অনুসরন করুন :
আল-কুরআন

আল— হজ্ব : ৩০ থেকে ৩৯

আল কুরআন (আল— হজ্ব : ৩০ থেকে ৩৯) ৩০. এগুলো (হজ্বের বিধান)। এ ছাড়া যে, আল্লাহ এবং পবিত্র (স্থান ও অনুষ্ঠান) সমূহের প্রতি সম্মান দেখাবে, তার প্রভ...

বিস্তারিত
আল-হাদীস

নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন

সাঈদ ইবনু আবদুর রহমান মাখযূমী রা. আব্বাদ ইবনু তামীম তৎপিতৃব্য আবদুল্লাহ্ ইবনু যায়দ রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত যে, তিনি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয...

বিস্তারিত
সম্পাদকীয়

বাংলাদেশের ইতিহাসে আরেকটি অন্তর্বর্তীকালীন সরকার গঠিত হলো

নোবেল বিজয়ী প্রফেসর ড. মুহাম্মদ ইউনুস এর নেতৃত্বে বাংলাদেশের ইতিহাসে আরেকটি অন্তর্বর্তীকালীন সরকার গঠিত হলো। নিঃসন্দেহে এই সরকার একটি বিপ্লবোত্তর সরক...

বিস্তারিত

বড় ঋণগ্রহীতাদের দখলে খেলাপির ৬০ শতাংশ : বেড়েছে ঝুঁকি

ছবি : সংগৃহীত

সংস্কার ২৭ মার্চ ২০২৬ শুক্রবার: দেশের ব্যাংক খাতে বড় অঙ্কের ঋণগ্রহীতাদের মধ্যেই খেলাপি ঋণের হার সবচেয়ে বেশি। ২০ কোটি টাকার বেশি ঋণ নেওয়া ৫ হাজার ১১৩টি প্রতিষ্ঠানের মধ্যে বিপুল অংশ খেলাপিতে পরিণত হয়েছে, যা মোট খেলাপি ঋণের প্রায় ৬০ শতাংশ।

কেন্দ্রীয় ব্যাংকের সর্বশেষ এক প্রতিবেদনের বিশ্লেষণে দেখা যায়, এসব প্রতিষ্ঠানের নেওয়া মোট ঋণের পরিমাণ ৮ লাখ ২৩ হাজার কোটি টাকা। এর মধ্যে খেলাপি ঋণ দাঁড়িয়েছে ৩ লাখ ৩২ হাজার ৫০৪ কোটি টাকা। গত বছরের ডিসেম্বর পর্যন্ত তথ্যের ভিত্তিতে এ প্রতিবেদন তৈরি করা হয়েছে।

প্রতিবেদন অনুযায়ী, ব্যাংক খাতে মোট বিতরণকৃত ঋণের পরিমাণ ১৭ লাখ ৭৭ হাজার কোটি টাকা। এর মধ্যে ২০ কোটি টাকার বেশি ঋণগ্রহীতাদের কাছে বিতরণ করা হয়েছে ৮ লাখ ২৩ হাজার কোটি টাকা, যা মোট ঋণের ৪৬ দশমিক ৩১ শতাংশ। এ শ্রেণির গ্রাহকদের মধ্যেই ৫ হাজার ১১৩টি প্রতিষ্ঠান খেলাপিতে পরিণত হয়েছে এবং তাদের কাছে খেলাপি ঋণের পরিমাণ প্রায় ৩ লাখ ৩৩ হাজার কোটি টাকা।

বিশ্লেষণে আরও উঠে এসেছে, বড় অংশের খেলাপি ঋণ ব্যাংক জালিয়াতি বা অনিয়মের মাধ্যমে নেওয়া হয়েছে। এসব অর্থের একটি বড় অংশ বিদেশে পাচার হয়েছে এবং কিছু অর্থ ব্যবসায় ব্যবহার না করে অন্যত্র সরিয়ে নেওয়ায় ঋণ পরিশোধ সম্ভব হয়নি।

পরিসংখ্যান বলছে, ২০২৪ সালের ডিসেম্বরে ২০ কোটি টাকার বেশি ঋণখেলাপি প্রতিষ্ঠান ছিল ২ হাজার ৬৫৩টি, যা এক বছরের ব্যবধানে বেড়ে ৫ হাজার ১১৩-এ দাঁড়িয়েছে। অর্থাৎ এক বছরে বেড়েছে ২ হাজার ৪৬০টি প্রতিষ্ঠান বা প্রায় ৯২ দশমিক ৭৩ শতাংশ।

খাতভিত্তিক তথ্য অনুযায়ী: ২০৩০ কোটি টাকা ঋণগ্রহীতা: মোট ঋণ ১ লাখ ৭ হাজার ৩০০ কোটি টাকা; খেলাপি ১ হাজার ৫৩৩ প্রতিষ্ঠান; খেলাপি ঋণ ৩৭ হাজার ৯৮৪ কোটি টাকা (৩৫.৪০%)। ৩০৪০ কোটি টাকা ঋণগ্রহীতা: মোট ঋণ ৮৩ হাজার ৬০০ কোটি টাকা; খেলাপি ৯৩০ প্রতিষ্ঠান; খেলাপি ঋণ ৩২ হাজার ৩৫৩ কোটি টাকা (৩৮.৭০%)। ৪০৫০ কোটি টাকা ঋণগ্রহীতা: মোট ঋণ ৭০ হাজার ১০০ কোটি টাকা; খেলাপি ৬৬৩ প্রতিষ্ঠান; খেলাপি ঋণ ৩০ হাজার ১৪৩ কোটি টাকা (৪৩%)। ৫০ কোটি টাকার বেশি ঋণগ্রহীতা: মোট ঋণ ৫ লাখ ৬১ হাজার ৮০০ কোটি টাকা; খেলাপি ১ হাজার ৮৭টি প্রতিষ্ঠান; খেলাপি ঋণ ২ লাখ ৩২ হাজার ২৪ কোটি টাকা (৪১.৩০%)।

সবচেয়ে বেশি খেলাপির প্রবণতা দেখা গেছে ৫০ কোটি টাকার বেশি ঋণগ্রহীতাদের মধ্যে। সংশ্লিষ্টরা বলছেন, নতুন ঋণ বিতরণের তুলনায় খেলাপি হওয়ার হার বেশি হারে বাড়ছে, যা ব্যাংক খাতের জন্য বড় ঝুঁকির ইঙ্গিত।

সংস্কার/ইএমই

সম্পর্কিত খবর

ব্যাংক রেজল্যুশন আইন নিয়ে টিআইবির সমালোচনা : লুটেরাদের পথ খুলছে

‘ব্যাংক রেজল্যুশন আইন-২০২৬’ এর মাধ্যমে দুর্বল ব্যাংকের পুরোনো শেয়ারধারীদের জবাবদিহিতা ছাড়াই আবার মালিকানায় ফেরার সুযোগ দেওয়ায় উদ্বেগ জানিয়েছে ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশ (টিআইবি)। সংস্থাটির মতে, এতে চিহ্নিত লুটেরাদের পুনর্বাসনের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

মধ্যপ্রাচ্যের সংকটে শ্রমবাজারে অনিশ্চয়তা : মালয়েশিয়া খুলছে নতুন দুয়ার

মধ্যপ্রাচ্যের চলমান যুদ্ধ পরিস্থিতিতে শ্রমবাজারে অস্থিরতা ও অনিশ্চয়তার মধ্যে বাংলাদেশের জন্য স্বস্তির খবর এসেছে মালয়েশিয়া থেকে। দেশটি বাংলাদেশি কর্মীদের জন্য তাদের শ্রমবাজার পুনরায় উন্মুক্ত করতে সম্মত হয়েছে, যা নতুন আশার সঞ্চার করেছে। বৃহস্পতিবার মালয়েশিয়ার পুত্রজায়ায় দুই দেশের উচ্চপর্যায়ের বৈঠকে এই

চীন সফরে যাচ্ছে বিএনপির ২০ সদস্যের উচ্চ পর্যায়ের প্রতিনিধিদল

সরকার গঠনের পর প্রথম বিদেশ সফর হিসেবে চীনে যাচ্ছে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)-এর একটি উচ্চ পর্যায়ের প্রতিনিধিদল। এই সফরে নেতৃত্ব দেবেন দলের মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। কূটনৈতিক সূত্র জানায়, সরকার পরিচালনার দায়িত্ব গ্রহণের পর চীনা কমিউনিস্ট পার্টির

এস আলম গ্রুপের ঋণখেলাপি ও অর্থপাচার : অর্থনীতিতে বড় চাপ

দেশের শীর্ষ ২০ ঋণখেলাপি প্রতিষ্ঠানের মধ্যে ১১টিই বিতর্কিত শিল্পগোষ্ঠী এস আলম গ্রুপের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট। এসব প্রতিষ্ঠানের মোট খেলাপি ঋণের পরিমাণ প্রায় ২২ হাজার ৮৮১ কোটি টাকা, যা শীর্ষ ২০ খেলাপির ৬৫ শতাংশ। আর ২০টি প্রতিষ্ঠানের মোট ঋণের পরিমাণ ৩৫ হাজার কোটি টাকারও বেশি।