আল— হজ্ব : ৩০ থেকে ৩৯
আল কুরআন (আল— হজ্ব : ৩০ থেকে ৩৯) ৩০. এগুলো (হজ্বের বিধান)। এ ছাড়া যে, আল্লাহ এবং পবিত্র (স্থান ও অনুষ্ঠান) সমূহের প্রতি সম্মান দেখাবে, তার প্রভ...
বিস্তারিতনবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন
সাঈদ ইবনু আবদুর রহমান মাখযূমী রা. আব্বাদ ইবনু তামীম তৎপিতৃব্য আবদুল্লাহ্ ইবনু যায়দ রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত যে, তিনি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয...
বিস্তারিতবাংলাদেশের ইতিহাসে আরেকটি অন্তর্বর্তীকালীন সরকার গঠিত হলো
নোবেল বিজয়ী প্রফেসর ড. মুহাম্মদ ইউনুস এর নেতৃত্বে বাংলাদেশের ইতিহাসে আরেকটি অন্তর্বর্তীকালীন সরকার গঠিত হলো। নিঃসন্দেহে এই সরকার একটি বিপ্লবোত্তর সরক...
বিস্তারিত
ছবি : সংগৃহীত
সংস্কার ২৭ জানুয়ারী ২০২৬: ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে বিএনপি, জামায়াত, এনসিপিসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক দল ও স্বতন্ত্র প্রার্থীরা ভোটারদের মন জয়ে মাঠে যেমন সক্রিয়, তেমনি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমেও জোরালো প্রচার চালাচ্ছেন। দলীয় প্রতিশ্রুতির পাশাপাশি ব্যক্তিগত পরিকল্পনা ও স্বপ্নের কথা তুলে ধরছেন প্রার্থীরা। ভোটাররাও এসব দেখছেন, শুনছেন এবং প্রতীক নাকি যোগ্য প্রার্থী, তা নিয়ে আলোচনা করছেন।
মূলধারার গণমাধ্যমে বড় দলের শীর্ষ নেতাদের প্রচার বেশি জায়গা পেলেও ছোট দল ও স্বতন্ত্র প্রার্থীরা কাভারেজ কম পাচ্ছেন। তবে এতে থেমে নেই তাদের প্রচার। প্রায় সব প্রার্থীরই রয়েছে নিজস্ব সাইবার টিম, যারা ফেসবুক, ইউটিউব, টিকটক ও এক্সে লাইভ, ভিডিও, রিলস ও গ্রাফিক পোস্টের মাধ্যমে প্রচার চালাচ্ছে। ফলে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমই এখন অনেক প্রার্থীর প্রধান প্রচারকেন্দ্র।
এবারের নির্বাচনে পোস্টার, ব্যানার ও দেওয়াললিখন প্রায় নেই। নির্বাচন কমিশনের বিধিনিষেধের কারণে প্রকাশ্য পোস্টারিং সীমিত হওয়ায় অনলাইন প্রচারের ওপর নির্ভরতা বেড়েছে। রাজধানী থেকে শুরু করে জেলা-উপজেলা পর্যন্ত নির্বাচনি প্রচারের বড় অংশই এখন অনলাইনভিত্তিক।
রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, সোশ্যাল মিডিয়া ছোট ও স্বতন্ত্র প্রার্থীদের কণ্ঠস্বর হয়ে উঠেছে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক ড. সাব্বির আহমেদ বলেন, মূলধারার গণমাধ্যমে কাভারেজ না পেয়ে স্বাভাবিকভাবেই তারা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমকে গুরুত্ব দিচ্ছেন। এতে তারা সরাসরি ভোটারের কাছে পৌঁছাতে পারছেন। তবে একই সঙ্গে ফেক নিউজ, গুজব ও অপপ্রচারের ঝুঁকিও বেড়েছে, যা ভোটারদের বিভ্রান্ত করছে এবং উত্তেজনা সৃষ্টি করছে। এসব ঠেকাতে নির্বাচন কমিশনকে আরও সক্রিয় হওয়ার আহ্বান জানান তিনি।
১১ দলীয় জোট এনসিপির ঢাকা-২০ আসনের প্রার্থী প্রকৌশলী নাবিলা তাসনিদ বলেন, টিভি ও পত্রিকায় বড় দলগুলোর আধিপত্য বেশি। সোশ্যাল মিডিয়া না থাকলে ভোটারদের কাছে পৌঁছানো কঠিন হতো। একটি ফেসবুক লাইভ বা ইউটিউব ভিডিও মুহূর্তেই হাজারো মানুষের কাছে পৌঁছে যাচ্ছে।
তথ্য অনুযায়ী, বাংলাদেশের বড় একটি ভোটার গোষ্ঠী তরুণ। হ্যাশমেটার তথ্য বলছে, দেশে ফেসবুক ব্যবহারকারী সাড়ে ৪ কোটির বেশি, টিকটক প্রায় ২ কোটি এবং ইউটিউব ব্যবহারকারী ৩ কোটির বেশি। এই বাস্তবতায় তরুণ ভোটারদের কাছে পৌঁছাতে সোশ্যাল মিডিয়াই সবচেয়ে কার্যকর মাধ্যম হয়ে উঠেছে। কম খরচে ও দ্রুত প্রতিক্রিয়া পাওয়ায় ছোট ভিডিও, লাইভ বক্তব্য ও গ্রাফিক পোস্টের মাধ্যমে প্রার্থীরা তাদের অবস্থান তুলে ধরছেন। এতে তরুণ ভোটাররা সরাসরি তথ্য পাচ্ছেন এবং রাজনৈতিক সচেতনতার সুযোগ বাড়ছে।
ঢাকা-৯ আসনের স্বতন্ত্র প্রার্থী তাসনিম জারা, যার ফলোয়ার ৭০ লাখের বেশি, নিয়মিত ফেসবুকে সক্রিয় থেকে ইশতেহার ও পরিকল্পনা তুলে ধরছেন। নারী প্রার্থীদের মধ্যে ঢাকা-১৪ আসনের বিএনপি প্রার্থী সানজিদা ইসলাম তুলির ফলোয়ার ১ লাখ ৬৫ হাজার; তিনিও নিয়মিত ভিডিও ও আপডেট দিচ্ছেন।
তবে নেতিবাচক দিকও রয়েছে। লক্ষ্মীপুর-৪ আসনের বিএনপি প্রার্থী আশরাফ উদ্দিন জানান, তার নামে ভুয়া পোস্ট ছড়িয়ে কর্মী-সমর্থকদের মধ্যে অস্থিরতা তৈরি করা হয়েছে। তিনি অপপ্রচারের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে নির্বাচন কমিশনের কাছে আবেদন করেছেন।
এবারের প্রচারে বড় ঝুঁকি হিসেবে দেখা দিয়েছে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই)। ডিপফেক ভিডিও, ছবি ও ভুয়া কনটেন্ট দিয়ে অপপ্রচার চালানো হচ্ছে। প্রযুক্তি বিশ্লেষক ইমরান হোসেন বলেন, সোশ্যাল মিডিয়া যেমন দ্রুত মানুষের কাছে পৌঁছাতে সাহায্য করে, তেমনি ধর্মীয় বিদ্বেষ, বিভাজন ও সহিংসতাও দ্রুত ছড়াতে পারে।
অনেক ভোটার সোশ্যাল মিডিয়ায় পাওয়া তথ্যকেই সবচেয়ে বিশ্বাসযোগ্য মনে করছেন। মিরপুরের বাসিন্দা আসাদুজ্জামান বলেন, ফেসবুকে যা দেখা যায়, সেটাকেই অনেক সময় সত্য ধরে নেওয়া হয়, যাচাই করার সুযোগ থাকে না। এদিকে বিএনপি, জামায়াত ও এনসিপি দলীয়ভাবে অনলাইনে সরব। ফেসবুকে ভোট চাওয়া, স্লোগান প্রচার, জুলাই আন্দোলনে ভূমিকার দাবি এবং ‘হ্যাঁ’ ভোটের পক্ষে ডিজিটাল প্রচারণা চালানো হচ্ছে। লাইভ ভিডিও, ছবি ও পোস্টের মাধ্যমে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নির্বাচনি লড়াই আরও তীব্র হয়ে উঠেছে।
সংস্কার/ইএমই
বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির গবেষণায় যুক্তরাষ্ট্রকে পেছনে ফেলে চীন এখন বিশ্বের শীর্ষ শক্তিতে পরিণত হয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন রাশিয়ার প্রখ্যাত রসায়নবিদ ও পদার্থবিজ্ঞানী আর্তেম ওগানোভ। মস্কোর স্কোলকোভো ইনস্টিটিউট অব সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজির অধ্যাপক ওগানোভ দীর্ঘদিন ধরে চীনা বিজ্ঞানীদের সঙ্গে
বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির গবেষণায় যুক্তরাষ্ট্রকে পেছনে ফেলে চীন এখন বিশ্বের শীর্ষ শক্তিতে পরিণত হয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন রাশিয়ার প্রখ্যাত রসায়নবিদ ও পদার্থবিজ্ঞানী আর্তেম ওগানোভ। মস্কোর স্কোলকোভো ইনস্টিটিউট অব সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজির অধ্যাপক ওগানোভ দীর্ঘদিন ধরে চীনা বিজ্ঞানীদের সঙ্গে
ডাক, টেলিযোগাযোগ, তথ্যপ্রযুক্তি এবং বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রী ফকির মাহবুব আনাম বলেছেন, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) শুধু একটি প্রযুক্তি নয়, এটি ভবিষ্যতের অর্থনীতি, কর্মসংস্থান, উদ্ভাবন এবং জাতীয় প্রতিযোগিতা সক্ষমতার অন্যতম প্রধান চালিকাশক্তি। এআই-ভিত্তিক দক্ষ মানবসম্পদ গড়ে তোলা, গবেষণা ও উদ্ভাবনের পরিবেশ সৃষ্টি করতে
দেশে অনুমোদনহীন অনলাইন নিউজ পোর্টালের কার্যক্রম নিয়ে উদ্বেগ বাড়ছে। অভিযোগ রয়েছে, এসব নিবন্ধনবিহীন পোর্টাল মিথ্যা ও বিভ্রান্তিকর তথ্য প্রচার, অপপ্রচার, ব্যক্তিগত চরিত্রহনন, ব্ল্যাকমেইল, সাইবার চাঁদাবাজি, গুজব ছড়ানো, ভুয়া বিজ্ঞাপন, আর্থিক প্রতারণা এবং তথ্য চুরিসহ নানা অপরাধে জড়িয়ে পড়ছে। অনেক পোর্টালের সঙ্গে