আল— হজ্ব : ৩০ থেকে ৩৯
আল কুরআন (আল— হজ্ব : ৩০ থেকে ৩৯) ৩০. এগুলো (হজ্বের বিধান)। এ ছাড়া যে, আল্লাহ এবং পবিত্র (স্থান ও অনুষ্ঠান) সমূহের প্রতি সম্মান দেখাবে, তার প্রভ...
বিস্তারিতনবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন
সাঈদ ইবনু আবদুর রহমান মাখযূমী রা. আব্বাদ ইবনু তামীম তৎপিতৃব্য আবদুল্লাহ্ ইবনু যায়দ রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত যে, তিনি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয...
বিস্তারিতবাংলাদেশের ইতিহাসে আরেকটি অন্তর্বর্তীকালীন সরকার গঠিত হলো
নোবেল বিজয়ী প্রফেসর ড. মুহাম্মদ ইউনুস এর নেতৃত্বে বাংলাদেশের ইতিহাসে আরেকটি অন্তর্বর্তীকালীন সরকার গঠিত হলো। নিঃসন্দেহে এই সরকার একটি বিপ্লবোত্তর সরক...
বিস্তারিত
ছবি : সংগৃহীত
সংস্কার ০২ ডিসেম্বর ২০২৫: উখিয়া ও টেকনাফ সীমান্তে সাম্প্রতিক দিনে আবারও রোহিঙ্গাদের প্রবেশের ঘটনা সামনে এসেছে, যা সীমান্তাঞ্চলের মানুষের মধ্যে নতুন করে উদ্বেগ ও অস্বস্তি তৈরি করেছে। স্থানীয়রা জানাচ্ছেন, ধারাবাহিকভাবে নতুন করে দলে দলে রোহিঙ্গা সীমান্ত অতিক্রম করায় পরিস্থিতি নিয়ে বিরূপ প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি হচ্ছে। মাঠপর্যায়ের তথ্য অনুযায়ী, গতকাল রোববার ১ ডিসেম্বর ২০২৫ ভোর ৬টা থেকে সাড়ে ৮টার মধ্যে উখিয়ার পালংখালী ইউনিয়নের আঞ্জুমানপাড়া পয়েন্ট এবং টেকনাফের হোয়াইক্যং ইউনিয়নের উলুবনিয়া সীমান্তপথ দিয়ে সাতটি পরিবারের মোট ২৪ জন রোহিঙ্গা ঢুকে পড়ে। এদের মধ্যে ৭ জন পুরুষ, ৫ নারী এবং ১২ জন শিশু রয়েছে বলে জানা গেছে। স্থানীয় সূত্রের দাবি, নতুন অনুপ্রবেশে দালালচক্রের সক্রিয় ভূমিকা রয়েছে। সীমান্তজুড়ে বিভিন্ন জায়গায় অবস্থান নিয়ে এসব দালাল রোহিঙ্গাদের কাছ থেকে অর্থ আদায় করে নিরাপদে পারাপারের ব্যবস্থা করে দিচ্ছে। এমনকি সীমান্তরক্ষীদের একটি অংশও এতে যুক্ত থাকতে পারে বলে অভিযোগ তুলেছেন কয়েকজন সীমান্তঘেঁষা বাসিন্দা।
বাংলাদেশে ঢোকার পর রোহিঙ্গারা কোনো বাধা ছাড়াই ক্যাম্প-১৩ এর জি/৩ ব্লকসহ ক্যাম্প-১৯ এর এ/১৬, বি/১৩ ও ৬ নম্বর ব্লকে থাকা তাদের আত্মীয়দের কাছে আশ্রয় নিয়েছে বলে অনুসন্ধানে পাওয়া গেছে। এতে অনুপ্রবেশ ঠেকাতে কার্যকর পদক্ষেপের অভাব স্পষ্ট হয়ে উঠছে। স্থানীয় জনগণ বলছে, দীর্ঘ আট বছরে প্রত্যাবাসন প্রক্রিয়ায় কোনো অগ্রগতি হয়নি; বরং নতুন করে রোহিঙ্গাদের আগমন থামছে না। এই পরিস্থিতি উখিয়া–টেকনাফ অঞ্চলের সামাজিক স্থিতি, নিরাপত্তা, পরিবেশ ও জীববৈচিত্র্যের ওপর বিরূপ প্রভাব ফেলছে। একজন স্থানীয় স্কুলশিক্ষক জানান, সীমান্তরক্ষী বাহিনীকে আরও সজাগ না করলে দেশের সার্বিক নিরাপত্তা ঝুঁকিতে পড়তে পারে। তার ভাষায়, নতুন রোহিঙ্গা আসা বন্ধ করতে হলে কঠোর নজরদারি জরুরি, নয়তো পরিস্থিতি মারাত্মক আকার ধারণ করবে।
বালুখালীর বাসিন্দা ওসমান গণি বলেন, আট বছর ধরে একজনকেও মিয়ানমার ফেরত পাঠানো যায়নি, অথচ নতুন অনুপ্রবেশ প্রতিদিনই হচ্ছে। মিয়ানমারে পরিস্থিতি সামান্য খারাপ হলেই তারা সীমান্ত পার হয়ে আসে। আন্তর্জাতিক মহল জানলেও দ্রুত কোনো উদ্যোগ নেই। আরেক স্থানীয় বাসিন্দা বেদার উদ্দিন জানান, রোহিঙ্গাদের জন্য স্থায়ী স্থাপনা নির্মাণের উদ্যোগের খবর ছড়িয়ে পড়ায় তারা আরও উৎসাহিত হচ্ছে। এতে প্রত্যাবাসন প্রক্রিয়া আরও ধীরগতি হবে বলে তিনি আশঙ্কা করছেন। পালংখালী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান এম এ গফুর উদ্দিন মনে করেন, রোহিঙ্গারা আসতেই আছে, কিন্তু দেশে ফেরার কোনো লক্ষণ নেই। দীর্ঘ সময়েও স্বেচ্ছায় কেউ ফিরে না যাওয়ায় এর সব দায়ভার স্থানীয় জনগণকেই বইতে হচ্ছে। তাই সীমান্ত নিরাপত্তা আরও জোরদার করার প্রয়োজনীয়তার কথা তিনি উল্লেখ করেন। কক্সবাজার শরণার্থী, ত্রাণ ও প্রত্যাবাসন কমিশনারের কার্যালয়ের ১৩ ও ১৯ নম্বর ক্যাম্পের ইনচার্জ সিনিয়র সহকারী সচিব আল ইমরান জানান, নতুন অনুপ্রবেশের বিষয়ে তিনি অবগত হয়েছেন এবং এ সংক্রান্ত বার্তাও পেয়েছেন। তিনি আরও বলেন, আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে ইতিমধ্যে সজাগ থাকতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। যদিও নতুন প্রবেশকারীরা কোন ক্যাম্পে অবস্থান করছে তা এখনো নিশ্চিতভাবে জানা যায়নি, বিষয়টি তদন্তাধীন রয়েছে এবং শিগগিরই সব তথ্য পাওয়া যাবে।
সংস্কার/ইএফহ
আজ পহেলা বৈশাখ। জীর্ণ-পুরাতনকে পেছনে ফেলে নতুনের প্রত্যাশা নিয়ে শুরু হলো বাংলা নববর্ষ ১৪৩৩। ঋতুচক্রের আবর্তনে আগত এই দিনটি বাঙালির হাজার বছরের ইতিহাস, ঐতিহ্য ও সংস্কৃতির এক মিলনমেলায় পরিণত হয়েছে। জাতি, ধর্ম ও বর্ণের ঊর্ধ্বে উঠে নতুন আশা ও ঐক্যের বার্তা নিয়ে এসেছে নতুন বছর।
সংস্কার নিয়ে রাজনৈতিক মতবিরোধের মধ্যেই অন্তর্বর্তী সরকারের জারি করা ১৩৩টি অধ্যাদেশের মধ্যে ২০টি আইনে রূপ না পেয়ে স্বয়ংক্রিয়ভাবে কার্যকারিতা হারিয়েছে। এসব অধ্যাদেশের মধ্যে গণভোট, দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক), জাতীয় মানবাধিকার কমিশন, গুম প্রতিরোধ, তথ্য অধিকার এবং রাজস্ব ব্যবস্থাপনা সংক্রান্ত
অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের জারি করা অধ্যাদেশগুলোকে আইনে রূপ দিতে জাতীয় সংসদে আজ মোট ২০টি বিল পাস হয়েছে। এর মধ্যে সকালে অনুষ্ঠিত অধিবেশনে ১০টি বিল পাস হয়। ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশনের ১৩তম দিনের সকালের বৈঠকে উত্থাপিত বিলগুলোর ওপর কোনো সংশোধনী প্রস্তা
স্থগিত থাকা শেরপুর-৩ আসনের জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিএনপির প্রার্থী মাহমুদুল হক রুবেল বিপুল ভোটে জয়ী হয়েছেন। ধানের শীষ প্রতীক নিয়ে তিনি পেয়েছেন ১ লাখ ৬৬ হাজার ১১৭ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াতের প্রার্থী মাসুদুর রহমান দাঁড়িপাল্লা প্রতীক নিয়ে পেয়েছেন ৪৭ হাজার ৫১ ভোট।