আল— হজ্ব : ৩০ থেকে ৩৯
আল কুরআন (আল— হজ্ব : ৩০ থেকে ৩৯) ৩০. এগুলো (হজ্বের বিধান)। এ ছাড়া যে, আল্লাহ এবং পবিত্র (স্থান ও অনুষ্ঠান) সমূহের প্রতি সম্মান দেখাবে, তার প্রভ...
বিস্তারিতনবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন
সাঈদ ইবনু আবদুর রহমান মাখযূমী রা. আব্বাদ ইবনু তামীম তৎপিতৃব্য আবদুল্লাহ্ ইবনু যায়দ রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত যে, তিনি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয...
বিস্তারিতবাংলাদেশের ইতিহাসে আরেকটি অন্তর্বর্তীকালীন সরকার গঠিত হলো
নোবেল বিজয়ী প্রফেসর ড. মুহাম্মদ ইউনুস এর নেতৃত্বে বাংলাদেশের ইতিহাসে আরেকটি অন্তর্বর্তীকালীন সরকার গঠিত হলো। নিঃসন্দেহে এই সরকার একটি বিপ্লবোত্তর সরক...
বিস্তারিত
ছবি : ইন্টারনেট
সংস্কার ০৫ ডিসেম্বর ২০২৫: গাজা উপত্যকার রাফা এলাকায় ইসরায়েলপন্থি সশস্ত্র সংগঠন পপুলার ফ্রন্টের নেতৃত্ব দেওয়া ইয়াসের আবু সাবাবের মৃত্যুর খবর সামনে আসার পর নতুন করে আলোচনার সৃষ্টি হয়েছে। হামাসের বিপরীতে অবস্থান নেওয়া এই নেতা দীর্ঘ সময় ধরে ইসরায়েলের স্বার্থে বিভিন্ন কার্যক্রম চালিয়ে আসছিলেন বলে স্থানীয় সূত্র জানিয়েছে। বৃহস্পতিবার ৪ ডিসেম্বর ২০২৫, একাধিক ইসরায়েলি সংবাদমাধ্যম তার মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছে। ২০২৩ সালের হামাস - ইসরায়েল সংঘাত শুরুর সময় মাদক সংশ্লিষ্ট অপরাধসহ বিভিন্ন মামলায় দণ্ডপ্রাপ্ত অবস্থায় তিনি কারাগার থেকে পালান। বেদুইন সম্প্রদায়ের সদস্য সাবাব পরে রাফা অঞ্চলে ইসরায়েলের ঘনিষ্ঠ সহযোগী হিসেবে পরিচিত হন। তার বিরুদ্ধে মানবিক ত্রাণ জালিয়াতি, হামাসের তথ্য ফাঁসসহ নানা অভিযোগ ছিল দীর্ঘদিনের।
গত অক্টোবরে যুদ্ধবিরতি কার্যকর হওয়ার পর তাকে যেকোনোভাবে আটক করার নির্দেশ দেয় হামাস। ফলে সংগঠনটির কাছে তার মৃত্যুকে বড় ধরনের স্বস্তি হিসেবে দেখা হচ্ছে, কারণ রাফায় হামাসবিরোধী কর্মকাণ্ডে সাবাব ছিলেন অন্যতম মুখ্য ব্যক্তি। এর আগে এ বছরের জুনে ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু নিজেই স্বীকার করেন যে গাজায় হামাসের বিরোধী গোষ্ঠীগুলোকে তারা অস্ত্র সহায়তা দিয়ে এসেছে। সেই তালিকায় সাবাবের নেতৃত্বাধীন পপুলার ফ্রন্টও ছিল। তবে কী ধরনের অস্ত্র বা কোন মাত্রার সহায়তা দেওয়া হয়েছে, তা নিয়ে ইসরায়েল কোনো বিস্তারিত তথ্য প্রকাশ করেনি। যুদ্ধবিরতির পর রাফার নিয়ন্ত্রণ ইসরায়েলি বাহিনীর হাতে চলে আসায় সেখানে সাবাব নিজ গোষ্ঠী নিয়ে সক্রিয় ছিলেন এবং নিয়মিতভাবে হামাস যোদ্ধাদের বিরুদ্ধে অভিযান পরিচালনা করতেন। এলাকা এখনও উত্তপ্ত এবং প্রায় প্রতিনিয়ত গুলিবিনিময়ের শব্দ শোনা যায়।
গত ১৮ নভেম্বর তিনি তার অনুসারীদের নির্দেশ দেন রাফার ভূগর্ভস্থ সুড়ঙ্গগুলোতে লুকিয়ে থাকা হামাস সদস্যদের নির্মূল করতে। ধারণা করা হয়, ওই সুড়ঙ্গগুলোতে ১০০ থেকে ২০০ জন হামাস যোদ্ধা অবস্থান করছিল, যাদের মধ্যে প্রায় ৪০ জনকে ইসরায়েল ইতোমধ্যে হত্যা করেছে। ইসরায়েলি আর্মি রেডিও দাবি করেছে, নিহত হওয়ার আগে সাবাব দক্ষিণ ইসরায়েলের সোরোকা হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ছিলেন। তবে হাসপাতালের পক্ষ থেকে এ তথ্য অস্বীকার করা হয়েছে। ফলে তার মৃত্যু কীভাবে বা কোন পরিস্থিতিতে ঘটেছে সে বিষয়ে অনিশ্চয়তা রয়ে গেছে। সূত্র: রয়টার্স।
সংস্কার/ইএফহ
কুয়েতে অবস্থিত যুক্তরাষ্ট্রের ‘আলি আল সালেম বিমানঘাঁটি’ লক্ষ্য করে বড় ধরনের সমন্বিত ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা চালানোর দাবি করেছে ইরানের এলিট বাহিনী ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পস (আইআরজিসি)। তেহরান বলেছে, কুয়েতে থাকা মার্কিন সামরিক অবস্থান ধ্বংস করতেই এই হামলা চালানো হয়েছে। আইআরজিসির এক বিবৃতিতে
মালয়েশিয়ায় অবৈধ অভিবাসন ঠেকাতে দেশজুড়ে অভিযান জোরদার করেছে কর্তৃপক্ষ। সর্বশেষ ১৮টি স্থানে একযোগে চালানো অভিযানে অভিবাসন আইন লঙ্ঘনের অভিযোগে ২৯০ বাংলাদেশিসহ ৫০৩ বিদেশিকে আটক করা হয়েছে। অবৈধভাবে বিদেশি কর্মী নিয়োগকারী প্রতিষ্ঠান ও প্রবাসীদের মালিকানাধীন অননুমোদিত ব্যবসা
মধ্যপ্রাচ্যে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের চলমান সংঘাত নতুন মাত্রা পেয়েছে। যুক্তরাষ্ট্রের ধারাবাহিক হামলার জবাবে সোমবার (১৩ জুলাই, ২০২৬) ওমান, বাহরাইন, জর্ডান ও কুয়েতে অবস্থিত মার্কিন সামরিক ঘাঁটি ও স্থাপনায় রাতভর ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা চালানোর দাবি করেছে ইরানের ইসলামি বিপ্লবী গার্ড কর্প
ফিলিস্তিনের অবরুদ্ধ গাজা উপত্যকায় ইসরায়েলি বাহিনীর সামরিক অভিযান অব্যাহত রয়েছে। গাজার স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, গত দুই বছরেরও বেশি সময় ধরে চলা এ হামলায় নিহতের সংখ্যা বেড়ে ৭৩ হাজার ২৩১ জনে পৌঁছেছে। স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, গত ২৪ ঘণ্টায় ইসরায়েলি বাহিনীর বিমান