আল— হজ্ব : ৩০ থেকে ৩৯
আল কুরআন (আল— হজ্ব : ৩০ থেকে ৩৯) ৩০. এগুলো (হজ্বের বিধান)। এ ছাড়া যে, আল্লাহ এবং পবিত্র (স্থান ও অনুষ্ঠান) সমূহের প্রতি সম্মান দেখাবে, তার প্রভ...
বিস্তারিতনবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন
সাঈদ ইবনু আবদুর রহমান মাখযূমী রা. আব্বাদ ইবনু তামীম তৎপিতৃব্য আবদুল্লাহ্ ইবনু যায়দ রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত যে, তিনি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয...
বিস্তারিতবাংলাদেশের ইতিহাসে আরেকটি অন্তর্বর্তীকালীন সরকার গঠিত হলো
নোবেল বিজয়ী প্রফেসর ড. মুহাম্মদ ইউনুস এর নেতৃত্বে বাংলাদেশের ইতিহাসে আরেকটি অন্তর্বর্তীকালীন সরকার গঠিত হলো। নিঃসন্দেহে এই সরকার একটি বিপ্লবোত্তর সরক...
বিস্তারিত
ছবি : সংগৃহীত
সংস্কার ১৭ এপ্রিল ২০২৬ শুক্রবার: ২০২৬-২৭ অর্থবছরের বাজেটে বিদ্যমান সারচার্জ তুলে দিয়ে ‘সম্পদ কর’ চালুর পরিকল্পনা করছে সরকার। নতুন এই ব্যবস্থায় জমির দলিলমূল্যের পরিবর্তে বাজারমূল্য বা মৌজামূল্যের ভিত্তিতে কর নির্ধারণ করা হবে। মূলত রাজধানীর গুলশান, বনানী, ধানমন্ডি, বারিধারা এবং চট্টগ্রামের খুলশী ও আগ্রাবাদের মতো উচ্চসম্পদশালী এলাকার বাসিন্দাদের করের আওতায় আনতেই এ উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে। জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর) মনে করছে, এতে কর ব্যবস্থায় ন্যায্যতা বাড়বে এবং বৈষম্য কমবে। ইতোমধ্যে সম্পদ কর আইন ও বিধিমালার খসড়া প্রস্তুত করা হয়েছে।
বর্তমান আয়কর আইনে, কোনো ব্যক্তির স্থাবর ও অস্থাবর সম্পদের মূল্য ৪ কোটি টাকার বেশি হলে সারচার্জ দিতে হয়। এছাড়া একাধিক গাড়ি বা ৮ হাজার বর্গফুটের বেশি আয়তনের বাড়ি থাকলেও সারচার্জ প্রযোজ্য। সম্পদের পরিমাণ অনুযায়ী সারচার্জের হার ১০ থেকে ৩৫ শতাংশ পর্যন্ত, যা প্রদেয় আয়করের ওপর হিসাব করা হয়।
উদাহরণ হিসেবে, ৫ কোটি টাকার সম্পদধারী কোনো ব্যক্তি যদি বছরে ১ লাখ টাকা আয়কর দেন, তাহলে তাকে অতিরিক্ত ১০ শতাংশ হারে ১০ হাজার টাকা সারচার্জ দিতে হয়।
এনবিআরের তথ্যমতে, চলতি অর্থবছরের ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত ২৯৬ কোটি টাকা সারচার্জ আদায় হয়েছে। ২০২২-২৩ অর্থবছরে ৫০ হাজার ৫৩ জন করদাতা ৬৯৫ কোটি ৯৩ লাখ টাকা, ২০২১-২২ সালে ১৪ হাজার ৮৫৪ জন ৬২৬ কোটি ৩৫ লাখ টাকা এবং ২০২০-২১ সালে ১৪ হাজার ৯১৯ জন ৫৯৯ কোটি ৩১ লাখ টাকা সারচার্জ দিয়েছেন। চলতি অর্থবছরে এ পরিমাণ ১ হাজার কোটি টাকা ছাড়াতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
নতুন সম্পদ কর ব্যবস্থায় সম্পদের সীমা অপরিবর্তিত থাকলেও কর নির্ধারণ পদ্ধতি বদলাবে। ৪ থেকে ১০ কোটি টাকার মধ্যে সম্পদ থাকলে ০.৫০ শতাংশ, ১০ থেকে ২০ কোটিতে ১ শতাংশ, ২০ থেকে ৫০ কোটিতে ১.৫০ শতাংশ এবং ৫০ কোটির বেশি হলে ২ শতাংশ হারে সম্পদ কর দিতে হবে। তবে এই কর কোনোভাবেই প্রদেয় আয়করের চেয়ে বেশি হবে না।
উদাহরণ হিসেবে, ৬ কোটি টাকার সম্পদ থাকলে ০.৫০ শতাংশ হিসাবে ৩ লাখ টাকা সম্পদ কর হওয়ার কথা। কিন্তু যদি ওই ব্যক্তির আয়কর ১ লাখ টাকা হয়, তাহলে তার সম্পদ করও ১ লাখ টাকায় সীমাবদ্ধ থাকবে। ফলে তাকে মোট ২ লাখ টাকা (আয়কর ও সম্পদ কর) পরিশোধ করতে হবে এবং সারচার্জ আর দিতে হবে না।
বাজেট সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, রাজস্ব বাড়ানো ও প্রগতিশীল কর ব্যবস্থা চালুর মাধ্যমে বৈষম্য কমাতে এই পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। সরকারের অনুমোদন পেলে এটি আইন হিসেবে বাজেটে অন্তর্ভুক্ত করা হবে।
বিশেষজ্ঞরা বলছেন, উন্নত দেশগুলোতে সম্পদ কর প্রচলিত রয়েছে এবং জিডিপির একটি উল্লেখযোগ্য অংশ এ খাত থেকে আসে। যেমন যুক্তরাষ্ট্রে ৩ শতাংশ, যুক্তরাজ্যে ৪.২০ শতাংশ, কানাডায় ৩.১০ শতাংশ, ফ্রান্স ও দক্ষিণ কোরিয়ায় ৪ শতাংশ, জাপানে ২.৮০ শতাংশ, স্পেনে ২.৫০ শতাংশ এবং সুইজারল্যান্ডে ২.১০ শতাংশ সম্পদ কর আদায় হয়। সঠিকভাবে বাস্তবায়ন করা গেলে বাংলাদেশেও ১০ হাজার কোটি টাকার বেশি রাজস্ব আদায় সম্ভব।
পলিসি এক্সচেঞ্জ বাংলাদেশের চেয়ারম্যান ড. মাশরুর রিয়াজ বলেন, যাদের আয় ও সম্পদ বেশি তাদের করও বেশি হওয়া উচিত, এই নীতির আলোকে সম্পদ কর কার্যকর হতে পারে। তবে সম্পদের সঠিক মূল্য নির্ধারণ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ, না হলে কর ফাঁকি ও সম্পদ গোপনের প্রবণতা বাড়তে পারে।
এনবিআরের কর্মকর্তারা মনে করছেন, নতুন ব্যবস্থায় রাজস্ব বাড়বে দুটি কারণে, ন্যূনতম করের সমপরিমাণ সম্পদ কর নিশ্চিত করা এবং দলিলমূল্যের পরিবর্তে বাজারমূল্য বিবেচনায় আনার ফলে করের আওতা বিস্তৃত হওয়া। এতে আগে করের বাইরে থাকা অনেক উচ্চসম্পদশালী ব্যক্তি করের আওতায় আসবেন।
সংস্কার/ইএমই
তারল্য সংকট মোকাবিলা এবং গ্রাহকদের স্বাভাবিক ব্যাংকিং সেবা নিশ্চিত করতে ইসলামী ব্যাংক বাংলাদেশ পিএলসিকে আরও ১ হাজার ৫০০ কোটি টাকা ঋণ দিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক। বুধবার দেওয়া এই সহায়তাসহ গত তিন দিনে কেন্দ্রীয় ব্যাংক থেকে মোট ৬ হাজার ৫০০ কোটি টাকা ঋণ পেয়েছে দেশের বৃহত্তম শরিয়াহভিত্তিক ব্যাংকটি।
ইসলামী ব্যাংকের চেয়ারম্যানসহ পুরো পরিচালনা পর্ষদ বাতিলের পর ব্যাংকটির কার্যক্রম ধীরে ধীরে স্বাভাবিক হতে শুরু করেছে। কয়েক দিন ধরে গ্রাহকদের মধ্যে থাকা উদ্বেগ অনেকটাই কমেছে। ফলে নগদ অর্থ উত্তোলনের চাপ কমার পাশাপাশি আবারও মেয়াদি আমানত (এফডিআর/এমটিডিআর) হিসাব চালু করতে আগ্রহ দেখাচ্ছেন
ইসলামী ব্যাংকে সম্পূর্ণ নিরপেক্ষ পরিচালনা পর্ষদ গঠনের প্রক্রিয়া চলছে বলে জানিয়েছেন ব্যাংকের নবনিযুক্ত প্রশাসক মোহাম্মদ জহির হোসেন। দায়িত্ব গ্রহণের পর সাংবাদিকদের তিনি বলেন, সীমিত সময়ের জন্য প্রশাসক হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন এবং নিরপেক্ষ ব্যক্তিদের নিয়ে পরিচালনা পর্ষদ গঠনের উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে।
আমানতকারীদের স্বার্থ, ব্যাংকের স্থিতিশীলতা এবং জনস্বার্থ বিবেচনায় ইসলামী ব্যাংক বাংলাদেশ পিএলসির পরিচালনা পর্ষদ ভেঙে দিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক। একই সঙ্গে চেয়ারম্যান মো. খুরশীদ আলমসহ সব পরিচালকের নিয়োগ বাতিল করা হয়েছে। পর্ষদের সব ক্ষমতা ও দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্বাহী পরিচালক