আল— হজ্ব : ৩০ থেকে ৩৯
আল কুরআন (আল— হজ্ব : ৩০ থেকে ৩৯) ৩০. এগুলো (হজ্বের বিধান)। এ ছাড়া যে, আল্লাহ এবং পবিত্র (স্থান ও অনুষ্ঠান) সমূহের প্রতি সম্মান দেখাবে, তার প্রভ...
বিস্তারিতনবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন
সাঈদ ইবনু আবদুর রহমান মাখযূমী রা. আব্বাদ ইবনু তামীম তৎপিতৃব্য আবদুল্লাহ্ ইবনু যায়দ রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত যে, তিনি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয...
বিস্তারিতবাংলাদেশের ইতিহাসে আরেকটি অন্তর্বর্তীকালীন সরকার গঠিত হলো
নোবেল বিজয়ী প্রফেসর ড. মুহাম্মদ ইউনুস এর নেতৃত্বে বাংলাদেশের ইতিহাসে আরেকটি অন্তর্বর্তীকালীন সরকার গঠিত হলো। নিঃসন্দেহে এই সরকার একটি বিপ্লবোত্তর সরক...
বিস্তারিত
ছবি : ড. কামরুল হাসান এর সৌজন্যে
১৩৭২ সালের ১৮ ফেব্রুয়ারি কায়রোতে জন্মগ্রহণকারী উসূলুল হাদিসের ইমাম ইবনু হাজার আসকালানী রাহ. -এর জন্মের ১০০ বছর পূর্বেই তথা ১২৭২ সনের দিকে এই বাংলায় পবিত্র হাদীসের দরস হতো,ছাত্র সংখ্যা হতো প্রায় ১০ হাজারের মতো। সুদূর বোখারা,কান্দাহার,খোরাসান,সিরিয়া,ইয়েমেন,বিহার ও দাক্ষিণাত্যের ইলম পিপাসুদের দৌড়ঝাঁপ ছিল আজকের এ বাংলায়। হাদীসের মসনদে বসতেন বাংলার প্রথম মুহাদ্দিস শরফুদ্দীন আবু তাওয়ামা রাহ.। হাদীস পড়াতেন বুখারী,মুসলিম ও মুসনাদে আবু ইয়ালার মতো বিখ্যাত সব গ্রন্থ থেকে। দিল্লিতে তিনি টানা ১০ বছর দারস ওয়া তাদরীসে মশগুল ছিলেন। তাঁর সোনারগাঁয়ে প্রতিষ্ঠিত দ্বীনি মারকাজের সিলেবাস,কারিকুলাম সাজানো ছিল পদার্থ,রসায়ন, ইতিহাস,অলংকার শাস্ত্র,যুক্তিবিদ্যা সহ থিউলজির গুরুত্বপূর্ণ বিষয়সমূহ। আজকের আলিয়া মাদ্রাসা শিক্ষা ধারার মতোই ছিল সমন্বিত শিক্ষা পদ্ধতি। যেখানে জাগতিক ও পারলৌকিক বিষয়াদির সংমিশ্রণ ছিল।
এই মহান আলেম যখন এই বাংলায় হাদীস পড়ান তখন দামেশকে চলে ইমাম ইবনু তাইমিয়া-এর দারস,স্পেনের কার্ডোভায় চলে ইমাম কুরতবী রাহ. -এর দারস। তখনও ইমাম যাহাবী ও ইমাম ইবনুল কাইয়্যেম-এর মতো অসংখ্য জ্ঞানসমুদ্রের জন্মই হয়নি।
শরফুদ্দীন আবু তাওয়ামার সেই বিশ্ববিদ্যালয় স্থাপত্য আজও সোনারগাঁয়ে হাজার বছরের চাপা ইতিহাস নিয়ে দাঁড়িয়ে আছে। নেই কেবল সেকালের পাঠদান।
শরফুদ্দিন আবু তাওয়ামা ছিলেন প্রখর চিন্তাশক্তির অধিকারী। তাঁর মৌলিক চিন্তা ও দর্শনের প্রভাব বাঙালি মুসলমান সমাজে আজো আলোক বিকিরণ করছে। দুর্ভাগ্য হল তার ঐতিহাসিক স্মৃতিকে আমরা কোনভাবেই ধরে রাখতে পারিনি। তার নামে না করেছি মাদ্রাসা মক্তব। না গড়ে তুলেছি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বা বিশ্ববিদ্যালয়। এই প্রজন্ম জানেই না সেই সোনালী ইতিহাসের কথা। (ড.কামরুল হাসান এর টাইমলাইন থেকে)
সংস্কার/ই্এমই
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সম্মানিত সকল অংশীজন, শুভার্থী ও প্রিয় দেশবাসীর প্রতি... আপনাদের সবাইকে সালাম ও শুভেচ্ছা জানিয়ে বিনীতভাবে জানাচ্ছি যে, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্যের পদ থেকে অব্যাহতির জন্য আমার আবেদন সরকারের অনুমোদন পেয়েছে। আমি আজ আমার মূল পদ-
সুর সম্রাট আব্বাস উদ্দীনকে কাজী নজরুল ইসলাম : বলে ফেলো তোমার আবদার