আল— হজ্ব : ৩০ থেকে ৩৯
আল কুরআন (আল— হজ্ব : ৩০ থেকে ৩৯) ৩০. এগুলো (হজ্বের বিধান)। এ ছাড়া যে, আল্লাহ এবং পবিত্র (স্থান ও অনুষ্ঠান) সমূহের প্রতি সম্মান দেখাবে, তার প্রভ...
বিস্তারিতনবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন
সাঈদ ইবনু আবদুর রহমান মাখযূমী রা. আব্বাদ ইবনু তামীম তৎপিতৃব্য আবদুল্লাহ্ ইবনু যায়দ রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত যে, তিনি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয...
বিস্তারিতবাংলাদেশের ইতিহাসে আরেকটি অন্তর্বর্তীকালীন সরকার গঠিত হলো
নোবেল বিজয়ী প্রফেসর ড. মুহাম্মদ ইউনুস এর নেতৃত্বে বাংলাদেশের ইতিহাসে আরেকটি অন্তর্বর্তীকালীন সরকার গঠিত হলো। নিঃসন্দেহে এই সরকার একটি বিপ্লবোত্তর সরক...
বিস্তারিত
ছবি : সংগৃহীত
সংস্কার ২৪ জানুয়ারী ২০২৬: জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান ও রংপুর-৩ আসনের প্রার্থী জিএম কাদের বলেছেন, সরকার কারচুপি করে ‘হ্যাঁ’ ভোট জিতিয়ে বিপ্লবী সরকার গঠন করতে চাইছে। তিনি দাবি করেন, ওই সরকার ইচ্ছেমতো দেশ পরিচালনা করবে, যেখানে সংসদ সদস্যদের কোনো ভূমিকা থাকবে না। এটা তারা মেনে নিতে পারবে না। শনিবার ২৪ জানুয়ারি ২০২৬ সন্ধ্যায় রংপুর নগরের সেন্ট্রাল রোডস্থ দলীয় কার্যালয় থেকে নির্বাচনি প্রচারণা শুরু উপলক্ষে আয়োজিত মতবিনিময় সভা শেষে সাংবাদিকদের এসব কথা বলেন তিনি।
জিএম কাদের বলেন, জামায়াত, বিএনপি, এনসিপিসহ সব দল আওয়ামী লীগের ভোট চাইছে। তবে আওয়ামী লীগকে রাজনীতি করতে দেওয়া হচ্ছে না, তাদের মানুষকে ভোট দিতে দেওয়া হচ্ছে না, নাগরিকত্বের অধিকারও দেওয়া হচ্ছে না, এটা কোনো দেশে হয় নি। তিনি বলেন, বলা হচ্ছে, আওয়ামী লীগের ভোট ঠিক আছে, কিন্তু জাতীয় পার্টিকে ভোট দেওয়া যাবে না। তাহলে জাতীয় পার্টির অপরাধ কী?
তিনি আরও বলেন, গণঅভ্যুত্থানের পর অন্তর্বর্তী সরকার প্রধান বলেছেন, তাদের নিয়োগকর্তা ছাত্র-সমন্বয়করা। আর সরকার ছাত্র সমন্বয়কদের দল এনসিপির অভিভাবক। পরে জামায়াত বলেছে ছাত্র-সমন্বয়করা তাদের। এই বক্তব্যের পর কেউ বিরোধিতা করেনি, তাই এখন জামায়াত-এনসিপি ও অন্তর্বর্তীকালীন সরকার মিলে দেশ চালাচ্ছে এবং তাদের অধীনে নির্বাচন হচ্ছে। জিএম কাদের বলেন, অটোমেটিক নির্বাচন ব্যবস্থায় নিরপেক্ষতা নেই। সরকার ও তাদের অভিভাবকদের কাছে নিরপেক্ষতা আশা করা যায় না। জাতীয় পার্টিকে বাধা দেওয়া হয়েছে আওয়ামী লীগের দোসর বলে। তিনি বলেন, তবু তারা বাধা উপেক্ষা করে রাজনীতি করছেন এবং প্রয়োজনে রক্ত দিয়ে মানুষের অধিকার প্রতিষ্ঠায় কাজ চালিয়ে যাবেন।
জাপা চেয়ারম্যান বলেন, দেশে একটি ভোট হচ্ছে, যেখানে জনগণ ‘হ্যাঁ’ বা ‘না’ ভোট দিতে পারবে। কিন্তু সরকারের কথামতো ভোট না দিলে তাদের লাথি মারা হবে। এটি কোনো নিরপেক্ষ ভোট নয়। যারা ‘হ্যাঁ’ ভোট না দেবেন তাদের স্বৈরাচারের দোসর বলা হচ্ছে, আর তিনি বলছেন, যারা ‘হ্যাঁ’ ভোট দিতে বলেছেন তারা নাজীবাদের দোসর।
জিএম কাদের আরও বলেন, সরকার সংবিধান রক্ষার শপথ নিয়ে ক্ষমতায় বসেছে। নির্বাচনের পর সরকার সংসদের মাধ্যমে সংস্কার কার্যক্রম বাস্তবায়ন করবে এবং পরবর্তীতে গণভোটে যাবে। কিন্তু আগে থেকে কেন ‘হ্যাঁ’ কথাই বলা হচ্ছে? সরকার গণভোট নিয়ে মানুষকে সঠিকভাবে বোঝাচ্ছে না। গণভোট সংবিধান সম্মত নয়, তাই বেআইনি ও অবৈধ। সরকারি কর্মকর্তাদের নিয়োগও অবৈধ। সরকার যে ভাবে গণভোটে প্রভাব বিস্তার করছে, জোর করে দখল করার চেষ্টা করছে, হুমকি দিচ্ছে, সরকারি টাকা ব্যবহার করছে, এই ভোটের ফলাফল তারা মেনে নেবেন না।
এ সময় জাতীয় পার্টির প্রেসিডিয়াম সদস্য এসএম ইয়াসির আহমেদ, ভাইস চেয়ারম্যান আব্দুর রাজ্জাক, জেলা জাতীয় পার্টির আহ্বায়ক আজমল হোসেন লেবু, কেন্দ্রীয় নেতা হাসানুজ্জামান নাজিম, মহানগর জাতীয় পার্টির সিনিয়র ভাইস চেয়ারম্যান লোকমান হোসেন, জাহিদুল ইসলামসহ অন্যান্য নেতারা উপস্থিত ছিলেন। এরপর তিনি নগরের পায়রা চত্বর ও সেন্ট্রাল রোডে গণসংযোগ করেন।
সংস্কার/ইএমই
ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের আমির মুফতি সৈয়দ মুহাম্মদ রেজাউল করিম বলেছেন, দেশের দক্ষিণে বঙ্গোপসাগর অঞ্চল থেকে ইসলামের বিজয়ের সূচনা হয়েছে এবং আল্লাহর দেওয়া দ্বীনের পথে থাকলে তা একসময় সারা বাংলায় ছড়িয়ে পড়বে। সোমবার ১৩ এপ্রিল ২০২৬ বিকালে বরগুনার তালতলী
দেশে চলমান জ্বালানি সংকটের মধ্যে অর্ধশতাধিক গাড়িবহর নিয়ে শোডাউন করায় নাটোরের গুরুদাসপুর উপজেলা ছাত্রদলের ভারপ্রাপ্ত আহ্বায়ক মাসুদ রানা প্রামাণিককে দল থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে। সোমবার ১৩ এপ্রিল ২০২৬ সকালে সাংগঠনিক শৃঙ্খলা ভঙ্গের অভিযোগে তাকে পদ থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়।
আওয়ামী লীগের সঙ্গে অলিখিত চুক্তির কারণেই দাগি আসামিরা জামিন পাচ্ছে, এমন অভিযোগ করেছেন ১১ দলীয় ঐক্যের নেতা সারজিস। রোববার ১২ এপ্রিল ২০২৬ দুপুরে ইনস্টিটিউশন অব ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ার্স বাংলাদেশ (আইডিইবি) মিলনায়তনে জুলাই শহীদ পরিবার ও জুলাই যোদ্ধাদের সঙ্গে আয়োজিত
সাংবাদিক দম্পতি সাগর সরওয়ার ও মেহেরুন রুনি হত্যাকাণ্ডের দেড় দশক পার হলেও এখনও বিচার সম্পন্ন হয়নি। এ বিষয়ে অবিলম্বে কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়া না হলে সাংবাদিক সমাজ কঠোর কর্মসূচি দিতে বাধ্য হবে বলে হুঁশিয়ারি দিয়েছেন নেতারা। সোমবার (৬ এপ্রিল) ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটির (ডিআরইউ) সামনে