত নকশা প্রণয়ন, সুবিধাভোগী নির্বাচন পদ্ধতি নির্ধারণ এবং ডিজিটাল এমআইএস তৈরি করতে হবে। জাতীয় পরিচয়পত্র (NID) ও ন্যাশনাল হাউজহোল্ড ডেটাবেজের আন্তঃসংযোগের মাধ্যমে কেন্দ্রীয় ডেটাবেস তৈরি করা হবে। নারীদের জন্য বিদ্যমান কোনো কর্মসূচিকে ফ্যামিলি কার্ডের ভিত্তি হিসেবে ব্যবহার করা যায় কি না, তাও পর্যালোচনা করা হবে। প্রয়োজনে কমিটিতে নতুন সদস্য অন্তর্ভুক্ত করা যাবে। মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয় সাচিবিক সহায়তা দেবে।
নগদ সহায়তা ও নারীর ক্ষমতায়ন : এই কার্ডের মাধ্যমে পরিবারকে নগদ অর্থ সহায়তা দেওয়া হবে, যা পরিবারের নারী সদস্য বা গৃহকর্ত্রীর হাতে পৌঁছাবে। এতে নারীর ক্ষমতায়ন জোরদার হবে বলে মনে করা হচ্ছে। অন্যান্য সামাজিক ভাতার তুলনায় এ কার্ডের আওতায় সহায়তার পরিমাণ বেশি হবে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে। স্বচ্ছতা ও অনিয়ম রোধে কেন্দ্রীয় ডেটাবেস তৈরি করা হচ্ছে। জাতীয় পরিচয়পত্রের ভিত্তিতে প্রতিটি পরিবারের তথ্য সংরক্ষণ করা হবে।
আবেদনের জন্য যা লাগবে : আবেদন প্রক্রিয়া এখনো পূর্ণাঙ্গভাবে শুরু হয়নি। তবে আগ্রহীদের জাতীয় পরিচয়পত্র, পাসপোর্ট সাইজের রঙিন ছবি এবং সচল মোবাইল নম্বর প্রস্তুত রাখতে বলা হয়েছে।
পাইলট প্রকল্প শেষ হলে সংশ্লিষ্ট ইউনিয়ন পরিষদ, পৌরসভা বা সিটি করপোরেশনের কাউন্সিলর কার্যালয় এবং চালু হতে যাওয়া সরকারি অনলাইন পোর্টাল থেকে আবেদন ফর্ম সংগ্রহ করা যাবে।
মন্ত্রী ডা. এজেডএম জাহিদ হোসেন জানান, নির্বাচনী ইশতেহার অনুযায়ী ঈদের আগেই প্রাথমিক পর্যায়ে ফ্যামিলি কার্ড বিতরণ শুরু হবে এবং পরবর্তীতে এটি ধারাবাহিকভাবে চলবে।
সংস্কার/ইএমই
সংস্কার নিয়ে রাজনৈতিক মতবিরোধের মধ্যেই অন্তর্বর্তী সরকারের জারি করা ১৩৩টি অধ্যাদেশের মধ্যে ২০টি আইনে রূপ না পেয়ে স্বয়ংক্রিয়ভাবে কার্যকারিতা হারিয়েছে। এসব অধ্যাদেশের মধ্যে গণভোট, দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক), জাতীয় মানবাধিকার কমিশন, গুম প্রতিরোধ, তথ্য অধিকার এবং রাজস্ব ব্যবস্থাপনা সংক্রান্ত
অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের জারি করা অধ্যাদেশগুলোকে আইনে রূপ দিতে জাতীয় সংসদে আজ মোট ২০টি বিল পাস হয়েছে। এর মধ্যে সকালে অনুষ্ঠিত অধিবেশনে ১০টি বিল পাস হয়। ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশনের ১৩তম দিনের সকালের বৈঠকে উত্থাপিত বিলগুলোর ওপর কোনো সংশোধনী প্রস্তা
স্থগিত থাকা শেরপুর-৩ আসনের জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিএনপির প্রার্থী মাহমুদুল হক রুবেল বিপুল ভোটে জয়ী হয়েছেন। ধানের শীষ প্রতীক নিয়ে তিনি পেয়েছেন ১ লাখ ৬৬ হাজার ১১৭ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াতের প্রার্থী মাসুদুর রহমান দাঁড়িপাল্লা প্রতীক নিয়ে পেয়েছেন ৪৭ হাজার ৫১ ভোট।
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের ছেড়ে দেওয়া বগুড়া-৬ (সদর) আসনের উপনির্বাচনে বিএনপির ধানের শীষ প্রতীকের প্রার্থী রেজাউল করিম বাদশা বেসরকারি ফলাফলে বিপুল ভোটে জয়ী হয়েছেন। একটি পোস্টাল ভোটসহ ১৫১টি কেন্দ্রে তিনি পেয়েছেন ১ লাখ ৩৩ হাজার ৯৩১ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াতে