আল— হজ্ব : ৩০ থেকে ৩৯
আল কুরআন (আল— হজ্ব : ৩০ থেকে ৩৯) ৩০. এগুলো (হজ্বের বিধান)। এ ছাড়া যে, আল্লাহ এবং পবিত্র (স্থান ও অনুষ্ঠান) সমূহের প্রতি সম্মান দেখাবে, তার প্রভ...
বিস্তারিতনবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন
সাঈদ ইবনু আবদুর রহমান মাখযূমী রা. আব্বাদ ইবনু তামীম তৎপিতৃব্য আবদুল্লাহ্ ইবনু যায়দ রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত যে, তিনি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয...
বিস্তারিতবাংলাদেশের ইতিহাসে আরেকটি অন্তর্বর্তীকালীন সরকার গঠিত হলো
নোবেল বিজয়ী প্রফেসর ড. মুহাম্মদ ইউনুস এর নেতৃত্বে বাংলাদেশের ইতিহাসে আরেকটি অন্তর্বর্তীকালীন সরকার গঠিত হলো। নিঃসন্দেহে এই সরকার একটি বিপ্লবোত্তর সরক...
বিস্তারিত
ছবি : সংগৃহীত
সংস্কার ২১ জানুয়ারী ২০২৬: দেশের ভবিষ্যৎ গড়া ও গণতান্ত্রিক পরিবেশ টিকিয়ে রাখতে জনগণকে অবশ্যই ‘হ্যাঁ’ ভোট দিতে হবে, এমন মন্তব্য করেছেন অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের নৌপরিবহন এবং শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) ড. এম সাখাওয়াত হোসেন। তিনি বলেন, কোনো রাজনৈতিক দল যদি ‘না’ ভোটের পক্ষে অবস্থান নেয়, তবে তারা শহীদের রক্তের ওপর দাঁড়িয়ে সেই রক্তের সঙ্গেই বেইমানি করছে। বুধবার ২১ জানুয়ারি ২০২৬ দুপুরে ঠাকুরগাঁওয়ের মির্জা রুহুল আমিন মিলনায়তনে জেলা প্রশাসনের আয়োজনে ‘গণভোট প্রচার বিষয়ক মতবিনিময় সভা’ শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব কথা বলেন।
ড. সাখাওয়াত হোসেন বলেন, যারা ক্ষমতার অপব্যবহার করতে চায়, তারাই মূলত ‘না’ ভোটের দিকে ঝুঁকে পড়ে। বর্তমানে ‘হ্যাঁ’ ভোটকে কেন্দ্র করে নানা ধরনের অপপ্রচার চালানো হচ্ছে। পরিবর্তন চাইলে জনগণকে সচেতন হয়ে ‘হ্যাঁ’ ভোট দিতে হবে, কারণ নিজেদের ভবিষ্যৎ নির্ধারণের ক্ষমতা এখন জনগণের হাতেই। এই ধরনের সংস্কারের সুযোগ বারবার আসে না।
সংবিধান সংস্কার প্রসঙ্গে তিনি আরও বলেন, সংবিধান সরাসরি পরিবর্তন করা সম্ভব না হওয়ায় জনগণের দ্বারস্থ হতে হয়েছে। জনগণ যদি ‘হ্যাঁ’ ভোটকে বিজয়ী করতে পারে, তাহলে ভবিষ্যতে পার্লামেন্টে গিয়ে কোনো জনপ্রতিনিধি চাইলেও সংস্কারের বাইরে গিয়ে কিছু করতে পারবে না। মতবিনিময় সভায় উপস্থিত ছিলেন ঠাকুরগাঁওয়ের অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক নাজমুল হক সুমন, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার খোদাদাদ হোসেনসহ সরকারি বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তা ও স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ।
সংস্কার/ইএমই
জাতীয় সংসদ নির্বাচনের পর স্থানীয় সরকার নির্বাচনেও নিষিদ্ধ রাজনৈতিক দলের নেতাকর্মীদের প্রার্থী হওয়া ঠেকাতে নতুন বিধান আনতে যাচ্ছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। এ জন্য আচরণ বিধিমালায় ‘অঙ্গীকার’ নামে একটি নতুন ধারা যুক্ত করার প্রস্তাব করা হয়েছে। ইসি সচিবালয়ের প্রস্তুত করা খসড়া অনুযায়ী, নির্বাচনে অংশ নিতে আগ্রহী প্রার্থীদের কমিশন
দীর্ঘ ১১ বছর পর দুটি পে স্কেলের সমন্বয়ে নবম পে স্কেল বাস্তবায়নের উদ্যোগ নেওয়ায় সরকারকে ধন্যবাদ জানিয়েছে বাংলাদেশ সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারী কল্যাণ সমিতি। তবে সংগঠনটি প্রথম ধাপেই শতভাগ মূল বেতন (বেসিক) কার্যকরের দাবি জানিয়েছে। রোববার সংগঠনের আহ্বায়ক আবদুল মালেক ও সদস্য সচিব
দীর্ঘদিনের আলোচনার পর আগামী ১ জুলাই থেকে সরকারি চাকরিজীবীদের জন্য নবম জাতীয় বেতন কাঠামো কার্যকর হচ্ছে। নতুন এই পে স্কেলের আওতায় আধা-স্বায়ত্তশাসিত ও স্বায়ত্তশাসিত সংস্থার কর্মকর্তা-কর্মচারীরাও সুবিধা পাবেন। সচিবালয়ে ২১ মে নবম পে স্কেল চূড়ান্ত করতে গঠিত সচিব কমিটির এক গুরুত্বপূর্ণ বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়।
স্থানীয় সরকার নির্বাচনকে আরও সুষ্ঠু ও প্রতিযোগিতামূলক করতে আইন, বিধিমালা ও আচরণবিধিতে বড় ধরনের পরিবর্তনের উদ্যোগ নিয়েছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। একই সঙ্গে গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশ (আরপিও) সহজ ভাষায় নতুনভাবে পুনর্লিখনের সম্ভাবনাও আলোচনা হচ্ছে। স্থানীয় সরকার নির্বাচন অধ্যাদেশ সংসদে পাস হওয়ার পর নির্বাচন