আল— হজ্ব : ৩০ থেকে ৩৯
আল কুরআন (আল— হজ্ব : ৩০ থেকে ৩৯) ৩০. এগুলো (হজ্বের বিধান)। এ ছাড়া যে, আল্লাহ এবং পবিত্র (স্থান ও অনুষ্ঠান) সমূহের প্রতি সম্মান দেখাবে, তার প্রভ...
বিস্তারিতনবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন
সাঈদ ইবনু আবদুর রহমান মাখযূমী রা. আব্বাদ ইবনু তামীম তৎপিতৃব্য আবদুল্লাহ্ ইবনু যায়দ রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত যে, তিনি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয...
বিস্তারিতবাংলাদেশের ইতিহাসে আরেকটি অন্তর্বর্তীকালীন সরকার গঠিত হলো
নোবেল বিজয়ী প্রফেসর ড. মুহাম্মদ ইউনুস এর নেতৃত্বে বাংলাদেশের ইতিহাসে আরেকটি অন্তর্বর্তীকালীন সরকার গঠিত হলো। নিঃসন্দেহে এই সরকার একটি বিপ্লবোত্তর সরক...
বিস্তারিত
ছবি : সংগৃহীত
সংস্কার ১৩ জানুয়ারী ২০২৬: আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের দিনই জুলাই জাতীয় সনদ বাস্তবায়ন নিয়ে গণভোট অনুষ্ঠিত হবে। এই গণভোটে ‘হ্যাঁ’ ভোটের পক্ষে প্রচারণা চালাতে দেশের সব ব্যাংককে সম্পৃক্ত করার উদ্যোগ নিয়েছে অন্তর্বর্তী সরকার। বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর ড. আহসান এইচ মনসুর ব্যাংকগুলোর করপোরেট সামাজিক দায়বদ্ধতা (সিএসআর) তহবিল থেকে গণভোট-সংক্রান্ত জনসচেতনতামূলক কার্যক্রমে অনুদান দেওয়ার পরামর্শ দিয়েছেন।
গত রোববার বাংলাদেশ ব্যাংকে অনুষ্ঠিত ব্যাংকার্স সভায় গভর্নর এ পরামর্শ দেন। সভায় অ্যাসোসিয়েশন অব ব্যাংকার্স, বাংলাদেশের (এবিবি) চেয়ারম্যান ও সিটি ব্যাংকের এমডি মাসরুর আরেফিনসহ বিভিন্ন ব্যাংকের এমডিরা অংশ নেন। বৈঠকে নির্বাচনকে সামনে রেখে নগদ লেনদেনে সতর্কতা, তহবিল ব্যবস্থাপনা ও আর্থিক খাতের সামগ্রিক পরিস্থিতি নিয়ে আলোচনা হয়।
গভর্নর বলেন, কোনো এনজিও বা বেসরকারি সংস্থা গণভোট বিষয়ে জনসচেতনতা কার্যক্রম নিলে ব্যাংকগুলো সিএসআর তহবিল থেকে সহায়তা দিতে পারে। তবে ব্যাংকের সিএসআর ব্যয়ের নির্ধারিত নীতিমালা থাকায় এ সিদ্ধান্ত নিয়ে ব্যাংক খাতে ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে সমালোচনা শুরু হয়েছে। অনেকে প্রশ্ন তুলেছেন, ব্যাংকের অস্থিরতার মধ্যে এ ধরনের ব্যয় কতটা যুক্তিসংগত। বাংলাদেশ ব্যাংকের নীতিমালা অনুযায়ী, সিএসআর ব্যয়ের ৩০ শতাংশ শিক্ষা, ৩০ শতাংশ স্বাস্থ্য এবং ২০ শতাংশ পরিবেশ ও জলবায়ু খাতে খরচ করতে হয়। বাকি অর্থ দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা, অবকাঠামো, খেলাধুলা ও অন্যান্য খাতে ব্যয় করা যায়। নীতিমালা না মানলে ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানের টেকসই রেটিংয়ে প্রভাব পড়তে পারে।
এবিবি চেয়ারম্যান মাসরুর আরেফিন জানান, প্রধান উপদেষ্টার কার্যালয় থেকে ব্যাংকের প্রতিটি শাখায় ‘হ্যাঁ’ ভোটের পক্ষে দুটি করে ব্যানার টানানোর নির্দেশনা এসেছে। পাশাপাশি গণভোটের জনসচেতনতা কার্যক্রমে যুক্ত প্রতিষ্ঠানগুলোকে সিএসআর তহবিল থেকে সহায়তা দিতে বলা হয়েছে। তিনি বলেন, অন্তর্বর্তী সংস্কারমুখী সরকারের সংস্কার উদ্যোগে জনগণের সমর্থন প্রয়োজন।
সভায় গভর্নর আরও জানান, চলতি অর্থবছরে কেন্দ্রীয় ব্যাংক ৩৭৫ কোটি ডলারের বেশি কিনে বাজারে প্রায় ৪৬ হাজার কোটি টাকা ছেড়েছে, তাই অর্থের অপচয় রোধে সতর্ক থাকতে হবে। নির্বাচনকে সামনে রেখে কালো টাকা ঠেকাতে আর্থিক গোয়েন্দা ইউনিট (বিএফআইইউ) ১০ লাখ টাকার বেশি লেনদেনের তথ্য মাসিকের বদলে সাপ্তাহিকভাবে জমা দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছে। বৈঠকে জানানো হয়, গত ডিসেম্বরে খেলাপি ঋণের হার কমে মোট ঋণের ৩০ শতাংশে নেমেছে, যা সেপ্টেম্বর শেষে ছিল ৩৫.৭৩ শতাংশ। মার্চ প্রান্তিকে এটি ২৫ শতাংশে নামানোর লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে। পাশাপাশি রেমিট্যান্স বেড়ে বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ শক্তিশালী হওয়ায় অপব্যবহার রোধে সতর্ক থাকার নির্দেশ দেওয়া হয়।
উল্লেখ্য, ৫ জানুয়ারি প্রধান উপদেষ্টার কার্যালয় থেকে বাংলাদেশ ব্যাংক, অর্থ মন্ত্রণালয় ও ব্যাংক মালিকদের সংগঠন বিএবিকে চিঠি দিয়ে গণভোটের পক্ষে জনসচেতনতা বাড়াতে ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানের সব শাখায় ব্যানার প্রদর্শনের অনুরোধ জানানো হয়।
সংস্কার/ইএমই
‘ব্যাংক রেজল্যুশন আইন-২০২৬’ এর মাধ্যমে দুর্বল ব্যাংকের পুরোনো শেয়ারধারীদের জবাবদিহিতা ছাড়াই আবার মালিকানায় ফেরার সুযোগ দেওয়ায় উদ্বেগ জানিয়েছে ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশ (টিআইবি)। সংস্থাটির মতে, এতে চিহ্নিত লুটেরাদের পুনর্বাসনের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
মধ্যপ্রাচ্যের চলমান যুদ্ধ পরিস্থিতিতে শ্রমবাজারে অস্থিরতা ও অনিশ্চয়তার মধ্যে বাংলাদেশের জন্য স্বস্তির খবর এসেছে মালয়েশিয়া থেকে। দেশটি বাংলাদেশি কর্মীদের জন্য তাদের শ্রমবাজার পুনরায় উন্মুক্ত করতে সম্মত হয়েছে, যা নতুন আশার সঞ্চার করেছে। বৃহস্পতিবার মালয়েশিয়ার পুত্রজায়ায় দুই দেশের উচ্চপর্যায়ের বৈঠকে এই
সরকার গঠনের পর প্রথম বিদেশ সফর হিসেবে চীনে যাচ্ছে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)-এর একটি উচ্চ পর্যায়ের প্রতিনিধিদল। এই সফরে নেতৃত্ব দেবেন দলের মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। কূটনৈতিক সূত্র জানায়, সরকার পরিচালনার দায়িত্ব গ্রহণের পর চীনা কমিউনিস্ট পার্টির
দেশের শীর্ষ ২০ ঋণখেলাপি প্রতিষ্ঠানের মধ্যে ১১টিই বিতর্কিত শিল্পগোষ্ঠী এস আলম গ্রুপের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট। এসব প্রতিষ্ঠানের মোট খেলাপি ঋণের পরিমাণ প্রায় ২২ হাজার ৮৮১ কোটি টাকা, যা শীর্ষ ২০ খেলাপির ৬৫ শতাংশ। আর ২০টি প্রতিষ্ঠানের মোট ঋণের পরিমাণ ৩৫ হাজার কোটি টাকারও বেশি।