অনুসরন করুন :
আল-কুরআন

আল— হজ্ব : ৩০ থেকে ৩৯

আল কুরআন (আল— হজ্ব : ৩০ থেকে ৩৯) ৩০. এগুলো (হজ্বের বিধান)। এ ছাড়া যে, আল্লাহ এবং পবিত্র (স্থান ও অনুষ্ঠান) সমূহের প্রতি সম্মান দেখাবে, তার প্রভ...

বিস্তারিত
আল-হাদীস

নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন

সাঈদ ইবনু আবদুর রহমান মাখযূমী রা. আব্বাদ ইবনু তামীম তৎপিতৃব্য আবদুল্লাহ্ ইবনু যায়দ রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত যে, তিনি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয...

বিস্তারিত
সম্পাদকীয়

বাংলাদেশের ইতিহাসে আরেকটি অন্তর্বর্তীকালীন সরকার গঠিত হলো

নোবেল বিজয়ী প্রফেসর ড. মুহাম্মদ ইউনুস এর নেতৃত্বে বাংলাদেশের ইতিহাসে আরেকটি অন্তর্বর্তীকালীন সরকার গঠিত হলো। নিঃসন্দেহে এই সরকার একটি বিপ্লবোত্তর সরক...

বিস্তারিত

পবিত্র আশুরা আজ : কারবালার আত্মত্যাগের স্মরণ

ছবি : সংগৃহীত

সংস্কার ২৬ জুন ২০২৬ শুক্রবার: আজ ১০ মহররম, পবিত্র আশুরা। মুসলমানদের জন্য এটি অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ ও শোকাবহ দিন। হিজরি বছরের প্রথম মাস মহররমের ১০ তারিখকে আশুরা বলা হয়। মহান আল্লাহর নৈকট্য লাভের আশায় ধর্মপ্রাণ মুসলমানরা এদিন নফল রোজা, নামাজ, দান-খয়রাত এবং জিকির-আসকারের মাধ্যমে দিনটি পালন করেন। আশারা শব্দের অর্থ দশ এবং আশুরা অর্থ দশম, আর মহররম অর্থ সম্মানিত। হিজরি ৬১ সালের ১০ মহররম ইরাকের কারবালার প্রান্তরে ফোরাত নদীর তীরে সত্য ও ন্যায়ের পক্ষে সংগ্রাম করতে গিয়ে মহানবী হজরত মুহাম্মদ (সা.)-এর দৌহিত্র হজরত ইমাম হোসাইন (রা.), তাঁর পরিবারের সদস্য ও সঙ্গীরা শাহাদাত বরণ করেন। ইসলামের আদর্শ রক্ষায় এই আত্মত্যাগ মানবতার ইতিহাসে এক উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত হিসেবে বিবেচিত হয় এবং অন্যায়-অত্যাচারের বিরুদ্ধে প্রতিবাদের অনুপ্রেরণা জোগায়। আশুরা উপলক্ষে রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান পৃথক বাণী দিয়েছেন। রাষ্ট্রপতি বলেন, আশুরার শিক্ষা মানুষকে অন্যায়, অবিচার ও ক্ষমতার অপব্যবহারের বিরুদ্ধে প্রতিবাদী হতে শেখায় এবং সত্য ও ন্যায়ের পথে চলার দিকনির্দেশনা দেয়। তিনি কারবালার সব শহিদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জানান। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেন, আশুরা শুধু শোকের দিন নয়, বরং সত্য, ন্যায়, ধৈর্য, ত্যাগ ও নৈতিক দৃঢ়তার চিরন্তন শিক্ষা বহন করে। তিনি বলেন, কারবালার আত্মত্যাগ মানবজাতিকে ন্যায়বিচার, মানবিক মর্যাদা এবং অন্যায়ের বিরুদ্ধে দৃঢ় অবস্থান নেওয়ার অনুপ্রেরণা দিয়ে আসছে।

পবিত্র আশুরা উপলক্ষে বৃহস্পতিবার দিবাগত রাতে রাজধানীর পুরান পল্টনের হোসাইনি দালান ইমামবাড়ার সামনে শিয়া সম্প্রদায়ের শত শত নারী-পুরুষ শোক মিছিল ও মাতমে অংশ নেন। ইয়া হোসাইন, ইয়া হোসাইন ধ্বনিতে শোকাবহ পরিবেশ সৃষ্টি হয়। অনেককে শরীরে ব্লেড দিয়ে আঘাত করে রক্ত ঝরিয়ে মাতম করতে দেখা যায়। রাত ২টার দিকে হোসাইনি দালানের উত্তর ফটক থেকে শোক মিছিল বের হয়ে পুরান ঢাকার বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ করে। অংশগ্রহণকারীদের হাতে কালো ব্যানার, লাল-সবুজ নিশান, বেহেস্তা, পাঞ্জা আলমসহ বিভিন্ন শোকের প্রতীক দেখা যায়। শিয়া সম্প্রদায়ের পাশাপাশি সাধারণ মানুষও এ শোকানুষ্ঠান প্রত্যক্ষ করেন। আয়োজকরা জানান, শুক্রবার সকাল ১০টায় হোসাইনি দালান থেকে মূল তাজিয়া মিছিল শুরু হবে। বিভিন্ন ইমামবাড়া থেকে শোভাযাত্রা নিয়ে অংশগ্রহণকারীরা সেখানে যোগ দেবেন এবং মিছিলটি ধানমন্ডির জিগাতলা মোড় পর্যন্ত যাবে। ইসলামী ইতিহাস অনুযায়ী, আশুরার দিন আল্লাহ তাআলা হজরত মুসা (আ.) ও বনি ইসরাইলকে ফেরাউনের অত্যাচার থেকে মুক্তি দেন এবং হজরত মুহাম্মদ (সা.)-এর মদিনায় হিজরতের ঘটনাও এ দিনের সঙ্গে সম্পর্কিত। একই দিনে কারবালায় ইয়াজিদের বাহিনীর হাতে ইমাম হোসাইন (রা.) তাঁর ৭৭ জন সঙ্গীসহ শাহাদাত বরণ করেন, যা ইসলামের ইতিহাসের অন্যতম শোকাবহ অধ্যায়।

সংস্কার/ইএমই

সম্পর্কিত খবর