আল— হজ্ব : ৩০ থেকে ৩৯
আল কুরআন (আল— হজ্ব : ৩০ থেকে ৩৯) ৩০. এগুলো (হজ্বের বিধান)। এ ছাড়া যে, আল্লাহ এবং পবিত্র (স্থান ও অনুষ্ঠান) সমূহের প্রতি সম্মান দেখাবে, তার প্রভ...
বিস্তারিতনবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন
সাঈদ ইবনু আবদুর রহমান মাখযূমী রা. আব্বাদ ইবনু তামীম তৎপিতৃব্য আবদুল্লাহ্ ইবনু যায়দ রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত যে, তিনি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয...
বিস্তারিতবাংলাদেশের ইতিহাসে আরেকটি অন্তর্বর্তীকালীন সরকার গঠিত হলো
নোবেল বিজয়ী প্রফেসর ড. মুহাম্মদ ইউনুস এর নেতৃত্বে বাংলাদেশের ইতিহাসে আরেকটি অন্তর্বর্তীকালীন সরকার গঠিত হলো। নিঃসন্দেহে এই সরকার একটি বিপ্লবোত্তর সরক...
বিস্তারিত
ছবি : সংগৃহীত
সংস্কার ১৮ জানুয়ারী ২০২৬: গণভোটে হ্যাঁ ভোটের পক্ষে প্রচারণা চালাতে প্রজাতন্ত্রের কর্মচারীদের সামনে কোনো আইনগত বাধা নেই বলে জানিয়েছেন প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ সহকারী (উপদেষ্টা পদমর্যাদা) অধ্যাপক আলী রীয়াজ। তিনি বলেন, এবারের গণভোট কোনো দলকে ক্ষমতায় আনা বা ঠেকানোর উদ্দেশ্যে নয়; এটি জুলাই জাতীয় সনদভিত্তিক রাষ্ট্র সংস্কার বিষয়ে জনগণের সম্মতি নেওয়ার প্রক্রিয়া, যার মাধ্যমে আগামীর বাংলাদেশের পথ নির্ধারিত হবে।
শনিবার ১৭ জানুয়ারি ২০২৬ সকালে রাজধানীর বিয়াম ফাউন্ডেশন মিলনায়তনে গণভোটের প্রচার ও ভোটার উদ্বুদ্ধকরণ নিয়ে বিভাগীয় কর্মকর্তা ও প্রতিনিধিদের মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। সভার আয়োজন করে ঢাকা বিভাগীয় প্রশাসন। ঢাকা বিভাগের কমিশনার শরফ উদ্দিন আহমেদ চৌধুরীর সভাপতিত্বে সভায় বিশেষ অতিথি ছিলেন প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ সহকারী (ঐকমত্য) মনির হায়দার, বাংলাদেশ অ্যাডমিনিস্ট্রেটিভ সার্ভিস অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি ও পূর্ত সচিব মো. নজরুল ইসলাম এবং ঢাকা রেঞ্জের ডিআইজি রেজাউল করিম মল্লিক।
আলী রীয়াজ বলেন, সংবিধান বিশেষজ্ঞ, সাবেক বিচারপতি ও আইনজীবীদের সঙ্গে আলোচনায় একমত হওয়া গেছে যে গণভোটে ‘হ্যাঁ’ ভোটের পক্ষে প্রচারে প্রজাতন্ত্রের কর্মচারীদের ওপর কোনো নিষেধাজ্ঞা নেই। এ বিষয়ে বাধার কথা বলা বিভ্রান্তি বা ভিন্ন উদ্দেশ্যপ্রসূত।
তিনি আরও বলেন, ২০০৯ থেকে ২০২৪ সাল পর্যন্ত ব্যক্তিতান্ত্রিক স্বৈরতন্ত্রের বিরুদ্ধে যারা সংগ্রাম ও আত্মত্যাগ করেছেন, তারা দু’টি দায়িত্ব রেখে গেছেন, স্বৈরতন্ত্রের প্রত্যাবর্তন রোধ এবং ভবিষ্যৎ বাংলাদেশের পথনকশা তৈরি। দেশের এক-তৃতীয়াংশ মানুষ ২৭ থেকে ৩৭ বছরের নিচে উল্লেখ করে তিনি বলেন, আগামী অন্তত ৪০ বছর দেশ কোন পথে চলবে, তা নির্ধারণের দায়িত্ব বর্তমান প্রজন্মের।
প্রজাতন্ত্রের কর্মচারীরা শুধু কর্মকর্তা-কর্মচারী নন, নাগরিকও, এ কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, সংবিধানের ২১ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী জনগণের সেবা, আইন মানা ও জাতীয় সম্পদ রক্ষার দায়িত্বের অংশ হিসেবেই গণভোটে মানুষকে সচেতন করা ও ভোটদানে উদ্বুদ্ধ করা যায়।
গণভোট নিয়ে বিভ্রান্তি প্রসঙ্গে বক্তারা বলেন, দীর্ঘদিন ভোট নিয়ে অনাস্থার কারণে অনেকের কাছে গণভোট নতুন বিষয়। তাই ব্যালটে ভোট দেওয়ার পদ্ধতি এবং ‘হ্যাঁ’ ও ‘না’ ভোটের অর্থ পরিষ্কারভাবে বোঝাতে হবে। ব্যালটে থাকা ‘টিক চিহ্ন’কে প্রচারণার মূল প্রতীক ধরে ভোটারদের কেন্দ্রে আনতে উদ্বুদ্ধ করার আহ্বান জানানো হয়।
অন্তর্বর্তী সরকারের ভূমিকা নিয়ে আলী রীয়াজ বলেন, জুলাই-আগস্ট ২০২৪ গণঅভ্যুত্থানের প্রেক্ষাপটে সরকার সংস্কার, বিচার ও নির্বাচন, এই তিন ম্যান্ডেট নিয়ে কাজ করছে। নির্বাচন পরিচালনা করবে নির্বাচন কমিশন, সরকার শুধু অনুকূল পরিবেশ নিশ্চিত করবে। বিচারও আদালত পরিচালনা করবে।
সংবিধান সংশোধনের অতীত উদাহরণ তুলে ধরে তিনি বলেন, পঞ্চদশ সংশোধনী এক ব্যক্তির সিদ্ধান্তে হয়েছে, যার ফলে তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা বাতিল হয়। ভবিষ্যতে যেন সংবিধান সংশোধন ব্যক্তিকেন্দ্রিক সিদ্ধান্তে না হয়, সেটি নিশ্চিত করতে হবে।
বিশেষ অতিথির বক্তব্যে মনির হায়দার বলেন, সংবিধান সংস্কারের ৪৮টি সুপারিশ চারটি ক্যাটাগরিতে গণভোটে উপস্থাপন করা হলেও মূল প্রশ্ন একটাই, জুলাই অভ্যুত্থানের পক্ষে না বিপক্ষে। তিনি সতর্ক করে বলেন, গণভোট ব্যর্থ হলে ফ্যাসিবাদ ফিরে আসতে পারে। জুলাই অভ্যুত্থান মুক্তিযুদ্ধের সাম্য, মানবিক মর্যাদা ও সামাজিক ন্যায়বিচারের লক্ষ্য পূরণের সুযোগ এনে দিয়েছে, যা গণভোটের মাধ্যমে কাজে লাগাতে হবে।
সভায় ঢাকা বিভাগের বিভিন্ন জেলার জেলা প্রশাসক, পুলিশ সুপার এবং জেলা পর্যায়ের সরকারি দপ্তরের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা উপস্থিত ছিলেন।
সংস্কার/ইএমই
সংস্কার নিয়ে রাজনৈতিক মতবিরোধের মধ্যেই অন্তর্বর্তী সরকারের জারি করা ১৩৩টি অধ্যাদেশের মধ্যে ২০টি আইনে রূপ না পেয়ে স্বয়ংক্রিয়ভাবে কার্যকারিতা হারিয়েছে। এসব অধ্যাদেশের মধ্যে গণভোট, দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক), জাতীয় মানবাধিকার কমিশন, গুম প্রতিরোধ, তথ্য অধিকার এবং রাজস্ব ব্যবস্থাপনা সংক্রান্ত
অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের জারি করা অধ্যাদেশগুলোকে আইনে রূপ দিতে জাতীয় সংসদে আজ মোট ২০টি বিল পাস হয়েছে। এর মধ্যে সকালে অনুষ্ঠিত অধিবেশনে ১০টি বিল পাস হয়। ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশনের ১৩তম দিনের সকালের বৈঠকে উত্থাপিত বিলগুলোর ওপর কোনো সংশোধনী প্রস্তা
স্থগিত থাকা শেরপুর-৩ আসনের জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিএনপির প্রার্থী মাহমুদুল হক রুবেল বিপুল ভোটে জয়ী হয়েছেন। ধানের শীষ প্রতীক নিয়ে তিনি পেয়েছেন ১ লাখ ৬৬ হাজার ১১৭ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াতের প্রার্থী মাসুদুর রহমান দাঁড়িপাল্লা প্রতীক নিয়ে পেয়েছেন ৪৭ হাজার ৫১ ভোট।
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের ছেড়ে দেওয়া বগুড়া-৬ (সদর) আসনের উপনির্বাচনে বিএনপির ধানের শীষ প্রতীকের প্রার্থী রেজাউল করিম বাদশা বেসরকারি ফলাফলে বিপুল ভোটে জয়ী হয়েছেন। একটি পোস্টাল ভোটসহ ১৫১টি কেন্দ্রে তিনি পেয়েছেন ১ লাখ ৩৩ হাজার ৯৩১ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াতে