আল— হজ্ব : ৩০ থেকে ৩৯
আল কুরআন (আল— হজ্ব : ৩০ থেকে ৩৯) ৩০. এগুলো (হজ্বের বিধান)। এ ছাড়া যে, আল্লাহ এবং পবিত্র (স্থান ও অনুষ্ঠান) সমূহের প্রতি সম্মান দেখাবে, তার প্রভ...
বিস্তারিতনবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন
সাঈদ ইবনু আবদুর রহমান মাখযূমী রা. আব্বাদ ইবনু তামীম তৎপিতৃব্য আবদুল্লাহ্ ইবনু যায়দ রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত যে, তিনি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয...
বিস্তারিতবাংলাদেশের ইতিহাসে আরেকটি অন্তর্বর্তীকালীন সরকার গঠিত হলো
নোবেল বিজয়ী প্রফেসর ড. মুহাম্মদ ইউনুস এর নেতৃত্বে বাংলাদেশের ইতিহাসে আরেকটি অন্তর্বর্তীকালীন সরকার গঠিত হলো। নিঃসন্দেহে এই সরকার একটি বিপ্লবোত্তর সরক...
বিস্তারিত
ছবি : সংগৃহীত
সংস্কার ৯ এপ্রিল ২০২৬ বৃহস্পতিবার: জুলাই-আগস্ট আন্দোলনের প্রথম শহীদ আবু সাঈদ হত্যা মামলায় মানবতাবিরোধী অপরাধে দুই পুলিশ সদস্যকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন ট্রাইব্যুনাল। একই মামলায় বাকি ২৮ আসামিকে বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।
বৃহস্পতিবার ৯ এপ্রিল ২০২৬ দুপুরে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেল এ রায় ঘোষণা করেন। প্যানেলের অপর দুই সদস্য ছিলেন বিচারক মো. মঞ্জুরুল বাছিদ ও বিচারক নূর মোহাম্মদ শাহরিয়ার কবীর। এর আগে দুপুর সোয়া ১২টার দিকে রায় পাঠ শুরু হয়।
মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত দুই আসামি হলেন, রংপুর মেট্রোপলিটন পুলিশের সাবেক এএসআই আমির হোসেন ও কনস্টেবল সুজন চন্দ্র রায়। যাবজ্জীবন কারাদণ্ড পেয়েছেন তিনজন, সাবেক সহকারী পুলিশ কমিশনার (কোতোয়ালি জোন) আরিফুজ্জামান ওরফে জীবন, তাজহাট থানার সাবেক ওসি রবিউল ইসলাম ওরফে নয়ন এবং বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক ক্যাম্প ইনচার্জ বিভূতি ভূষণ রায় ওরফে মাধব।
১০ বছর কারাদণ্ডপ্রাপ্তদের মধ্যে রয়েছেন, বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক ভিসি ড. হাসিবুর রশিদ ওরফে বাচ্চু, রংপুর মেট্রোপলিটন পুলিশের সাবেক কমিশনার মনিরুজ্জামান ওরফে বেল্টু, গণিত বিভাগের সাবেক সহযোগী অধ্যাপক মশিউর রহমান, লোকপ্রশাসন বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক আসাদুজ্জামান মণ্ডল ওরফে আসাদ এবং ছাত্রলীগের বেরোবি শাখার সভাপতি পোমেল বড়ুয়া।
৫ বছর কারাদণ্ড পেয়েছেন, আরএমপির সাবেক অতিরিক্ত উপ-পুলিশ কমিশনার শাহ নূর আলম পাটোয়ারী ওরফে সুমন, সাবেক উপ-পুলিশ কমিশনার আবু মারুফ হোসেন ওরফে টিটু, সাবেক প্রক্টর শরিফুল ইসলাম, সহকারী রেজিস্ট্রার রাফিউল হাসান রাসেল, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক এমরান চৌধুরী (আকাশ/দিশা), ছাত্রলীগ নেতা মাসুদুল হাসান (মাসুদ), অফিস সহকারী কাম কম্পিউটার অপারেটর মাহাবুবার রহমান (বাবু) এবং স্বাধীনতা চিকিৎসক পরিষদের সভাপতি ডা. সারোয়ার হোসেন (চন্দন)।
৩ বছর কারাদণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন, সহকারী রেজিস্ট্রার হাফিজুর রহমান (তুফান), সেকশন অফিসার মনিরুজ্জামান পলাশ, ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক মাহাফুজুর রহমান শামীম, সহ-সভাপতি ফজলে রাব্বী (গ্লোরিয়াস), সহ-সভাপতি আখতার হোসেন, সাংগঠনিক সম্পাদক সেজান আহম্মেদ (আরিফ), সাংগঠনিক সম্পাদক ধনঞ্জয় কুমার (টগর), দপ্তর সম্পাদক বাবুল হোসেন, এমএলএসএস মোহাম্মদ নুরুন্নবী মণ্ডল, এমএলএসএস একেএম আমির হোসেন (আমু) এবং নিরাপত্তা কর্মী নূর আলম মিয়া।
এছাড়া বেরোবির প্রক্টর অফিসের চুক্তিভিত্তিক কর্মচারী আনোয়ার পারভেজ (আপেল)-এর হাজতবাসকে সাজার মেয়াদ হিসেবে গণ্য করা হয়েছে। মামলার ৩০ আসামির মধ্যে ৬ জন বর্তমানে গ্রেপ্তার আছেন। তারা হলেন, এএসআই আমির হোসেন, সাবেক প্রক্টর শরিফুল ইসলাম, কনস্টেবল সুজন চন্দ্র রায়, ছাত্রলীগ নেতা ইমরান চৌধুরী, রাফিউল হাসান রাসেল এবং আনোয়ার পারভেজ। তাদের আদালতে হাজির করা হয়, বাকিরা পলাতক।
মামলায় তদন্ত কর্মকর্তাসহ মোট ২৫ জন সাক্ষ্য দিয়েছেন। তারকা সাক্ষী হিসেবে জবানবন্দি দেন জুলাই আন্দোলনের অন্যতম সমন্বয়ক ও বর্তমান এমপি হাসনাত আবদুল্লাহ। তদন্ত কর্মকর্তা রুহুল আমিন তার সাক্ষ্যে ৩০ আসামির পৃথক পৃথক দায় আদালতে তুলে ধরেন।
সংস্কার/ইএমই
ডাক বিভাগে অনিয়ম ও অর্থ লোপাটের অভিযোগ যেন থামছেই না। একের পর এক প্রকল্পে দুর্নীতির অভিযোগ উঠলেও এখনো পর্যন্ত দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি না হওয়ায় সংশ্লিষ্টদের মধ্যে তৈরি হয়েছে দায়মুক্তির সংস্কৃতি। ফলে ঐতিহ্যবাহী এই প্রতিষ্ঠানে নতুন নতুন পদ্ধতিতে অর্থ লুটপাটের ঘটনা ঘটছে বলে অভিযোগ উঠেছে।
দিনমজুরের সন্তান মো. বাবুল মিয়া, যিনি একসময় কাঁচাবাজারে কুলি ও পরে ভাতের হোটেলে রান্নার কাজ করতেন, বর্তমানে বিপুল সম্পদের মালিক, এমন অভিযোগ উঠেছে তার বিরুদ্ধে। তিনি সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামালের বাসায় বাবুর্চি হিসেবে কাজ করতেন। জানা যায়, প্রায় এক যুগ আগে ঢাকার ফার্মগেটের
ঢাকার সড়কে ব্যাটারিচালিত রিকশার অবাধ চলাচল এখন নগরবাসীর জন্য বড় উদ্বেগ ও বিতর্কের বিষয় হয়ে উঠেছে। ট্রাফিক জট, সড়ক নিরাপত্তা ঝুঁকি, বিদ্যুৎ চুরি এবং অনিয়ন্ত্রিত নগর ব্যবস্থাপনার কারণে এই যানবাহন উচ্ছেদের দাবি জোরালো হচ্ছে। রাজধানীর অলিগলি, আবাসিক এলাকা ও সংযোগ সড়কে
যুক্তরাজ্যের লন্ডনে বাংলাদেশ হাইকমিশনের প্রেস মিনিস্টার আকবর হোসেন পদত্যাগ করেছেন। শুক্রবার ১০ এপ্রিল ২০২৬ রাতে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে দেওয়া এক বার্তায় তিনি নিজেই এ তথ্য নিশ্চিত করেন। ফেসবুক পোস্টে তিনি জানান, ব্যক্তিগত ও পারিবারিক কারণে তার পক্ষে দায়িত্ব