১৬ অক্টোবরঃ পাকিস্তানের প্রথম প্রধানমন্ত্রী নওয়াবজাদা লিয়াকত আলী খান ১৯৫১ সালের ১৬ অক্টোবর রাওয়ালপিন্ডিতে এক জনসমাবেশে বক্তৃতা দানকালে আততায়ীর গুলিতে নিহত হন। ত্রিশের দশকের প্রথম দিকে কায়দে আজম মোহাম্মদ আলী জিন্নাহ ভারতবর্ষের তদানীন্তন রাজনৈতিক পরিস্থিতিতে নিরাশ হয়ে যখন লন্ডনে স্বেচ্ছা নির্বাসিত জীনব যাপন করছিলেন সে সময় কায়দে আজমকে দেশে ফিরে এসে নিখিল ভারত মুসলিম লীগের নেতৃত্ব গ্রহণের ব্যাপারে যারা অগ্রণী ভূমিকা রাখেন তাদের মধ্যে লিয়াকত আলী খান অন্যতম।
বিস্তারিত২৩ অক্টোবরঃ দেশ ভিত্তিক জাতীয়তাবাদের অন্যতম প্রবক্তা বাংলাদেশী জাতীয়তাবাদের তাত্ত্বিক জনক, খ্যাতনামা সাংবাদিক, রাজনীতিবিদ খন্দকর আব্দুল হামিদ ১৯৮৩ সালের ২৩ অক্টোবর ঢাকায় ইন্তেকাল করেন। ১৯১৮ সালের ১ মার্চ শেরপুর শহরে জন্মগ্রহণকারী জনাব হামিদ ১৯৪০ এ কলিকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্নাতক ডিগ্রী অর্জন করে সাংবাদিকতার মাধ্যমে কর্মজীবনে প্রবেশ করেন।
বিস্তারিত৩ এপ্রিলঃ বিশিষ্ট আইনজ্ঞ, দক্ষ ও নির্ভীক, দূরদর্শী বুদ্ধিজীবী বিচারপতি সৈয়দ মাহবুব মোর্শেদ ১৯৭৯ সালের ৩ এপ্রিল ঢাকায় ইন্তেকাল করেন। তিনি ১৯১১ সালের ১১ ফেব্র“য়ারী পশ্চিমবঙ্গের মুর্শিদাবাদে এক সম্ভ্রান্ত পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন। সৈয়দ মাহবুব মোর্শেদ ১৯৩৩ সালে প্রথম শ্রেণীতে এল এ
বিস্তারিতএ ই মা সে স্মরণীয় বরণীর এপ্রিল ২০১৯ সৈয়দ মাহবুর মোর্শেদেও ইন্তেকাল ৩ এপ্রিলঃ বিশিষ্ট আইনজ্ঞ, দক্ষ ও নির্ভীক, দূরদর্শী বুদ্ধিজীবী বিচারপতি সৈয়দ মাহবুব মোর্শেদ ১৯৭৯ সালের ৩ এপ্রিল ঢাকায় ইন্তেকাল করেন। তিনি ১৯১১ সালের ১১ ফেব্র“য়ারী পশ্চিমবঙ্গের মুর্শিদাবাদে এক সম্ভ্রান্ত পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন। সৈয়দ মাহবুব মোর্শেদ ১৯৩৩ সালে প্রথম শ্রেণীতে এল এল বি এবং ১৯৩৯ সালে ব্যারিষ্টারী ডিগ্রী লাভ করে কলকাতা হাইকোর্টে আইন ব্যবসার মাধ্যমে কর্মজীবনে প্রবেশ করেন। ১৯৫১ সালে তিনি ঢাকা হাইকোর্টে যোগদান করেন। ১৯৫২ সালের ভাষা আন্দোলন এবং ১৯৫৪ সালের যুক্তফ্রন্ট নির্বাচনে তিনি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন। ১৯৫৫ সালে সরকার তাকে ঢাকা হাইকোর্টের বিচারপতি নিযুক্ত করে। ১৯৬৫ সালে তিনি পদত্যাগ করেন ও ১৯৬৮ সালে আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলায় অভিযুক্তদের পক্ষসমর্থন করেন এবং ১৯৬৯ সালের গণঅভ্যুত্থানে সক্রিয় অংশ নেন । এই মনীষীর অবদান জাতি যুগ যুগ ধরে স্মরণ করবে। এম মোহাইমিনের ইন্তেকাল
বিস্তারিতনারী সমাজকে যিনি জ্ঞানের আলো, জাগরণের মন্ত্র এবং উজ্জীবনের উৎসাহ দিয়ে অন্ধকার থেকে আলোয় আনার কান্ডারী ভূমিকা পালন করেছেন তিনি হলেন বেগম শামসুন নাহার মাহমুদ। এ মনীষী ১৯৬৪ সালে ১০ এপ্রিল ঢাকায় ইন্তেকাল করেন। ১৯০৮ সালে ফেনী জেলার গুথুমা গ্রামের এক ঐতিহ্যবাহী মুসলিম পরিবারে তার জন্ম। প্রাথমিক শিক্ষা অর্জনের
বিস্তারিত২৪ এপ্রিলঃ বিশিষ্ট সমাজসেবী, দানবীর বিদ্যুৎসাহী টাঙ্গাইলের ওয়াজেদ আলী খান পন্নী ১৩৪৩ বাংলা সালের ১২ বৈশাখ ইন্তেকাল করেন। ১২৭৬ বাংলা সালে তিনি জন্মগ্রহণ করেন। মাতৃভাষা বাংলা ছাড়াও আরবী, ফারসী, উর্দু ও ইংরেজীতে তিনি প্রগাঢ় জ্ঞান লাভ করেন। তিনি তদানিন্তন বৃহত্তর ময়মনসিংহ জেলার কংগ্রেস ও খেলাফত কমিটির সভাপতি নিযুক্ত হন। পরাধীন ভারতকে ইংরেজ শাসনমুক্ত করার প্রত্যয়ে গান্ধী সূচীত অসহযোগ আন্দোলনে ভূমিকা রাখতে গিয়ে তিনি ১৯২১ সালে
বিস্তারিতমৌলভী মুজিবুর রহমানের ইন্তেকাল ২৬ এপ্রিলঃ বিশিষ্ট সাংবাদিক, সাহিত্যিক ও সমাজসেবক মৌলভী মুজিবুর রহমান ১৯৪০ সালের ২৬ এপ্রিল ইন্তেকাল করেন। চব্বিশ পরগণা জেলার বশিরহাটের নেহালপুরে ১৮৭৩ সালের ২২ জানুয়ারী তিনি জন্মগ্রহণ করেন। তিনি এন্ট্রাস পাস করে কলকাতা প্রেসিডেন্সি কলেজে এফএ পর্যন্ত অধ্যায়ন শেষে সরকারী চাকুরী ও কিছুদিন ব্যবসা করার পর সাংবাদিকতায় নিয়োজিত হন। কলকাতার সাপ্তাহিক ইসলাম রবিতে ক’বছর সম্পাদকের দায়িত্ব পালন করেন।
বিস্তারিতজেনারেল আতাউল গণী ওসমানী ১৯১৮ সালের ১ সেপ্টেম্বর পিতার কর্মস্থল সুনামগঞ্জে জন্মগ্রহণ করেন। ওসমানীর মাতা ও পিতা যথাক্রমে জাবেদা খাতুন ও খান বাহাদুর মফিজুর রহমান। স্কুলে বাল্য শিক্ষা লাভের পর গভর্নমেন্ট হাইস্কুল থেকে কৃতিত্বের সাথে ওসমানী ম্যাট্রিক পাস করেন। এরপর তিনি ১৯৩৪ সালে আলীগড় মুসলিম বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হন। ১৯৩৮ সালে তিনি মাস্টার্স ডিগ্রীর প্রাথমিক পর্যায়ের পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হন। ওসমানী নিজ মেধা বলে ১৯৩৯ সালে ক্যাডেট হিসেবে ব্রিটিশ ভারতীয় সেনাবাহিনীতে যোগদান করেন। ১৯৪৮ সালে তিনি পিএইচডি ডিগ্রী লাভ করেন।
বিস্তারিত