আল— হজ্ব : ৩০ থেকে ৩৯
আল কুরআন (আল— হজ্ব : ৩০ থেকে ৩৯) ৩০. এগুলো (হজ্বের বিধান)। এ ছাড়া যে, আল্লাহ এবং পবিত্র (স্থান ও অনুষ্ঠান) সমূহের প্রতি সম্মান দেখাবে, তার প্রভ...
বিস্তারিতনবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন
সাঈদ ইবনু আবদুর রহমান মাখযূমী রা. আব্বাদ ইবনু তামীম তৎপিতৃব্য আবদুল্লাহ্ ইবনু যায়দ রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত যে, তিনি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয...
বিস্তারিতবাংলাদেশের ইতিহাসে আরেকটি অন্তর্বর্তীকালীন সরকার গঠিত হলো
নোবেল বিজয়ী প্রফেসর ড. মুহাম্মদ ইউনুস এর নেতৃত্বে বাংলাদেশের ইতিহাসে আরেকটি অন্তর্বর্তীকালীন সরকার গঠিত হলো। নিঃসন্দেহে এই সরকার একটি বিপ্লবোত্তর সরক...
বিস্তারিত
ছবি : সংগৃহীত
সংস্কার ৮ জানুয়ারী ২০২৬: ইরানের ঐতিহ্যবাহী স্থাপত্যশিল্প আয়েনেহ-কারি (আয়নার কাজ) ইউনেস্কোর অমূর্ত মানবসত্তার সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যের প্রতিনিধি তালিকায় অন্তর্ভুক্ত হওয়ায় ইসফাহানে মঙ্গলবার একটি বিশেষ উদযাপন অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন ইরানের সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য, পর্যটন ও হস্তশিল্প মন্ত্রণালয়ের তাত্ত্বিক, অমূর্ত ও প্রাকৃতিক ঐতিহ্য নিবন্ধন ও সংরক্ষণবিষয়ক মহাপরিচালক আলিরেজা ইজাদি, প্রাদেশিক কর্মকর্তারা, শিল্পী ও আয়েনেহ-কারির অভিজ্ঞ কারিগররা।
ইসফাহান প্রদেশের সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য, পর্যটন ও হস্তশিল্প বিভাগের মহাপরিচালক আমির করমজাদে বলেন, ইসফাহান ইরানে আয়েনেহ-কারি শিল্পের প্রধান কেন্দ্র। তার ভাষায়, আয়েনেহ-কারি ইরানের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ ঐতিহ্যবাহী শিল্প, যার সবচেয়ে নান্দনিক ও বৈচিত্র্যময় প্রকাশ ইসফাহানে দেখা যায়।
তিনি জানান, ইউনেস্কোর এই আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি আয়েনেহ-কারি শিল্পের প্রচার, বৈশ্বিক পরিচিতি এবং ভবিষ্যৎ প্রজন্মের কাছে এর ধারাবাহিকতা নিশ্চিত করতে সহায়ক হবে। একই সঙ্গে তিনি এই শিল্পের গুরুত্ব বিবেচনায় কারিগরদের জন্য একটি পেশাদার সমিতি গঠনের আহ্বান জানান। উল্লেখ্য, ২০২৫ সালের ডিসেম্বর মাসে ভারতের নয়াদিল্লিতে অনুষ্ঠিত ইউনেস্কোর ইন্টারগভর্নমেন্টাল কমিটির বৈঠকে আয়েনেহ-কারি শিল্পকে অমূর্ত সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যের তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।
নমিনেশন ফাইল অনুযায়ী, এই শিল্পে ক্ষুদ্র কাটা আয়নার টুকরো ব্যবহার করে ছাদ, দেয়াল, গম্বুজ ও স্তম্ভে জ্যামিতিক বা জৈবিক নকশা তৈরি করা হয়, যা আলো প্রতিফলনের মাধ্যমে অনন্য সৌন্দর্য সৃষ্টি করে। এতে নকশা প্রণয়ন, আয়না কাটা, প্লাস্টারিং, চিত্রাঙ্কন ও মোজাইক কাজের দক্ষতা একত্রে ব্যবহৃত হয়।
পারিবারিক শিক্ষানবিশ পদ্ধতি, বিশ্ববিদ্যালয়, বেসরকারি প্রতিষ্ঠান ও প্রশিক্ষণ কেন্দ্রের মাধ্যমে এই শিল্পের চর্চা ও সংরক্ষণ চলছে। ইউনেস্কোর মতে, আয়েনেহ-কারি ধর্মীয় উপাসনালয়, রাজপ্রাসাদ, ব্যক্তিগত বাড়ি ও আধুনিক স্থাপনায় ব্যবহৃত হয় এবং এর কারিগররা সমাজে সম্মানজনক মর্যাদা লাভ করেন।
প্রাচীন ইসফাহান একসময় ইরানের আন্তর্জাতিক বাণিজ্য ও কূটনীতির গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্র ছিল। বর্তমানে এটি দেশটির অন্যতম শীর্ষ পর্যটন নগরী। ইসলামী স্থাপত্য, ঐতিহ্যবাহী বাজার, জাদুঘর, পারস্য উদ্যান ও বৃক্ষশোভিত বুলেভার্ডের জন্য শহরটি বিশ্বজুড়ে পরিচিত। (তেহরান টাইমস)
সংস্কার/ইএমই
সরকারবিরোধী বিক্ষোভে টানা দুই সপ্তাহ ধরে উত্তাল ইরান। দেশটির প্রায় সর্বত্র ছড়িয়ে পড়া এই আন্দোলন ইতোমধ্যে সহিংস রূপ নিয়েছে। বিক্ষোভকারীদের সঙ্গে আইনশৃঙ্খলাবাহিনীর সংঘর্ষে এখন পর্যন্ত অন্তত ১৯২ জন নিহত হয়েছেন। একই সঙ্গে বিভিন্ন স্থানে সংঘর্ষে প্রায় ৫০ জন নিরাপত্তারক্ষী নিহত হওয়ার খবর পাওয়া গেছে। এ ছাড়া আহত হয়েছেন
সাম্প্রতিক সময়ে দেশের বিভিন্ন এলাকায় অস্থিরতার খবর থাকলেও ইরানের রাজধানী তেহরানে বর্তমানে শান্তি ও স্থিতিশীলতা বিরাজ করছে। নগরজীবন স্বাভাবিকভাবে চলছে। ইরানি কর্মকর্তাদের দাবি, যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইল-সমর্থিত কিছু গোষ্ঠী দেশজুড়ে অস্থিরতা সৃষ্টি করে স্বাভাবিক জীবন ব্যাহত করার চেষ্টা করলেও সেই প্রচেষ্টা ব্যর্থ হয়েছে।
সংযুক্ত আরব আমিরাতের (ইউএই) প্রেসিডেন্ট শেখ মোহাম্মদ বিন জায়েদ আল নাহিয়ান ২৫ জন দণ্ডপ্রাপ্ত বাংলাদেশি নাগরিককে সাধারণ ক্ষমা দিয়েছেন। বাংলাদেশ সরকারের অনুরোধের পরিপ্রেক্ষিতে এ ক্ষমা প্রদর্শন করা হয়। ক্ষমা ঘোষণার পর তাদের মুক্তি দেওয়া হয় এবং তারা নিরাপদে দেশে ফিরে এসেছেন। জানা গেছে, ২০২৪ সালের জুলাই মাসে বাংলাদেশে সংঘটিত আন্দোলনের
ইরানজুড়ে চলমান বিক্ষোভ ভয়াবহ রূপ নিয়েছে। আন্তর্জাতিক বিভিন্ন গণমাধ্যমের খবরে বলা হয়েছে, বিক্ষোভকারীরা দেশের বিভিন্ন রাষ্ট্রীয় স্থাপনায় আগুন দিয়েছে। অর্থনৈতিক বিপর্যয় ও মুদ্রার রেকর্ড দরপতনের প্রতিবাদে শুরু হওয়া আন্দোলন এখন সরকার পতনের দাবিতে রূপ নিয়েছে। শুরুতে শান্তিপূর্ণ থাকলেও বিক্ষোভ এখন ব্যাপক সহিংসতায় পরিণত হয়েছে।