আল— হজ্ব : ৩০ থেকে ৩৯
আল কুরআন (আল— হজ্ব : ৩০ থেকে ৩৯) ৩০. এগুলো (হজ্বের বিধান)। এ ছাড়া যে, আল্লাহ এবং পবিত্র (স্থান ও অনুষ্ঠান) সমূহের প্রতি সম্মান দেখাবে, তার প্রভ...
বিস্তারিতনবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন
সাঈদ ইবনু আবদুর রহমান মাখযূমী রা. আব্বাদ ইবনু তামীম তৎপিতৃব্য আবদুল্লাহ্ ইবনু যায়দ রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত যে, তিনি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয...
বিস্তারিতবাংলাদেশের ইতিহাসে আরেকটি অন্তর্বর্তীকালীন সরকার গঠিত হলো
নোবেল বিজয়ী প্রফেসর ড. মুহাম্মদ ইউনুস এর নেতৃত্বে বাংলাদেশের ইতিহাসে আরেকটি অন্তর্বর্তীকালীন সরকার গঠিত হলো। নিঃসন্দেহে এই সরকার একটি বিপ্লবোত্তর সরক...
বিস্তারিত
ছবি : সংগৃহীত
সংস্কার ২৯ এপ্রিল ২০২৬ বুধবার: হরমুজ প্রণালিতে চলমান উত্তেজনা ও অবরোধের মধ্যেই আগামী মাসে ওপেক (তেল রপ্তানিকারক দেশগুলোর জোট) থেকে বেরিয়ে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে সংযুক্ত আরব আমিরাত। বিশ্লেষকদের মতে, এই পদক্ষেপ সৌদি আরবের জন্য কূটনৈতিক চ্যালেঞ্জ হওয়ার পাশাপাশি যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পকে সন্তুষ্ট করার কৌশলও হতে পারে। খবর দ্য মিডল ইস্ট আই।
বিশ্লেষকদের মতে, ইরানকে ঘিরে চলমান সংঘাত উপসাগরীয় অঞ্চলে ঐক্য গড়ে তোলার বদলে পুরোনো বিভাজন ও প্রতিদ্বন্দ্বিতাকে আরও বাড়িয়ে তুলছে। ওপেক ছাড়ার পেছনে সৌদি আরবের সঙ্গে দীর্ঘদিনের মতবিরোধও বড় কারণ। মূল বিরোধ ছিল তেল উৎপাদন নিয়ে, সৌদি আরব দাম স্থিতিশীল রাখতে উৎপাদন কম রাখতে চাইলেও আমিরাত বরাবরই উৎপাদন বাড়ানোর পক্ষে।
গ্লোবাল রিস্ক ম্যানেজমেন্টের প্রধান বিশ্লেষক আরনে লোহমান রাসমুসেন বলেন, আমিরাত উৎপাদন বাড়াতে চায়, আর সৌদি আরব দামের কৌশলে বিশ্বাসী। দুই দেশের অর্থনৈতিক কাঠামোর পার্থক্যও এতে ভূমিকা রেখেছে। সৌদি আরবে প্রায় সাড়ে তিন কোটি মানুষ বাস করে এবং তাদের তেলের মজুত বেশি। অন্যদিকে আমিরাতে নাগরিক সংখ্যা প্রায় ১০ লাখ হওয়ায় তেল আয়ের ভাগ কম মানুষের মধ্যে বণ্টিত হয়। এছাড়া ভবিষ্যতে উৎপাদন বাড়াতে আমিরাত ব্যাপক অবকাঠামো বিনিয়োগ করেছে।
রাসমুসেনের মতে, ওপেকে সবচেয়ে বেশি অব্যবহৃত উৎপাদন সক্ষমতা রয়েছে আমিরাতের, তাই এখন তেল উত্তোলন অর্থনৈতিকভাবে যৌক্তিক, কারণ ভবিষ্যতে তেলের দাম কমে যেতে পারে।
বিশেষজ্ঞদের মতে, যুক্তরাষ্ট্র-ইসরাইল ও ইরান সংঘাতের আগে থেকেই সৌদি আরবও ধীরে ধীরে উৎপাদন বাড়ানোর দিকে ঝুঁকছিল। মিডল ইস্ট বিশ্লেষক গ্রেগ প্রিডি বলেন, নীতিগত পার্থক্য আগে থেকেই ছিল, তবে এখন সৌদি আরবও বাজারে অংশ বাড়াতে চাইছে। তাই আমিরাতের সিদ্ধান্তটি রাজনৈতিক বলেই মনে হচ্ছে।
অ্যাটলান্টিক কাউন্সিলের গবেষক এলেন ওয়াল্ডের মতে, এই সিদ্ধান্ত যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলের সঙ্গে সমঝোতার অংশ হতে পারে, যেখানে ইরানের বিরুদ্ধে সহায়তার বিনিময়ে ওপেককে দুর্বল করা হচ্ছে।
ওপেকের তৃতীয় বৃহৎ উৎপাদক দেশ হিসেবে আমিরাতের এই সিদ্ধান্ত এমন সময়ে এসেছে, যখন তারা যুক্তরাষ্ট্রকে ইরানের বিরুদ্ধে যুদ্ধ চালিয়ে যেতে উৎসাহ দিচ্ছে এবং ইসরাইলের সঙ্গে সম্পর্ক জোরদার করছে। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ইরানের হামলার আশঙ্কায় আমিরাতকে সহায়তা দিতে ইসরাইল ‘আয়রন ডোম’ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা পাঠিয়েছে।
উপসাগরীয় দেশগুলোতে হাজার হাজার মার্কিন সেনা মোতায়েন রয়েছে এবং তারা মার্কিন অস্ত্রের ওপর নির্ভরশীল। অনেক দেশ ইরানে হামলা না চালানোর আহ্বান জানালেও শেষ পর্যন্ত যুক্তরাষ্ট্রের পাশে দাঁড়িয়েছে।
সৌদি আরব যুক্তরাষ্ট্রকে সামরিক সহায়তা দিলেও পাকিস্তানের মাধ্যমে কূটনৈতিক সমাধানের চেষ্টা করেছে। বিপরীতে, আমিরাত প্রকাশ্যে ও গোপনে যুক্তরাষ্ট্রকে ইরানে হামলা চালিয়ে যেতে উৎসাহ দিয়েছে এবং আলোচনা প্রক্রিয়া বাধাগ্রস্ত করার চেষ্টা করেছে।
বিশ্লেষকদের মতে, ওপেক ছাড়ার সিদ্ধান্ত যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে সম্পর্ক আরও জোরদার করার অংশ। ট্রাম্প দীর্ঘদিন ধরে ওপেকের সমালোচনা করে আসছেন, তাই এটি তার মন জয় করার উদ্যোগ হতে পারে। শিগগিরই আমিরাত-যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে নতুন প্রতিরক্ষা চুক্তি হতে পারে বলেও ধারণা করা হচ্ছে। ইতোমধ্যে আমিরাতের পররাষ্ট্রমন্ত্রী শেখ আবদুল্লাহ বিন জায়েদ মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিওকে জানিয়েছেন, তারা দীর্ঘমেয়াদি যুদ্ধের জন্য প্রস্তুত।
ডলার সংকট মোকাবিলায় যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে কারেন্সি সোয়াপ চুক্তির প্রস্তাবও দিয়েছে আমিরাত। বিশ্লেষকদের মতে, সৌদি আরবের নেতৃত্বাধীন ওপেক ও ওপেক প্লাস জোটে প্রতিযোগিতার অংশ হিসেবেই এই সিদ্ধান্ত এসেছে। এক পশ্চিমা কূটনীতিক বলেন, এতে সৌদি আরব ক্ষুব্ধ হতে পারে এবং মনে হচ্ছে আমিরাতের বড় কোনো পরিকল্পনা রয়েছে।
উপসাগরীয় অঞ্চলে প্রভাব বিস্তার নিয়েও দুই দেশের প্রতিদ্বন্দ্বিতা চলছে। ইয়েমেন, সুদান ও লিবিয়ার সংঘাতেও তারা ভিন্ন পক্ষকে সমর্থন দিচ্ছে।
আমিরাতের জ্বালানিমন্ত্রী সুহাইল আল-মাজরুই বলেন, বর্তমান পরিস্থিতিতে ওপেক ছাড়ার সময়টি উপযুক্ত, এতে উৎপাদকদের ওপর প্রভাব কম পড়বে। প্রিন্সটন বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক বার্নার্ড হেইকেল বলেন, ওপেক ছাড়লে আমিরাত আর সৌদি আরবের শর্ত মানতে বাধ্য থাকবে না, যা তাদের ক্ষমতা বাড়াবে।
বর্তমানে হরমুজ প্রণালিকে ঘিরে ইরান-যুক্তরাষ্ট্রের পাল্টাপাল্টি অবরোধে জ্বালানি সরবরাহ প্রায় স্থবির। আগে প্রতিদিন প্রায় ৩৫ লাখ ব্যারেল তেল রপ্তানি করলেও এখন তা কমে প্রায় ১৯ লাখ ব্যারেলে নেমেছে, যা ফুজাইরাহ বন্দরের পাইপলাইনের মাধ্যমে পাঠানো হচ্ছে।
বিশ্লেষকদের মতে, যুদ্ধ শেষে তেলের ঘাটতির কারণে আমিরাতের বাড়তি উৎপাদন সহজেই বাজারে গ্রহণযোগ্য হবে। তবে দীর্ঘমেয়াদে এই সিদ্ধান্ত ৬৫ বছর পুরনো ওপেক জোটের জন্য বড় ধাক্কা হতে পারে। রাসমুসেনের ভাষায়, এটি ওপেকের জন্য বড় আঘাত, হয়তো আমরা এর অবসানের শুরু দেখছি।
সংস্কার/ইএমই
দুবাইয়ে গ্রেপ্তার হওয়া সাবেক আইজিপি বেনজীর আহমেদকে দেশে ফিরিয়ে আনতে প্রয়োজনীয় আইনি ও কূটনৈতিক প্রক্রিয়া শুরু করেছে বাংলাদেশ। এ বিষয়ে আন্তর্জাতিক পুলিশ সংস্থা ইন্টারপোলকে আনুষ্ঠানিকভাবে চিঠি পাঠিয়েছে পুলিশের ন্যাশনাল সেন্ট্রাল ব্যুরো (এনসিবি)। সোমবার পাঠানো ওই চিঠিতে জানানো হয়েছে, নির্ধারিত
দীর্ঘদিনের উত্তেজনা ও সংঘাতের পর ইরান ও যুক্তরাষ্ট্র শান্তি চুক্তিতে পৌঁছেছে। চুক্তির আওতায় হরমুজ প্রণালি টোলমুক্তভাবে উন্মুক্ত করা এবং মার্কিন নৌ-অবরোধ প্রত্যাহারের সিদ্ধান্ত হয়েছে। রোববার (১৪ জুন) মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প, পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরিফ এবং ইরানের রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যম পৃথকভাবে এ তথ্য
সৌদি আরবে প্রিমিয়াম রেসিডেন্সি হোল্ডারদের জন্য পৃথক ওয়ার্ক পারমিট নেওয়া বাধ্যতামূলক করেছে দেশটির শ্রমবাজার ব্যবস্থাপনা বিষয়ক ডিজিটাল প্ল্যাটফর্ম ‘কিউয়া’। নতুন নিয়ম অনুযায়ী, এ পারমিটের জন্য ১০০ সৌদি রিয়াল ফি নির্ধারণ করা হয়েছে। সৌদি মানবসম্পদ ও সামাজিক উন্নয়ন মন্ত্রণালয়ের তত্ত্বাবধানে পরিচালিত কিউয়া প্ল্যাটফর্মের
মালয়েশিয়ায় রোহিঙ্গা শরণার্থীদের বিরুদ্ধে নতুন করে বিদ্বেষমূলক প্রচারণা শুরু হয়েছে। ‘আকু আনাক মালয়েশিয়া’ নামে চেঞ্জ ডট অর্গে চালু হওয়া একটি অনলাইন পিটিশনে প্রধানমন্ত্রী আনোয়ার ইব্রাহিমের কাছে রোহিঙ্গাদের দেশ থেকে বহিষ্কারের দাবি জানানো হয়। মাত্র কয়েক সপ্তাহে পিটিশনটিতে প্রায় সাড়ে চার লাখ স্বাক্ষর জমা পড়ে