আল— হজ্ব : ৩০ থেকে ৩৯
আল কুরআন (আল— হজ্ব : ৩০ থেকে ৩৯) ৩০. এগুলো (হজ্বের বিধান)। এ ছাড়া যে, আল্লাহ এবং পবিত্র (স্থান ও অনুষ্ঠান) সমূহের প্রতি সম্মান দেখাবে, তার প্রভ...
বিস্তারিতনবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন
সাঈদ ইবনু আবদুর রহমান মাখযূমী রা. আব্বাদ ইবনু তামীম তৎপিতৃব্য আবদুল্লাহ্ ইবনু যায়দ রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত যে, তিনি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয...
বিস্তারিতবাংলাদেশের ইতিহাসে আরেকটি অন্তর্বর্তীকালীন সরকার গঠিত হলো
নোবেল বিজয়ী প্রফেসর ড. মুহাম্মদ ইউনুস এর নেতৃত্বে বাংলাদেশের ইতিহাসে আরেকটি অন্তর্বর্তীকালীন সরকার গঠিত হলো। নিঃসন্দেহে এই সরকার একটি বিপ্লবোত্তর সরক...
বিস্তারিতসুপ্রিয় অংকুর বন্ধুরা!
আসসালামু আলাইকুম। আশা করি আল্লাহর অশেষ মেহেরবাণীতে
পরিবারের সবাইকে নিয়ে ভাল আছো। ছোট্ট বন্ধুরা! তোমরা কি জানো বাংলা নববর্ষ কিভাবে
এলো? এক সময় এই উপ-মহাদেশ শাসন
করতো মুঘল সম্রাটরা। তাদেরই একজন সম্রাট আকবর। জালালুদ্দীন আকবর। তার কিছু সভাসদ
ছিল। তখন দিন মাস, বছর গণনা করা হত
হিজরী সন হিসেবে। চান্দ্র বছর সৌর বছরের তুলনায় ১১/১২ দিন কম হয়। তাই বাংলার
কৃষকদের ফসল তোলা এবং কৃষি কার্যের সুবিধার্থে ঋতুর হিসাব ঠিক রাখার প্রয়োজন হয়।
সম্রাট আকবর তার সভাসদ জোতির্বিজ্ঞানী ফতেহ উলাহ সিরাজীকে এ নিয়ে গবেষণা
করে একটি সমাধান বের করতে বলেন। তিনি হিজরী সনকে মূল ধরে বাংলা সনের প্রচলনের
প্রস্তাব দেন। সম্রাট আকবর তা তার সাম্রাজ্যে আরোপ করেন। বাংলা সন বা ফসলি সন
প্রবর্তিত হয় ১৫৮৪ সালের ১০ মার্চ। সেটি ছিল হিজরী ৯৬৩ সাল। বাংলা সনকে ৯৬৩ সাল
ধরে বঙ্গাব্দ গণনা শুরু করা হয়। সেই সময়ের প্রথম মাস হিসেব বৈশাখকে নির্ধারণ করা
হয়। শুরু হল বাংলা সন। নববর্ষ। পহেলা বৈশাখ। তবে পহেলা বৈশাখ উদযাপনটা তখন এমন ঘটা
করে ছিলনা। ছায়ানট ১৯৬৫ সালের ১৪ এপ্রিল (১ বৈশাখ, বাংলা ১৩৭২ সন) রমনার বটমূলে প্রথম অনুষ্ঠান করে। এর পর ১৯৭২ সালে পহেলা বৈশাখ
বাংলাদেশের একটি জাতীয় উৎসবে রূপান্তরিত হয়। দিনটি সরকারী ছুটি। এদিনে মুসলিমদের
এই দেশে পহেলা বৈশাখ উদযাপনের নামে কিছু হিন্দু সংস্কৃতি ঢুকিয়ে দেয়া হয়েছে। এসব
থেকে আমাদের বেরিয়ে আসতে হবে। তোমরা বড় হয়ে এ ব্যাপারে আরো অনেক কিছু জানতে পারবে। আমাদের উচিৎ বিগত বছরের ভুলত্র“টির জন্য আল্লাহর কাছে ক্ষমা চাওয়া। নতুন বছর ভালো ভালোয়
কাটানোরা জন্য তার তাওফীক কামনা করা। আল্লাহ আমাদের সহায়। আমীন।
-ভাইয়া