আল— হজ্ব : ৩০ থেকে ৩৯
আল কুরআন (আল— হজ্ব : ৩০ থেকে ৩৯) ৩০. এগুলো (হজ্বের বিধান)। এ ছাড়া যে, আল্লাহ এবং পবিত্র (স্থান ও অনুষ্ঠান) সমূহের প্রতি সম্মান দেখাবে, তার প্রভ...
বিস্তারিতনবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন
সাঈদ ইবনু আবদুর রহমান মাখযূমী রা. আব্বাদ ইবনু তামীম তৎপিতৃব্য আবদুল্লাহ্ ইবনু যায়দ রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত যে, তিনি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয...
বিস্তারিতবাংলাদেশের ইতিহাসে আরেকটি অন্তর্বর্তীকালীন সরকার গঠিত হলো
নোবেল বিজয়ী প্রফেসর ড. মুহাম্মদ ইউনুস এর নেতৃত্বে বাংলাদেশের ইতিহাসে আরেকটি অন্তর্বর্তীকালীন সরকার গঠিত হলো। নিঃসন্দেহে এই সরকার একটি বিপ্লবোত্তর সরক...
বিস্তারিত
ছবি : সংগৃহীত
সংস্কার, ০৮ সেপ্টেম্বর ২০২৫: বোনাস পাওয়ার পর ইসলামী ব্যাংকের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের মাঝে আনন্দ উৎসবের বন্যা বয়ে যাচ্ছে। অর্থনৈতিক এই দু:সময়েও তারা একটি বোনাস পেয়েছে। তারা সকালে উঠে দেখে তাদের মূল বেতনের সমপরিমান টাকা বোনাস হিসাবে তার একাউন্টে জমা হয়েছে। তারা ব্যবস্থাপনা প্রশাসনকে অভিনন্দন ও কৃতজ্ঞতা জানিয়েছেন। বর্তমান পরিচালনা পর্ষদের চেয়ারম্যান প্রফেসর এম জুবায়দুর রহমানের কঠিন বার্তায় কর্মকর্তারা বকেয়া আদায়ে ও আমানত বাড়ানের কাজে ঝাপিয়ে পড়েছে। বকেয়া আদায় ১মাসে সন্তোষজনক বলে বোর্ডের একটি সূত্র জানিয়েছে। বৃদ্ধি পেয়েছে আমানতও। এখন আমনত দাঁড়িয়েছে ১ লাখ ৭৭ হাজার কোটি টাকায়। যা ১ মাস আগে ছিল ৭৩ হাজার কোটি টাকা।
জানা গেছে, বকেয়া ঋণ আদায়ে নানাবিধ পরিকল্পনা নিয়ে এগিয়ে যাচ্ছে ইসলামী ব্যাংক। মাসের প্রতি ১৫ দিনে ২ হাজার কোটি টাকা আদায়ের সময় বেঁধে দিয়েছে ব্যাংকের চেয়ারম্যান প্রফেসর ড. এম জুবায়দুর রহমান। নেয়া হয়েছে নানা কৌশল ও সিদ্ধান্ত। এসব সিদ্ধান্ত বাস্তবায়নে কর্মকর্তারা একের পর এক মিটিং করে চলেছেন। আদায় করে যাচ্ছেন বকেয়া ও মন্দ ঋণ। ইসলামী ব্যাংক বাংলাদেশ পিএলসি-এর নতুন চেয়ারম্যান প্রফেসর ড. এম জুবায়দুর রহমান বলেছেন, ব্যাংকের সুনাম পুনরুদ্ধার করতে সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে। তিনি আরও বলেন, ব্যাংকের এই উন্নতি মানুষের আস্থা ও বিশ্বাসের উপর নির্ভর করে এবং অতীতের মতোই ব্যাংকটির ভবিষ্যতও সুন্দর হবে বলে তিনি আশাবাদী।
ইসলামী ব্যাংক দেশের প্রথম ও বৃহত্তম শরিয়াহভিত্তিক ব্যাংক। এ হিসেবে ইসলামী ব্যাংক অভিজ্ঞ নেতৃত্ব, নৈতিক ব্যাংকিং কাঠামো এবং যুগোপযোগী সেবার মাধ্যমে চার দশকের বেশি সময় ধরে জনগণের আস্থা ধরে রেখেছে। ব্যাংকটির ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) মো. ওমর ফারুক খাঁনের যোগদানের ১ মাস হয়েছে। এই ব্যাংকার বলেন, ইসলামী ব্যাংকের শক্তির মূল উৎস হলো শরিয়াহ নীতি, অভ্যন্তরীণ সুশাসন ও স্বচ্ছতা। ওমর ফারুক খাঁন দৃঢ়তার সাথে বলেন, ইসলামী ব্যাংক বর্তমানে রাজনৈতিক ও গোষ্ঠীপ্রভাবমুক্তভাবে পরিচালিত হচ্ছে। অনিয়ম প্রতিরোধে ব্যাংকে শক্তিশালী নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা, টাস্কফোর্স গঠন, কড়াকড়ি বিনিয়োগ নীতি এবং নিয়মিত শাখা পরিদর্শন চালু রয়েছে। বিতর্কিত ঋণগুলো পর্যালোচনা করে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে। মো. ওমর ফারুক খান বলেন, ইসলামী ব্যাংক আমাদের প্রাণের ব্যাংক। আমাদের মূল শক্তি ঐক্য এবং শৃংখলা। ইসলামী ব্যাংকিং শুধু পেশা নয়, একটি ইবাদত। তিনি বলেন, ব্যাংককে এগিয়ে নিতে সকল কর্মকতা-কর্মচারীকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে। তিনি আরও বলেন, সততা, আন্তরিকতা ও দক্ষতার সমন্বয় ঘটিয়ে ইসলামী ব্যাংকের সেবা সকল মানুষের দোরগোড়ায় পৌঁছানোর প্রচেষ্টা অব্যাহত রাখতে হবে।
তিনি ব্যাংকের ঘুরে দাঁড়ানোর এই সময়ে সকল গ্লানি ভুলে নিবেদিত হয়ে সবাইকে কাজ করার জন্য আহবান জানান এবং সর্বোচ্চ পেশাদারিত্বের সাথে ব্যাংকিং কার্যক্রম পরিচালনা করার উপর গুরুত্বারোপ করেন। ব্যাংকের উন্নয়ন ও অগ্রগতিতে তিনি সবার সহযোগিতা কামনা করেন।
সংস্কার/ইএমই
‘ব্যাংক রেজল্যুশন আইন-২০২৬’ এর মাধ্যমে দুর্বল ব্যাংকের পুরোনো শেয়ারধারীদের জবাবদিহিতা ছাড়াই আবার মালিকানায় ফেরার সুযোগ দেওয়ায় উদ্বেগ জানিয়েছে ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশ (টিআইবি)। সংস্থাটির মতে, এতে চিহ্নিত লুটেরাদের পুনর্বাসনের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
মধ্যপ্রাচ্যের চলমান যুদ্ধ পরিস্থিতিতে শ্রমবাজারে অস্থিরতা ও অনিশ্চয়তার মধ্যে বাংলাদেশের জন্য স্বস্তির খবর এসেছে মালয়েশিয়া থেকে। দেশটি বাংলাদেশি কর্মীদের জন্য তাদের শ্রমবাজার পুনরায় উন্মুক্ত করতে সম্মত হয়েছে, যা নতুন আশার সঞ্চার করেছে। বৃহস্পতিবার মালয়েশিয়ার পুত্রজায়ায় দুই দেশের উচ্চপর্যায়ের বৈঠকে এই
সরকার গঠনের পর প্রথম বিদেশ সফর হিসেবে চীনে যাচ্ছে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)-এর একটি উচ্চ পর্যায়ের প্রতিনিধিদল। এই সফরে নেতৃত্ব দেবেন দলের মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। কূটনৈতিক সূত্র জানায়, সরকার পরিচালনার দায়িত্ব গ্রহণের পর চীনা কমিউনিস্ট পার্টির
দেশের শীর্ষ ২০ ঋণখেলাপি প্রতিষ্ঠানের মধ্যে ১১টিই বিতর্কিত শিল্পগোষ্ঠী এস আলম গ্রুপের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট। এসব প্রতিষ্ঠানের মোট খেলাপি ঋণের পরিমাণ প্রায় ২২ হাজার ৮৮১ কোটি টাকা, যা শীর্ষ ২০ খেলাপির ৬৫ শতাংশ। আর ২০টি প্রতিষ্ঠানের মোট ঋণের পরিমাণ ৩৫ হাজার কোটি টাকারও বেশি।