আল— হজ্ব : ৩০ থেকে ৩৯
আল কুরআন (আল— হজ্ব : ৩০ থেকে ৩৯) ৩০. এগুলো (হজ্বের বিধান)। এ ছাড়া যে, আল্লাহ এবং পবিত্র (স্থান ও অনুষ্ঠান) সমূহের প্রতি সম্মান দেখাবে, তার প্রভ...
বিস্তারিতনবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন
সাঈদ ইবনু আবদুর রহমান মাখযূমী রা. আব্বাদ ইবনু তামীম তৎপিতৃব্য আবদুল্লাহ্ ইবনু যায়দ রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত যে, তিনি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয...
বিস্তারিতবাংলাদেশের ইতিহাসে আরেকটি অন্তর্বর্তীকালীন সরকার গঠিত হলো
নোবেল বিজয়ী প্রফেসর ড. মুহাম্মদ ইউনুস এর নেতৃত্বে বাংলাদেশের ইতিহাসে আরেকটি অন্তর্বর্তীকালীন সরকার গঠিত হলো। নিঃসন্দেহে এই সরকার একটি বিপ্লবোত্তর সরক...
বিস্তারিত
ছবি : সংগৃহীত
সংস্কার ২৬ জানুয়ারী ২০২৬: খুলনা-৫ আসনের (ডুমুরিয়া–ফুলতলা) জামায়াত মনোনীত ও ১১ দলীয় নির্বাচনী ঐক্য সমর্থিত দাঁড়িপাল্লা প্রতীকের প্রার্থী, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি জেনারেল ও সাবেক এমপি মিয়া গোলাম পরওয়ার বলেছেন, দাঁড়িপাল্লাকে বিজয়ী করতে না পারলে গত ৫৪ বছরে যে দুর্ভোগ, দুর্নীতি ও অব্যবস্থাপনা হয়েছে, তা আবারও চলতে থাকবে।
তিনি বলেন, ছাত্রসমাজ ইতোমধ্যে বিভিন্ন নির্বাচনে চাঁদাবাজদের পরাজিত করেছে, তাই জাতীয় নির্বাচনেও দুর্নীতিবাজ ও চাঁদাবাজদের হারানো সম্ভব। ভোটারদের দলমতের ঊর্ধ্বে উঠে নৈতিকতা ও চরিত্রবান নেতৃত্বের পক্ষে ভোট দেওয়ার আহ্বান জানান তিনি। তার ভাষ্য, ধানের শীষ, নৌকা, লাঙ্গল রাষ্ট্র চালাতে পারলে দাঁড়িপাল্লাও পারবে-এটা আমাদের অধিকার। একই সঙ্গে তিনি বিএনপি, আওয়ামী লীগ ও জাতীয় পার্টিসহ সব দলের সঙ্গে শত্রুতা নয়, সৌহার্দ্য বজায় রেখে দেশকে ভালোবাসার আহ্বান জানান।
আসন্ন নির্বাচনের গণভোট প্রসঙ্গে মিয়া গোলাম পরওয়ার বলেন, রাষ্ট্র সংস্কার ও দুর্নীতির বিরুদ্ধে অবস্থান নিতে ‘হ্যাঁ’ ভোট দিতে হবে। যারা ‘না’ ভোটের পক্ষে কথা বলছে, তারা দুর্নীতি ও চাঁদাবাজির বর্তমান ব্যবস্থা টিকিয়ে রাখতে চায় বলে মন্তব্য করেন তিনি। ভোটের দিন সকালেই কেন্দ্রে গিয়ে ভোট দেওয়ার আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, আগে ভোট দিয়ে তারপর ঘরে ফিরতে হবে। যুবকদের দায়িত্ব থাকবে ভোটকেন্দ্র পাহারা দেওয়া, যাতে ভোট ডাকাতি বা সন্ত্রাস না হয়।
সোমবার ২৬ জানুয়ারি ২০২৬ ফুলতলা উপজেলার পটিয়াবান্দা, ধোপাখোলা, পিপরাইল এবং ডুমুরিয়া উপজেলার মান্দ্রা, দহখোলা, পাকুড়িয়া, রুদাঘরা ও শৈলগাতি এলাকায় নির্বাচনী জনসভা, মিছিল, উঠান বৈঠক ও গণসংযোগকালে তিনি এসব কথা বলেন।
এ সময় তার সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন খুলনা জেলা জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি মুন্সি মইনুল ইসলাম, এডভোকেট আবু ইউসুফ মোল্লা, ফুলতলা উপজেলা পরিষদের সাবেক ভাইস চেয়ারম্যান প্রিন্সিপাল গাওসুল আযম হাদী, ফুলতলা উপজেলা আমীর অধ্যাপক আব্দুল আলিম মোল্লা, ডুমুরিয়া উপজেলা আমীর মাওলানা মোক্তার হোসেন, নায়েবে আমীর মাওলানা হাবিবুর রহমান, ভারপ্রাপ্ত সেক্রেটারি আব্দুর রশীদ বিশ্বাস, আব্দুল কাইয়ুম আল ফয়সাল, ফুলতলা ইউপি চেয়ারম্যান মাওলানা সাইফুল হাসান, হিন্দু কমিটির নেতা অমল মন্ডল ও অসিত মন্ডল, ইউপি সদস্য নব কুমার, বাবুল কুমার, সন্ধ্যা মন্ডল, অশীত বাবু, শুধারাম হালদার এবং অধ্যক্ষ গাজী মারুফুল কবিরসহ অন্যান্য নেতৃবৃন্দ।
নির্বাচিত হলে বিল ডাকাতিয়ার দীর্ঘদিনের জলাবদ্ধতা নিরসনকে এক নম্বর অগ্রাধিকার দেবেন জানিয়ে তিনি বলেন, তিনি নিজেও বিল ডাকাতিয়ার বাসিন্দা। সেখানে তাদের জমি-জমা ও ফসল রয়েছে। বিল ডুবে গেলে মানুষের যে কষ্ট হয়, সেই কষ্ট তারও হয়। আল্লাহ সুযোগ দিলে তার প্রথম কাজ হবে বিল ডাকাতিয়ার পানি সরানো। এরপর ভাঙাচোরা রাস্তাঘাট, মসজিদ-মন্দিরসহ এলাকার সার্বিক উন্নয়নে কাজ করার আশ্বাস দেন তিনি। ফুলতলা উপজেলা তার জন্মস্থান উল্লেখ করে অতীত অভিজ্ঞতা থেকে শিক্ষা নিয়ে এলাকাটিকে সুন্দরভাবে সাজানোর প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।
দুর্নীতি প্রসঙ্গে তিনি বলেন, গত ৫৪ বছরে যারা দেশ শাসন করেছে, তাদের কেউই দুর্নীতিমুক্ত শাসনের দাবি করতে পারে না। আওয়ামী লীগ, বিএনপি ও জাতীয় পার্টিকে একযোগে দায়ী করে তিনি বলেন, প্রত্যেক সরকারের আমলেই দুর্নীতি, দলীয়করণ ও বিরোধী দমননীতি প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। ভোটারদের উদ্দেশে তিনি কালো টাকা প্রত্যাখ্যানের আহ্বান জানান। তার মতে, টাকা দিয়ে মানুষের বিবেক কেনা যায় না, ভোট বিক্রি করা মানে ভবিষ্যৎ বিক্রি করা। ভোট কেনার উদ্দেশ্যে দেওয়া অর্থ সামাজিক কল্যাণমূলক কাজে ব্যয় করার পরামর্শও দেন তিনি।
মিয়া গোলাম পরওয়ার বলেন, আসন্ন নির্বাচন একটি নতুন বাংলাদেশ গড়ার সুযোগ। বৈষম্যহীন, দুর্নীতিমুক্ত ও মানবিক রাষ্ট্র গড়তে হলে পুরোনো রাজনৈতিক নেতৃত্বের পরিবর্তন অপরিহার্য। তিনি দাবি করেন, ১০১ দলীয় জোট রাষ্ট্র পরিচালনার দায়িত্ব পেলে দুর্নীতি নির্মূল, সুশাসন প্রতিষ্ঠা এবং ন্যায়ভিত্তিক রাষ্ট্রব্যবস্থা গঠনের অঙ্গীকার বাস্তবায়ন করা হবে।
সংস্কার/ইএমই
রংপুরের পলাশবাড়ীতে বৃহৎ আকারের হিন্দু ধর্মীয় স্থাপনা নির্মাণ এবং সেখানে বিদেশি কূটনৈতিক প্রতিনিধিদের ধারাবাহিক সফর ও অংশগ্রহণের বিষয়টি নিয়ে জনমনে সৃষ্টি হওয়া প্রশ্নের স্বচ্ছ তদন্তের দাবি জানিয়েছে হেফাজতে ইসলাম বাংলাদেশ। সংগঠনটির আমীর আল্লামা শাহ মুহিববুল্লাহ বাবুনগরী ও মহাসচিব আল্লামা শায়েখ সাজিদুর
জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক ও বিরোধীদলীয় চিফ হুইপ মো. নাহিদ ইসলামের নেতৃত্বে একটি প্রতিনিধিদল তুরস্কের পররাষ্ট্রমন্ত্রী হাকান ফিদানের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেছে। শুক্রবার রাতে রাজধানীর একটি হোটেলে এ বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। শনিবার বিকেলে এক বিবৃতিতে বিষয়টি জানানো হয়। বৈঠকে পররাষ্ট্রমন্ত্রী হাকান ফিদান শেখ হাসিনা
ঢাকা সফররত তুরস্কের পররাষ্ট্রমন্ত্রী হাকান ফিদানের সঙ্গে বৈঠকে বসছেন বিরোধীদলীয় নেতা ও বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান এমপির নেতৃত্বে ছয় সদস্যের একটি প্রতিনিধি দল। শুক্রবার রাত সাড়ে ৮টায় রাজধানীর হোটেল ইন্টারকন্টিনেন্টালে এ সৌজন্য সাক্ষাৎ ও গুরুত্বপূর্ণ বৈঠক অনুষ্ঠিত হবে। জামায়াত আমিরের সঙ্গে
তথ্য প্রতিমন্ত্রী ইয়াসের খান চৌধুরী বলেছেন, সাংবাদিকদের স্বাধীনতায় সরকার কোনো হস্তক্ষেপ করবে না। বিএনপি রাষ্ট্রক্ষমতায় এলে সবসময় সাংবাদিকদের পাশে থাকে বলেও তিনি উল্লেখ করেন। শুক্রবার দুপুরে চট্টগ্রাম প্রেস ক্লাবে চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন সাংবাদিক ইউনিয়নের কার্যালয় উদ্বোধন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।