আল— হজ্ব : ৩০ থেকে ৩৯
আল কুরআন (আল— হজ্ব : ৩০ থেকে ৩৯) ৩০. এগুলো (হজ্বের বিধান)। এ ছাড়া যে, আল্লাহ এবং পবিত্র (স্থান ও অনুষ্ঠান) সমূহের প্রতি সম্মান দেখাবে, তার প্রভ...
বিস্তারিতনবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন
সাঈদ ইবনু আবদুর রহমান মাখযূমী রা. আব্বাদ ইবনু তামীম তৎপিতৃব্য আবদুল্লাহ্ ইবনু যায়দ রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত যে, তিনি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয...
বিস্তারিতবাংলাদেশের ইতিহাসে আরেকটি অন্তর্বর্তীকালীন সরকার গঠিত হলো
নোবেল বিজয়ী প্রফেসর ড. মুহাম্মদ ইউনুস এর নেতৃত্বে বাংলাদেশের ইতিহাসে আরেকটি অন্তর্বর্তীকালীন সরকার গঠিত হলো। নিঃসন্দেহে এই সরকার একটি বিপ্লবোত্তর সরক...
বিস্তারিত
ছবি : সংগৃহীত
সংস্কার ২৭ জানুয়ারী ২০২৬: চব্বিশের মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় রাজধানীর চানখারপুলে শহীদ আনাসসহ ৬ ছাত্র-জনতাকে গুলি করে হত্যার দায়ে তৎকালীন ডিএমপি কমিশনার হাবিবুর রহমানসহ তিন পুলিশ কর্মকর্তাকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল। সোমবার বিচারপতি মো. গোলাম মর্তুজা মজুমদারের নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের ট্রাইব্যুনাল এ রায় ঘোষণা করেন। মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত অপর দুই পুলিশ কর্মকর্তা হলেন ডিএমপির তৎকালীন যুগ্ম কমিশনার সুদীপ কুমার চক্রবর্তী এবং রমনা অঞ্চলের তৎকালীন ডেপুটি কমিশনার শাহ আলম মো. আখতারুল ইসলাম।
একই রায়ে চানখারপুল এলাকায় ছাত্র-জনতার ওপর সরাসরি গুলিবর্ষণের অভিযোগে আরও পাঁচ পুলিশ সদস্যকে বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ড দেওয়া হয়। রমনা অঞ্চলের তৎকালীন সহকারী কমিশনার মোহাম্মদ ইমরুলকে ৬ বছর, ইন্সপেক্টর (অপারেশন) মো. আরশাদ হোসেনকে ৪ বছর এবং কনস্টেবল মো. সুজন মিয়া, মো. ইমাজ হোসেন ইমন ও মো. নাসিরুল ইসলামকে ৩ বছর করে কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।
এটি চব্বিশের মানবতাবিরোধী অপরাধ মামলায় আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের দ্বিতীয় রায়। ট্রাইব্যুনালের অপর দুই সদস্য হলেন মো. শফিউল আলম মাহমুদ ও মো. মোহিতুল হক এনাম চৌধুরী। মামলার ৮ আসামির মধ্যে ৪ জন গ্রেপ্তার রয়েছেন, মো. আরশাদ, কনস্টেবল সুজন, ইমন ও নাসিরুল ইসলাম। মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত চারজনই পলাতক। রায় ঘোষণার আগে গ্রেপ্তার আসামিদের কঠোর নিরাপত্তায় ট্রাইব্যুনালে হাজির করা হয়। রায় ঘোষণাকালে শহীদ পরিবারের সদস্য ও গ্রেপ্তার আসামিদের স্বজনরা উপস্থিত ছিলেন।
ট্রাইব্যুনাল রায়ে উল্লেখ করেন, চানখারপুলে গুলিতে শহীদ আনাসসহ ৬ জন নিহত হওয়ার প্রমাণ পাওয়া গেছে। এছাড়া ওয়্যারলেস বার্তায় অধস্তনদের মারণাস্ত্র ব্যবহারের নির্দেশ দিয়েছিলেন সাবেক ডিএমপি কমিশনার হাবিবুর রহমান, এটিও প্রমাণিত হয়েছে। উল্লেখ্য, ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট শেখ হাসিনা ভারতে পালিয়ে যাওয়ার দিন এই হত্যাকাণ্ড ঘটে। পুলিশের গুলিতে নিহতরা হলেন, শাহরিয়ার খান আনাস, শেখ জুনায়েদ, ইয়াকুব, রাকিব হাওলাদার, ইশমামুল হক ও মানিক মিয়া।
মামলায় তদন্ত কর্মকর্তাসহ ২৬ জন সাক্ষী সাক্ষ্য দেন। আলামত হিসেবে ১৯টি ভিডিও, ১১টি পত্রিকার প্রতিবেদন, ২টি অডিও, বই ও আরও ১১টি প্রতিবেদন এবং ৬টি মৃত্যুসনদ যুক্ত করে চার্জশিট দাখিল করা হয়। প্রসিকিউশন ও আসামিপক্ষের যুক্তিতর্ক শেষে ২৪ ডিসেম্বর রায়ের তারিখ ধার্য করা হয়। সোমবার দুপুর সোয়া ১২টায় রায় ঘোষণা করা হয় এবং রাষ্ট্রীয় টেলিভিশন বিটিভিতে সরাসরি সম্প্রচারিত হয়। রায় ঘোষণাকালে আসামি ইমাজ হোসেন ইমনের আইনজীবী মো. জিয়াউর রশিদ এবং পলাতক চার আসামির পক্ষে রাষ্ট্রনিযুক্ত স্টেট ডিফেন্স কুতুবউদ্দিন আহমদ উপস্থিত ছিলেন।
রায়ের পর শহীদ পরিবারের সদস্যরা ক্ষোভ প্রকাশ করেন। শহীদ আনাসের মা সানজিদা খান দিপ্তী বলেন, ভিডিও প্রমাণ থাকার পরও তিন বছরের সাজা কীভাবে হয়, এ প্রশ্ন তোলেন তিনি। শহীদ ইয়াকুবের মা আশঙ্কা প্রকাশ করে বলেন, তিন বছর পর তারা বের হলে আমাদের নিরাপত্তা কে দেবে?
এদিকে কম সাজাপ্রাপ্তদের বিরুদ্ধে আপিলের ঘোষণা দিয়েছে প্রসিকিউশন। চিফ প্রসিকিউটর মোহাম্মদ তাজুল ইসলাম বলেন, তিন পুলিশ কর্মকর্তার মৃত্যুদণ্ডে তারা সন্তুষ্ট, তবে যাদের কম সাজা দেওয়া হয়েছে তাদের বিরুদ্ধে সুপ্রিম কোর্টে আপিল করা হবে। তিনি বলেন, কম সাজাপ্রাপ্তদের অপরাধ প্রমাণিত হয়েছে এবং আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল আইনে নিহত ব্যক্তি কার গুলিতে নিহত হয়েছেন, তা বিবেচ্য নয়।
সংস্কার/ইএমই
সংস্কার নিয়ে রাজনৈতিক মতবিরোধের মধ্যেই অন্তর্বর্তী সরকারের জারি করা ১৩৩টি অধ্যাদেশের মধ্যে ২০টি আইনে রূপ না পেয়ে স্বয়ংক্রিয়ভাবে কার্যকারিতা হারিয়েছে। এসব অধ্যাদেশের মধ্যে গণভোট, দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক), জাতীয় মানবাধিকার কমিশন, গুম প্রতিরোধ, তথ্য অধিকার এবং রাজস্ব ব্যবস্থাপনা সংক্রান্ত
অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের জারি করা অধ্যাদেশগুলোকে আইনে রূপ দিতে জাতীয় সংসদে আজ মোট ২০টি বিল পাস হয়েছে। এর মধ্যে সকালে অনুষ্ঠিত অধিবেশনে ১০টি বিল পাস হয়। ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশনের ১৩তম দিনের সকালের বৈঠকে উত্থাপিত বিলগুলোর ওপর কোনো সংশোধনী প্রস্তা
স্থগিত থাকা শেরপুর-৩ আসনের জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিএনপির প্রার্থী মাহমুদুল হক রুবেল বিপুল ভোটে জয়ী হয়েছেন। ধানের শীষ প্রতীক নিয়ে তিনি পেয়েছেন ১ লাখ ৬৬ হাজার ১১৭ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াতের প্রার্থী মাসুদুর রহমান দাঁড়িপাল্লা প্রতীক নিয়ে পেয়েছেন ৪৭ হাজার ৫১ ভোট।
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের ছেড়ে দেওয়া বগুড়া-৬ (সদর) আসনের উপনির্বাচনে বিএনপির ধানের শীষ প্রতীকের প্রার্থী রেজাউল করিম বাদশা বেসরকারি ফলাফলে বিপুল ভোটে জয়ী হয়েছেন। একটি পোস্টাল ভোটসহ ১৫১টি কেন্দ্রে তিনি পেয়েছেন ১ লাখ ৩৩ হাজার ৯৩১ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াতে