আল— হজ্ব : ৩০ থেকে ৩৯
আল কুরআন (আল— হজ্ব : ৩০ থেকে ৩৯) ৩০. এগুলো (হজ্বের বিধান)। এ ছাড়া যে, আল্লাহ এবং পবিত্র (স্থান ও অনুষ্ঠান) সমূহের প্রতি সম্মান দেখাবে, তার প্রভ...
বিস্তারিতনবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন
সাঈদ ইবনু আবদুর রহমান মাখযূমী রা. আব্বাদ ইবনু তামীম তৎপিতৃব্য আবদুল্লাহ্ ইবনু যায়দ রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত যে, তিনি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয...
বিস্তারিতবাংলাদেশের ইতিহাসে আরেকটি অন্তর্বর্তীকালীন সরকার গঠিত হলো
নোবেল বিজয়ী প্রফেসর ড. মুহাম্মদ ইউনুস এর নেতৃত্বে বাংলাদেশের ইতিহাসে আরেকটি অন্তর্বর্তীকালীন সরকার গঠিত হলো। নিঃসন্দেহে এই সরকার একটি বিপ্লবোত্তর সরক...
বিস্তারিত
ছবি : সংগৃহীত
সংস্কার ১৯ জানুয়ারী ২০২৬: আসন্ন গণভোটে প্রাতিষ্ঠানিক সংস্কারের বিষয়ে ‘হ্যাঁ’ ভোটের পক্ষে প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূস ও অন্তর্বর্তী সরকারের প্রকাশ্য অবস্থান নিয়ে নিরপেক্ষতা প্রশ্নে যে আলোচনা তৈরি হয়েছে, সে বিষয়ে স্পষ্ট ব্যাখ্যা দিয়েছে প্রধান উপদেষ্টার প্রেস উইং। গতকাল রোববার দেওয়া এই ব্যাখ্যায় বলা হয়, বর্তমান রাজনৈতিক বাস্তবতা, অন্তর্বর্তী সরকারের ম্যান্ডেট এবং আন্তর্জাতিক গণতান্ত্রিক চর্চার আলোকে এ অবস্থান সম্পূর্ণ যৌক্তিক।
প্রেস উইং জানায়, সংকটময় সময়ে নীরব থাকা নিরপেক্ষতার পরিচায়ক নয়; বরং তা দায়িত্বশীল নেতৃত্বের অভাব নির্দেশ করে। অন্তর্বর্তী সরকার কেবল দৈনন্দিন রাষ্ট্র পরিচালনা বা নির্বাচন আয়োজনের জন্য নয়, বরং দীর্ঘদিনের অপশাসন থেকে সৃষ্ট শাসনতান্ত্রিক সংকট, জনঅনাস্থা ও প্রাতিষ্ঠানিক দুর্বলতা কাটিয়ে উঠতে গণঅভ্যুত্থানের প্রেক্ষাপটে গঠিত হয়েছে। দেশি-বিদেশি স্বীকৃতি অনুযায়ী, এ সরকারের মূল দায়িত্ব রাষ্ট্রকে স্থিতিশীল করা, গণতান্ত্রিক বিশ্বাসযোগ্যতা পুনরুদ্ধার করা এবং নির্বাচিত সরকারের কাছে ক্ষমতা হস্তান্তরের আগে প্রয়োজনীয় সংস্কারের একটি গ্রহণযোগ্য কাঠামো তৈরি করা।
ব্যাখ্যায় উল্লেখ করা হয়, গত ১৮ মাসে রাজনৈতিক দল, নাগরিক সমাজ, পেশাজীবী ও তরুণদের সঙ্গে ব্যাপক পরামর্শের মাধ্যমে প্রধান উপদেষ্টা যে সংস্কার প্রস্তাব তৈরি করেছেন, বর্তমান সংস্কার প্যাকেজ তারই ফল। তাই এই সংস্কারের পক্ষে অবস্থান না নেওয়ার পরামর্শ অন্তর্বর্তী সরকারের মূল উদ্দেশ্যকে ভুলভাবে বোঝার শামিল। যে সরকার সংস্কারের দায়িত্ব নিয়ে গঠিত, গণতান্ত্রিক সিদ্ধান্তের সময়ে সেই সংস্কার থেকে দূরে থাকবে, এমন প্রত্যাশা বাস্তবসম্মত নয়।
আন্তর্জাতিক গণতান্ত্রিক চর্চার উদাহরণ টেনে প্রেস উইং জানায়, অন্তর্বর্তীকালীন বা নির্বাচিত, কোনো সরকারপ্রধানের জন্য গুরুত্বপূর্ণ সাংবিধানিক বা প্রাতিষ্ঠানিক পরিবর্তন নিয়ে নীরব থাকার বাধ্যবাধকতা নেই। গণতন্ত্রে নেতারা জাতীয় স্বার্থে প্রয়োজনীয় সংস্কারের পক্ষে যুক্তি তুলে ধরবেন এবং চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত জনগণের ওপর ছেড়ে দেবেন, এটাই প্রত্যাশিত।
ব্যাখ্যায় আরও বলা হয়, গণভোট কোনো টেকনোক্র্যাটিক প্রক্রিয়া নয়; এটি জনগণের সরাসরি মতামত জানানোর গণতান্ত্রিক মাধ্যম। সরকারের দায়িত্বশীল ব্যক্তিরা তাদের অবস্থান স্পষ্ট করলে ভোটাররা আরও তথ্যভিত্তিক ও অর্থবহ সিদ্ধান্ত নিতে পারেন। গণতান্ত্রিক বৈধতার তিনটি মূল শর্তও তুলে ধরা হয়, ভোটারদের স্বাধীনভাবে মত দেওয়ার সুযোগ, বিরোধী পক্ষের মুক্ত প্রচারণা এবং স্বচ্ছ ও বিশ্বাসযোগ্য প্রক্রিয়া, যা বর্তমান প্রেক্ষাপটে অক্ষুণ্ন রয়েছে বলে দাবি করা হয়।
প্রেস উইং জানায়, সংস্কার ও গণভোট বাংলাদেশের বাস্তব সংকটের প্রেক্ষাপটেই বিবেচ্য। এটি দীর্ঘদিনের শাসনব্যর্থতার জবাব, যা রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠান দুর্বল করেছে, প্রতিদ্বন্দ্বিতাহীন নির্বাচন ও তত্ত্বাবধায়ক সংস্থার রাজনীতিকরণের মাধ্যমে দেশকে সংকটে ফেলেছে। এই বাস্তবতায় প্রধান উপদেষ্টার সংস্কারপক্ষে অবস্থান ধারাবাহিকতা ও জবাবদিহিতার প্রকাশ। যিনি নিজে সমস্যা চিহ্নিত করে সমাধানে ঐকমত্য তৈরির নেতৃত্ব দিয়েছেন, তার নীরব থাকা হবে অসংগত ও দায়িত্বহীন।
আন্তর্জাতিক নজির হিসেবে যুক্তরাজ্যের ২০১৬ সালের ব্রেক্সিট গণভোট, স্কটল্যান্ডের ২০১৪ সালের স্বাধীনতা গণভোট, তুরস্কের ২০১৭ সালের সাংবিধানিক গণভোটসহ কিরগিজস্তান ও ফ্রান্সের বিভিন্ন গণভোটের উদাহরণ দেওয়া হয়। এসব ক্ষেত্রে সরকারপ্রধানদের প্রকাশ্য অবস্থানকে অগণতান্ত্রিক নয়, বরং রাজনৈতিক জবাবদিহিতার স্বাভাবিক প্রকাশ হিসেবে দেখা হয়েছে।
বাংলাদেশের ক্ষেত্রে একটি গুরুত্বপূর্ণ পার্থক্য তুলে ধরে প্রেস উইং জানায়, গণভোটের ফলাফলের সঙ্গে অন্তর্বর্তী সরকারের কোনো নির্বাচনী স্বার্থ জড়িত নয়। প্রধান উপদেষ্টা ও তার উপদেষ্টারা ক্ষমতা দীর্ঘায়িত করা, ব্যক্তিগত বা দলীয় লাভের উদ্দেশ্যে কাজ করছেন না; তাদের দায়িত্ব সময়সীমাবদ্ধ ও অন্তর্বর্তী।
জেলা পর্যায়ে সরকারি প্রচারণা নিয়ে উদ্বেগের বিষয়ে বলা হয়, এসব কার্যক্রমের উদ্দেশ্য সংস্কারের বিষয়বস্তু ও গুরুত্ব জনগণের কাছে পরিষ্কার করা, বিশেষ করে যেখানে ভুল তথ্য ও বিভ্রান্তি অংশগ্রহণে বাধা সৃষ্টি করে। ক্রান্তিকালে এ ধরনের সরকারি সম্পৃক্ততা স্বাভাবিক এবং এটি বিরোধী মত দমন করে না; বরং সচেতন সিদ্ধান্তে সহায়তা করে।
ব্যাখ্যায় বলা হয়, বাংলাদেশের জন্য সবচেয়ে বড় ঝুঁকি সমর্থনে নয়, বরং দ্বিধা ও নীরবতায়। সংস্কারের পক্ষে অবস্থান না নিলে জনগণের আস্থা ক্ষুণ্ন হবে এবং পরিবর্তনের ধারাবাহিকতা ব্যাহত হবে। শেষ পর্যন্ত সিদ্ধান্ত জনগণের হাতেই থাকবে, এটাই গণতন্ত্রের নিশ্চয়তা। নেতৃত্ব সেই সিদ্ধান্ত কেড়ে নেয় না, বরং তা স্পষ্ট ও অর্থবহ করতে সহায়তা করে।
সংস্কার/ইএমই
জাতীয় সংসদ নির্বাচনের পর স্থানীয় সরকার নির্বাচনেও নিষিদ্ধ রাজনৈতিক দলের নেতাকর্মীদের প্রার্থী হওয়া ঠেকাতে নতুন বিধান আনতে যাচ্ছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। এ জন্য আচরণ বিধিমালায় ‘অঙ্গীকার’ নামে একটি নতুন ধারা যুক্ত করার প্রস্তাব করা হয়েছে। ইসি সচিবালয়ের প্রস্তুত করা খসড়া অনুযায়ী, নির্বাচনে অংশ নিতে আগ্রহী প্রার্থীদের কমিশন
দীর্ঘ ১১ বছর পর দুটি পে স্কেলের সমন্বয়ে নবম পে স্কেল বাস্তবায়নের উদ্যোগ নেওয়ায় সরকারকে ধন্যবাদ জানিয়েছে বাংলাদেশ সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারী কল্যাণ সমিতি। তবে সংগঠনটি প্রথম ধাপেই শতভাগ মূল বেতন (বেসিক) কার্যকরের দাবি জানিয়েছে। রোববার সংগঠনের আহ্বায়ক আবদুল মালেক ও সদস্য সচিব
দীর্ঘদিনের আলোচনার পর আগামী ১ জুলাই থেকে সরকারি চাকরিজীবীদের জন্য নবম জাতীয় বেতন কাঠামো কার্যকর হচ্ছে। নতুন এই পে স্কেলের আওতায় আধা-স্বায়ত্তশাসিত ও স্বায়ত্তশাসিত সংস্থার কর্মকর্তা-কর্মচারীরাও সুবিধা পাবেন। সচিবালয়ে ২১ মে নবম পে স্কেল চূড়ান্ত করতে গঠিত সচিব কমিটির এক গুরুত্বপূর্ণ বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়।
স্থানীয় সরকার নির্বাচনকে আরও সুষ্ঠু ও প্রতিযোগিতামূলক করতে আইন, বিধিমালা ও আচরণবিধিতে বড় ধরনের পরিবর্তনের উদ্যোগ নিয়েছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। একই সঙ্গে গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশ (আরপিও) সহজ ভাষায় নতুনভাবে পুনর্লিখনের সম্ভাবনাও আলোচনা হচ্ছে। স্থানীয় সরকার নির্বাচন অধ্যাদেশ সংসদে পাস হওয়ার পর নির্বাচন