অনুসরন করুন :
আল-কুরআন

আল— হজ্ব : ৩০ থেকে ৩৯

আল কুরআন (আল— হজ্ব : ৩০ থেকে ৩৯) ৩০. এগুলো (হজ্বের বিধান)। এ ছাড়া যে, আল্লাহ এবং পবিত্র (স্থান ও অনুষ্ঠান) সমূহের প্রতি সম্মান দেখাবে, তার প্রভ...

বিস্তারিত
আল-হাদীস

নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন

সাঈদ ইবনু আবদুর রহমান মাখযূমী রা. আব্বাদ ইবনু তামীম তৎপিতৃব্য আবদুল্লাহ্ ইবনু যায়দ রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত যে, তিনি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয...

বিস্তারিত
সম্পাদকীয়

বাংলাদেশের ইতিহাসে আরেকটি অন্তর্বর্তীকালীন সরকার গঠিত হলো

নোবেল বিজয়ী প্রফেসর ড. মুহাম্মদ ইউনুস এর নেতৃত্বে বাংলাদেশের ইতিহাসে আরেকটি অন্তর্বর্তীকালীন সরকার গঠিত হলো। নিঃসন্দেহে এই সরকার একটি বিপ্লবোত্তর সরক...

বিস্তারিত

৯.৩০ লাখ কোটি টাকার বিশাল বাজেট : ১১ খাতে অগ্রাধিকার

ছবি : সংগৃহীত

সংস্কার ১৭ এপ্রিল ২০২৬ শুক্রবার: আসন্ন ২০২৬২৭ অর্থবছরের জন্য দেশের ইতিহাসে সর্ববৃহৎ ৯ লাখ ৩০ হাজার কোটি টাকার বাজেট প্রস্তাব করতে যাচ্ছে সরকার। এটি আগের অর্থবছরের তুলনায় প্রায় ২৫ শতাংশ বা ১ লাখ ৪০ হাজার কোটি টাকা বেশি। বৈশ্বিক অর্থনৈতিক অনিশ্চয়তা, মূল্যস্ফীতি ও অভ্যন্তরীণ চাপ মোকাবিলায় কল্যাণমুখী ও টেকসই অর্থনীতি গড়ার লক্ষ্য নিয়ে বাজেটটি প্রস্তুত করা হচ্ছে।

প্রস্তাবিত বাজেটে জিডিপি প্রবৃদ্ধি ৬.৫ শতাংশে উন্নীত এবং মূল্যস্ফীতি ৭.৫ শতাংশে নামিয়ে আনার লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে। মোট দেশজ উৎপাদন ধরা হয়েছে ৬৮ লাখ ৩১ হাজার ৬৩৩ কোটি টাকা। তবে মধ্যপ্রাচ্যের অস্থিতিশীলতা ও জ্বালানি সংকটের কারণে মূল্যস্ফীতি আরও বাড়ার ঝুঁকি রয়েছে।

এনবিআরকে চলতি বছরের তুলনায় অতিরিক্ত ১ লাখ কোটি টাকা রাজস্ব আদায়ের লক্ষ্য দেওয়া হয়েছে, যা বড় চ্যালেঞ্জ হিসেবে দেখছেন অর্থনীতিবিদরা।

নতুন বাজেটে ১১টি খাতকে অগ্রাধিকার দেওয়া হয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে কর্মসংস্থান সৃষ্টি, উদ্যোক্তা উন্নয়ন, দক্ষ মানবসম্পদ গড়ে তোলা, দেশীয় ও প্রবাসী শ্রমবাজার সম্প্রসারণ এবং তরুণদের উদ্যোক্তা হিসেবে গড়ে তুলতে প্রণোদনা। পাশাপাশি বড় প্রকল্পে বিনিয়োগ বাড়ানো, মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণ এবং সামষ্টিক অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা বজায় রাখতে নীতি ও আর্থিক শৃঙ্খলা জোরদার করা হবে।

এছাড়া সামাজিক নিরাপত্তা, স্বাস্থ্যসেবা সম্প্রসারণ, খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণ এবং নির্বাচনি ইশতেহার বাস্তবায়ন বাজেটের গুরুত্বপূর্ণ লক্ষ্য হিসেবে রাখা হয়েছে। দীর্ঘমেয়াদে ২০৩৪ সালের মধ্যে অর্থনীতিকে এক ট্রিলিয়ন ডলারে উন্নীত করার পরিকল্পনাও এতে অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। এজন্য গবেষণা, উদ্ভাবন, প্রযুক্তিনির্ভর শিল্প এবং সৃজনশীল অর্থনীতিতে বিনিয়োগ বাড়ানোর উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে। একই সঙ্গে আর্থিক খাত সংস্কার, ব্যাংকিং শৃঙ্খলা এবং জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবিলায় টেকসই প্রকল্পে গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে।

সম্প্রতি অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এক সভায় এই বাজেটের প্রাক্কলন উপস্থাপন করা হয়। এতে ফ্যামিলি কার্ড ও কৃষক কার্ডের মতো কল্যাণমূলক কর্মসূচিকেও অগ্রাধিকার দেওয়া হয়েছে।

প্রস্তাবিত বাজেটে ঘাটতি ধরা হয়েছে ২ লাখ ৩৫ হাজার কোটি টাকা, যা জিডিপির ৩.৪ শতাংশ। এ ঘাটতি মেটাতে ব্যাংক ও সঞ্চয়পত্র থেকে ১ লাখ ১৯ হাজার কোটি টাকা এবং বৈদেশিক উৎস থেকে ১ লাখ ১৬ হাজার কোটি টাকা ঋণ নেওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে। সুদ পরিশোধে ব্যয় ধরা হয়েছে ১ লাখ ২৭ হাজার কোটি টাকাএর মধ্যে অভ্যন্তরীণ ঋণে ১ লাখ ৫ হাজার কোটি এবং বৈদেশিক ঋণে ২২ হাজার ৫০০ কোটি টাকা।

সাবেক অর্থসচিব মাহবুব আহমেদ বলেন, উন্নয়নশীল দেশের জন্য বাজেটের আকার জিডিপির অন্তত ২৫ শতাংশ হওয়া উচিত হলেও বাস্তবে এত রাজস্ব সংগ্রহ করা কঠিন। তাই বড় অঙ্কের ঋণের ওপর নির্ভর করতে হবে এবং ব্যয়ের ক্ষেত্রে দক্ষতা নিশ্চিত করা বড় চ্যালেঞ্জ।

জানা গেছে, বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচির (এডিপি) বরাদ্দ ৫০ শতাংশ বাড়িয়ে ৩ লাখ কোটি টাকায় উন্নীত করার পরিকল্পনা রয়েছে, যা সরকারি বিনিয়োগ ও কর্মসংস্থান বাড়াতে সহায়ক হবে। আগামী বাজেটে মোট বিনিয়োগ জিডিপির ৩১.৪ শতাংশে উন্নীত করার লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে।

অন্যদিকে, আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের শর্ত থাকা সত্ত্বেও মধ্যপ্রাচ্য সংকটের কারণে ভর্তুকি বাড়তে পারে। বিদ্যুৎ খাতে ৩৭ হাজার কোটি, এলএনজিতে ৬ হাজার ৫০০ কোটি, সারে ২৭ হাজার কোটি এবং খাদ্য সহায়তায় ৯ হাজার ৬০০ কোটি টাকাসহ মোট ভর্তুকি, প্রণোদনা ও নগদ ঋণে ১ লাখ ১৬ হাজার ১২৫ কোটি টাকা বরাদ্দের পরিকল্পনা রয়েছে, যা চলতি অর্থবছরের তুলনায় বেশি।

সংস্কার/ইএমই

সম্পর্কিত খবর

ইসলামী ব্যাংককে ৬ হাজার ৫০০ কোটির সহায়তা বাংলাদেশ ব্যাংকের

তারল্য সংকট মোকাবিলা এবং গ্রাহকদের স্বাভাবিক ব্যাংকিং সেবা নিশ্চিত করতে ইসলামী ব্যাংক বাংলাদেশ পিএলসিকে আরও ১ হাজার ৫০০ কোটি টাকা ঋণ দিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক। বুধবার দেওয়া এই সহায়তাসহ গত তিন দিনে কেন্দ্রীয় ব্যাংক থেকে মোট ৬ হাজার ৫০০ কোটি টাকা ঋণ পেয়েছে দেশের বৃহত্তম শরিয়াহভিত্তিক ব্যাংকটি।

ইসলামী ব্যাংকে আস্থা ফিরছে : কমছে টাকা উত্তোলনের চাপ

ইসলামী ব্যাংকের চেয়ারম্যানসহ পুরো পরিচালনা পর্ষদ বাতিলের পর ব্যাংকটির কার্যক্রম ধীরে ধীরে স্বাভাবিক হতে শুরু করেছে। কয়েক দিন ধরে গ্রাহকদের মধ্যে থাকা উদ্বেগ অনেকটাই কমেছে। ফলে নগদ অর্থ উত্তোলনের চাপ কমার পাশাপাশি আবারও মেয়াদি আমানত (এফডিআর/এমটিডিআর) হিসাব চালু করতে আগ্রহ দেখাচ্ছেন

ইসলামী ব্যাংকে নিরপেক্ষ বোর্ডের আশ্বাস : সৎ ও গ্রহণযোগ্য পর্ষদ চায় গ্রাহকরা

ইসলামী ব্যাংকে সম্পূর্ণ নিরপেক্ষ পরিচালনা পর্ষদ গঠনের প্রক্রিয়া চলছে বলে জানিয়েছেন ব্যাংকের নবনিযুক্ত প্রশাসক মোহাম্মদ জহির হোসেন। দায়িত্ব গ্রহণের পর সাংবাদিকদের তিনি বলেন, সীমিত সময়ের জন্য প্রশাসক হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন এবং নিরপেক্ষ ব্যক্তিদের নিয়ে পরিচালনা পর্ষদ গঠনের উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে।

ইসলামী ব্যাংকের পরিচালনা পর্ষদ বাতিল : দায়িত্বে বাংলাদেশ ব্যাংকের পরিচালক

আমানতকারীদের স্বার্থ, ব্যাংকের স্থিতিশীলতা এবং জনস্বার্থ বিবেচনায় ইসলামী ব্যাংক বাংলাদেশ পিএলসির পরিচালনা পর্ষদ ভেঙে দিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক। একই সঙ্গে চেয়ারম্যান মো. খুরশীদ আলমসহ সব পরিচালকের নিয়োগ বাতিল করা হয়েছে। পর্ষদের সব ক্ষমতা ও দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্বাহী পরিচালক