আল— হজ্ব : ৩০ থেকে ৩৯
আল কুরআন (আল— হজ্ব : ৩০ থেকে ৩৯) ৩০. এগুলো (হজ্বের বিধান)। এ ছাড়া যে, আল্লাহ এবং পবিত্র (স্থান ও অনুষ্ঠান) সমূহের প্রতি সম্মান দেখাবে, তার প্রভ...
বিস্তারিতনবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন
সাঈদ ইবনু আবদুর রহমান মাখযূমী রা. আব্বাদ ইবনু তামীম তৎপিতৃব্য আবদুল্লাহ্ ইবনু যায়দ রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত যে, তিনি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয...
বিস্তারিতবাংলাদেশের ইতিহাসে আরেকটি অন্তর্বর্তীকালীন সরকার গঠিত হলো
নোবেল বিজয়ী প্রফেসর ড. মুহাম্মদ ইউনুস এর নেতৃত্বে বাংলাদেশের ইতিহাসে আরেকটি অন্তর্বর্তীকালীন সরকার গঠিত হলো। নিঃসন্দেহে এই সরকার একটি বিপ্লবোত্তর সরক...
বিস্তারিত
ছবি : সংগৃহীত
সংস্কার ১৩ ডিসেম্বর ২০২৫: ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র ও ঢাকা-৮ আসনের স্বতন্ত্র সংসদ সদস্য প্রার্থী শরিফ ওসমান হাদিকে হত্যাচেষ্টার ঘটনায় শ্যুটার শনাক্তে গুরুত্বপূর্ণ সূত্র হিসেবে সামনে এসেছে একটি হাতঘড়ি ও পোশাকের মিল। ফ্যাক্টচেক প্রতিষ্ঠান দ্য ডিসেন্টের দাবি, খুব কাছ থেকে হাদিকে গুলি করা ব্যক্তি নিষিদ্ধ ছাত্রলীগের সাবেক নেতা ফয়সাল করিম মাসুদ ওরফে দাউদ খান।
দ্য ডিসেন্ট জানায়, হাদির পাশে জনসংযোগের সময় মাস্ক পরা এক ব্যক্তি বসে ছিলেন, যার হাতে ছিল আকাশি রঙের একটি ঘড়ি। তার চোখে চশমা ও কপালের গঠন দেখে বোঝা যায়, তিনিই হাদির ওপর গুলি চালানো ব্যক্তি। হামলার সময় বাইকে থাকা দুই যুবকই হাদির সঙ্গে মাস্ক পরা অবস্থায় জনসংযোগে অংশ নিয়েছিলেন বলে দাবি করেছে প্রতিষ্ঠানটি।
দ্য ডিসেন্টের তথ্য অনুযায়ী, গুলিকারী দুই বাইক আরোহীর মধ্যে একজনের গায়ে ছিল কালো পাঞ্জাবি, কালো মাস্ক, গলায় চাদর এবং আকাশি রঙের প্যান্ট। অন্যজনের গায়ে ছিল কালো ব্লেজার, কালো মাস্ক, চোখে চশমা এবং পায়ে চামড়া রঙের জুতা। হামলাকারীদের এই পোশাকের সঙ্গে জনসংযোগে অংশ নেওয়া দুই ব্যক্তির পোশাকের মিল পাওয়া গেছে।
প্রতিষ্ঠানটি আরও দাবি করেছে, শরিফ ওসমান হাদিকে গুলি করা সন্দেহভাজন ব্যক্তি গত ৯ ডিসেম্বর ইনকিলাব কালচারাল সেন্টারে উপস্থিত ছিলেন এবং সেখানে হাদির পাশেই বসে আলোচনা শুনছিলেন। দ্য ডিসেন্ট জানায়, ইনকিলাব কালচারাল সেন্টারের সিসিটিভি ফুটেজ, পুলিশের সংগৃহীত হামলার সিসিটিভি ফুটেজ, গণমাধ্যমে প্রকাশিত ছবি এবং ফেসবুক ও ইনস্টাগ্রামে থাকা ফয়সাল করিম মাসুদ নামের অ্যাকাউন্টসহ আওয়ামীপন্থি বিভিন্ন পেজে থাকা ৫০টির বেশি ছবি তুলনামূলকভাবে বিশ্লেষণ করে তারা এই সিদ্ধান্তে পৌঁছেছে।
এদিকে, হামলাকারীকে ধরতে ৫০ লাখ টাকা পুরস্কার ঘোষণা করে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ (ডিএমপি) একটি সংবাদ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করেছে। বিজ্ঞপ্তিতে প্রকাশিত ছবিটির সঙ্গে সাবেক ছাত্রলীগ নেতা ফয়সাল করিম মাসুদ ওরফে দাউদ খানের হুবহু মিল রয়েছে বলে জানানো হয়। পুলিশ জানিয়েছে, অভিযুক্ত ব্যক্তির সন্ধানদাতার পরিচয় সম্পূর্ণ গোপন রাখা হবে এবং তাকে ৫০ লাখ টাকা পুরস্কৃত করা হবে।
অন্যদিকে, ফয়সাল করিম মাসুদ এর আগেও একটি গুরুতর অপরাধে গ্রেপ্তার হন। ২০২৪ সালের ৮ নভেম্বর রাজধানীর মোহাম্মদপুরের আদাবর এলাকায় একটি অফিসে ঢুকে অস্ত্রের মুখে ১৭ লাখ টাকা লুটের ঘটনায় ডাকাতির সময় অস্ত্রসহ তাকে গ্রেপ্তার করে র্যাব। গ্রেপ্তারের পর চলতি বছরের ১৬ ফেব্রুয়ারি বিচারপতি মোহাম্মদ আলী ও বিচারপতি এসকে তাহসিন আলীর বেঞ্চ তাকে ছয় মাসের জামিন দেন। পরে চলতি বছরের ১২ আগস্ট জামিনের মেয়াদ বাড়ানোর আবেদনে বিচারপতি মোহাম্মদ আলী ও বিচারপতি ইউসুফ আব্দুল্লাহ সুমনের বেঞ্চ নতুন করে এক বছরের জামিন মঞ্জুর করেন। ফলে অস্ত্র আইনের মামলায় তিনি এক দফায় ছয় মাস এবং পরবর্তী দফায় এক বছরের জামিন পান।
এই জামিন প্রক্রিয়া নিয়েও প্রশ্ন তুলেছে অনুসন্ধানী সংবাদমাধ্যম দ্য ডিসেন্ট। তারা তাদের ফেসবুক পেজে ফয়সালের জামিনসংক্রান্ত দুটি ডকুমেন্ট প্রকাশ করে দাবি করেছে, গুরুতর অভিযোগ থাকা সত্ত্বেও জামিনের ধারাবাহিকতা ও সময়সীমা নিয়ে প্রশ্ন তৈরি হয়েছে।
সংস্কার/ইএমই
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ জানিয়েছেন, কোস্ট গার্ডকে আরও শক্তিশালী ও আধুনিক করতে সরকার প্রায় ১০ হাজার নতুন সদস্য নিয়োগের পরিকল্পনা করছে। এতে বাহিনীর অবকাঠামো ও সক্ষমতা আরও বৃদ্ধি পাবে এবং কার্যক্রম আরও গতিশীল হবে। মঙ্গলবার ২৮ এপ্রিল ২০২৬ রাজধানীর আগারগাঁওয়ে
পাবনার ঈশ্বরদীতে নির্মিত রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রে আজ মঙ্গলবার ২৮ এপ্রিল ২০২৬ আনুষ্ঠানিকভাবে জ্বালানি লোডিং কার্যক্রম শুরু হচ্ছে। এর মাধ্যমে বাংলাদেশ প্রথমবারের মতো পারমাণবিক শক্তি ব্যবহারকারী দেশের তালিকায় যুক্ত হতে যাচ্ছে। কেন্দ্রটি চালু হলে এর স্বাভাবিক আয়ুষ্কাল হবে ৬০ বছর, এই
সরকার পরিবর্তনের পর প্রশাসনের বিভিন্ন স্তরে রদবদল হওয়া একটি প্রচলিত বিষয় বলে উল্লেখ করে ইসলামিক ফাউন্ডেশনের (ইফা) মহাপরিচালক (ডিজি) পদে নিয়োগ নিয়েও আলোচনা শুরু হয়েছে। তবে ধর্মীয়ভাবে গুরুত্বপূর্ণ এই পদে ‘ভ্রান্ত আকিদার’ কোনো ব্যক্তিকে নিয়োগ দেওয়া হলে তা দেশের ধর্মপ্রাণ
প্রতি বছর ৭ নভেম্বর ‘জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস’ রাষ্ট্রীয়ভাবে পালনের জন্য পরিপত্র জারি করেছে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ। এ দিনটিকে ‘ক’ শ্রেণিভুক্ত জাতীয় দিবস হিসেবে ঘোষণা করা হয়েছে এবং সরকারি ছুটিও থাকবে। জারি করা পরিপত্রে সংশ্লিষ্ট সব মন্ত্রণালয়, বিভাগ ও দপ্তরকে নির্দেশনাগুলো যথাযথভাবে