অনুসরন করুন :
আল-কুরআন

আল— হজ্ব : ৩০ থেকে ৩৯

আল কুরআন (আল— হজ্ব : ৩০ থেকে ৩৯) ৩০. এগুলো (হজ্বের বিধান)। এ ছাড়া যে, আল্লাহ এবং পবিত্র (স্থান ও অনুষ্ঠান) সমূহের প্রতি সম্মান দেখাবে, তার প্রভ...

বিস্তারিত
আল-হাদীস

নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন

সাঈদ ইবনু আবদুর রহমান মাখযূমী রা. আব্বাদ ইবনু তামীম তৎপিতৃব্য আবদুল্লাহ্ ইবনু যায়দ রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত যে, তিনি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয...

বিস্তারিত
সম্পাদকীয়

বাংলাদেশের ইতিহাসে আরেকটি অন্তর্বর্তীকালীন সরকার গঠিত হলো

নোবেল বিজয়ী প্রফেসর ড. মুহাম্মদ ইউনুস এর নেতৃত্বে বাংলাদেশের ইতিহাসে আরেকটি অন্তর্বর্তীকালীন সরকার গঠিত হলো। নিঃসন্দেহে এই সরকার একটি বিপ্লবোত্তর সরক...

বিস্তারিত

ঋণখেলাপি দুদক কমিশনার ও ‘আজিজী টাওয়ার’ বিতর্ক

ছবি : সংগৃহীত

সংস্কার ৫ মার্চ ২০২৬: সীমান্তবর্তী জেলা শহর চাঁপাইনবাবগঞ্জে নির্মাণাধীন বহুতল বাণিজ্যিক ভবন আজিজী টাওয়ারকে ঘিরে নানা অভিযোগ উঠেছে দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) সাবেক কমিশনার (তদন্ত) মিঞা মুহাম্মদ আলি আকবর আজিজীর বিরুদ্ধে। ঋণখেলাপি থাকা সত্ত্বেও তাকে দুদক কমিশনার হিসেবে নিয়োগ দেওয়া, ক্ষমতার অপব্যবহার এবং একটি এতিমখানার নামে ১৬ কোটি টাকা অনুদান নেওয়ার অভিযোগ সামনে এসেছে।

চাঁপাইনবাবগঞ্জ শহরের প্রাণকেন্দ্র বড় ইন্দারা মোড়ের সোনালী ব্যাংকের গলিতে নির্মাণাধীন আজিজী টাওয়ার নামের ভবনটির মালিক মিঞা আলি আকবর আজিজী। পাঁচতলা পর্যন্ত নির্মাণ শেষ হওয়া ভবনটি ১০ তলা পর্যন্ত নির্মাণের পরিকল্পনা রয়েছে। এতে এক্সেলেটর, লিফট, কার্গো লিফট ও শতাধিক গাড়ি পার্কিং সুবিধাসহ আধুনিক নানা সুবিধা রাখার পরিকল্পনা করা হয়েছে।

মিঞা আলি আকবর আজিজী চাঁপাইনবাবগঞ্জ শহরের শাহজাহান আলী মিঞা ওরফে পচু হাজীর ছেলে। জানা যায়, শাহজাহান আলী মিঞা হযরত শাহ নেয়ামতুল্লাহ (র.)-এর নবম উত্তরাধিকার। পারিবারিক পরিচয় তুলে ধরে তিনি নিজেকে সম্ভ্রান্ত পরিবারের সন্তান হিসেবে পরিচয় দিতেন। এ কারণে অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসও তার নিয়োগে আপত্তি করেননি বলে উল্লেখ করা হয়।

বিচার বিভাগে ১৯৮৪ ব্যাচের কর্মকর্তা হিসেবে কর্মজীবন শুরু করা এই সাবেক জেলা জজকে সাধারণত বিনয়ী ও সজ্জন হিসেবে পরিচিত বলা হয়। তবে অভিযোগ রয়েছে, আওয়ামী লীগ ঘনিষ্ঠতা বজায় রেখেই তিনি কর্মজীবন পরিচালনা করেছেন এবং ২০১৭ সাল থেকে ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট পর্যন্ত অর্থ পাচারের অভিযোগে আলোচিত সিকদার গ্রুপের প্রভাবাধীন ন্যাশনাল ব্যাংকের লিগ্যাল অ্যাডভাইজার হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।

পরবর্তীতে ২০২৪ সালের ৫ আগস্টের পর তিনি দ্রুত অবস্থান পরিবর্তন করে জুলাই চেতনার সমর্থক হিসেবে নিজেকে উপস্থাপন করেন এবং যাচাই-বাছাই ছাড়াই কৌশলে দুর্নীতি দমন কমিশনের কমিশনার (তদন্ত) পদে নিয়োগ পান বলে অভিযোগ ওঠে।

অভিযোগ অনুযায়ী, তিনি যখন দুদক কমিশনার হিসেবে নিয়োগ পান, তখনও তিনি ঋণখেলাপি ছিলেন। আজিজী টাওয়ার প্রকল্পের জন্য ন্যাশনাল ব্যাংকের রাজশাহী শাখা থেকে ১৫ কোটি টাকা ঋণ নেওয়া হয়েছিল, যা পরে খেলাপি হয়ে যায়। কিছুদিন দুদকে দায়িত্ব পালনের পর রহস্যজনকভাবে তার ঋণ পুনঃতফসিল হয় এবং তিনি খেলাপি তালিকা থেকে বেরিয়ে আসেন।

এছাড়া অভিযোগ রয়েছে, দুদকের কমিশনার থাকা অবস্থায় তার অনুমোদনে অনেক মামলার তদন্ত হয়েছে, যেখানে এজাহারে থাকা অনেক আসামির নাম চার্জশিট থেকে বাদ দেওয়া হয় এবং বহু অভিযুক্তকে গ্রেপ্তার না করে ঘুরে বেড়ানোর সুযোগ দেওয়া হয়। স্বাস্থ্যখাতের আলোচিত ব্যক্তি মোতাজ্জেরুল ইসলাম মিঠু গ্রেপ্তার হওয়ার পর জামিনে বেরিয়ে এলেও তার জামিন বাতিলের উদ্যোগ নেওয়া হয়নি বলেও অভিযোগ রয়েছে।

মাত্র দেড় বছরের মধ্যেই তার বিরুদ্ধে সমঝোতার ভিত্তিতে চার্জশিট পর্যায়ে দুর্নীতিবাজদের দায়মুক্তি দেওয়ার অভিযোগ ওঠে। একই সঙ্গে অভিনব কৌশলে অর্থ আদায়ের অভিযোগও সামনে আসে।

স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে দাখিল করা এক অভিযোগে বলা হয়, চাঁপাইনবাবগঞ্জের শিবগঞ্জে অবস্থিত শাহ নেয়ামতউল্লাহ (রহ.) মাজার কমপ্লেক্সের নামে অর্থ নেওয়া হতো। সেখানে একটি এতিমখানা ও মাদ্রাসা রয়েছে। মিঞা মুহাম্মদ আলি আকবর আজিজীর বিশ্বস্ত মনিরুল ইসলাম নামের এক ব্যক্তির মাধ্যমে অর্থ গ্রহণ করা হতো। মনিরুল ইসলাম নিজেকে অবসরপ্রাপ্ত সচিব হিসেবে পরিচয় দিতেন। অভিযোগে বলা হয়, একটি গ্রুপ অব কোম্পানির মালিককে মামলায় খালাস দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়ে ওই এতিমখানায় ১৬ কোটি টাকা অনুদান নেওয়া হয়।

আরও অভিযোগে বলা হয়, ২০১৮ সালের ২০ ফেব্রুয়ারি ন্যাশনাল ব্যাংক চাঁপাইনবাবগঞ্জ শাখা থেকে ২৬ দশমিক ২৮ কাঠা জমির ওপর ১০ তলা বাণিজ্যিক ভবন আজিজ টাওয়ার নির্মাণের জন্য ১২ কোটি টাকা হাউজিং ঋণ অনুমোদন দেওয়া হয়। নির্ধারিত সময়ে ঋণ পরিশোধ করতে না পারায় তার মোট বকেয়া দাঁড়ায় ১৭ কোটি ১৭ লাখ ৯৮ হাজার ৩০৪ টাকা ৬০ পয়সা এবং তিনি ঋণখেলাপি হয়ে পড়েন।

নিয়ম অনুযায়ী ঋণখেলাপি ব্যক্তি দুদকের কমিশনার হতে পারেন না। তবুও ২০২৪ সালের ১০ ডিসেম্বর তাকে দুদক কমিশনার হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়। নিয়োগের মাত্র ১৬ দিনের মাথায়, ২৬ ডিসেম্বর তিনি ন্যাশনাল ব্যাংকের ঋণ পুনঃতফসিল করেন। তখন ন্যাশনাল ব্যাংকের হাজার হাজার কোটি টাকা পাচার ও লোপাট সংক্রান্ত তদন্তের নথিও তার নিয়ন্ত্রণে ছিল। এতে ক্ষমতার অপব্যবহার হয়েছে কি নাএমন প্রশ্নও তোলা হয়েছে অভিযোগে।

এদিকে গত ৩ মার্চ পদত্যাগের আগেই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তার বিরুদ্ধে বিভিন্ন অভিযোগ ও তথ্য ছড়িয়ে পড়ে। এসব অভিযোগের বিষয়ে জানতে বৃহস্পতিবার বিকেলে প্রতিবেদক হোয়াটসঅ্যাপে তার সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করেন। একাধিকবার কল দিলেও তিনি সাড়া দেননি। পরে আজিজী টাওয়ার প্রকল্পের স্পেস বিক্রি, বরাদ্দ ও ভাড়া সংক্রান্ত বিষয় দেখভালকারী মো. মনিরুল ইসলামের সঙ্গেও যোগাযোগ করা হলে তিনিও কোনো সাড়া দেননি।

সংস্কার/ইএমই

সম্পর্কিত খবর

২০ অধ্যাদেশ আইন হল না : সংসদে তর্ক-বিতর্কে শেষ হলো অধিবেশন

সংস্কার নিয়ে রাজনৈতিক মতবিরোধের মধ্যেই অন্তর্বর্তী সরকারের জারি করা ১৩৩টি অধ্যাদেশের মধ্যে ২০টি আইনে রূপ না পেয়ে স্বয়ংক্রিয়ভাবে কার্যকারিতা হারিয়েছে। এসব অধ্যাদেশের মধ্যে গণভোট, দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক), জাতীয় মানবাধিকার কমিশন, গুম প্রতিরোধ, তথ্য অধিকার এবং রাজস্ব ব্যবস্থাপনা সংক্রান্ত

জাতীয় সংসদে একদিনে ২০ বিল পাস : অধ্যাদেশগুলো আইনে রূপান্তর

অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের জারি করা অধ্যাদেশগুলোকে আইনে রূপ দিতে জাতীয় সংসদে আজ মোট ২০টি বিল পাস হয়েছে। এর মধ্যে সকালে অনুষ্ঠিত অধিবেশনে ১০টি বিল পাস হয়। ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশনের ১৩তম দিনের সকালের বৈঠকে উত্থাপিত বিলগুলোর ওপর কোনো সংশোধনী প্রস্তা

শেরপুর-৩ আসনে বড় ব্যবধানে জয় বিএনপির রুবেলের

স্থগিত থাকা শেরপুর-৩ আসনের জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিএনপির প্রার্থী মাহমুদুল হক রুবেল বিপুল ভোটে জয়ী হয়েছেন। ধানের শীষ প্রতীক নিয়ে তিনি পেয়েছেন ১ লাখ ৬৬ হাজার ১১৭ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াতের প্রার্থী মাসুদুর রহমান দাঁড়িপাল্লা প্রতীক নিয়ে পেয়েছেন ৪৭ হাজার ৫১ ভোট।

বগুড়া-৬ উপনির্বাচনে ধানের শীষের প্রার্থী বাদশার বড় জয়

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের ছেড়ে দেওয়া বগুড়া-৬ (সদর) আসনের উপনির্বাচনে বিএনপির ধানের শীষ প্রতীকের প্রার্থী রেজাউল করিম বাদশা বেসরকারি ফলাফলে বিপুল ভোটে জয়ী হয়েছেন। একটি পোস্টাল ভোটসহ ১৫১টি কেন্দ্রে তিনি পেয়েছেন ১ লাখ ৩৩ হাজার ৯৩১ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াতে