আল— হজ্ব : ৩০ থেকে ৩৯
আল কুরআন (আল— হজ্ব : ৩০ থেকে ৩৯) ৩০. এগুলো (হজ্বের বিধান)। এ ছাড়া যে, আল্লাহ এবং পবিত্র (স্থান ও অনুষ্ঠান) সমূহের প্রতি সম্মান দেখাবে, তার প্রভ...
বিস্তারিতনবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন
সাঈদ ইবনু আবদুর রহমান মাখযূমী রা. আব্বাদ ইবনু তামীম তৎপিতৃব্য আবদুল্লাহ্ ইবনু যায়দ রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত যে, তিনি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয...
বিস্তারিতবাংলাদেশের ইতিহাসে আরেকটি অন্তর্বর্তীকালীন সরকার গঠিত হলো
নোবেল বিজয়ী প্রফেসর ড. মুহাম্মদ ইউনুস এর নেতৃত্বে বাংলাদেশের ইতিহাসে আরেকটি অন্তর্বর্তীকালীন সরকার গঠিত হলো। নিঃসন্দেহে এই সরকার একটি বিপ্লবোত্তর সরক...
বিস্তারিত
ছবি : সংগৃহীত
সংস্কার ২১ ফেব্রুয়ারী ২০২৬: ইনকিলাব জিন্দাবাদ স্লোগান নিয়ে বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদমন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকুর মন্তব্যকে ঘিরে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তীব্র আলোচনা-সমালোচনা শুরু হয়েছে। তার বক্তব্যের পরপরই ২৪-এর গণঅভ্যুত্থানের দুই আলোচিত নেতা হাসনাত আব্দুল্লাহ ও নাসির উদ্দিন পাটোয়ারীর ফেসবুক পোস্ট ভাইরাল হয়ে নতুন রাজনৈতিক বিতর্কের জন্ম দিয়েছে।
শনিবার ২১ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ দুপুরে সিরাজগঞ্জ জেলা শিল্পকলা একাডেমি মিলনায়তনে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস উপলক্ষে আয়োজিত আলোচনা সভায় বক্তব্য দেন মন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু। তিনি বলেন, আজকের জেন-জি যদি ইনকিলাব বলে, তবে আমার রক্তক্ষরণ হয়। বাংলাকে ধারণ করতে হলে ইনকিলাব জিন্দাবাদ চলবে না। এগুলোর সঙ্গে বাংলার কোনো সম্পর্ক নেই। যারা আমাদের ভাষা কেড়ে নিতে চেয়েছিল, এগুলো তাদের ভাষা। তিনি আরও বলেন, এ মন্তব্যের কারণে তাকে ভারতের দালাল বলা হলেও তিনি তা পরোয়া করেন না।
মন্ত্রীর বক্তব্যের কয়েক ঘণ্টা পর সন্ধ্যা ৬টা ১৬ মিনিটে নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে একটি সংক্ষিপ্ত পোস্ট দেন হাসনাত আব্দুল্লাহ। কুমিল্লা-৪ আসনের নবনির্বাচিত সংসদ সদস্য ও ন্যাশনাল সিটিজেনস পার্টি (এনসিপি)-এর মুখ্য সংগঠক হিসেবে পরিচিত এই নেতা লেখেন ইনকিলাব জিন্দাবাদ। পোস্টটি দেওয়ার চার ঘণ্টার মধ্যে এতে ৬ লাখ ৫৬ হাজারের বেশি রিয়েকশন, ৮২ হাজার মন্তব্য এবং প্রায় ২৩ হাজার ৫০০ শেয়ার হয়। অনেকেই এটিকে মন্ত্রীর বক্তব্যের সরাসরি রাজনৈতিক জবাব হিসেবে দেখছেন।
একই ইস্যুতে ফেসবুকে সরব হন ২৪-এর গণঅভ্যুত্থানের আরেক নেতা নাসির উদ্দিন পাটোয়ারী। তিনি লেখেন, ইনকিলাব জিন্দাবাদ! চাঁদাবাজ মুর্দাবাদ! তার পোস্টেও ব্যাপক সাড়া পড়ে। চার ঘণ্টায় প্রায় ২ লাখ রিয়েকশন ও ১৬ হাজার মন্তব্য জমা হয়।
বিশেষজ্ঞদের মতে, ‘ইনকিলাব’ একটি আরবি শব্দ, যার অর্থ ‘বিপ্লব’। ভারতীয় উপমহাদেশে ব্রিটিশবিরোধী আন্দোলনের সময় ভগত সিং ও হসরত মোহানি ‘ইনকিলাব জিন্দাবাদ’ স্লোগানটি জনপ্রিয় করেন। অনেকের মতে, এটি কোনো নির্দিষ্ট ভাষা বা গোষ্ঠীর বিরুদ্ধে নয়; বরং শোষণবিরোধী একটি বৈশ্বিক বিপ্লবী স্লোগান। তাই একে ‘মাতৃভাষা বিরোধী’ বলা ইতিহাসের বিকৃতি বলে মন্তব্য করছেন কেউ কেউ।
বিশ্লেষকদের ভাষ্য, ২০২৪ সালের ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানে ‘ইনকিলাব’ শব্দটি ফ্যাসিবাদের বিরুদ্ধে লড়াইয়ের অন্যতম প্রতীক হয়ে ওঠে। জেন-জি প্রজন্ম এই শব্দের মাধ্যমে বিদ্যমান ব্যবস্থার আমূল পরিবর্তনের দাবি জানিয়েছিল। ফলে মন্ত্রীর বক্তব্যকে কেউ কেউ সেই আন্দোলনের চেতনার বিপরীতে অবস্থান হিসেবে দেখছেন।
সামাজিক মাধ্যমে সমালোচনা: ইঞ্জিনিয়ার মোশাররফ হোসেন ফেসবুকে লেখেন, বর্তমান প্রজন্মের তরুণদের মুখে ‘ইনকিলাব’ স্লোগান শুনে মন্ত্রীর ‘রক্তক্ষরণ’ হওয়ার মন্তব্যে তিনি বিস্মিত। তার মতে, এই স্লোগানের শক্তি ও আবেগ মন্ত্রী বুঝতে পারেন নি। তিনি আরও বলেন, ছাত্র-জনতা ‘ইনকিলাব’ মন্ত্রে উজ্জীবিত হয়ে দীর্ঘ ১৬ বছরের স্বৈরশাসনের অবসান ঘটিয়েছে। দায়িত্বশীল পদে থেকে জনআকাঙ্ক্ষার বিরুদ্ধে না গিয়ে গঠনমূলক কাজে মনোযোগ দেওয়ার আহ্বান জানান তিনি।
আলাউদ্দিন সোহরাবও সমালোচনা করে লেখেন, বিদ্যুৎ প্রতিমন্ত্রী থাকাকালে দৃশ্যমান উন্নতি করতে না পারলেও এখন বড় বড় বক্তব্য দেওয়া মানায় না। জনগণের মনোভাব বোঝার চেষ্টা করার আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, ২০২৪ সালের বিপ্লবীরা সজাগ আছে।
‘ইনকিলাব জিন্দাবাদ’ স্লোগান ঘিরে মন্ত্রীর বক্তব্য এবং তার জবাবে রাজনৈতিক নেতাদের প্রতিক্রিয়া, সব মিলিয়ে বিষয়টি এখন রাজনৈতিক অঙ্গন ও সামাজিক মাধ্যমে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে পরিণত হয়েছে।
সংস্কার/ইএমই
সংস্কার নিয়ে রাজনৈতিক মতবিরোধের মধ্যেই অন্তর্বর্তী সরকারের জারি করা ১৩৩টি অধ্যাদেশের মধ্যে ২০টি আইনে রূপ না পেয়ে স্বয়ংক্রিয়ভাবে কার্যকারিতা হারিয়েছে। এসব অধ্যাদেশের মধ্যে গণভোট, দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক), জাতীয় মানবাধিকার কমিশন, গুম প্রতিরোধ, তথ্য অধিকার এবং রাজস্ব ব্যবস্থাপনা সংক্রান্ত
অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের জারি করা অধ্যাদেশগুলোকে আইনে রূপ দিতে জাতীয় সংসদে আজ মোট ২০টি বিল পাস হয়েছে। এর মধ্যে সকালে অনুষ্ঠিত অধিবেশনে ১০টি বিল পাস হয়। ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশনের ১৩তম দিনের সকালের বৈঠকে উত্থাপিত বিলগুলোর ওপর কোনো সংশোধনী প্রস্তা
স্থগিত থাকা শেরপুর-৩ আসনের জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিএনপির প্রার্থী মাহমুদুল হক রুবেল বিপুল ভোটে জয়ী হয়েছেন। ধানের শীষ প্রতীক নিয়ে তিনি পেয়েছেন ১ লাখ ৬৬ হাজার ১১৭ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াতের প্রার্থী মাসুদুর রহমান দাঁড়িপাল্লা প্রতীক নিয়ে পেয়েছেন ৪৭ হাজার ৫১ ভোট।
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের ছেড়ে দেওয়া বগুড়া-৬ (সদর) আসনের উপনির্বাচনে বিএনপির ধানের শীষ প্রতীকের প্রার্থী রেজাউল করিম বাদশা বেসরকারি ফলাফলে বিপুল ভোটে জয়ী হয়েছেন। একটি পোস্টাল ভোটসহ ১৫১টি কেন্দ্রে তিনি পেয়েছেন ১ লাখ ৩৩ হাজার ৯৩১ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াতে